HijabPrio

HijabPrio “Every hijab tells a story — yours can start here.”

promise to deliver you excellent wareables.

টক্সিক মানুষ (Toxic person) বলতে এমন মানুষকে বোঝায়,যার আচরণ অন্যের জন্য মানসিকভাবে ক্ষতিকর, কষ্টদায়ক বা চাপের কারণ হয়।🎇 ...
26/02/2026

টক্সিক মানুষ (Toxic person) বলতে এমন মানুষকে বোঝায়,

যার আচরণ অন্যের জন্য মানসিকভাবে ক্ষতিকর, কষ্টদায়ক বা চাপের কারণ হয়।

🎇 টক্সিক মানুষের লক্ষণ:
সবসময় নেগেটিভ কথা বলে
অকারণে দোষারোপ করে
অপমান করে বা ছোট করে
মিথ্যা বলে বা চালাকি করে
অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ করতে চায়
নিজের ভুল কখনও স্বীকার করে না

🎇 এমন মানুষের সাথে থাকলে কী হয়?
মন খারাপ থাকে
আত্মবিশ্বাস কমে যায়
স্ট্রেস ও দুশ্চিন্তা বাড়ে

🎆 কী করবেন?
সীমা (boundary) ঠিক করুন
অপ্রয়োজনীয় তর্ক এড়িয়ে চলুন
সম্ভব হলে দূরত্ব বজায় রাখুন
নিজের মানসিক শান্তিকে গুরুত্ব দিন
আপনি কি কারও আচরণ নিয়ে চিন্তিত? চাইলে বলুন, আমি বুঝতে সাহায্য করব।

21/02/2026
🤲 কী কী চাইবেন আল্লাহর কাছেমোনাজাতে, সিজদায়, সালাম ফিরানোর আগে—🌿 ১. ঈমান ও হিদায়াহ১️⃣ নিজের হিদায়াহ এবং মৃত্যু পর্যন্ত ত...
07/02/2026

🤲 কী কী চাইবেন আল্লাহর কাছে
মোনাজাতে, সিজদায়, সালাম ফিরানোর আগে—
🌿 ১. ঈমান ও হিদায়াহ
১️⃣ নিজের হিদায়াহ এবং মৃত্যু পর্যন্ত তাওহীদের পথে থাকার তাওফিক।
২️⃣ শির্ক ও বিদআতমুক্ত জীবন যাপনের তাওফিক।
৩️⃣ ইখলাস ও সুন্দর আখলাকে ভরপুর জীবন।
🌿 ২. দুনিয়ার বরকত ও সুস্থতা
৪️⃣ আজীবন শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা, অন্তরের সুকুন।
৫️⃣ উত্তম, হালাল ও পবিত্র রিযিক্ব।
৬️⃣ সময়ের মধ্যে বারাকাহ।
৭️⃣ নেক আমল, ইবাদাত ও দোয়ায় বারাকাহ।
🌿 ৩. পরিবার ও প্রিয়জন
৮️⃣ বাবা-মা ও পরিবারের হিদায়াহ।
৯️⃣ বাবা-মা ও পরিবারের সুস্থতার সাথে দীর্ঘ নেক হায়াত।
🔟 নেককার, চক্ষুশীতলকারী জীবনসঙ্গী ও সন্তান—
যারা মুসলিম উম্মাহর উপকারে আসবে।
১️⃣১️⃣ স্বামীর হায়াত ও রোজগারে বারাকাহ।
১️⃣২️⃣ অল্প বয়সে বিধবা বা তালাকপ্রাপ্ত হওয়া থেকে পানাহ।
🌿 ৪. আখিরাতের নিরাপত্তা
১️⃣৩️⃣ নিজের ও পরিবারের জন্য কবর ও জাহান্নামের আযাব থেকে পানাহ।
১️⃣৪️⃣ কিয়ামতের দিন পরিবারসহ আল্লাহর আরশের ছায়া।
১️⃣৫️⃣ সহজ হিসাবের দোয়া।
১️⃣৬️⃣ ডান হাতে আমলনামা পাওয়া।
১️⃣৭️⃣ মিযানের পাল্লা নেকিতে ভারী হওয়া।
১️⃣৮️⃣ চোখের পলকে পুলসিরাত পার হওয়ার তাওফিক।
🌿 ৫. রাসূল ﷺ ও জান্নাতের নেয়ামত
১️⃣৯️⃣ রাসূল ﷺ এর হাতে হাউযে কাওসারের পানি পান করা।
২️⃣০️⃣ বিনা হিসাবে, বিনা আযাবে পরিবারসহ জান্নাতুল ফেরদৌস লাভ।
২️⃣১️⃣ কিয়ামতের দিন রাসূল ﷺ এর সুপারিশ নসীব হওয়া।
২️⃣২️⃣ জান্নাতে রাসূল ﷺ এর প্রতিবেশী হওয়ার তাওফিক।
🌿 ৬. মৃত্যু ও পরকাল
২️⃣৩️⃣ উত্তম ও সুন্দর শহীদি মৃত্যু।
২️⃣৪️⃣ জীবন ও মৃত্যুর ফিতনা থেকে পানাহ।
২️⃣৫️⃣ আল্লাহর সন্তুষ্টির সাথে পবিত্র আত্মা নিয়ে মৃত্যু।
🌿 ৭. ইবাদাত ও দ্বীনি জীবন
২️⃣৬️⃣ কবুলযোগ্য ইবাদাত করার তাওফিক।
২️⃣৭️⃣ অধিক হারে দান-সাদাকা করার তাওফিক।
২️⃣৮️⃣ কবুলযোগ্য উমরাহ ও হজ করার তাওফিক।
২️⃣৯️⃣ মদীনাবাসী হওয়ার তাওফিক।
৩️⃣০️⃣ মদীনায় ঈমানি হালতে মৃত্যু।
🌿 ৮. চরিত্র ও আত্মশুদ্ধি
৩️⃣১️⃣ আল্লাহর শোকরগুজার বান্দা হওয়ার তাওফিক।
৩️⃣২️⃣ বিপদে উত্তম সবর করার তাওফিক।
৩️⃣৩️⃣ জবান হেফাজত করার তাওফিক।
৩️⃣৪️⃣ গীবত, মিথ্যা, পরনিন্দা, হিংসা ও অহংকার থেকে বেঁচে থাকার তাওফিক।
৩️⃣৫️⃣ অতিরিক্ত সোশ্যাল মিডিয়া আসক্তি থেকে পানাহ।
🌿 ৯. কুরআন, যিকির ও দাওয়াহ
৩️⃣৬️⃣ দিনে-রাতে কুরআন ও যিকিরের সাথে লেগে থাকার তাওফিক।
৩️⃣৭️⃣ সিজদাহ, সালাম ফিরানোর আগে ও মোনাজাতে কবুলযোগ্য দোয়া করার তাওফিক।
৩️⃣৮️⃣ অযথা অহেতুক ঘর থেকে বের হওয়া থেকে পানাহ।
৩️⃣৯️⃣ দিনে-রাতের সুন্নাহ আমলের তাওফিক।
৪️⃣০️⃣ দ্বীনের জ্ঞান অর্জনে ও কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক সঠিক দ্বীন প্রচারের তাওফিক।
🌸 শেষ কথা
এই ছোট্ট দুনিয়ার জীবনে দোয়া চাওয়ার কোনো শেষ নেই।
দুনিয়াবিমুখ হয়ে, আখিরাতমুখী হোন।
যে দোয়া করবেন—আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে করবেন।
নিজের জন্য যে দোয়া করবেন,
সেই দোয়াই পরিবার ও প্রিয়জনদের জন্য করবেন।
সকলের ভালো চেয়ে অন্তরকে প্রশস্ত ও সুস্থ রাখবেন।

