M M Fashion House

M M Fashion House All about cloths & Jewelry
We will provide quality product with best price. Batik, Shalwar kamez Jewelry, unstitched 3 pcs Lawn

সবসময় মনে রাখবেন—আপনার স্ত্রীই একমাত্র মানুষ,যিনি আপনাকে আপনি যেমন, ঠিক তেমন করেই ভালোবেসেছেন।মা ভালোবাসেন কারণ আপনি তার...
10/01/2026

সবসময় মনে রাখবেন—
আপনার স্ত্রীই একমাত্র মানুষ,
যিনি আপনাকে আপনি যেমন, ঠিক তেমন করেই ভালোবেসেছেন।

মা ভালোবাসেন কারণ আপনি তার সন্তান,
ভাইবোন ভালোবাসে কারণ আপনি তাদের আপন,
সন্তান ভালোবাসে কারণ আপনি তাদের বাবা।

কিন্তু স্ত্রী—
তিনি আপনাকে নিজের ইচ্ছায় বেছে নিয়েছেন।
এই ভালোবাসার সম্মান রাখুন।

(C)

12/10/2025

Thank u bhaiya'🥰🥰

06/10/2025

যারা আমাকে ভালবাসে, চায় আমি কিছু করি,নারি উদ্দ্যগতা হিসেবে আমাকে এগিয়ে চলার সাহস দিতে আমার পাশে দাড়িয়েছেন, আমাকে অনুপ্রেরণা দিচ্ছেন আমি কৃতজ্ঞ🥰 আমি না বলাতেই আপনারা যারা আমার দেশী স্বাদ চলে এসেছেন🥰 ইনশাআল্লাহ আগামিতেও দেখা হবে🥰 আমি আছি বিকাল ৪টা থেকে।রাত ১০ টা পর্যন্ত❤️ ধানমন্ডি ৫এ তে, বিদুত অফিসের পাশেই🥰🥰🥰

আমার নতুন উদ্দ্যগ,আপনারা আমার পাশে থাকুন,আমাকে support করুন,  আমি আছি ধানমন্ডি  ৫/এ তে বিকাল ৪টা থেকে রাত ১০টা🥰🥰🥰🥰আসছেন ...
05/10/2025

আমার নতুন উদ্দ্যগ,আপনারা আমার পাশে থাকুন,আমাকে support করুন, আমি আছি ধানমন্ডি ৫/এ তে বিকাল ৪টা থেকে রাত ১০টা🥰🥰🥰🥰আসছেন তো🥰

খোলা জালি পিঠা
গ রুর মাংস
মুরগির মাংস
আরো আছে ভরতা🥰🥰🥰

শিশুটি ছোট্ট, আমাদের টেবিলের পাশে এলো। আমরা ১৫ জন বিশালদেহী বাইকার, শহরে-শহরে ঘুরি। পথিমধ্যের একটি রেস্তোরাঁয় বসেছিলাম, ...
01/10/2025

শিশুটি ছোট্ট, আমাদের টেবিলের পাশে এলো। আমরা ১৫ জন বিশালদেহী বাইকার, শহরে-শহরে ঘুরি। পথিমধ্যের একটি রেস্তোরাঁয় বসেছিলাম, খেতে।

শিশুটি এলো, পেছনদিকে ভয়ার্ত চোখে তাকালো, পুনরায় আমাদের দিকে ফিরে ফিসফিসিয়ে বললো— "আমার সৎবাবাকে মেরে ফেলতে পারবে তোমরা?"

আমরা হতভম্ব হয়ে গেলাম।

শিশুটির চোখে অশ্রু।

ডাইনোসর আঁকা টিশার্ট, নিষ্পাপ, ভীত, পরনে জিন্স, টেবিলে রাখা হাতটি কাঁপছে। কাঁদছে। বাবাকে হ'ত্যা করার অনুরোধটি এমন নির্লিপ্ততায় করলো, যেন একপ্যাকেট চিপ্স চাইছে সে!

