Fashion Factory . Com

Fashion  Factory  . Com নিজস্ব উৎপাদিত পণ্য, কম দামে পৌঁছে দিচ্ছি আপনার হাতে

Healthy Food Healthy Life
31/08/2021

Healthy Food Healthy Life

31/08/2021

অনেক পুষ্টিগুণে ভরপুর, রসাল ও সুস্বাদু একটি ফল হচ্ছে পেঁপে। এটি কাঁচা ও পাকা দুই অবস্থাতেই খাওয়া হয়ে থাকে। এ ফলটির...

31/08/2021

যারা এখনও স্নাতক শেষ করেন নেই, উপযুক্ত প্রার্থী হিসাবে আপনাকে এখনই তৈরী হতে হবে।

30/08/2021

#ব্রণ ( Acne Vulgaris )

ব্রণ ত্বকের তৈলগ্রন্থীর রোগ। ত্বকের তৈলগ্রন্থী যখন অতিরিক্ত সেবাম (sebum), যা ত্বকের প্রাকৃতিক তেল, তৈরি করে তখন তা হেয়ার ফলিকলের (hair follicle) মুখ আটকে দেয়। এর উপরে জড় হওয়া ময়লা ও ত্বকের মৃত কোষের ফলে ধীরে ধীরে ত্বকে প্রদাহ ও লালচেভাব দেখা দেয়।
অ্যাকনের বিভিন্ন রূপ আছে যেমন হোয়াইটহেড (whitehead), ব্ল্যাকহেড (blackhead), পুঁজ জমা পাশ্চুল (pustule), ফোলা প্যাপুল (papule), ফাঁপা সিস্ট (cyst) ও শক্ত নডিউল (nodule); সাধারণভাবে সবগুলিকেই বলা হয় ব্রণ। এগুলি দেহের বিভিন্ন অংশে হতে পারে যেমন মুখ, গলা, কাঁধ এবং পিঠ। এই ব্রণগুলি ত্বকের মসৃণতা নষ্ট করে এবং প্রদাহ বা ক্ষতচিহ্নের সৃষ্টি করতে পারে।

#ব্রণ (Acne Vulgaris)- প্রকারভেদ ও শ্রেণীবিন্যাস

চর্মবিশেষজ্ঞরা ব্রণকে প্রকৃতি, তীব্রতা ও অবস্থানের ভিত্তিতে নিম্নলিখিত শ্রেণীতে ভাগ করেন-

•গ্রেড ওয়ান (grade one)- এতে থাকে ব্ল্যাকহেড, হোয়াইটহেড ও কয়েকটি প্যাপুল।

•গ্রেড টু (grade two)- বেশ কিছু প্যাপুল ও পাশ্চুল, বড় ব্ল্যাকহেড ও হোয়াইটহেড।

•গ্রেড থ্রি (grade three)- এর মধ্যে পড়ে অনেক প্যাপুল, পাশ্চুল ও মাঝে মাঝে প্রদাহযুক্ত নডিউল।

•গ্রেড ফোর (grade four)- বেশ কিছু বড় ও যন্ত্রণাদায়ক পাশ্চুল, নডিউল, বড় সিস্ট এবং অ্যাবসেস (abscess)।

#কারণ

অভ্যন্তরীণ কারণ-

শরীরের ভিতরের যে কারণগুলির জন্য অ্যাকনে (ব্রণ) ভালগারিস হতে পারে তা হল-
• বংশগত- অ্যাকনে (ব্রণ) হওয়ার ঝুঁকির পিছনে বড় ভূমিকা আছে জেনেটিক্স-এর (genetics)। আপনার মা-বাবার মধ্যে কারুর ব্রণ হয়ে থাকলে আপনারও হতে পারে।
• হরমোন (hormone)- পিসিওএস (PCOS) জাতীয় কিছু রোগের ফলে হওয়া হরমোনের তারতম্য তৈলগ্রন্থী থেকে বেশি সেবাম তৈরি করে, যার ফলে ব্রণ বেরোয়। কিছু ব্রণ মাসিকের সময়, গর্ভাবস্থায় ও মেনোপজের (menopause) সময় দেখা যেতে পারে।

