Etylin ইতিলিন

Etylin ইতিলিন আমাদের দোলনায় আপনি সন্তুষ্ট হবেন। কথায় কাজে মিল পাবেন।

08/08/2026

আপনি জানেন সে খারাপ কিন্তু বলতে হচ্ছে ভালো

🔥 অফার! অফার! অফার! 🔥👞 জেনুইন গরুর চামড়ার প্রিমিয়াম ফরমাল জুতাএখন পাচ্ছেন ১০০ টাকা ছাড় 🎉সাথে থাকছে সারা বাংলাদেশে সম্...
24/07/2026

🔥 অফার! অফার! অফার! 🔥
👞 জেনুইন গরুর চামড়ার প্রিমিয়াম ফরমাল জুতা
এখন পাচ্ছেন ১০০ টাকা ছাড় 🎉
সাথে থাকছে সারা বাংলাদেশে সম্পূর্ণ ফ্রি ডেলিভারি! 🚚
✅ আপার: জেনুইন গরুর চামড়া
✅ ইনার: জেনুইন গরুর চামড়া
✅ শুকতলা: স্পঞ্জ + গরুর চামড়া
✅ সোল: টিপিআর (TPR) রাবার
অফিস, ব্যবসা, মিটিং, বিয়ে বা যেকোনো ফরমাল অনুষ্ঠানে স্টাইলিশ লুকের জন্য পারফেক্ট।
💯 একই মানের জুতা যেখানে অন্যরা বেশি দামে বিক্রি করছে, আমরা দিচ্ছি অনেক কম দামে।
🎁 আজকের অফার:
💸 ১০০ টাকা ডিসকাউন্ট
🚚 সারা বাংলাদেশে ফ্রি ডেলিভারি
⏳ স্টক সীমিত! অফার শেষ হওয়ার আগেই আপনার পছন্দের সাইজটি অর্ডার করুন।

জেনুইন গরুর চামড়ার জুতা, কিন্তু দাম শুনলে অবাক হবেন!অনেক জায়গায় একই মানের জুতা কিনতে যেখানে দ্বিগুণ-তিনগুন টাকা লাগে,...
22/07/2026

জেনুইন গরুর চামড়ার জুতা, কিন্তু দাম শুনলে অবাক হবেন!
অনেক জায়গায় একই মানের জুতা কিনতে যেখানে দ্বিগুণ-তিনগুন টাকা লাগে, আমাদের কাছে পাবেন অর্ধেক বা তারও কম দামে। আমরা অযথা বেশি লাভ নয়, ভালো মানের জুতা সাশ্রয়ী দামে পৌঁছে দিতে চাই।
জুতার বিস্তারিতঃ
✔️ আপার (উপরের অংশ): জেনুইন গরুর চামড়া
✔️ ইনার (ভেতরের অংশ): জেনুইন গরুর চামড়া
✔️ শুকতলা: স্পঞ্জ + গরুর চামড়া, তাই দীর্ঘক্ষণ পরলেও আরামদায়ক
✔️ সোল: টিপিআর (TPR) রাবার – মজবুত, টেকসই এবং ভালো গ্রিপ
✔️৩৯-৪৪ সাইজ এভেইলেবল
এই জুতাটি অফিস, ব্যবসা, মিটিং, বিয়ে বা যেকোনো ফরমাল অনুষ্ঠানের জন্য দারুণ মানিয়ে যায়। দেখতে যেমন এলিগ্যান্ট, পরতেও তেমনি আরামদায়ক।
কম দামে জেনুইন লেদারের জুতা খুঁজছেন? তাহলে একবার আমাদেরটা ট্রাই করেই দেখুন।

কোন বাপ বা মায়ের নি:সঙ্গ মৃত্যু হলেই আমরা ছেলে মেয়েদের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো শুরু করে দিই।ছেলেটা বা মেয়েটা কত খারাপ, কত বড় ...
03/06/2026

কোন বাপ বা মায়ের নি:সঙ্গ মৃত্যু হলেই আমরা ছেলে মেয়েদের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো শুরু করে দিই।

ছেলেটা বা মেয়েটা কত খারাপ, কত বড় অমানুষ সেই হিসাব করতে বসে যাই।

বাট একবারের জন্যও জানতে চাই না, এদেরকে ভালোবাসতে শেখাইছিল কেউ?