তার মা তখন রেস্তোরাঁর বাথরুমে। এই সুযোগেই ছেলেটা এসেছে আমাদের কাছে, অনুরোধটি নিয়ে। মা এসে পড়ার ভয়ে বারবার বাথরুমের দিকে তাকাচ্ছে সে, আর তাকাচ্ছে আমাদের দিকে, আমরা খু'ন করতে রাজি কিনা তার বাবাকে!

"প্লিজ"— আবার ফিসফিসিয়ে উঠলো সে, তারপর জিন্সের পকেট থেকে বের করে আনলো দুমড়ানো ৭টি টাকা। "এর চেয়ে বেশি আর নেই আমার কাছে।"

এবার রেস্তোরাঁর দরজার দিকে তাকালো সে, ভয়ার্ত চোখে। তার বাবা কি বাইরে আছে?

আমাদের বাইকার-দলের লিডার ষণ্ডা মাইক, ঝুঁকলো তার দিকে— "তোমার নাম কী ব্যাটা?"

"টাইলার"— জবাব দিলো শিশু। "মা এক্ষুনি বেরিয়ে আসবে, তোমরা আমাকে হেল্প করবে নাকি করবে না?" সে তাড়া দিচ্ছে আমাদেরকে।

মাইক আস্তে করে জানতে চাইলো— "বাবাকে কেন মারতে বলছ?"

টাইলার তার জামার গলাটি নামালো একটুখানি, ওখানে নীল হয়ে আছে আঙুলের ছাপ! গলা টিপে ধরেছিলো কেউ, বাচ্চাটার!

"সে বলে, আমি যদি আমাকে মারার কথা কাউকে বলি, মাকে আরও বেশি মারবে সে। তোমরা তো বাইকার, অনেক শক্তি, তোমরা পারবে তাকে থামাতে। মাকে খুব মারে রোজ, লোকটা। পারবে না?"— ডুকরে উঠলো টাইলার।

তখনই আমরা লক্ষ্য করলাম, তার হাতের কব্জিতেও ক্ষত, তার থুতনি ফোলা!

ওসময়েই বাথরুম থেকে বেরিয়ে এলো তার মা। টাইলারের দিকে তাকিয়ে, ভীত চোখে, আমাদের দিকে এগিয়ে এলো। সে এমন ধীরে হাঁটছে, খুঁড়িয়ে-খুঁড়িয়ে, বোঝা যায়— সেও আহত। প্রসাধনী গলে বেরিয়ে এসেছে তারও মুখের ও হাতের ক্ষতের দাগগুলো।

"ম্যাম, চিন্তার কিছু নেই"— আশ্বস্তের স্বরে বললো মাইক। "যদি কিছু মনে না-করেন, আপনারা দু'জনেই আমাদের সাথে বসুন প্লিজ। একসাথে খাই সবাই।"

ভদ্রমহিলার দু'চোখ গড়িয়ে অশ্রু নেমে এলো। আমরা সব বুঝে নিলাম, আর কোনো প্রশ্ন না-করেই।

এক লোক ঢুকে এলো রেস্তোরাঁয়, তার চোখেমুখে ভয়ানক ক্রোধ! "সারাহ্‌! এদের সাথে করছটা কী তুমি? ফালতু মেয়েছেলে! এই ছেলে, উঠে আয়!"— রাগে গজরাচ্ছে লোকটা।

আমাদের বস মাইকই উঠে দাঁড়ালো, তার পেশিবহুল বিশাল বপু নিয়ে, শান্তভাবে, অটল শিরে। "তুমি তোমার বিল পে করে এক্ষুনি বেরিয়ে যাও এখান থেকে। এরা যাবে না তোমার সাথে। এবং এদের জন্য বাইরে অপেক্ষা করবে না তুমি। আমি বোঝাতে পেরেছি?"— মাইকের ক্ষুরধার শব্দগুলোর দিকে তাকিয়ে রইলো পুরো রেস্তোরাঁ!

