Let the river flow

Let the river flow You Can live good without hampering the nature. Will try to share some of my own thoughts to help people around me.

Embroidery , hand stitched , household accessories and apperel.

রোগ নির্ণয়ে বিভিন্ন টেষ্ট নিয়ে কেন এত কথা। টেস্টগুলো যদি করতেই হয় তাহলে কি ধরণের প্রস্তুতি দরকার। সঠিক চিকিৎসার জন্য...
27/02/2019

রোগ নির্ণয়ে বিভিন্ন টেষ্ট নিয়ে কেন এত কথা। টেস্টগুলো যদি করতেই হয় তাহলে কি ধরণের প্রস্তুতি দরকার।
সঠিক চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন সঠিক রোগ নির্ণয়। প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপটি হলো চিকিৎসকের কাছে সঠিকভাবে আপনার সমস্যাগুলো বলা। এরপর চিকিৎসক আপনার প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন এবং কিছু কিছু প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে দেন। এসব পরীক্ষা-নিরীক্ষার কিছু করানো হয় সঠিক রোগের দিকে এগোনোর জন্য, আর কিছু করানো হয় সম্ভাব্য অন্য মারাত্মক রোগগুলোর অনুপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য। বিশ্বব্যাপী এটিই চিকিৎসার আদর্শ নিয়ম। সঠিক নিয়মে পরীক্ষা না করার কারণে অনেক সময় ভুল রিপোর্টও আসে।

■ অনেকগুলো পরীক্ষার জন্য কয়েকবার রক্ত নিলে শরীরের রক্ত কমে যায়—এ ধারণার কোনো ভিত্তি নেই। মানুষের শরীরে স্বাভাবিকভাবে যতটা রক্ত থাকে, তার খুব সামান্য অংশই পরীক্ষার সময় নেওয়া হয়। রক্তদানের সময় শরীর থেকে প্রায় আধা লিটার রক্ত নেওয়ার নিয়ম, সে তুলনায় দু-এক টেস্টটিউব ভর্তি রক্ত কিছুই নয়।

■ কখন কীভাবে রক্ত দেবেন চিকিৎসকের কাছ থেকে জেনে নিন। চেষ্টা করুন মানসম্মত ল্যাবে পরীক্ষাগুলো করাতে।

■ কিছু পরীক্ষা খালি পেটে করাতে হয়। যেমন খালি পেটে রক্তের গ্লুকোজ পরীক্ষার জন্য অন্তত আট ঘণ্টা খালি পেটে থাকতে হয়। রক্তে চর্বির মাত্রা পরীক্ষা করাতে ৯-১২ ঘণ্টা পর্যন্ত খালি পেটে থাকার নিয়ম। খালি পেটে থাকার অর্থ হলো আপনি এই সময়টাতে কেবল পানি পান করতে পারবেন। ডায়াবেটিস নির্ণয়ের জন্য খালি পেটে রক্ত নেওয়ার পর অনেক ক্ষেত্রে গ্লুকোজ পানি খেতে বলা হয় এবং এর দুই ঘণ্টা পর পুনরায় পরীক্ষার জন্য রক্ত নেওয়া হয়। এই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কোনো খাবার খাওয়া যাবে না, বেশি পরিশ্রমও করা যাবে না। সময়ের হেরফেরে পরীক্ষার ফলাফলে পরিবর্তন আসতে পারে।

■ প্রস্রাব পরীক্ষার জন্য নির্দিষ্ট টিউব সংগ্রহ করার পর আপনার কিছু করণীয় রয়েছে। প্রস্রাব করার পূর্বে প্রস্রাবের জায়গা পরিষ্কার করে নিন। নারীদের ক্ষেত্রে পরিষ্কার করার নিয়মটি হলো সামনে থেকে পেছনের দিকে। প্রস্রাবের প্রথম অংশটুকু টিউবে নেবেন না। মাঝামাঝি সময়ের প্রস্রাবটুকু নিতে চেষ্টা করুন। একেবারে শেষের অংশটাও নেবেন না।

■ চিকিৎসক যে পরীক্ষা লিখে দেবেন, সেগুলোর জন্য কোনো নির্দিষ্ট প্রস্তুতির প্রয়োজন আছে কি না, তা জেনে নিন।