মাত্র তিন দিন 🌙অথচ আল্লাহ পুরো এক মাসের সওয়াব দেন।আর আমরা সহজ অংককে কঠিন করে ফেলছি নাতো?আমরা সবাই ব্যস্ত। কাজের চাপ, সংস...
02/02/2026

মাত্র তিন দিন 🌙
অথচ আল্লাহ পুরো এক মাসের সওয়াব দেন।
আর আমরা সহজ অংককে কঠিন করে ফেলছি নাতো?

আমরা সবাই ব্যস্ত। কাজের চাপ, সংসারের টান, মাথার ভেতর অজস্র চিন্তা। ছোট কথায় রাগ উঠে যায়, সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে দ্বিধা আসে, নিজের উপরই নিজের বিরক্তি জন্মায়। অনেক সময় মনে হয়, আমি ঠিক আছি তো?

এই জায়গাতেই রাসূলুল্লাহ (স.) আমাদের জন্য রেখে গেছেন একটি অসাধারণ সহজ আমল; ❝প্রতি মাসে তিন দিন রোজা রাখলে পুরো মাস রোজা রাখার সমান সওয়াব হয়।❞

এই তিন দিনকে বলা হয় আইয়্যামুল বীয। হিজরি মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ। এই দিনগুলোতে চাঁদ উজ্জ্বল থাকে বলেই একে বলা হয় সাদা বা উজ্জ্বল দিন। রাসূলুল্লাহ (স.) নিজে এই দিনগুলোতে রোজা রাখতেন এবং সাহাবিদের উৎসাহ দিতেন। আবু হুরাইরা (রা.) বলেন, তাঁর প্রিয় বন্ধু (স.) তাকে তিনটি বিষয়ে ওসিয়ত করেছিলেন, তার একটি ছিল প্রতি মাসে তিন দিন রোজা রাখা।

মাত্র তিন দিন। কিন্তু ফজিলত এতো বড় কেন?
কারণ ইসলামে একটি নেক কাজের সওয়াব কমপক্ষে দশ গুণ। তিন দিনের রোজা মানে ত্রিশ দিনের সওয়াব। যারা মনে করেন, আমার পক্ষে বড় বড় আমল করা সম্ভব না, এই আমলটা তাদের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে এক সহজ দরজা।

