KangaroosWorld

KangaroosWorld Member of e-Commerce Association of Bangladesh. It offers its client/s flexible & reasonable rate maintaining good quality. You can choose whatever you like.

http://www.e-cab.net/members/kangaroosworld/ KangaroosWorld.com is basically Quality & reasonable pricing online platform. This retail platform inspires anyone from anywhere in Bangladesh and from around the world to purchase different products. It offers a various kinds of products like Clothing, Computer, Laptops, Tablets, Cell Phones, Watches, Perfumes, Gadgets, Books, Leather Items, Eyewears,

Sports Items & Accessories, Jewelers, Home/ Kitchen Appliances, and so many. To purchase through KangaroosWorld.com, anyone can use debit/ credit/atm/visa/master card, also one can pay through using mobile banking or even can pay cash when receiving product/s. Finally, KangaroosWorld.com always believed on "Quality & Grace in Online Shopping”! Company Overview:
Your KangaroosWorld manufacture of underwear and all kinds of clothing item. KangaroosWorld has arrived to be your mainly favorite Online clothing store, Our online store web addresses is: http://www.kangaroosworld.com/ KangaroosWorld showcases clothing products from all categories such as clothing Underwear, Winter collection, Men’s, Lady’s, Boys, Girls, Chaldean, Customize, Occasion and Others! Our collection combines the latest in fashion trends as well as the all-time favorites. Our products are exclusively selected for you. We, at KangaroosWorld, have all clothing product you need under one place. Is the ultimate online shopping destination for Bangladesh offering completely hassle-free shopping experience through secure and trusted gateways? We offer you trendy and reliable shopping with all your favorite brands and more. Now shopping is easier, faster and always joyous. We help you make the right choice here. In tune with the vision Digital Bangladesh, KangaroosWorld opens the doorway for everybody to shop over the Internet (Computer, laptop, tab and cell phone). We constantly update with lot of new products, services and special offers. We provide on-time delivery of products and quick resolution of any concerns. We provide our customers with memorable online shopping experience. Our dedicated KangaroosWorld quality assurance team works round the clock to personally make sure the right packages reach on time. We deliver it right at your address across Bangladesh. Our services are at your doorsteps. Get the best products with the best online shopping experience every time? You will enjoy online shopping here! Description:
KangaroosWorld is the ultimate online shopping destination for Bangladesh offering completely hassle-free shopping experience through secure and trusted gateways. We offer you fashionable and reliable shopping with all your favorite brands and more.

ডাউনলোড করতে করতে হার্ডড্রাইভ এ আর জাগা কুলাচ্ছে না? বিশেষ কিছুর ব্যাকআপ টা রাখা খুব দরকার হয়ে পরেছে। নতুন অফিস এ যাচ্ছে...
06/02/2018

ডাউনলোড করতে করতে হার্ডড্রাইভ এ আর জাগা কুলাচ্ছে না? বিশেষ কিছুর ব্যাকআপ টা রাখা খুব দরকার হয়ে পরেছে। নতুন অফিস এ যাচ্ছেন কিন্তু পুরনো ইমেইল এর ব্যাকআপ তো লাগবে ই...লাগবে ই! স্যারের লেকচার গুলো সব জাগা ঘুরে ঘুরে কালেকশন করেছেন, একবারে টোটাল একটা ব্যাকআপ রাখা দরকার। ডাটা ডাটা আর ডাটা! যেকোনো ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকআপ এর জন্য নির্ভরযোগ্য স্টোরেজ হিসেবে নিশ্চিন্তে ব্যবহার করুন Transcend TS2TSJ25H3P 2TB USB 3.0 External HDD

প্রোডাক্ট ডিটেলস:
Price: 8990 Tk
Brand - Transcend
Model - Transcend J25H3P
Storage - 2TB
Type - External HDD
RPM - 5400RPM
Buffer (MB) - 8MB
Interface - USB 2.0/ 3.0
ওয়ারেন্টি : ৩ বছর

হোম/অফিস ডেলিভারি: বাংলাদেশের যেকোনো জায়গায়
Please Call us at 01835126877 For Any Kind Of Query.