বাহ্যিক কারণ-

বেশ কিছু পরিবেশজনিত ও জীবনশৈলীর সম্পর্কিত কারণে ত্বকের ক্ষতি হয়ে ব্রণর বাড়াবাড়ি দেখা যেতে পারে। এর মধ্যে পড়ে-
• স্ট্রেস (stress)- মানসিক বা শারীরিক চাপের কারণে তৈলগ্রন্থী তেল সৃষ্টি বাড়িয়ে দিতে পারে যাতে অতিরিক্ত সেবাম বেরোবে।
• ওষুধ- যে ওষুধে অ্যান্ড্রোজেন (androgen), স্টেরয়েড (steroid), ডিএইচইএ (DHEA) বা লিথিয়াম (lithium) জাতীয় উপাদান থাকে তাদের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসাবে ব্রণ দেখা দিতে পারে।
• খাদ্যাভ্যাস- উচ্চ গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (glycemic index) যুক্ত খাবার খেলে ব্রণ হতে পারে।
• কসমেটিক (cosmetic) দ্রব্যের ভুল ব্যবহার- ত্বকের ও মেকআপের সামগ্রীতে কিছু রাসায়নিক থাকে যা গ্রন্থীর মুখ আটকে দিতে পারে, যার ফলে ব্রণ হতে পারে। এছাড়া শক্ত স্ক্রাব (scrub) ও এক্সফোলিয়ান্ট (exfoliant) ব্যবহার করলে ত্বকের এপিডার্মিস (epidermis) স্তরের ক্ষতি হয়-তাতেও ব্রণ হতে পারে।

ব্রণ বেরোনোর #প্যাথোফিজিওলজি (pathophysiology) কি?

ব্রণ দেখা যায় ৪টি প্রাথমিক ব্যাপারের পারস্পরিক প্রতিক্রিয়ার জন্য, যা ব্রণের তীব্রতা ও পরিমাণ নির্ধারণ করে।

• অতিরিক্ত সেবাম তৈরি হয়ে ব্রণ বেরোনো বিশেষতঃ শরীরের যে জায়গায় তৈলগ্রন্থীর সংখ্যা বেশি যেমন মুখ ও গলা।
• অতিরিক্ত সেবাম ও ত্বকের কেরাটিনোসাইট (keratinocyte) কোষ জমে ফলিকলের মুখ আটকে যাওয়া।
• পি. অ্যাকনে (P. acne) জীবাণুর ব্যাকটেরিয়াল প্রতিক্রিয়ার ফলে ফলিকলে এই জীবাণুর প্রবেশ করা।
• শরীরের প্রতিরক্ষা শক্তির দ্বারা তৈরি বেশ কিছু প্রদাহকর দ্রব্য (inflammatory mediators) ত্বকে ব্রণ ও প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে।

#ব্রণর লক্ষণ ও উপসর্গ

অ্যাকনে ভালগারিসের কিছু সাধারণ লক্ষণ ও উপসর্গ হল-

• আটকে যাওয়া পোরস (pores) যা সাদা বা স্বচ্ছ হয়
• ফোলা ও র‍্যাশের জন্য লালচেভাব ও প্রদাহ
• পুঁজ ভরা ব্রণ যাতে ছোঁয়া লাগলে ব্যথা করে
• ক্ষতচিহ্ন ও পিগমেন্টেশন (pigmentation)
• গভীর অ্যাবসেসযুক্ত সিস্ট

একজন চর্মবিশেষজ্ঞ কিভাবে ব্রণ চিহ্নিত করেন?

ব্রণ চিহ্নিত করা হয় উপরে লেখা সাধারণ লক্ষণ ও উপসর্গের সাহায্যে। একজন চর্মবিশেষজ্ঞ ভালোভাবে কারণগুলি খতিয়ে দেখে উপযুক্ত চিকিৎসার সিদ্ধান্ত নেন। একটি প্রাথমিক পরীক্ষার সাহায্যে আমরা রোগের প্রকৃত কারণগুলি নির্ধারিত করতে পারি (উদাহরণ: হরমোন, খাদ্যাভ্যাস, ওষুধ ইত্যাদি)। এরপর চর্মবিশেষজ্ঞ ব্রণর তীব্রতা ও ব্যাপ্তি নির্ধারণ করবেন (হালকা, মধ্যম, গুরুতর) যাতে আপনার উপযুক্ত চিকিৎসাপদ্ধতি ঠিক করা যায়।

# প্রতিরোধ ও চিকিৎসা

• একটি হালকা ক্লিনজার দিয়ে দিনে দুবার ভালোভাবে মুখ পরিষ্কার করুন, বিশেষতঃ যদি ব্যায়াম করে ঘেমে গিয়ে থাকেন।