এই রোজার প্রভাব শুধু আমলনামায় সীমাবদ্ধ থাকে না, জীবনের ভেতরেও কাজ করে। মাসে তিন দিনের এই অভ্যাসে নিজেকে সংযত রাখার চর্চা তৈরি হয়। ক্ষুধার ভেতর ধৈর্য আসে, ধৈর্যের ভেতর নিয়ন্ত্রণ আসে। আর এই নিয়ন্ত্রণটাই কাজের চাপ, সংসারের দায়িত্ব, সিদ্ধান্তের ভার সামলাতে সাহায্য করে। রাগ কমে, কথা নরম হয়, নিজের উপর নিজের দখল একটু সহজ হয়।

এই আমলের গুরুত্ব হজের সফরে আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। যারা হজ বা উমরায় গেছেন, তারা জানেন সেখানে ইবাদতের চেয়েও বড় পরীক্ষা হয় নিজের মন সামলানো। ভিড়, অপেক্ষা, ক্লান্তি, সিদ্ধান্ত, অনিশ্চয়তা সব একসাথে আসে। আইয়্যামুল বীযের মতো আমল মানুষকে এমন মানসিক ভারসাম্য দেয়, যাতে সে তাওয়াফের ভিড়ে, হারামের চাপে, মানুষের ভিড়ে নিজেকে ভেঙে পড়তে দেয় না।

এই কারণেই হজের প্রস্তুতি শুধু নিয়মকানুন জানা বা তালিকা বানানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলে না। ভেতরের মানুষটাকেও প্রস্তুত করা জরুরি। এই সঠিক বোঝাপড়ার দিকগুলোতেই আলোকপাত হয় আমাদের ইৎমিনান হজ ট্রেইনিং সেশনগুলোতে। সেখানে হজযাত্রীরা শুধু কী করবেন তা নয়, কেন করবেন সেটাও বুঝে নেওয়ার সুযোগ পান।

একটি বিষয় পরিষ্কার করে বলা দরকার। জিলহজ্জ মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ তাশরিকের দিন। এই দিনগুলোতে রোজা রাখা জায়েজ নয়। তবে আলেমদের মতে, এই মাসে তাশরিকের দিন ছাড়া অন্য যে কোনো তিন দিন একই নিয়তে নফল রোজা রাখা যাবে।

উমরাহ অবস্থায় আইয়্যামুল বীযের রোজা রাখা জায়েজ, তবে ফরজ নয়। রোজা রেখে যদি তাওয়াফ, সায়ী ও অন্যান্য ইবাদত ঠিকভাবে করা যায় তাহলে রাখা যায়। আর কষ্টের কারণ হলে বাদ দেওয়া উত্তম। কারণ নফল ইবাদত কখনো বড় ইবাদতকে দুর্বল করার জন্য নয়। ইসলাম চাপের দ্বীন না, ভারসাম্যের দ্বীন।

বেশি কিছু না। হিজরি ক্যালেন্ডার ফলো করুন, পরিবারকে সঙ্গী করুন, নিয়ত পরিষ্কার রাখুন। আমলটা ছোট, কিন্তু নিয়মিত হলে ভেতরে মজবুত কিছু তৈরি হয়। হয়তো আজ হজ বা উমরার কথা ভাবছেন না। কিন্তু যেদিন ভাববেন, এই অভ্যাসগুলোই নীরবে জানিয়ে দেবে, আপনি প্রস্তুত হচ্ছেন।

এই মাসের আইয়্যামুল বীয কবে থেকে শুরু জানেন কি? চাইলে কমেন্টে বা ইনবক্সে জানিয়ে দিতে পারি, ইনশাআল্লাহ।

আল্লাহ আমাদের এই তিন দিনের রোজা অর্থাৎ আইয়্যামুল বীযের আমল করার তাওফিক দান করুন, সহজ করুন, কবুল ও মঞ্জুর করুন। আমাদের হৃদয়কে সঠিক পথে স্থির রাখুন। আমিন ইয়া রব্ব 🤲

31/01/2026



"হাদিসটা পড়ুন, খুশিতে কাঁন্না চলে আসবে আল্লাহপাক যে কত মহান..! হযরত মুসা (আঃ) একদিন আল্লাহর কাছে জিজ্ঞাসা করলেনঃহে প্রভু...
29/01/2026

"হাদিসটা পড়ুন, খুশিতে কাঁন্না চলে আসবে আল্লাহপাক যে কত মহান..! হযরত মুসা (আঃ) একদিন আল্লাহর কাছে জিজ্ঞাসা করলেনঃ
হে প্রভু! আমার অনুসারীদের মধ্যে কে সবচেয়ে বড় পা*পি..?"