ডাউনলোড করতে করতে হার্ডড্রাইভ এ আর জাগা কুলাচ্ছে না? বিশেষ কিছুর ব্যাকআপ টা রাখা খুব দরকার হয়ে পরেছে। নতুন অফিস এ যাচ্ছে...
06/02/2018

ডাউনলোড করতে করতে হার্ডড্রাইভ এ আর জাগা কুলাচ্ছে না? বিশেষ কিছুর ব্যাকআপ টা রাখা খুব দরকার হয়ে পরেছে। নতুন অফিস এ যাচ্ছেন কিন্তু পুরনো ইমেইল এর ব্যাকআপ তো লাগবে ই...লাগবে ই! স্যারের লেকচার গুলো সব জাগা ঘুরে ঘুরে কালেকশন করেছেন, একবারে টোটাল একটা ব্যাকআপ রাখা দরকার। ডাটা ডাটা আর ডাটা! যেকোনো ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকআপ এর জন্য নির্ভরযোগ্য স্টোরেজ হিসেবে নিশ্চিন্তে ব্যবহার করুন A Data HV620 1TB USB 3.0 External HDD

প্রোডাক্ট ডিটেলস:
Price: 550 Tk
Brand - A Data
Model - A Data HV620
Storage - 1TB
Type - External HDD
Buffer (MB) - 8MB
Interface - USB 2.0/USB 3.0
ওয়ারেন্টি : ৩ বছর

হোম/অফিস ডেলিভারি: বাংলাদেশের যেকোনো জায়গায়
Please Call us at 01835126877 For Any Kind Of Query.

আমরাই জিদবোই।
15/01/2018

আমরাই জিদবোই।

FIFA 2018 RUSSIA
09/12/2017

FIFA 2018 RUSSIA

শুভ জম্মদিন Diego Maradona.আজ আর্জেন্টিনার ৮৬বিশ্বকাপ এর নায়ক দ্যা গড অফ ফুটবল দিয়েগো ম্যারাডোনার শুভ জম্মদিন।এই কিংবদন্...
30/10/2017

শুভ জম্মদিন Diego Maradona.
আজ আর্জেন্টিনার ৮৬বিশ্বকাপ এর নায়ক দ্যা গড অফ ফুটবল দিয়েগো ম্যারাডোনার শুভ জম্মদিন।

এই কিংবদন্তীর ফুটবলার ১৯৬০ সালের ৩০ অক্টোবর আর্জেন্টিনার বুয়েন্স আয়ারসের এক গরিব পরিবারে জন্ম গ্রহন করেছিলেন। ফুটবল ঈশ্বর দিয়েগো ম্যারাডোনার জন্যই আর্জেন্টিনা কে সাপোর্ট করা শুরু করেছিল বিশ্ববাশী।

HappyBirthdayDayToYou Diego Maradona and many many happy returns of the day শুভ কামনায়: www.kangaroosworld.com

বরেণ্য চিত্রশিল্পী এসএম সুলতানের ২৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। # # # # এস.এম সুলতান ও তাঁর জীবনী  # # #এস.এম সুলতান ছিলেন চিত্...
10/10/2017

বরেণ্য চিত্রশিল্পী এসএম সুলতানের ২৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ।

# # # # এস.এম সুলতান ও তাঁর জীবনী # # #
এস.এম সুলতান ছিলেন চিত্রকর। তাঁর পুরো নাম শেখ মোহাম্মদ সুলতান। তবে এস.এম সুলতান নামেই তিনি অধিক পরিচিত। ১৯২৩ সালের ১০ই আগস্ট নড়াইলের মাছিমদিয়ার এক দরিদ্র কৃষক পরিবারে বাংলার এই কৃতি সন্তানের জন্ম। পারিবারিক ডাক নাম লাল মিয়া। শৈশবে সবাই তাঁকে লাল মিয়া বলেই ডাকত। দারিদ্রের শত বাধা থাকা সত্ত্বেও ১৯২৮ সালে তাঁর পিতা তাঁকে নড়াইলের ভিক্টোরিয়া কলেজিয়েট স্কুলে ভর্তি করিয়ে দেন। পাঁচ বছর পর থেমে যায় পড়াশোনা। এরপর বাবার সঙ্গে রাজমিস্ত্রির কাজ ধরেন। এখানেই এস.এম সুলতানের শুরু। চলতে থাকে বিভিন্ন দালানে দালানে ছবি আঁকা। দশ বছর বয়সের স্কুল জীবনে, স্কুল পরিদর্শনে আসা ডা. শাম্যপ্রসাদ মুখার্জ্জীর ছবি এঁকে সবার তাক লাগিয়ে দেন। দরিদ্র ঘরের সুলতানের ইচ্ছে ছিল কলকাতা গিয়ে ছবি আঁকা শিখবেন। এ সময় তাঁর প্রতিভায় চমৎকৃত হয়ে এলাকার জমিদার ধীরেন্দ্রনাথ রায় তাঁর সাহায্যে এগিয়ে আসেন। ১৯৩৮ সালে এস.এম সুলতান কলকাতায় চলে আসেন। এ সময় কলকাতায় এসে তিনি ধীরেন্দ্রনাথ রায়ের বাড়িতেই ওঠেন। ইচ্ছে ছিল অর্থ উপার্জনের পাশাপাশি শিল্প শিক্ষা। এ সময় তিনি কলকাতা আর্ট স্কুলের গভর্নিং বডির সদস্য প্রখ্যাত শিল্পী ও সমালোচক শাহেদ সোহরাওয়ার্দীর সান্নিধ্যে আসেন। সুলতানের শিক্ষার জন্য তিনি তাঁর গ্রন্থাগারের দরজা উন্মুক্ত করে দেন এবং সব ধরণের সাহায্য সহযোগিতা করতে থাকেন। যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও ১৯৪১ সালে শাহেদ সোহরাওয়ার্দীর সহযোগিতায় তিনি কলকাতা আর্ট স্কুলে ভর্তি হন। তিন বছর আর্ট স্কুলে পড়ার পর তিনি ফ্রিল্যান্স শিল্পীর জীবন শুরু করেন।