আমার এক বন্ধু একবার অঙ্কে ৯৬ পাইছিল।

সেই বন্ধুর মা আমাদের সামনেই শুরু করলো মাইর।

যেমন সেমন মাইর না, কঠিন মাইর। মাইর খাইয়া বেচারা মায়ের পা চাইপা ধরলো।

ছেলেটা যে কী নরম সরম ছিল।

এখনো কি তাই আছে?

আমি জানি না। এত মাইর খাইয়া কেউ কি নরম থাকে?

রুয়েটের এক ফ্রেন্ড আফসোস করে বলছিল, তার বাবা তার কাছে কোনদিন জানতে চায়নি, সে কেমন আছে?

স্কুল কলেজ থেকে ইউনিভার্সিটি, একটাই প্রশ্ন, রেজাল্ট কত? ও তোমার আগে গেল কেমনে?

আমার আরেক ফ্রেন্ড এর বাপ নাকি ও ওয়াশরুমে গেলেও বকাবকি করত। লেখাপড়া রেখে ওয়াশরুমে কী?

এক আপুর স্বপ্ন ছিল নিজের প্রথম স্যালারি দিয়ে বাবাকে একটা দামি ঘড়ি গিফট করা। আমাদের মধ্যবিত্তদের স্বপ্ন যেমন হয় আর কী।

ইংরেজি সাহিত্যের ছাত্রী, বিসিএস পড়া কেবল শুরু করেছিলেন, স্বাভাবিকভাবেই, প্রেমও করতেন একটা, সবাই যেমন করে,

মাস্টার্স এ সেই আপুকে ধরে বিয়ে দেওয়া হইলো এক আমেরিকান পাত্রের সাথে। আপু একবার সুইসাইড এটেম্পট নিলেও পরেরবার হাসিমুখেই বিয়েটা করে আমেরিকা চলে গেলেন।

জামাইয়ের তিনটা বাড়ি। টাকার কোন অভাব নাই।

চাইলে এখন তিনি রোল্যাক্স কিনেও বাপকে দিতে পারেন।

কিন্তু বাবার জন্য একটা ক্যাসিও বা টাইটানও কিনেননি।

কারণ, রুচি হয়নি।

উনার বাবা মা আমার পরিচিত।

সারাদিন অভিযোগ করে, মেয়েটা আমাদের ভুলেই গেল। অথচ মেয়েটার জন্য কত কী করলাম!!

আমাদের দেশে ছেলে মেয়েদের ধরে ধরে কুরবানি দেওয়াকে অনেক কিছু করা হিসেবে দেখানো হয়।

আমাদের ধর্মে বলা আছে, প্রতিটা শিশুই খোদায়ী ফিতরাতের উপর জন্মগ্রহণ করে।

মানে একটা শিশু একেবারে ছোট থেকেই ভালোবাসার চমৎকার এক ক্ষমতা নিয়ে জন্মায়।

দেখবেন, বাচ্চারা একটা পাখি দেখলে কত খুশি হয়, একটা বিড়াল বা কুকুর দেখলেই হেসে আদর করতে যায়।

একটা বাচ্চা আরেকটা বাচ্চাকে দেখলেই কী হাসিটাই যে দেয়, খেয়াল করেছেন?