আল্লাহর উত্তরঃ "যে ব্যক্তি সর্বপ্রথম এই পথ অতিক্রম করবে, সে ব্যক্তি-ই হলো তোমার অনুসারীদের মধ্যে বড় পা*পী"

আল্লাহর কথানুযায়ী হযরত মুসা (আঃ) বসে দেখছেন, কিছুক্ষণ পর দেখলেন এক ব্যাক্তি ছোট একটি ছেলেকে কোলে করে পথ অতিক্রম করছে।
হযরত মুসা (আঃ) বুঝে ফেললেন এই সেই বড় পা/পী

হযরত মুসা (আঃ) আল্লাহ কে বললেনঃ হে"প্রভু, এখন আমাকে সবচেয়ে নেকী মানুষটিকে দেখান।"

আল্লাহর উত্তরঃ "সূর্য ডুবার সাথে সাথে যে লোকটি তোমার পূর্বস্থান দিয়ে চলে যাবে সেই হইলো সবচেয়ে নেকী"

হযরত মুসা (আঃ) সূর্য ডুবার বেশ আগের থেকে বসে রইলেন যেই সূর্য ডুবছিলো দেখলেন সে সকালের ঐ ব্যাক্তি-ই ছোট ছেলেকে কোলে করে ফিরে যাচ্ছে।

মুসা (আঃ) হতভম্ব হয়ে আল্লাহকে জিজ্ঞাসা করলেনঃ "প্রভু একই ব্যক্তি মহা পা*পী আবার মহা নেকী" .

আল্লাহ বললেনঃ "হে- মুসা! সকালে যখন এই ব্যাক্তি ছেলেকে সাথে নিয়ে তোমাকে অতিক্রম করে জঙ্গলে প্রবেশ করলো, তখন কোলের ছেলেটি বাবাকে প্রশ্ন করে ছিলো, বাবা!
এই জঙ্গল কতবড়?
বাবা উত্তরে বলেছিলো,অনেক বড়।

ছেলে আবার প্রশ্ন করলো, বাবা! জঙ্গল থেকে কি বড় কোনো কিছু আছে?
তখন বাবা বলেছিলো, হ্যাঁ বাবা! ঐ পাহাড়গুলো জঙ্গল থেকে বড়। ছেলে পুনরায় প্রশ্ন করলো,পাহাড় থেকে কি বড় কিছু আছে?
বাবা বললো, আছে, এই আকাশ।

ছেলে আবার প্রশ্ন করলো, আকাশ থেকে কি বড় কিছু আছে?
সেই ব্যক্তি বললো, হ্যাঁ, আমার পা*প এই আকাশ থেকেও বড়। ছেলে বাবার এ উত্তর শোনে বললো, বাবা!

তোমার পাপ থেকে বড় কি কোনো কিছু নেই?
তখন বাবাটি চিৎকার দিয়ে ছেলেটিকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে কাঁদতে বললো আমার পাপ থেকেও অনেক অনেক বড় আমাদের আল্লাহর রহমত।

হে-মুসা! এই ব্যক্তির পাপের অনুভূতি ও অনুশোচনা আমার এতোই পছন্দ হয়েছে যে সবচেয়ে পাপী ব্যক্তিকে সবচেয়ে' নেককার ব্যক্তি বানিয়ে দিয়েছি।
মনে রেখো আমার শা*স্তির হাত থেকে ক্ষমার হাত বহুগুন বড়।

হে আল্লাহ আপনি আমাদের সকলকে পিছনের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে সামনের দিনগুলোকে সত্যপথে চলার তাওফিক দান করুন"
আমিন

রাসূল (সাঃ) বলেন, আল্লাহ ওই ব্যক্তির চেহারা উজ্জ্বল করে দেন,যে আমার কোনো হাদিস শুনেছে। অতঃপর অন্যের কাছে পৌঁছে দিয়েছে।

আবু দাউদঃ ৫১৫

মাত্র ৩০০ টায় ২ টি হিজাব #ধামাকা #অফার #হিজাব #হিজাবপ্রিয়
23/01/2026

মাত্র ৩০০ টায় ২ টি হিজাব
#ধামাকা
#অফার
#হিজাব
#হিজাবপ্রিয়

মাহে রমজান এর সময় সূচী 🩷রমজান তো চলেই এলো 🌙🤲দেখে নিন ইফতার এবং সেহরির সঠিক সময়সূচি ✅সবাইকে মাহে রমজানের শুভেচ্ছা  🌙❤️  ...
22/01/2026

মাহে রমজান এর সময় সূচী 🩷
রমজান তো চলেই এলো 🌙🤲
দেখে নিন ইফতার এবং সেহরির সঠিক সময়সূচি ✅
সবাইকে মাহে রমজানের শুভেচ্ছা 🌙❤️

#রমযান #রমজান

☘︎ ফজরের জন্য যে আমলগুলো অনেক ফজিলতপূর্ণ"‼️*🌻যারা এখনো আমলগুলো করেননি করে নেন, 🔘১। সূরা ইখলাস, নাস,ফালাক (৩বার) করে পড়ে ...
12/01/2026