আর্ট স্কুলের বাঁধাধরা জীবন তাঁর ভাল লাগেনি। তিনি ছিলেন স্বাধীনচেতা ও ভবঘুরে প্রকৃতির। তাই প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার রীতিনীতি তিনি মেনে নিতে পারেননি। তিনি ছিলেন প্রকৃতি প্রেমী একজন আবেগি মানুষ তাই তিনি অস্বীকার করেছিলেন যান্ত্রিকতা পিষ্ট নগর ও নাগরিক জীবনকে। ১৯৪৩ সালে তিনি খাকসার আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন। তারপর দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় তিনি বেড়িয়ে পড়েন উপমহাদেশের পথে পথে। ছোট বড় শহরগুলিতে ইংরেজ ও আমেরিকান সৈন্যদের ছবি আঁকতেন। ছবি প্রদর্শনী ও ছবি বিক্রি করে চলত তাঁর জীবন। শিল্পী হিসেবে তিনি তখন কিছুটা পরিচিতি লাভ করেছিলেন। কিন্তু জাগতিক বিষয়ের প্রতি ছিল তাঁর প্রচণ্ড অনাগ্রহ। শিকড় ছড়াবার আগেই তিনি ছুটে বেড়িয়েছেন। আর তাই তখনকার আঁকা তাঁর ছবির নমুনা, এমনকি ফটোগ্রাফও এখন আর নেই। তবে সে সময় তিনি নৈসর্গিক দৃশ্য ও প্রতিকৃতির ছবি আঁকতেন। কাশ্মীরে কিছুদিন থেকে তিনি প্রচুর ছবি এঁকেছিলেন। সিমলায় ১৯৪৬ সালে তাঁর আঁকা ছবির প্রথম প্রদর্শনী হয়।

দেশ বিভাগের পর কিছু দিনের জন্য সুলতান দেশে ফেরেন। কিন্তু এর পরই ১৯৫১ সালে তিনি করাচি চলে যান। সেখানে পারসি স্কুলে দু’বছর শিক্ষকতা করেন। সে সময় চুঘতাই ও শাকের আলীর মত শিল্পীদের সাথে তাঁর পরিচয় হয়। এর আগে ১৯৫০ সালে তিনি আমেরিকায় চিত্রশিল্পীদের এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগ দেন। এবং নিউ ইয়র্ক, ওয়াশিংটন, শিকাগো, বোস্টন ও পড়ে লন্ডনে তাঁর ছবির প্রদর্শনী করেন।

শিশুদের নিয়ে সুলতানের বহু স্বপ্ন ছিল। ১৯৫৩ সালে তিনি নড়াইলে ফিরে আসেন এবং শিশু শিক্ষায় মনোনিবেশ করেন। নড়াইলে তিনি নন্দন কানন নামের একটি প্রাইমারী ও একটি হাই স্কুল এবং একটি আর্ট স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। শিশুদের জন্য কিছু করার আগ্রহ থেকে তাঁর শেষ বয়সে তিনি ‘শিশুস্বর্গ’ ও ‘চারুপীঠ’ প্রতিষ্ঠা করেন।