আমরা ১৫ জন বাইকার দাঁড়িয়ে আছি, সোজা লোকটার দিকে তাকিয়ে। তার চেহারায়, অল্প আগের ক্রোধের স্থলে ধীরেধীরে জায়গা করে নিলো ভয়ের ফ্যাকাশে আভা। এইসব লোক সবসময় কাপুরষই হয়। সে বেরিয়ে গেলো দ্রুত।

আমরা টাইলার ও তার মা সারাহ্‌কে নিয়ে পুলিশস্টেশনে গেলাম। চার্জ ফাইল করলাম। আমাদের একজনের ভাই ছিল আইনজীবী, তার সহায়তা নিলাম আমরা। সেদিন, প্রথমবারের মতো আমরা দেখলাম, শিশু টাইলার হাসছে! চোখ ভিজে এসেছিলো আমাদের মতো রূঢ় মানুষেরও।

না, আমরা শিশুটির সৎবাবাকে হ'ত্যা করিনি। তাকে স্রেফ নেই করে দিয়েছি অত্যাচারিত দু'টি মানুষের জীবন থেকে, আইনগতভাবেই। এরকম লোকের থাকার চেয়ে না-থাকাই ভালো, সুস্থ কারও জীবনে।

টাইলাররা এখন ভালো আছে, নিজেদের অ্যাপার্টমেন্ট হয়েছে। শিশুটি স্কুলে যায়, খেলে হাসে প্রাণ খুলে; তার মা কাজ করে মন দিয়ে। মাঝেমাঝে খোঁজখবর নিই আমরা।

শিশুটি জানলো— প্রকৃত পুরুষ মূলত কেমনঃ পুরুষ নিরাপত্তা দেয়, অত্যাচার না।

আমাদের দলনেতা— মাইক— শিশুটির দেওয়া দুমড়ানো-মোচড়ানো সেই ৭-টাকা এখনও রেখে দিয়েছে তার ওয়ালেটের ভিতরে। "আমার এইজীবনে পাওয়া শ্রেষ্ঠতম মজুরি"— টাকাগুলোর দিকে তাকিয়ে মাইক প্রায়ই ফিসফিস করে, আর, চোখ মোছে।🥲

কখনো কোন পরিস্থিতিতেই নিজের অধিকার, নিজের হক ছাড়বেন না,সেটা হতে পারে অর্থ সম্পদ,হতে পারে আন্তরিকতা, ভালোবাসা,সম্মান।সবটা...
25/09/2025

কখনো কোন পরিস্থিতিতেই নিজের অধিকার, নিজের হক ছাড়বেন না,সেটা হতে পারে অর্থ সম্পদ,হতে পারে আন্তরিকতা, ভালোবাসা,সম্মান।

সবটা ইঞ্চি ইঞ্চি বুঝে নিবেন ঠিক যতটা আপনি প্রাপ্য। এই কথায় আমাকে স্বার্থপর মনে হতে পারে তবে সত্যি কি জানেন?
সত্যি হচ্ছে আপনি যখন ছাড়বেন তখনই সবাই মনে রাখে,২ দিন না যেতেই যখন হজম হয়ে যায় তখন আপনার দিকে আঙুল তুলতে ২ বার ভাবে না!
আর তখন শুরু হয় মানুষিক ভাবে নিঃস্ব হয়ে যাওয়ার মত অমানবিক কষ্ট। দিনশেষে সবই হারাতে হয় তখন।

অনেক সময় আমরা চুপ থেকে, মেনে নিয়ে, ছাড় দিয়ে সম্পর্ক, শান্তি কিংবা ভালোবাসা বাঁচাতে চাই। ভাবি—"আমি না হয় একটু কমই থাকলাম", "আমি না হয় ওদের কথাতেই মাথা ঝুঁকালাম"। কিন্তু জানেন তো, এই 'না হয়' গুলোই একসময় আমাদের অস্তিত্বকে মুছে দেয়।

অর্থ, সম্মান, আন্তরিকতা, ভালোবাসা—সবকিছুতেই আপনার একটি ন্যায্য স্থান আছে। সেই জায়গাটা কেউ ‘দিচ্ছে না’ বলেই আপনি নেবেন না?
না, এই মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