☘︎ ফজরের জন্য যে আমলগুলো অনেক
ফজিলতপূর্ণ"‼️*🌻

যারা এখনো আমলগুলো করেননি করে নেন,

🔘১। সূরা ইখলাস, নাস,ফালাক (৩বার) করে পড়ে পুরো শরীরে মাসাহ করা।
💫ফজিলতঃ জিন,প্রেত,জাদুটনাও সকল কিছুর নিরাপত্তার জন্য ৩কুলই যথেষ্ট হবে।

🔘২। আল্লাহু আকবার (১০০ বার)
আল্লাহর পছন্দের শ্রেষ্ঠ চারটি বাক্যের মধ্যে একটি।

🔘৩। সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি (১০০ বার)
💫ফজিলতঃ যে ব্যক্তি সকাল সন্ধ্যা ১০০ বার করে এটি পড়বে কেয়ামতের দিন তার থেকে বেশি সওয়াবের অধিকারী আর কেউ হবে না।
[সহীহ মুসলিম- ২৬৯২]

🔘৪। আলহামদুলিল্লাহ (১০০ বার)
💫ফজিলতঃ এটি হলো সর্বোত্তম দোয়া।
যে ব্যক্তি সকাল সন্ধ্যা ১০০ বার আলহামদুলিল্লাহ পড়বে সে জিহাদের উদ্দেশ্যে ১০০ ঘোড়া দান করার সমপরিমাণ সওয়াব পাবে। [তিরমিজি হাদিস- ৩৪৭১]

🔘৫। সাইদুল ইস্তেগফার (১বার)
💫ফজিলতঃ এটি হলো শ্রেষ্ঠ তওবা। যে ব্যক্তি দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে এটি দিনে পাঠ করে রাতে অথবা রাতে পাঠ করে দিনে মারা যাবে, সে ব্যক্তি জান্নাতি।
[বুখারী, ৬৩০৬] আবু দাউদ - ১৪০০।

🔘৬। সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি, আদাদা খলক্কিহি,
ওয়া রিদা নাফসিহী, ওয়া যিনাতা 'আরশিহী,ওয়া মিদা-দা কালিমা-তিহী (৩বার)
💫ফজিলতঃ উপরোক্ত বাক্যটি ৩বার পড়ে মানে সারা সকাল জিকির করার থেকে ও উত্তম মর্যাদাপূর্ণ।
[সহীহ
নাম থেকে বাঁচার দোয়া:
"আল্লাহুম্মা আজিরনি মিন্নার।"(৭বার)

★জান্নাত লাভের দোয়া:
"আল্লাহুম্মা ইন্নি আসকালুকাল জান্নাতা ওয়া আউযুবিকা মিনান্নার" (৩বার)

★বিনা হিসাবে জান্নাত লাভের দোয়া:
"আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল জান্নাতা বিগ্বইরি হিসাব" (৩বার)।

🔘৮। ঐচ্ছিক দরুদ পড়ার চেষ্টা করা,যতবার সম্ভব যেকোনো ছোট দুরুদ ও পড়লেও হবে।
💫ফজিলতঃ রাসুল (সাঃ) এর উপর দুরুদ শরীফ পাঠ করার ফজিলত অসীম যা বলে শেষ করা যাবে না।

🔘৯। হাসবিআল্লা-হু লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহ হুয়া 'আলাইহি তাওয়াক্কালতু, ওহুয়া রাব্বুল 'আরশিল আজিম। (৭বার)।
💫ফজিলতঃ যে ব্যক্তি সকাল সন্ধ্যা ৭বার করে পড়বে তার সমস্ত দুশ্চিন্তা,পেরেশানিতার দুনিয়াবী এবং আখিরাতের সব চিন্তার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট হবেন।
[আবু দাউদ,৩২১]

🔘১০। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ইয়্যুহয়ী ওয়া ইয়্যুমীতু ওয়াহুয়া আলা কুল্লি শাই'ইন ক্বাদীর। (১০বার)

🔘১১। আল্লাহুম্মা আঈন্নি আলা যিকিরিকা ওয়া শুকরিকা ওয়াও হুসনি ইবাদাতিকা। (১০বার)

✿︎❀ফজরের আমলগুলো কমবেশি সবাই করতে চেষ্টা করবেন ইনশাআল্লাহ। 😊
নিঃসন্দেহে ফজরের মানুষদের জন্য রয়েছে এক বিশেষ পুরস্কার, যা কখনোই একজন ঘুমন্ত মানুষ পেতে পারেনা।

✨ফজর নামাজ; এটি আপনাকে আল্লাহর হেফাজতে রাখে।
✨সুন্নত নামাজ; দুনিয়া ও তার ভেতরের সবকিছুর চেয়ে উত্তম।
✨কোরআন তেলাওয়াত: নিশ্চয়ই ফজরের কুরআন তেলাওয়াতটি সাক্ষ্যযুক্ত হয়। [সূরা ইসরা,আয়াত ৭৮]

নিজের জন্য দোয়া লিস্ট 🤲উত্তমরূপে মুনাজাত শিখি—আমাদের দু’আর সবচেয়ে বেশি হক্বদার আমরা নিজেরাই। রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) এর সুন্নাহ...
05/01/2026