• উগ্র রাসায়নিক যুক্ত মেকআপ বা ত্বকের যত্নের সামগ্রী এড়িয়ে চলুন। এগুলির উপর নন-কমেডোজেনিক (non-comedogenic) ও অয়েল-ফ্রি (oil-free) লেখা লেবেল খুঁজে দেখুন।

• ব্রণ টিপবেন বা খুঁটবেন না, এতে প্রদাহ বেড়ে ক্ষতচিহ্ন সৃষ্টি হতে পারে।

• রোদে বেরোনোর আগে সবসময় একটি সানব্লক ক্রীম (sunblock cream) মুখে লাগিয়ে নিন, বৃষ্টির দিনেও।

• সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন এবং প্রতি সপ্তাহে বালিশের কভার পরিবর্তন করুন।

• বেশি করে তরল খাবার খেয়ে আর্দ্রতা বজায় রাখুন, এতে শরীরের টক্সিন (toxin) বেরিয়ে যায় এবং ব্রণও কম হয়।

নিজের যত্ন নিজে করা সম্ভব?

নিজে যত্ন নিলে সাময়িক ভাবে সমস্যা দূর হতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নাও হতে পারে বিশেষতঃ একটু মধ্যম বা গুরুতর ব্রণর ক্ষেত্রে, যাতে ক্ষতচিহ্ন হতে পারে।

#চিকিৎসা

হালকা থেকে গুরুতর ব্রণর ক্ষেত্রে এই নিম্নলিখিত চিকিৎসাগুলি করা যায়:

ওষুধভিত্তিক চিকিৎসা

• টপিকাল (লাগানোর) রেটিনয়েড
• টপিকাল (topical) অ্যান্টিবায়োটিক
• মুখে খাওয়ার ওষুধ

ব্রণ দূর করার প্রক্রিয়া

• ইন্ট্রালিশনাল ইনজেকশন (intralesional injection)
• হরমোনাল চিকিৎসা
• কেমিক্যাল পিল (chemical peel)
• লেজার (laser) চিকিৎসা

#আরোগ্যসম্ভাবনা (prognosis)

সাধারণতঃ টিনএজের (teenage) ব্রণ ২৫ বছর বয়সের আশেপাশে কমে যায়।
প্রাপ্তবয়স্ক ব্রণ, ৪০ বছর বয়স অবধি মহিলাদের মধ্যে যা পাওয়া যায়, তার সঠিক মূল্যায়ন ও চিকিৎসার প্রয়োজন।
অধিকাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ হালকা থেকে মধ্যম তীব্রতার ব্রণতে ভোগেন, যাকে আরো গুরুতর হয়ে ওঠা থেকে আটকাতে সময়মত চিকিৎসা করা উচিত।
ব্রণ প্রাথমিকভাবে চিকিৎসা না করা হলে ভবিষ্যতে ক্ষতচিহ্ন দেখা দিতে পারে।

30/08/2021

#অ্যালোপেশিয়া (চুল পড়া)কি?

চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় চুল পড়াকে বলে অ্যালোপেশিয়া, সেটি আংশিক বা সম্পূর্ণ, অল্প জায়গায় সীমাবদ্ধ বা বিস্তীর্ণ হতে পারে এবং অভ্যন্তরীণ বা বাহ্যিক কারণে হতে পারে।

সাধারণতঃ দিনে আমাদের ১০০টা চুল পড়ে, কিন্তু যদি আপনি তার চেয়ে বেশি চুল পড়তে দেখেন (১২০-১৫০ বা আরও বেশি) বা মাথার ত্বকের কোনো জায়গা খালি হয়ে যেতে দেখেন, তবে আপনার তখনই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

#চুল_পড়ার_ শ্রেণীভেদ

বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা চুল পড়াকে নিম্নলিখিত শ্রেণীতে ভাগ করেন:

● অ্যান্ড্রোজেনেটিক অ্যালোপেশিয়া (androgenetic alopecia)(বয়সজনিত চুল পড়া) – এটি অনেক লোকের হয়, মহিলা ও পুরুষ উভয়েই এই রোগের শিকার হতে পারেন। এটি খুব তাড়াতাড়ি শুরু হতে পারে যেমন টিনএজ (teenage) বয়সে, এবং বয়সের সাথে এর ঝুঁকি বেড়ে যায়।