হ্যাঁ, আপনাকে হয়তো কেউ বলবে “তুমি স্বার্থপর”, “নিজেরটা ছাড়া কিছু বোঝো না”।
কিন্তু সত্যিটা হলো—
যখন আপনি ছাড়েন, তখন সবাই খায়।
যখন আপনি চুপ থাকেন, তখন সবাই আপনাকে ঠেকায়।
আর যখন আপনি ভেঙে পড়েন, তখন কেউ ফিরে তাকায় না।

মানুষের স্বভাবই এমন—আপনি যতটা মাটি হবেন, তারা ততটা হেঁটে যাবে আপনার উপর দিয়ে।
আর যখন একদিন নিঃস্ব হয়ে পড়বেন, তখন শুধু একটা কথাই মনে আসবে—
"আমি কেন নিজেরটা ধরে রাখিনি?"

তাই, আজ নয় কাল নয়—
এই মুহূর্ত থেকেই শিখে নিন, নিজের প্রাপ্য জিনিসগুলো বিনয়ের সাথে কিন্তু দৃঢ়ভাবে চেয়ে নিতে, প্রয়োজনে জোর গলায় দাবি করতে।
এটাই আত্মসম্মান।
এটাই আত্মরক্ষা
Cltd

ধুর কি যে করেন আপনারা😑স্ট্রোক করার দশা😖😩
22/09/2025

ধুর কি যে করেন আপনারা😑
স্ট্রোক করার দশা😖😩

15/09/2025

চুপ থাকা, খোঁচা দিয়ে কথা না বলা, কারও জীবনে নাক না গলানো, আগ বাড়িয়ে কারও জন্য কিছু না ভাবা, জীবনে ভালো থাকার অন্যতম কিছু উপকরণ!

 #শিক্ষণীয়_পোস্ট এই কথা গুলো জীবন বদলে দিতে পারে।1. জীবনে কখনো কাউকে পরোয়া করো না, নিজের যোগ্যতায় নিজে এগিয়ে যাও, এগিয়ে ...
14/09/2025

#শিক্ষণীয়_পোস্ট
এই কথা গুলো জীবন বদলে দিতে পারে।

1. জীবনে কখনো কাউকে পরোয়া করো না, নিজের যোগ্যতায় নিজে এগিয়ে যাও, এগিয়ে যাওয়ার জন্য কখনো কারো প্রত্যাশা করো না, তোমার হয়ে কেউ তোমাকে এগিয়ে দিবে না, মনে রাখবে, তোমাকেই তোমার এগিয়ে যাওয়ার রথের সারথি হতে হবে।

2. কখনো অন্য কারো যোগ্য হতে যেয়োনা, নিজেকে নিজের যোগ্য হিসেবে গড়ে তোল, কখনো অন্যের মনের মতো হয়ে উঠার চেষ্টা না করে বরং নিজের মনের মতো হয়ে উঠার চেষ্টা করো, দেখবে একদিন না একদিন তুমি তোমার আমার আমিকে নিয়ে সন্তুষ্টি অনুভব করছো।

3. অন্যের পিছনে সময় ব্যয় করার থেকে নিজের পিছনে নিজে সময় ব্যয় করো, মনে রাখবে, নিজেকে নিজে যতটা সময় দিবে, ততটা সময় জীবনে তোমাকে অন্য কেউ আর দিবে না।

4. তোমাকে তুমিই গড়ো, তোমাকে তুমিই ভাঙ্গো, নিজের ভবিষ্যতের জন্য নিজেকে গড়ো, নিজের ভুল ত্রুটি সংশোধনের জন্য নিজেকে ভাঙ্গো। দেখবে, দিনকে দিন তোমার উন্নতিই হয়েছে, ডিপ্রেশন ঘিরে ধরেনি। কিন্তু যখনই তুমি অন্যের জন্য নিজেকে ভাঙ্গবে কিংবা গড়বে তখনই সে ছেড়ে গেলে তুমি ডিপ্রেশনে ভুগবে, তাই অন্যের জন্য নয় নিজের জন্য নিজেকে ভাঙ্গো এবং গড়ো।