মধ্য পঞ্চাশে ঢাকায় আধুনিক চিত্রকলা নিয়ে প্রচুর কাজ হয়। সে সময় শিল্পীরা উৎসাহ ও আগ্রহে বিভিন্ন কৌশল-রীতি, নিয়ম, ও ছবির মাধ্যম সহ নতুন নতুন বিভিন্ন ক্ষেত্রের পরীক্ষা নিরীক্ষা নিয়ে প্রচুর ব্যস্ত হয়ে উঠেন। সে সময়ও তিনি সকলের চোখের আড়ালে নড়াইলেই রয়ে গেলেন। মাঝে মাঝে ঢাকায় আসতেন কিন্তু তাঁর জীবনের মূল সুরটি ছিল গ্রামীণ জীবন, কৃষক ও কৃষিকাজের ছন্দের সঙ্গে বাঁধা। গ্রামীণ জীবন থেকেই তিনি আবিষ্কার করেছেন বাঙালি জীবনের উৎস কেন্দ্রটি, বাঙালির দ্রোহ ও প্রতিবাদ, বিপ্লব ও সংগ্রাম, নানান প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই করে টিকে থাকার ইতিহাস, অনুপ্রেরণা। গ্রামীণ জীবনেই তিনি খুঁজে পেয়েছিলেন বাঙালির ইতিহাস, সংস্কৃতি। তিনি কৃষক পুরুষকে দিয়েছেন পেশীবহুল ও বলশালী দেহ আর কৃষক রমণীকে দিয়েছেন সুঠাম ও সুডৌল গড়ন, দিয়েছেন লাবণ্য ও শক্তি। হয়তো তাঁর দেখা দুর্বল দেহী, মৃয়মাণ ও শোষণের শিকার কৃষকদের দেখে কল্পনায় তিনি নির্মাণ করেছেন শক্তিশালী ও স্বাস্থ্যবান কৃষক সমাজ। তাঁর ছবিতে পরিপূর্ণতা ও প্রাণপ্রাচুর্যের পাশাপাশি ছিল শ্রেণী বৈষম্য, গ্রামীণ জীবনের কঠিন বাস্তবতার চিত্র। তাঁর আঁকা হত্যাযজ্ঞ (১৯৮৭) ও চরদখল (১৯৮৮) এরকমই দুটি ছবি।

১৯৭৬ সাল পর্যন্ত সুলতান শিল্প রসিকদের দৃষ্টির আড়ালেই রয়ে যান। মধ্য সত্তরে তাঁর কিছু ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ী তাঁকে ঢাকায় নিয়ে আসেন। ঢাকায় আঁকা তাঁর কিছু ছবি দিয়ে ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করে। মূলত এ প্রদর্শনীটিই তাঁকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেয়। এ ছবিগুলিই তাকে নিম্নবর্গীয় মানুষের প্রতিনিধি ও তাদের নন্দন চিন্তার রূপকার হিসেবে পরিচিত করে। তাঁর ছবিতে কৃষকই হচ্ছে জীবনের প্রতিনিধি এবং গ্রাম হচ্ছে বিশ্বের কেন্দ্র। গ্রাম ও গ্রামের মানুষের মধ্যেই তিনি খুঁজে পেয়েছিলেন তাঁর সৃষ্টির প্রেরণা। এজন্যই কৃষক ও তাদের জীবন একটি কিংবদন্তী শক্তি হিসেবে সকলের চোখে তাঁর ছবিতে উঠে এসেছে।

অবয়ব বা আকৃতিধর্মিতাই তাঁর কাজের প্রধান দিক। তিনি আধুনিক ও নিরবয়ব শিল্পের চর্চা করেননি। তাঁর আধুনিকতা ছিল জীবনের অবিনাশী বোধ ও শিকড়ের শক্তিকে প্রতিষ্ঠা করা। সুলতান নির্দিষ্ট নিয়মের প্রতি গুরুত্ব দেননি, দিয়েছেন মানুষের অন্তর্নিহিত শক্তির উত্থানকে। উপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই ও উপনিবেশিকোত্তর সংগ্রামের নানা প্রকাশকে তিনি সময়ের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তুলে ধরেছেন। এটিই তাঁর দৃষ্টিতে আধুনিকতা। তিনি ইউরো কেন্দ্রিক, নগর নির্ভর, যান্ত্রিকতা আবদ্ধ আধুনিকতার পরিবর্তে অনেকটা ইউরোপের রেনেসাঁর শিল্পীদের ন্যায় খুঁজেছেন মানবের কর্ম বিশ্বকে। সুলতানের মতো আর কেউ আধুনিকতার এমন ব্যাখ্যা দেননি। তাঁর অনন্য স্টাইলটি অনুকরণীয়। তাঁর কোন অনুসারী বা স্কুল নেই, তাঁর মতো মাটির কাছাকাছি জীবন তাঁর সময়ে আর কোন শিল্পী যাপন করেননি। সুলতান তেলরঙ ও জলরঙের ছবি এঁকেছেন। ব্যবহার করেছেন সাধারণ কাগজ, সাধারণ রঙ ও চটের ক্যানভাস। এজন্য তাঁর অনেক ছবি নষ্ট হয়ে যায়। সেদিকেও তাঁর কোন ভ্রুক্ষেপ ছিল না।

আশির দশক থেকে সুলতান নড়াইলে থেকে যেতে অনেকটা বাধ্য হয়েছিলেন। তাঁর কাছে আশ্রয় নেয়া মানুষ, শিশু ও জীবজন্তুদের জন্য তাঁর বাড়িটি ছেড়ে দেন। তাঁর একটি চিড়িয়াখানা ছিল। শিশুদের জন্য তিনি একটি বিরাট নৌকা বানিয়েছিলেন।