এই যে ভালোবাসা, এই যে মায়া, এই যে হাসি, এই যে পবিত্র একটা আত্মা,

এই আত্মাকে বাপ মায়েরা ধরে ধরে ধ্বংস করে।

শুরুতে বিড়াল, কুকুরকে ঘৃণা করতে শেখায়।

আরেকটু বড় হইলে কাজিনদের ঘৃণা করতে শেখায়।

আরেকটু বড় হলে নিজের বন্ধুদের ঘৃণা করতে শিখায়, বন্ধু ভালো করলে বকাবকি করে,

ছেলেটা বা মেয়েটার ভালোবাসার ক্ষমতা ধ্বংস হইতে থাকে।

মায়া ক্ষয়ে যেতে থাকে।

হাই স্কুল আর কলেজে উঠতেই ছেলেটা বা মেয়েটা হয়ে যায় কিছু ডিজিটের সমষ্টি, আর বিয়ের বাজারে তো নিলামে তোলা হয় শরীরকেও,

এরা পরিণত হয় যন্ত্রমানবে।

সারা জীবন ধরে চেষ্টা করে একজন মানবসন্তানকে যন্ত্র বানানোর খেলা শেষ হয়, এবার মা বাপ আশা করে, এবার এই যন্ত্র আমাদের একটু ভালো বাসুক, আমাদের মায়া করুক।

কিন্তু ততদিনে মায়া, ভালোবাসা শব্দগুলো আমাদের কাছে অপরিচিত ঠেকে। আমরা হয়ে উঠি আমাদের বাপ মায়ের স্বপ্নের হিসাব মেশিন,

বাপ মায়েরা শিখাইছিল,

আমরা যেন আমাদের কাজিন, বন্ধু, প্রেমিক বা প্রেমিকাকেই শুধু নিলামে তুলি,

কিন্তু ততদিনে আমরা আমাদের মা বাপকেই নিলামে তোলা শিখে যাই।

আর আমাদের বাপ মায়েরা অবাক হয়ে ভাবে, আমাদের সাথেও এমন করবি?

কিন্তু যন্ত্র তো যন্ত্রই।

যন্ত্রের কি আর কান আছে?

একটা বিড়াল দেখে যার মায়া হয় না, একটা পাখির উপর যার দরদ হয় না, মা বাবার উপর কেমনে আর হবে?

তখন ছেলে মেয়ে হয়ে যায় খারাপ। অকৃতজ্ঞ। বেঈমান।

কিন্তু এই অকৃতজ্ঞতার ট্রেইনিং কারা দেয়?

২০ বছর ধরে ম্যাথ শিখাইয়া ভালোবাসা আশা করলে হবে? ভালোবাসাও তো একটা প্র‍্যাকটিস। অভ্যাস না থাকলে ভালোবাসাও তো আর আসে না।

তাই হা হুতাশ না করে আপনার বাচ্চাকে ভালোবাসা শেখান৷

মায়া করতে শেখান।

কারণে ভালোবাসা শেখান।

অকারণেও ভালোবাসা শেখান।

একটা পাখিকে ভালোবাসতে শেখান। একটা বিড়ালকে আদর করতে শেখান৷ একটা রাস্তার কুকুরকে বিস্কিট খাওয়াইতে শেখান।

নিজের কাজিনকে ভালোবাসতে শেখান। নিজের বন্ধু ভালো করলে খুশি হতে শেখান, স্বার্থের প্রশ্নে হেরে যেতে শেখান।

একটা ফুল দেখলেও যেন আপনার ছেলেটা বা মেয়েটা বলতে পারে,

ভালো থেকো ফুল,
মিষ্টি বকুল,
ভালো থেকে,

ভালো থেকে ধান,
ভাটিয়ালি গান,
ভালো থেকে,

ভালো থেকো মেঘ, মিটিমিটি তারা,
ভালো থেকো পাখি, সবুজ পাতারা
ভালো থেকো..........

এই পৃথিবীটা কোন ক্যালকুলেটর না।

এই পৃথিবী একটা আয়না।

এখানে হিসাব দিলে হিসাব ফেরে।

ঘৃণা দিলে ঘৃণা ফেরে।

ভালোবাসা দিলে ভালোবাসাও ফিরে আসে।

ফোর্টি রুলস অব লাভ বইতে জালাল উদ্দিন রুমি বলতেসেন,

এই আয়নাতে ভালোবাসা দিয়েন, যত পারেন। কোন না কোনভাবে সেই ভালোবাসা প্রতিফলিত হয়ে আপনার দিকেই ফিরে আসবে কোন একদিন।

ছোটবেলায় ম্যাথ, বিজ্ঞান আর ইংরেজির পাশাপাশি ভালোবাসাটাও একটু শিখায়েন।

কারণ একদিন হিসাবের সব খেলা শেষে, আপনি জানবেন, মানুষের আসলে এত কিছু লাগে না,

কিচ্ছু চায় না মানুষ, আজীবন ভালোবাসা ছাড়া.........…........