নিজের জন্য দোয়া লিস্ট 🤲
উত্তমরূপে মুনাজাত শিখি—

আমাদের দু’আর সবচেয়ে বেশি হক্বদার আমরা নিজেরাই। রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) এর সুন্নাহ, কারো জন্য দু’আ করলে প্রথমে নিজের জন্য দু’আ করা।
— (মুসনাদে আহমদ ২১২৪৭ (৫/১২১)

দু’আতেই সব সুখ! একমাত্র দোয়াই ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারে, মৃত্যু পর্যন্ত পিছিয়ে যায়(নেক হায়াৎ বৃদ্ধি পায়)।

❑ ইয়া আল্লাহ, ইয়া হাইয়্যু ইয়া কাইয়্যুম, ইয়া জাল জালালি ওয়াল ইকরাম, আমাকে দুনিয়া ও আখিরাতে কল্যাণ দাও।

❑ তুমিই আল্লাহ, তুমি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। আমি তোমার নিকট আশ্রয় চাচ্ছি জাহান্নাম ও কবরের আযাব থেকে।

❑ আমি তোমার কাছে পানাহ চাই তাকদিরের খারাপ কিছু থেকে।

❑ হে আল্লাহ! আমার উপর তোমার রহমত, দয়া, বরকত, শান্তি, ক্ষমা বর্ষণ করো।

❑ ক্ষমা করে দাও আমার আগের পাপ, আমার পরের পাপ, আমার ছোট-বড় সকল পাপ, আমার গোপন পাপ, আমার প্রকাশ্য পাপ। আমার বাড়াবাড়ি এবং যে সকল পাপের কথা তুমি ভালো জানো। ক্ষমা করো সেসব পাপ, যা আমি ভুলে যাই। ক্ষমা করো সেসব পাপ, যা আমি পাপই মনে করি না।

❑ আমাকে আশ্রয় দাও বিতাড়িত শয়তান থেকে, তার ওয়াসওয়াসা থেকে ও অতৃপ্ত নফস থেকে।

❑ আমাকে আশ্রয় দাও দুনিয়ার জীবনের ফিতনা ও মৃত্যুর ফিতনা থেকে। এবং দাজ্জালের অমঙ্গল থেকে।

❑ আমার জন্য তোমার করুনার দরজা, তোমার রহমতের দরজা খুলে দাও।

❑ আমার রিজিকে প্রশস্ততা দাও। অঢেল বরকতময় রিজিক দাও। বেহিসাবি রিজিক দাও। এবং সেসব তোমার সন্তুষ্টি অনুযায়ী তোমার পথে ব্যয় করার নসীব দাও।

❑ আমাকে সন্তুষ্টি ও কৃতজ্ঞতার জীবন দাও। পরিপূর্ণ সুস্থতা, নিরাপত্তা দাও।

❑ আমাকে মৃত্যু অবধি পরিপূর্ণ হিদায়তের উপর অটল রাখো। আমাকে এক মূহুর্তের জন্যও নিজের জিম্মায় ছেড়ে দিও না।

❑ ইয়া রব্ব, আমার অভিভাবক, বন্ধু হিসেবে তুমিই যথেষ্ট হয়ে যাও।

❑ হে আমার প্রতিপালক, আমাকে বানিয়ে দাও তোমার জন্য অধিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশকারী, অধিক যিকরকারী, অধিক তাকওয়াবান, তোমার প্রতি অধিক বিনয়ী, অধিক আনুগত্যকারী, তোমার প্রতি বেশি বেশি তওবাকারী।

❑ আমার জিহ্বাকে তোমার যিকর দ্বারা সুসজ্জিত, পবিত্র করে দাও। আমার কলবকে আখিরাতের ফিকির দ্বারা পূর্ণ করে দাও।

❑ আমার তওবা কবুল করে নাও। আমার পাপকে ধুয়ে দাও, আমার দুআ কবুল করো। আমার জিহ্বাকে পবিত্র ও সুসংরক্ষিত রাখো।

❑ আমার অন্তরকে সুপথে পরিচালিত করো। হিংসা, বিদ্বেষ, সংকীর্ণতাসহ সমস্ত অন্তরের রোগ থেকে আমার অন্তরকে পবিত্র রাখো।

❑ আমার হৃদয়কে আজীবনের জন্য প্রশান্ত করে দাও।

❑ যা কিছু আমাকে পীড়িত করে, সেসব কিছু আমার কাছ থেকে সরিয়ে নাও।

আমার ইজ্জত-আব্রুকে হেফাজত করো আমার মৃত্যু অবধি এবং এর পরেও।

❑ দুনিয়ার কারো কাছে আমার মাথা নত হতে দিও না। সৃষ্টির মুখাপেক্ষী হওয়া থেকে পানাহ দাও।