১৯৮৭ সালে ঢাকার গ্যেটে ইনস্টিটিউটে সুলতানের একটি প্রদর্শনী হয়। আশির শেষ দিকে তাঁর স্বাস্থ্যের অবনতি হতে থাকে। ১৯৯৪ সালে ঢাকার গ্যালারি টোন’এ তাঁর শেষ প্রদর্শনীটি হয়। সে বছর আগস্ট মাসে ব্যাপক আয়োজন করে তাঁর গ্রামের বাড়িতে তাঁর জন্মদিন পালন করা হয়। এরপর পরই ১৯৯৪ সালের ১০ অক্টোবর যশোর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। তিনি চলে যান।

সূত্র: বাংলা পিডিয়া

মনে পড়ছে বই মেলার কথা, ভালোবাসার কবি সৈয়দ শামসুল হকের কথা। যাঁর লিখায় উঠে এসেছে বাঙ্গালী মধ্যবিত্ত সমাজের আবেগ অনুভূতি।ম...
27/09/2017

মনে পড়ছে বই মেলার কথা, ভালোবাসার কবি সৈয়দ শামসুল হকের কথা। যাঁর লিখায় উঠে এসেছে বাঙ্গালী মধ্যবিত্ত সমাজের আবেগ অনুভূতি।মৃত্যু মানেই চলে যাওয়া নয়।জয়তু তোমার সাহিত্য সম্ভার।
আজকের দিনে ২৭শে সেপ্টেম্বর ২০১৬ সালে জীবনাবসান হয়েছিল প্রখ্যাত বাংলাদেশের সাহিত্যিক শ্রদ্ধেয় সৈয়দ শামসুল হকের। তিনি ছিলেন একাধারে কবিতা,উপন্যাস,নাটক,ছোটগল্প,অনুবাদ, তথা সাহিত্যের সকল শাখায় সাবলীল পদচারণার জন্য তাঁকে সব্যসাচী লেখক বলা হয়।শ্রদ্ধেয় সাহিত্যিক কে তাঁর প্রয়াণ দিবসে আমাদের কাঙ্গারুস ওয়ার্ল্ডরে পক্ষ থেকে জানাই সশ্রদ্ধ প্রণাম ও শ্রদ্ধাঞ্জলি...
স্বর্গীয়_শ্রদ্ধেয়_সাহিত্যিক_সৈয়দ_শামসুল_হক...
সৈয়দ শামসুল হক (২৭ ডিসেম্বর ১৯৩৫ - ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬) বিংশ শতাব্দীর শেষাভাগে সক্রিয় একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী সাহিত্যিক। কবিতা, উপন্যাস, নাটক, ছোটগল্প, অনুবাদ তথা সাহিত্যের সকল শাখায় সাবলীল পদচারণার জন্য তাঁকে 'সব্যসাচী লেখক' বলা হয়। তার লেখকজীবন প্রায় ৬২ বছর ব্যাপী বিস্তৃত। সৈয়দ শামসুল হক মাত্র ২৯ বছর বয়সে বাংলা একাডেমী পুরস্কার লাভ করেছিলৈন। বাংলা একাডেমী পুরস্কার পাওয়া সাহিত্যিকদের মধ্যে তিনিই সবচেয়ে কম বয়সে এ পুরস্কার লাভ করেছেন। এছাড়া বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান একুশে পদক এবং ২০০০ খ্রিস্টাব্দে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন। ।
#প্রাথমিক_জীবন
সৈয়দ শামসুল হক ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দের ২৭ ডিসেম্বর বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা সৈয়দ সিদ্দিক হুসাইন ও মা হালিমা খাতুন। বাবা সৈয়দ সিদ্দিক হুসাইন পেশায় ছিলেন হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার। সৈয়দ হক তার বাবা-মায়ের আট সন্তানের জ্যেষ্ঠতম।
#শিক্ষা_জীবন
সৈয়দ হকের শিক্ষাজীবন শুরু হয় কুড়িগ্রাম মাইনর স্কুলে। সেখানে তিনি ষষ্ঠ শ্রেণী পর্যন্ত পড়ালেখা করেন। এরপর তিনি ভর্তি হন কুড়িগ্রাম হাই ইংলিশ স্কুলে। এরপর ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দে গণিতে লেটার মার্কস নিয়ে সৈয়দ শামসুল হক ম্যাট্রিক (বর্মানের এসএসসি) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। সৈয়দ শামসুল হকের পিতার ইচ্ছা ছিলো তাকে তিনি ডাক্তারি পড়াবেন। পিতার ইচ্ছাকে অগ্রাহ্য করে তিনি ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দে বম্বে পালিয়ে যান। সেখানে তিনি বছরখানেকের বেশি সময় এক সিনেমা প্রডাকশন হাউসে সহকারী হিসেবে কাজ করেন। এরপর ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দেতিনি দেশে ফিরে এসে জগন্নাথ কলেজে নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী মানবিক শাখায় ভর্তি হন। কলেজ পাসের পর ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে ভর্তি হন। পরবর্তীতে স্নাতক পাসের আগেই ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দে পড়াশোনা অসমাপ্ত রেখেসেখান থেকে বেরিয়ে আসেন। এর কিছুদিন পর তাঁর প্রথম উপন্যাস দেয়ালের দেশ প্রকাশিত হয়।
#কর্মজীবন
সৈয়দ হক তার বাবা মারা যাবার পর অর্থকষ্টে পড়লে চলচ্চিত্রের জন্য চিত্রনাট্য লেখা শুরু করেন। ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি মাটির পাহাড় চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্য লিখেন। পরে তোমার আমার, শীত বিকেল, কাঁচ কাটা হীরে, ক খ গ ঘ ঙ, বড় ভাল লোক ছিল, পুরস্কারসহ আরও বেশ কিছু চলচ্চিত্রের কাহিনী, চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেন। বড় ভাল লোক ছিল ও পুরস্কার এই দুটি চলচ্চিত্রের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দের নভেম্বর মাসে বাংলাদেশ ত্যাগ করে লন্ডন চলে যান এবং সেখানে বিবিসির বাংলা খবর পাঠক হিসেবে চাকুরী গ্রহণ করেন। তিনি ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আত্মসর্মপণের খবরটি পাঠ করেছিলেন। পরে ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৯৭৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বিবিসি বাংলার প্রযোজক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর দৃঢ়কণ্ঠ সাবললি উচ্চারণের জন্য তিনি জনসাধারণ্যে পরিচিতি লাভ করেন।
#পারিবারিক_জীবন
কথাশিল্পী আনোয়ারা সৈয়দ হক
সৈয়দ হক প্রথিতযশা লেখিকা ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. আনোয়ারা সৈয়দ হককে বিয়ে করেন। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে।
#সাহিত্য
সৈয়দ শামসুল হকের ভাষ্য অনুযায়ী তাঁর রচিত প্রথম পদ তিনি লিখেছিলেন এগারো-বারো বছর বয়সে। টাইফয়েডে শয্যাশায়ী কবি তাঁর বাড়ীর রান্নাঘরের পাশে সজনে গাছে একটি লাল টুকটুকে পাখি দেখে দু’লাইনের একটি পদ "আমার ঘরে জানালার পাশে গাছ রহিয়াছে/ তাহার উপরে দুটি লাল পাখি বসিয়া আছে" রচনা করেন। এরপর ১৯৪৯-৫০ খ্রিস্টাব্দের দিকে ম্যাট্রিক পরীক্ষার পরে ব্যক্তিগত খাতায় ২০০টির মতো কবিতা রচনা করেন।
সৈয়দ শামসুল হকের প্রথম লেখা প্রকাশিত হয় ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দের মে মাসে। ফজলে লোহানী সম্পাদিত 'অগত্যা' পত্রিকায়। সেখানে 'উদয়াস্ত' নামে তাঁর একটি গল্প ছাপা হয়।
#কবিতা
