12/06/2025
বিমান দুর্ঘটনায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে যেটা হয়, বিমান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কয়েকবার ঘুরপাক খেয়ে বিধ্বস্ত হয়। ভিডিও দেখলেই বুঝা যায়, বিমানের উপর পাইলটের কোন নিয়ন্ত্রণ নাই..
অথচ আজকের আহমেদাবাদ ট্র্যাজেডির ভিডিওটা একটু আলাদা, মনে হচ্ছে এটাই নিয়তি।
উপরে উঠার বদলে বিমানটি আস্তে আস্তে শান্তভাবে নিচে নেমে যাচ্ছে। খুব সম্ভবত ইঞ্জিনের কোন ত্রুটি আগে থেকেই ছিল ;
পাইলটের দক্ষতা বা জীবনব্যাপী অভিজ্ঞতা (দুই পাইলটের মিলে প্রায় ৯৩০০ ঘন্টা বিমান চালানোর অভিজ্ঞতা) কিছুই এসব মুহূর্তে কাজে আসে না..
আরো বেশি দু:খজনক হলো,
উড্ডয়নের সাথে সাথেই ক্র্যাশ হওয়ায় সম্পূর্ণ ফুয়েলই রয়ে গিয়েছিল। এক্সপ্লোশান এর তীব্রতাও তাই প্রচন্ড। বিমানটি আছড়ে পড়ে পাশেই ডাক্তারদের একটি হোস্টেলে। ওখানে ৫০ জন মারা গেছেন বলে আশংকা, ১৫ জন ডাক্তার আহত।
ছবিতে দেখা যাচ্ছে হোস্টেলের ডাইনিং রুম, সবার প্লেটে দুপুরের খাবার সাজানো। ঠিক এই সময়েই বিমানটি এখানে আছড়ে পড়ে। খাবারগুলো ঐরকমই সাজানো আছে, মানুষগুলো নাই হয়ে গেল। জীবন এতটাই অনিশ্চিত...
ফেসবুকে কিছু কমেন্টে খুব বিশ্রীভাবে করা হয়েছে,,এমনি কি কারো কারো উল্লাসও দেখলাম!!!
ভারতে হয়েছে তাই মনে করছে কারো পাপের হয়তো শাস্তি হয়েছে। কেউ কেউ আবার বোয়িং আর এয়ারবাসের মার্কেট শেয়ারে কি প্রভাব পড়বে এগুলো নিয়ে আলোচনা করছেন। এই মুহূর্তে এইসব প্রতিটি আলোচনাই দৃষ্টিকটু।
এইভাবে পৃথিবীর তাবত ঘটনা দুর্ঘটনায় মুখ খুলে আমরা আমাদের জাত চিনাইয়া আসি...
মৃত্যুই সবচেয়ে বড় সত্য,
প্রতিটি প্রাণের জন্য সমবেদনা থাকুক ; দেশ , ধর্ম, অর্থনীতি, রাজনীতি নির্বিশেষে ...
সংগৃহিত