❑ আল্লাহ! আমাকে দুনিয়া ও আখিরাতে আফিয়াতের সাথে সম্মানিত করো।

❑ আমাকে দুনিয়ায় দাও উত্তম বাসস্থান, উত্তম পরিজন, উত্তম সঙ্গী ও উত্তম রিজিক। আখিরাতকে করো দুনিয়ার চেয়ে বহুগুণে উত্তম, পবিত্র ও সম্মানিত।

❑ মৃত্যুকে আমার জন্য সহজ ও আনন্দদায়ক করে দাও। ইজ্জতের সাথে আমার মৃত্যু দাও। জবানে কালিমা রেখে, অন্তরে তোমার ভরপুর ভালোবাসা, তাকওয়া রেখে মৃত্যুবরণ করার তওফিক দাও। আমাকে শাহাদাতের মৃত্যু দাও। রাসুলের শহরে আমার মৃত্যু দাও। জান্নাতুল বাকিতে দাফন হওয়ার নসীব দাও। আমার কবরকে প্রশস্ত, আরামদায়ক করে দাও।

❑ তোমার নিয়ামত দেওয়ার পর তা ছিনিয়ে নিও না। এবং এর সাথে পরীক্ষাও রেখো না।

❑ আমাকে এমন কষ্ট দিও না, যা আমার ইমানকে সংকটে ফেলবে, আমার অন্তর বিধ্বস্ত করে দিবে। আমার শরীর ভেঙে দিবে। আমলে ঘাটতি আনবে।

❑ আমি তোমার কাছে দুনিয়া ও আখিরাতের যাবতীয় কল্যাণ চাই। আমার জানা-অজানা যত কল্যাণ, সব তুমি আমায় দাও। আমার জানা-অজানা সমস্ত অকল্যাণ থেকে আমাকে আজীবন পানাহ দাও।

❑ হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে এমন উত্তম জ্ঞান চাই, যা আমার ও দশের উপকারে আসবে। আমাকে যা শিখিয়েছো, তা দ্বারা আমার নিজের ও অন্যের উপকার করার তওফিক দাও।

❑ আমাকে সবসময় তুমি উত্তম হালতে রাখো। আমার অতীতের চেয়ে বর্তমান ও ভবিষ্যতকে আরো বেশি উত্তম করো।

❑ আমাকে তোমার যিকর, শোকর, ইবাদাত সুন্দরভাবে করার তওফিক দাও।

❑ আমাকে আশ্রয় দাও কৃপণতা থেকে, কাপুরুষতা থেকে, অপমানকর অতি বৃদ্ধ বয়সে পৌঁছান থেকে।

❑ তুমি আমার দ্বীনকে সংশোধিত, কল্যাণময় করো। আমাকে দুনিয়ায় এমন কল্যাণ দাও, যা আখিরাতের কল্যাণকে নিশ্চিত করে।

❑ দুশ্চিন্তা, ডিপ্রেশন, উৎকণ্ঠা, বেদনা, ক্লেশ, অলসতা, অক্ষমতা, নীচতা, লাঞ্ছনা, হতাশা, মানুষের প্রভাব থেকে পানাহ চাই। আর পানাহ চাই প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য অশ্লীলতা থেকে।

❑ ইয়া আল্লাহ! আমার সান্নিধ্যকে মানুষের জন্য স্বস্তিদায়ক বানিয়ে দাও। আমার চরিত্রকে এমন জায়গায় উন্নীত করো যেন আমার সংস্পর্শে এলে মানুষের তোমার কথা স্মরণ হয়। প্রতিটা সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমাকে তুমি বেস্ট ভার্সনটা দাও। আমাকে এমন নূর দাও, আমার জবানে, চরিত্রে, চেহারায় এমন নূর, সৌন্দর্য দাও, যেন মানুষ স্বস্তি পেতে, সান্নিধ্যে পেতে আমার কাছে আসতে চাইবে।

❑ ইয়া রব্ব! তোমার কোনো বান্দা আমার উপর যেন প্রকাশ্যে ও অপ্রকাশ্যে জুলুম করতে না পারে। আমিও যেন তোমার কোনো বান্দার উপর জুলুম না করি।

❑ আমাকে সবসময় এমন মানুষদের সঙ্গে রেখো, যাদের সঙ্গ ঈমানকে বৃদ্ধি করে।

❑ মা-বাবা ও জীবনসঙ্গীর সন্তুষ্টি নিয়ে তোমার সাথে সাক্ষাতের তওফিক দাও।

❑ আমাকে তুমি আরশের নিচে ছায়া দাও। আমার জন্য হিসাবকে সহজ করো। আমলনামা ডানহাতে দাও। বিদ্যুৎগতিতে পুলসিরাত পার করিয়ে দাও।

❑ আমার আল্লাহ! জাহান্নামের ঠান্ডা বাতাসও আমার দ্বারা সহ্য করা সম্ভব না। আমাকে, আমার প্রিয়জনদের তুমি বিনা হিসাবে জান্নাতুল ফেরদৌসে ঠাঁই দাও।

Collected

একদা হযরত ঈসা (আ.) একটি কবরস্থানের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি আল্লাহর হুকুমে কবরের এক মৃত ব্যক্তিকে জীবিত করলেন। লোকটি কবর...
02/01/2026