● মেল প্যাটার্ন বল্ডনেস (male pattern baldness) – একটি বিশেষ বিন্যাস অনুযায়ী চুল পড়া শুরু হয়, প্রথমে কপালের দুই পাশ থেকে (temple areas)। সময়ের সাথে হেয়ারলাইন (hairline) পিছিয়ে ‘এম/M’ আকৃতি ধারণ করে। ব্রহ্মতালুর (crown area) চুলও পাতলা হয়ে আংশিক বা পুরো ফাঁকা হয়ে যেতে পারে।

● ফিমেল প্যাটার্ন বল্ডনেস (female pattern baldness) – এতে চুল মাথার উপরের দিক থেকে ফাঁকা হওয়া শুরু হয়, এবং মাঝখানের সিঁথি ক্রমশঃ চওড়া হয়ে যায়। তবে হেয়ারলাইন পিছোয় না। কখনও কখনও পুরো মাথায় টাক পড়ে যেতে পারে।

● টেলোজেন এফ্লুভিয়াম (telogen effluvium)- এটি সারা মাথা জুড়ে চুল পাতলা হয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ। কোনও একটি ঘটনার ফলে ৩ মাস পরে শুরু হয়, এবং মাস ছয়েকের মধ্যে সাধারণতঃ নিজেই কমে যায়।

● অ্যালোপেশিয়া এরিয়াটা (alopecia areata) – এই ধরণের চুল পড়াতে মাথার ত্বকের কিছু বিক্ষিপ্ত জায়গায় গোল করে টাক পড়ে যায়, কিন্তু বাকি চুল স্বাভাবিক থাকে। তবে অনেকসময় পরে পুরো মাথাতেই টাক পড়ে যেতে পারে। এতে শরীরের প্রতিরক্ষা শক্তি দেহের সুস্থ টিস্যুর (tissue) ক্ষতি করে তাকে নষ্ট করে দেয়।

● ট্রাইকোটিলোম্যানিয়া (trichotillomania) – এই রোগে বারবার চুল ধরে টানার ফলে চুল পড়ে যায়। ডাক্তাররা এই রোগকে ঝোঁক নিয়ন্ত্রণ রোগের (impulse control disorder) তালিকায় ফেলেন।

● ইনভল্যুশনাল অ্যালোপেশিয়া (involutional alopecia) – স্বাভাবিক বয়সবৃদ্ধির জন্য যে চুল পড়া। এর মূল কারণ হল চুলের বৃদ্ধির অ্যানাজেন (anagen) পর্বটির সময় হ্রাস পাওয়া। এতে যত তাড়াতাড়ি চুল পড়ে, অত তাড়াতাড়ি নতুন চুল গজিয়ে উঠতে পারেনা।

● স্কারিং অ্যালোপেশিয়া (scarring alopecia) – একে সিকাট্রিশিয়াল অ্যালোপেশিয়াও (cicatricial alopecia) বলা হয়। এটি খুব বেশি দেখা যায় না। এতে বিভিন্ন অসুখের ফলে মাথার ত্বকে প্রদাহ বা ক্ষতচিহ্ন তৈরি হয়ে নতুন চুল গজানোর স্বাভাবিক ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়।

#প্যাথোফিজিওলজি

হেয়ার গ্রোথ সাইকেলে (hair growth cycle) সমস্যা হওয়ার ফলে চুল পড়ে। চুলের বৃদ্ধির এই নিম্নলিখিত পর্যায়গুলি থাকে:

১. অ্যানাজেন বা সক্রিয় বৃদ্ধির পর্যায় (২-৭ সপ্তাহ)

২. ক্যাটাজেন বা রূপান্তরের পর্যায় (১-২ সপ্তাহ)

৩. টেলোজেন বা বিশ্রামের পর্যায় (৫-১২ সপ্তাহ)

মোটামুটিভাবে, মাথার সুস্থ ত্বকে ৯ থেকে ১০% চুল টেলোজেন পর্যায়ে থাকে। অ্যান্ড্রোজেনেটিক অ্যালোপেশিয়াতে চুল ক্রমাগত ছোট ও পাতলা হয়ে (miniaturisation) যেতে থাকে, এবং চুলের ফাঁক দিয়ে ত্বক দেখা যেতে থাকে। অ্যানাজেন পর্যায় ছোট হয়ে যায় এবং টেলোজেন পর্যায় লম্বা হয়ে যায়। শেষে চুল পড়ে মাথা ফাঁকা হয়ে যায়।

#চুল পড়ার কারণ:

চুল পড়া শুরু হওয়ার পিছনে অনেক কারণ থাকতে পারে, যেমন:

● বংশগত – পরিবারে কারুর চুল পড়ার ইতিহাস থাকলে আপনারও অ্যান্ড্রোজেনেটিক অ্যালোপেশিয়া হওয়ার সম্ভাবনা হতে পারে। পুরুষরা টাক পড়া বা হেয়ারলাইন পিছিয়ে যাওয়া লক্ষ্য করতে পারেন, এবং মহিলারা সিঁথি চওড়া হয়ে যাওয়া ও চুলের ফাঁক দিয়ে মাথার ত্বক দেখা যাওয়ার সমস্যায় ভুগতে পারেন।

● হরমোনের সমস্যা – গর্ভাবস্থা বা মেনোপজের (menpause) সময় হরমোনের তারতম্যর ফলে চুল পড়া শুরু করতে পারে। এছাড়া গর্ভনিরোধক বড়ি (birth control pill) খেলে, প্রসবের পরে বা হিস্টারেক্টমি (hysterectomy-গর্ভাশয় কেটে বাদ দেওয়া) হলে অ্যানাজেন পর্যায়টি ছোট হয়ে গিয়ে চুল পড়তে পারে। ইনসুলিন রেসিস্টেন্স (insulin resistance) আরেকটি কারণ। পুরুষদের ক্ষেত্রেও চুল পড়ার পিছনে হরমোনের তারতম্য থাকতে পারে।

● ভুল জীবনশৈলী (lifestyle) – স্ট্রেস, বাজে খাদ্যাভ্যাস, অপুষ্টি এবং ভুল জীবনশৈলী অনুসরণের কারণে চুল পড়তে পারে।

● ওষুধ – ক্যান্সারের কেমোথেরাপি (chemotherapy) চিকিৎসার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসাবে চুল পড়তে পারে।

● টেনে চুল বাঁধা ও চুলে রাসায়নিক চিকিৎসা করানো (chemical treatment) – টেনে চুল বাঁধা যেমন ঝুঁটি (ponytail) বাঁধার ফলে হেয়ার ফলিকলে টান পড়ে চুল পড়া বেড়ে যেতে পারে। ব্লিচ, রং দিয়ে চুলের রাসায়নিক চিকিৎসা করালে চুল সাময়িক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ে যেতে পারে।

● অন্যান্য কারণ – অপেক্ষাকৃত কম পরিচিত কারণের মধ্যে পড়ে দীর্ঘস্থায়ী অসুখ যেমন থাইরয়েডের রোগ, লুপাস (lupus) এবং পলিসিস্টিক ওভারিয়ান ডিজিজ (পিসিওডি)(polycystic ovarian disease-PCOD)। ক্র্যাশ ডায়েট (crash diet), চিন্তায় নিয়মিত চুল টানা বা মাথা চুলকানোর অভ্যাস, দ্রুত ওজন কমানো, ইনফেকশন (infection), চুলের রঙে অ্যালার্জি, চুলের কসমেটিক্স (cosmetics), সেবোরিক ডার্মাটাইটিস (seborrheic dermatitis) বা সোরিয়াসিস (psoriasis) জাতীয় রোগের কারণে হঠাৎ করে চুল পড়া শুরু হতে পারে।

#লক্ষণ ও উপসর্গ
● ক্রমাগত অতিরিক্ত চুল পড়া।
● ব্রহ্মতালুর চুল পাতলা হয়ে যাওয়া।
● গোলাকৃতি আকারে বিভিন্ন জায়গায় টাক পড়া।
● ফাঙ্গাল ইনফেকশনের (fungal scalp infection) জন্য হঠাৎ করে চুল উঠে যাওয়া, সঙ্গে ব্যথা বা চুলকানি।
● বিক্ষিপ্ত ভাবে চুল গজানো।
● ‘এম/M’ আকারে হেয়ারলাইন ক্রমশঃ পিছিয়ে যাওয়া।

#চিহ্নিত করা (diagnosis)

বিশেষজ্ঞরা চুল পড়ার কারণে চিহ্নিত করতে মেডিক্যাল হিস্ট্রি (medical history), খুঁটিয়ে পর্যবেক্ষণ, এবং ট্রাইকোস্কোপির (trichoscopy) সাহায্য নেন। খুব বেশি চুল পড়ার কারণে নিয়ে সন্দেহ থাকলে আপনার ডাক্তার বায়োপসি (biopsy) করার পরামর্শ দিতে পারেন যাতে একটি উপযুক্ত চিকিৎসাপদ্ধতি নির্দিষ্ট করা যায়।

#আপনার কি ঝুঁকি আছে?