5. নিজেকে মূল্য দাও, দেখবে দশজন তোমাকে মূল্য দিচ্ছে, তুমিই যদি তোমাকে মূল্যায়ন না করো তবে পৃথিবীর কেউ তোমাকে মূল্যায়ন করবে না, আর হ্যাঁ, যাই করো আর নাই করো, পৃথিবীতে নিজের থেকে বেশি মূল্য অন্য কাউকে দিতে যাবে না, নিজের থেকে বেশি মূল্য যাকেই দিতে যাবে তার কাছে মূল্য বলে তো কিছু পাবেই না বরং অবহেলা তুচ্ছতাচ্ছিল্য ছাড়া কিছুই পাবে না।

6. জীবনে দুটি জিনিস খুব প্রয়োজন, এক হলো টাকা আরেক হলো দেখতে সুন্দর হওয়া। পুরুষের অর্থ না থাকলে আর নারীর সৌন্দর্য না থাকলে কোথাও কোনো দাম নেই। না ঘরে, না বাহিরে। যে পুরুষ আয় করতে পারে না ঘরে বসে বসে খায় সে পুরুষের কোনো মূল্য নেই, বাহিরে মূল্য পাওয়া তো অনেক দূরের কথা তার নিজের ঘরেই সে কখনো কোনো কাজে কিংবা কথায় মূল্যায়ন পায় না, যে নারী দেখতে সুন্দর না, সে নারী জন্মের পর থেকেই তার বাবা-মা'র "টেনশন"। শুধুমাত্র দেখতে সুন্দর নয় বলে একেকটা সম্বন্ধ যখন ভেঙ্গে যায় তখন কোনো দোষ না থাকা সত্বেও উঠতে বসতে কত কথা যে শুনতে হয় তা শুধু কালো কিংবা শ্যামলা মেয়েরাই জানে। তুমি মানো কিংবা না মানো তবে ৯৯% ক্ষেত্রে এটাই বাস্তব। নারীর সৌন্দর্য আর পুরুষের অর্থ ছাড়া কোথাও কোনো দাম নেই, এরা যেন নুন ছাড়া তরকারির মত।

7. একটা কথা মনে রাখা ভীষণ ভাবে জরুরী, জীবনের কঠিন সময় গুলো তোমাকে একাই কাটাতে হবে, তাই বিপদ থেকে উদ্ধার হতে গেলে সঙ্গ কিংবা সাহায্য পাওয়ার আশা ছেড়ে দাও, তোমার হয়ে তোমার লড়াইটা কেউ লড়বে না। তোমার লড়াইটা তোমাকে একাই লড়তে হবে। তোমার হয়ে তোমার দৌড়টা কেউ দৌড়াবে না, তোমার দৌড়টা তোমাকে একাই দৌড়াতে হবে। মনে রাখবে, দিন শেষে কেউ কারো নয়, না তুমি কারো, না কেউ তোমার।।😌🥀

"আবরার ফাহাদ" ভাই শুনছেন? যেই ট্যাগ দিয়ে আপনাকে 'ওপারে' পাঠিয়েছে 'স'ন্ত্রাসী'রা! আজকে সেই 'শিবির'ই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ...
10/09/2025

"আবরার ফাহাদ" ভাই শুনছেন? যেই ট্যাগ দিয়ে আপনাকে 'ওপারে' পাঠিয়েছে 'স'ন্ত্রাসী'রা! আজকে সেই 'শিবির'ই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের 'ভিপি প্রার্থী'তে' জয়ী হয়েছেন! আপনাকে আজকে ভীষণ মিস করছি ভাই!🤍

Address

23 Zigatola
Dhaka
1209

Opening Hours

Monday 09:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 21:00
Thursday 09:00 - 21:00
Friday 09:00 - 21:00
Saturday 09:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 21:00

Telephone

+8801717627192

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when M M Fashion House posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share