লিখাটা সাদেকুর ভাইয়ের, ওর লিখাটার সাথে আমি কিছু যোগ করব...
.........

একবার এক উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তির সাথে কথা হচ্ছিল, যে শুধু সাকসেসফুল হতে শিখেছে। শিখতে গিয়ে তার অনুভূতি গুলো হয় প্ল্যাস্টিক বা সে-ই a i generated human হয়ে গেছে। এখন তার মেমোরির বনলতা সেন কবিতা, প্রেম ভালবাসা গুলো শুধু একটা মুহুর্তে ক্ষনিক উপস্থিতি মস্তিষ্কের মাঝে কিছু অতি পুরো ট্যাংকে রাখা গল্পের মাত্র। যা তার চাইল্ডহুড মেমোরির কিছু লাইন মাত্র। বাবা-মা ভালবাসা যেন স্পর্শ না করে সমস্ত কিছু চোখের সামনে হাতের পাশে রেখেছে বলে প্রয়োজন বুঝতে পারে কি কি এখন নেই।কারও সংগে মিশতে দেয়নি,আনন্দ দু:খ, হতাশা, ডিপ্রেশনের খবর রাখেনি।শুধু দৌড়ে ফাস্ট হতেই হবে,যে কোন মুল্যে প্রথম বা সাকসেসফুল।
এখন প্রিয়জনের প্রয়োজন তার নেই।এখন একা থাকাই তার প্রয়োজন মনে হয় শান্তির। একজন মানুষকে হ্যান্ডেল করা,তার জন্য সুখ দুখ এডজাস্ট করা, তার জন্য মানসিক চাপ। বাবা-মায়ের দূরত্ব সুন্দর, আদর্শের কিন্তু কাছে আসলে suffocating মানসিকতার ম্যাচ হয় না।

ক্লাসের ফাস্ট সেকেন্ড ওদেরকে সবাই দেখে নিজের বাচ্চাদের কে চাপে রাখেন কিন্তু ওই বাচ্চাদের শৈশব কৈশোর তারুণ্য কিসের মধ্যে যায়,সেটাও কিন্তু আমরা দেখিনা।এক পেশে বুঝে নেই বেশ ভালো আছে কিন্তু তারা কতটা একা,সমাজের জন্য তাদের মানসিকতা আর অনুভূতি গুলো কতটা অপরিচিত তা তারা ছাড়া কেউ জানতে পারবে না।
বাবা-মা বাচ্চাকে শুধু সাকসেসফুল হতে শেখায়,তাদের কে ছোট ছোট অনুভূতি আর ভালবাসার কুরবানী ছোট বেলায় দিতে শিখিয়েই রেসে ছেড়ে দেয়।
দৌড় দৌড়....
তারা দৌড়ে ক্লান্ত আর বিরক্ত থাকে, পরিবারের মানুষ গুলোর উপর। সব কিছুই বেশি বেশি,ন্যাকামি বা বেশি অর্থ খুজতে গিয়ে জটিল বানিয়ে নিজের জীবনে প্রানহীন ঘোড়ার বানিয়ে ফেলে।

অদ্ভুত আর মজার হলো, সে-ই বাবা-মা করুণ অবস্থায় নিজেদেরকে ধিককার না দিয়ে সন্তানকেই ধিক্কার দেয়। এত করলাম⁉️