সৈয়দ হকের কবিতায় রয়েছে গভীর অনুপ্রেরণা। তার প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ একদা এক রাজ্যে ১৯৬১ সালে প্রকাশিত হয়। পরে বৈশাখে রচিত পংক্তিমালা, পরাণের গহীন ভেতর, নাভিমূলে ভস্মাধার, আমার শহর ঢাকা, বেজান শহরের জন্য কেরাম, বৃষ্টি ও জলের কবিতা কাব্যরগ্রন্থগুলো তাকে পাঠকমহলে জনপ্রিয় করে তুলে। সৈয়দ হক মৃত্যুর আগে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে তার শেষ কবিতা লিখেন। কবিতার নাম আহা, আজ কি আনন্দ অপার!।
#উপন্যাস
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন ১৯৫৬ সালে প্রথম উপন্যাস দেয়ালের দেশ প্রকাশিত হয়। তার রচিত এক মহিলার ছবি (১৯৬১), অনুপম দিন (১৯৬২), সীমানা ছাড়িয়ে (১৯৬৪) উপন্যাসগুলো জনপ্রিয়তা লাভ করে। ষাটের দশকে তার রচিত উপন্যাসগুলো পূর্বাণী পত্রিকায় ঈদসংখ্যায় প্রকাশিত হত। তার রচিত খেলারাম খেলে যা উপন্যাসকে অনেকে যৌনআশ্রিত বলে আখ্যা দেন। তিনি উপন্যাসের ভূমিকায় এই উপন্যাসকে 'এদেশের সবচেয়ে ভুল বোঝা উপন্যাস' হিসেবে অভিহিত করেছেন।
#কাব্যনাট্য
সৈয়দ হক নাট্যকার হিসেবে সফলতা পেয়েছেন। বিবিসি বাংলায় নাটকে কাজ করার মাধ্যমে তিনি নাট্যকার হিসেবে পরিচিতি পান। তার পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় নাটকে ধর্মীয় বিষয়ে মানুষের অজ্ঞতা ও কুসংস্কার সম্পর্কে আলোকপাত করেছেন। তার পরের নাটক নুরুলদীনের সারাজীবন ফকির বিদ্রোহের পটভূমিতে রচিত।সৈয়দ হক তার রচনায় সমসাময়িক বাংলাদেশ এবং মধ্যবিত্ত সমাজের আবেগ-অনুভূতি ও ভাল-মন্দ দিকগুলো তুলে ধরেন। তার অন্যান্য নাটক নারীগণ, যুদ্ধ এবং যোদ্ধা, ঈর্ষা, এখানে এখন-এ সমকালীন বাস্তবতা ফুটে ওঠেছে।
#মৃত্যু
২০১৬ সালের ১৫ এপ্রিল ফুসফুসের সমস্যা দেখা দিলে তাকে লন্ডন নিয়ে যাওয়া হয়। লন্ডনের রয়্যাল মার্সডেন হাসপাতালে পরীক্ষায় তার ফুসফুসে ক্যান্সার ধরা পড়ে। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপি দেয়। চার মাস চিকিৎসার পর ২ সেপ্টেম্বর ২০১৬ তাকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬ (১২ আশ্বিন ১৪২৩ বঙ্গাব্দ) ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। পরদিন ২৮ সেপ্টেম্বর বুধবার (১২ আশ্বিন ১৪২৩ বঙ্গাব্দ) চ্যানেল আই টেলিভিশনের তেজগাঁও চত্বরে সকাল ১০টায় প্রথম দফা জানাজা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে দুপুর ২টায় দ্বিতীয় দফা জানাজা এবং অপরাহ্নে কুড়িগ্রামে তৃতীয় দফা জানাজা শেষে তার মরদেহ কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের পাশে দাফন করা হয়।
#গ্রন্থতালিকা
#ছোট_গল্প
তাস (১৯৫৪)
শীত বিকেল (১৯৫৯)
রক্তগোলাপ (১৯৬৪)
আনন্দের মৃত্যু (১৯৬৭)
প্রাচীন বংশের নিঃস্ব সন্তান (১৯৮২)
সৈয়দ শামসুল হকের প্রেমের গল্প (১৯৯০)
জলেশ্বরীর গল্পগুলো (১৯৯০)
শ্রেষ্ঠ গল্প (১৯৯০)
#কবিতা
একদা এক রাজ্যে (১৯৬১)
বিরতিহীন উৎসব (১৯৬৯)
বৈশাখে রচিত পংক্তিমালা (১৯৭০)
প্রতিধ্বনিগণ (১৯৭৩)
অপর পুরুষ (১৯৭৮)
পরাণের গহীন ভিতর (১৯৮০)
নিজস্ব বিষয় (১৯৮২)
রজ্জুপথে চলেছি (১৯৮৮)
বেজান শহরের জন্য কোরাস (১৯৮৯)
এক আশ্চর্য সংগমের স্মৃতি (১৯৮৯)
অগ্নি ও জলের কবিতা (১৯৮৯)
কাননে কাননে তোমারই সন্ধানে (১৯৯০)
আমি জন্মগ্রহণ করিনি (১৯৯০)
তোরাপের ভাই (১৯৯০)
শ্রেষ্ঠ কবিতা (১৯৯০)
রাজনৈতিক কবিতা (১৯৯১)
নাভিমূলে ভস্মাধার