সাধারণতঃ পরিবারে কারুর ইতিহাস থাকলে পুরুষদের টাক পড়ার সমস্যায় ভোগার সম্ভাবনা থাকে। মহিলাদের যদি গর্ভধারণ, মেনোপজ, গর্ভনিরোধক বড়ি সেবন বা পিসিওডির সমস্যার জন্য হরমোনের তারতম্য হয় তবে তাদেরও হঠাৎ করে চুল পড়া শুরু হতে পারে।

#প্রতিরোধ ও চিকিৎসা

চুল পড়া রুখতে নিম্নলিখিত সহজ টিপস (tips) গুলি অনুসরণ করতে পারেন:

● উগ্র রাসায়নিক দেওয়া সামগ্রী চুলে লাগাবেন না। তাপ দিয়ে চুল স্টাইল (style) করার সরঞ্জাম যেরকম স্ট্রেটনার (straightener) বা পার্মিং আয়রন (perming iron) ব্যবহার করবেন না।
● একটি সুস্থ চুল পরিচর্যার রুটিন (routine) মেনে চলুন এবং একটি হালকা শ্যাম্পু দিয়ে সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার চুল পরিষ্কার করুন। কতবার শ্যাম্পু করা উচিত তা আপনার চুলের প্রকৃতি ও ময়লা এবং পলিউশন চুলে কতটা প্রভাব ফেলছে তার উপর নির্ভর করে।
● প্রয়োজনীয় নিউট্রিয়েন্ট (nutrient) ও ভিটামিন যেমন আয়রন, ভিটামিন বি১২, ভিটামিন ডি, প্রোটিন আর ভিটামিন ই সহ একটি ব্যালান্সড ডায়েট (balanced diet) খান।
● একটি সুস্থ জীবনশৈলী মেনে চলুন। নিয়মিত ব্যায়াম, যোগাসন এবং মেডিটেশন (meditation) করে চাপমুক্ত জীবন উপভোগ করুন।
● এমনভাবে চুল বাঁধবেন না যাতে চুলের গোড়ায় বেশি টান পড়ে।



#নিজে যত্ন নেওয়া

নিজে যত্ন নিয়ে সাময়িক ভাবে সমস্যাটি ঠেকিয়ে রাখতে পারেন, তবে দীর্ঘস্থায়ী সমাধান এভাবে সম্ভব না।

অলিভায় লভ্য চিকিৎসাপদ্ধতি
আমাদের ডাক্তাররা এই রোগের চিকিৎসায় যে বিকল্পগুলি অনুসরণ করেন তা হল:

● মুখে খাওয়ার ওষুধ
● লাগানোর (topical) ওষুধ
● চুল পুনর্বৃদ্ধি চিকিৎসা
● হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট (hair transplant)

#আরোগ্যসম্ভাবনা (prognosis)

চুল পড়ার পিছনে কোন বিশেষ অসুখ থাকলে সেটি থামিয়ে নতুন চুল গজানো সম্ভব। অন্যদিকে বংশগত চুল পড়ার রোগ সহজে সারানো যায়না, এতে অত্যাধুনিক এস্থেটিক (aesthetic) প্রক্রিয়ার সাহায্য লাগে। যত আগে চিকিৎসা শুরু করা যাবে, হারানো চুল ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা তত বেশি। সবচেয়ে নিরাপদ হল একজন চর্মবিশেষজ্ঞর পরামর্শ নিয়ে নিজের চিকিৎসার সেরা বিকল্পটি খুঁজে বের করা। আপনার চুল পড়ার কারণটি চিহ্নিত করা কিন্তু চিকিৎসার পরিকল্পনা করার জন্য অপরিহার্য।

28/08/2021
25/08/2021

ALDORA BAWAL INSTANT CURVECUTTING : Bawal Instant CURVE (2 Layer)MATERIAL : High Quality Chiffon Crepe MEASUREMENT : (+-1inch)11 – 11.5 inch Bukaan Muka27 in...

25/08/2021

I asked you guys what look you wanted to see me do next and most of you replied a simple, natural look so, here it is! Enjoy!Mermaid brushes are from:instagr...

Address

Gandaria

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Fashion Factory . Com posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Fashion Factory . Com:

Share