শিশু ভালবাসা চায়,ভালো জীবনের কঠিন সিক্রেট নরম অনুভূতি আর ভালবাসাদেরকে মেরেই তৈরি হচ্ছে, উচ্চাকাঙ্খী বাবা-মা রা একবার বুঝত... তবে এই শিক্ষিতদের দাড়া সুন্দর মানবিক সবার জন্য সুস্থ পৃথিবী তৈরি হয়, পারমাণবিক অস্ত্র বানিয়ে পৃথিবী ধংসের মানচিত্র মানুষ তৈরি করত না। আমি বিশ্বাস করি, শিশু মানবিকতার চর্চায় বড় হলেই শিশুরা ভবিষ্যতে মানবিক দুনিয়া চাইত... সবাইকে মেরে মরে দুনিয়া ভালবাসাহীন সম্পর্ককে নষ্ট জীবন কষ্ট পেত না....

©হুরায়রা শিশির

যেকোনো সাইজ ও ডিজাইনের দোলনা সরাসরি পাইকারি নিতে চাইলে ইনবক্স করুন।শুধুমাত্র ৩ পিস নিলেই পাইকারি রেট এ পাবেন একেবারে ফ্য...
29/05/2026

যেকোনো সাইজ ও ডিজাইনের দোলনা সরাসরি পাইকারি নিতে চাইলে ইনবক্স করুন।
শুধুমাত্র ৩ পিস নিলেই পাইকারি রেট এ পাবেন একেবারে ফ্যাক্টরি রেট

সবাই দামি জুতা চায়,কিন্তু সবাই দামি দাম দিতে চায় না। বা সামর্থের বাইরে থাকে,এই জুতাটা ঠিক তাদের জন্য—যারা চায় ভালো লুক +...
25/01/2026

সবাই দামি জুতা চায়,
কিন্তু সবাই দামি দাম দিতে চায় না। বা সামর্থের বাইরে থাকে,
এই জুতাটা ঠিক তাদের জন্য—
যারা চায় ভালো লুক + আরাম + কম দাম একসাথে।
💰 দাম: মাত্র ৪৯০ টাকা
🎁 সাথে ১ জোড়া মোজা ফ্রি
📦 ১ পেয়ার কিনলেই অফার প্রযোজ্য
চকচকে শো-অফ না,
শান্ত, ভদ্র, স্মার্ট একটা লুক—
যেটা অফিস, বাজার, আড্ডা সব জায়গায় মানিয়ে যায়।

17/01/2026

#লসঅফার১১০০টাকা
দোলনা নিবেন গো দোলনা🤭🤭

এত সুন্দর দোলনা দেখলে কি না কিনে পারা যায়।। একদম সাশ্রয়ী দাম এ পেয়ে যাবেন বিভিন্ন কালার এর দোলনা ।।

বাচ্চাদের মন খুশি করতে বেস্ট একটা চয়েস এই দোলনা গুলো❣️ হাতে সারাক্ষণ ফোন দিয়ে ব্যস্ত রাখার থেকে একটা দোলনা কিনে দিন।। এতে বাচ্চা খেলাধূলায় মনোযোগ দিবে আর মন ও ভালো থাকবে❣️❣️

অর্ডার করতে ইনবক্স করুন পেজ এ।।

একদম ফ্রেশ আর অথেন্টিক মরিঙ্গা পাউডার স্টক করলে কেমন হয়? আপনাদের চোখের সামনে সব প্রসেসিং দেখে অর্ডার করবেন।।
13/12/2025

একদম ফ্রেশ আর অথেন্টিক মরিঙ্গা পাউডার স্টক করলে কেমন হয়?

আপনাদের চোখের সামনে সব প্রসেসিং দেখে অর্ডার করবেন।।

17/11/2025

শুধুমাত্র কাল রাত ১২ টার মধ্যে কনফার্ম করলে পেয়ে যাবেন
২০% ডিস্কাউন্ট এ🥶🥶

স্টকে মাত্র ৩ পিস এভেইলেবল আছে। দ্রুত নিয়ে নিন।
০-৪০ কেজির ওজন অনায়াসে নিতে পারবে।
সাথে থাকছে একটু পিলো সম্পুর্ন ফ্রী!!

Address

Tongi
Gazipur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Etylin ইতিলিন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share