একদা হযরত ঈসা (আ.) একটি কবরস্থানের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি আল্লাহর হুকুমে কবরের এক মৃত ব্যক্তিকে জীবিত করলেন। লোকটি কবরের মাটি ঝেড়ে উঠে দাঁড়াল। (উল্লেখ্য, হযরত ঈসা (আ.)-এর অন্যতম প্রধান মুজেযা (অলৌকিক ক্ষমতা) ছিল, তিনি মহান আল্লাহর হুকুমে মৃত ব্যক্তিকে জীবিত করতে পারতেন। )

হযরত ঈসা (আ.) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, "দুনিয়াতে তোমার কাজ কী ছিল?"

লোকটি উত্তর দিল, "হে আল্লাহর নবী! আমি একজন কুলি ছিলাম। মানুষের বোঝা মাথায় বহন করতাম এবং তা দিয়েই জীবিকা নির্বাহ করতাম। আমার জীবনটি খুব সাধারণ ছিল।"

হযরত ঈসা (আ.) জিজ্ঞেস করলেন, "তবে তোমার কবরের অবস্থা কী? তোমার হিসাব-নিকাশ কেমন চলছে?"

লোকটি কাঁদতে কাঁদতে বলল,

"একবার আমি এক ব্যক্তির এক বোঝা লাকড়ি (জ্বালানি কাঠ) মাথায় করে তার বাড়িতে পৌঁছে দিচ্ছিলাম। পথিমধ্যে আমার দাঁতের ফাঁকে কিছু একটা আটকে গিয়েছিল। আমি মালিকের অজান্তেই সেই লাকড়ির বোঝা থেকে একটি ছোট্ট কাঠি (খিলাল হিসেবে ব্যবহারের জন্য) ভেঙে নিলাম এবং তা দিয়ে দাঁত খিলাল করলাম।

এরপর যখন আমার মৃত্যু হলো, আল্লাহ তা’আলা আমাকে বললেন, 'হে আমার বান্দা! তুমি কি জানতে না যে আমি তোমাকে আজ এই হিসাবের কাঠগড়ায় দাঁড় করাব? অমুক ব্যক্তি তার টাকা দিয়ে কাঠ কিনেছিল এবং তোমাকে মজুরি দিয়েছিল তা বয়ে নেওয়ার জন্য। তুমি সেই মালিকের অনুমতি ছাড়া কেন একটি কাঠি ভেঙে নিলে?'

হে আল্লাহর নবী! আল্লাহর কসম, আমি আজ ৪০ বছর ধরে এই একটিমাত্র খড়কুটোর হিসাব দিয়ে যাচ্ছি কিন্তু আজও মুক্তি পাইনি! দয়া করে আপনি আমার জন্য আল্লাহর কাছে সুপারিশ করুন।"

আমরা অনেক সময় অন্যের অতি ক্ষুদ্র জিনিস অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করি। আমরা একে খুব তুচ্ছ মনে করি। কিন্তু মনে রাখতে হবে, আল্লাহর কাছে ‘আমানত’ অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। অন্যের হক যদি একটি খড়কুটোর সমপরিমাণও হয়, তবুও পরকালে তার কড়ায়-গণ্ডায় হিসাব দিতে হবে।

সূত্র: আয যাহরুল ফাইহ (ইমাম ইবনুল জাওযি রহ.)

Address

Mirpur
Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when HijabPrio posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to HijabPrio:

Share

The short story of the struggle

বরাবরই আমার ব্যবসার প্রতি একটা ঝোঁক ছিল। মাস্টার্স ক্লাস করার পাশাপাশি জবে ঢুকলাম। বেশি দিন জবটা করাও হয়নি। তারপর ২০১৫ এর শেষে বিয়ে করি। মনে মনে একটা আশা ব্যবসার ছিলোই । ভাবতাম কি করা যায়। ২০১৬ তে কারো পরামর্শ না নিয়েই পেজ খুলি। রেডিমেইড হিজাব নিয়েই যাত্রা শুরু করি। হিজাব পণ্যটা কে ভালোলাগা থেকেই যেহেতু পেজ খুলেছিলাম, তাই কাজটা প্যাশন নিয়ে করছি । আর তাই আস্তে আস্তে আমার পর্দাও একটু বেড়ে যায়।

আর ব্যবসা শুরু করি মাত্র ৬০০০ টাকা দিয়ে। সবাই খুব হাসাহাসি করতো। আস্তে আস্তে আগাতে আগাতে একটা সময় সবাই আমাকে অনেক সাপোর্ট করে। প্রথম প্রথম তো আমার বেস্ট ফ্রেন্ডদের ও বলতে লজ্জা লাগছিলো যে এটা আমার পেজ। হিজাব কিনিস। আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালো চলছিল।

জানিনা সফলতার সংজ্ঞা কি! তবে ভালো আছি। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমিন।

লীনা আক্তার ওনার অফ হিজাবপ্রিয়