কবিতা সংগ্রহ
প্রেমের কবিতা
ধ্বংস্তূপে কবি ও নগর (২০০৯)
#উপন্যাস
দেয়ালের দেশ
এক মহিলার ছবি (১৯৫৯)
অনুপম দিন (১৯৬২)
সীমানা ছাড়িয়ে (১৯৬৪)
নীল দংশন (১৯৮১)
স্মৃতিমেধ (১৯৮৬)
মৃগয়ায় কালক্ষেপ (১৯৮৬)
স্তব্ধতার অনুবাদ (১৯৮৭)
এক যুবকের ছায়াপথ (১৯৮৭)
স্বপ্ন সংক্রান্ত (১৯৮৯)
বৃষ্টি ও বিদ্রোহীগণ (১ম খণ্ড১৯৮৯, ২য় খণ্ড ১৯৯০)
বারো দিনের শিশু (১৯৮৯)
বনবালা কিছু টাকা ধার নিয়েছিল (১৯৮৯)
ত্রাহি (১৯৮৯)
তুমি সেই তরবারী (১৯৮৯)
কয়েকটি মানুষের সোনালী যৌবন (১৯৮৯)
শ্রেষ্ঠ উপন্যাস (১৯৯০)
নির্বাসিতা (১৯৯০)
নিষিদ্ধ লোবান (১৯৯০)
খেলারাম খেলে যা (১৯৯১)
মেঘ ও মেশিন (১৯৯১)
ইহা মানুষ (১৯৯১)
মহাশূন্যে পরাণ মাষ্টার
দ্বিতীয় দিনের কাহিনী
বালিকার চন্দ্রযান
আয়না বিবির পালা
কালঘর্ম
দূরত্ব
না যেয়ো না
অন্য এক আলিঙ্গন
এক মুঠো জন্মভূমি
বুকঝিম ভালোবাসা
অচেনা
আলোর জন্য
রাজার সুন্দরী
#কাব্যনাট্য
পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় (১৯৭৬)
গণনায়ক (১৯৭৬)
নুরুলদীনের সারাজীবন (১৯৮২)
এখানে এখন (১৯৮৮)
কাব্যনাট্য সমগ্র (১৯৯১)
ঈর্ষা
বাংলার মাটি বাংলার জল
নারীগণ
#প্রবন্ধ
হৃৎ কলমের টানে (১ম খণ্ড ১৯৯১, ২য় খণ্ড ১৯৯৫)
কথা কাব্য
অন্তর্গত
#আত্মজীবনী
প্রণীত জীবন
#অনুবাদ
ম্যাকবেথ
টেম্পেস্ট
শ্রাবণ রাজা (১৯৬৯)
#শিশুসাহিত্য
সীমান্তের সিংহাসন (১৯৮৮)
আনু বড় হয়
হড়সনের বন্দুক
#অন্যান্য
শ্রেষ্ঠ গল্প
শ্রেষ্ঠ উপন্যাস
শ্রেষ্ঠ কবিতা
মুখ (১৯৯১)
#পুরস্কার
বাংলা একাডেমি পুরস্কার, ১৯৬৬
আদমজী সাহিত্য পুরস্কার, ১৯৬৯
অলক্ত স্বর্ণপদক ১৯৮২
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, চিত্রনাট্যকার, সংলাপ রচয়িতা, ১৯৮২, ১৯৮৩
আলাওল সাহিত্য পুরস্কার, ১৯৮৩
কবিতালাপ পুরস্কার ১৯৮৩
লেখিকা সংঘ সাহিত্য পদক, ১৯৮৩
একুশে পদক, ১৯৮৪
জেবুন্নেসা-মাহবুবউল্লাহ স্বর্ণপদক ১৯৮৫
পদাবলী কবিতা পুরস্কার,১৯৮৭
নাসিরুদ্দীন স্বর্ণপদক, ১৯৯০
টেনাশিনাস পদক, ১৯৯০
মযহারুল ইসলাম কবিতা পুরস্কার ২০১১
ব্র্যাক ব্যাংক-সমকাল সাহিত্য পুরস্কার, ২০১১

আমরা কয়েকদিন আগে বি,বি,এফ,সি- ২০১৭ এর কিংবদন্তী- ০৪ টীমের জার্সির ডিজাইন ও প্রোডাকশন করি।আল্লাহ্‌র রহমতে ২০ টি টীমের মাঝ...
14/09/2017

আমরা কয়েকদিন আগে বি,বি,এফ,সি- ২০১৭ এর কিংবদন্তী- ০৪ টীমের জার্সির ডিজাইন ও প্রোডাকশন করি।আল্লাহ্‌র রহমতে ২০ টি টীমের মাঝে আমাদের করা জার্সি প্রথম হয়েছে।

যদি কার যে কোন ধরনের জার্সি লাগে, তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

যোগাযোগ
কাঙ্গারুস ওয়ার্ল্ড
০১৮৩৫১২৬৮৭৭
http://kangaroosworld.com/index.php?route=product/product&path=106_182&product_id=345

Address

Uttara
Dhaka
1230

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 23:30
Thursday 09:00 - 23:30
Friday 09:00 - 23:30
Saturday 09:00 - 23:30
Sunday 09:00 - 23:30

Telephone

+8801835126877

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when KangaroosWorld posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to KangaroosWorld:

Share

Category