■ আল্ট্রাসনোগ্রাম, সিটি স্ক্যান, এন্ডোস্কপি, কলনোস্কপি প্রভৃতি পরীক্ষার জন্য নির্দিষ্ট প্রস্তুতির প্রয়োজন। যেখানে পরীক্ষা করাবেন, আগেই সেখানে কথা বলে জেনে নিন আপনার প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির বিষয়ে। তথ্য সূত্র ইন্টারনেট

30/01/2019

পানির অপর নাম জীবন।
শুধু বিশুদ্ধ করলেই হয় না, সঠিকভাবে পানি সংরক্ষণের জন্যেও বিশেষ ব্যবস্থা নিতে হয়।

পানি পরিচ্ছন্ন রাখা যতটা সহজ বিশুদ্ধ করা ততটা সহজ নয়।

নানা রকম ময়লা ও রোগ জীবাণু মিশে পানিকে দূষিত করে। তাছাড়া পানিতে ভাসমান ময়লা, বিষাক্ত গ্যাস ও রোগজীবাণু সম্পুর্ণভাবে অপসারণ করা না গেলে বিশুদ্ধ করা সম্ভব নয়।

পানি বিশুদ্ধকরণের নানা উপায়

ফুটানো: ফুটিয়ে পানি বিশুদ্ধ করা যায়। উচ্চতাপে ১০/২০ মিনিট পানি ভালোভাবে ফুটাতে হবে। ফলে পানিতে থাকা রোগজীবাণু ধ্বংস হয়ে যায়, ধাতব লবণ থিতিয়ে পড়ে ও দ্রবীভূত গ্যাস বের হয়ে যায়।

পানির সর্বোচ্চ বিশুদ্ধতা নিশ্চিত করার জন্য ফুটানোর পরে ফিল্টার ব্যবহার করতে হবে। ফিল্টার যদি না থাকে তাহলে পানি পান করার আগে কয়েক স্তর পুর বিশিষ্ট ছাঁকনি দিয়ে তা ছেঁকে নিতে হবে।

ছাঁকন পদ্ধতি: এই পদ্ধতিতে দরকার গকে চারটি কলস বা মাটির চারি। চারি হচ্ছে মাটির তৈরি বড় বোল বা গামলা।

চারটি কলস বা চারি উপর নিচ করে সাজাতে হয়। প্রথমে কলসে সাধারণ পানি দেওয়া হয়। দ্বিতীয় কলসে বালু ও তৃতীয় কলসে নুড়ি পাথর রাখতে হয়। বালি ও নুড়ি পাথরে পানি পরিশোধিত হয়ে চতুর্থ কলসে পড়ে। সাধারণত গ্রামাঞ্চলে এই পদ্ধতিতে পানি বিশুদ্ধ করা হয়।

পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট: নানা রকম ট্যাবলেট ব্যবহার করে পানি বিশুদ্ধ করা যায়। এর মধ্যে হ্যালোজেন অতি পরিচিত ট্যাবলেট। প্রতি তিন লিটার পানিতে একটি ট্যাবলেট গুলিয়ে রেখে দিলে এক ঘণ্টা পর তা থেকে বিশুদ্ধ পানি পাওয়া যায়।
পটাশ: ২৪ লিটার পানিতে এক গ্রাম পটাশ মিশিয়ে ছয় ঘণ্টা রেখে দিলে সেই পানি বিশুদ্ধ হয়ে যায়।

ফিটকিরি: সামান্য পরিমাণ ফিটকিরি পানিতে মিশিয়ে ছয় ঘণ্টা অপেক্ষা করে তা থেকে বিশুদ্ধ পানি পাওয়া সম্ভব। এক্ষেত্রে পাত্রের উপর থেকে পানি সংগ্রহ করতে হবে ও তলানি ফেলে দিতে হবে।

আয়োডিন: প্রতি লিটার পানিতে দুই শতাংশ আয়োডিনের দ্রবণ মিশিয়ে এত ঘণ্টা রেখে পানি বিশুদ্ধ করা যায়।

শহরে যে ট্যাপের পানি পাওয়া যায় তা মূলত ব্লিচিং ও ক্লোরিন দিয়ে পরিশোধিত করা হয়। যা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই চুল পড়া ও ত্বক খসখসে হয়ে যাওয়ার জন্য দায়ী। এছাড়াও যে হাঁড়িতে পানি ফুটানো হয় তার তলায় অনেক সমর শক্ত আস্তরণ পড়তে দেখা যায় এটি ক্লোরিন ও ব্লিচিংয়ের জন্য হয়ে থাকে। এই পদ্ধতিতে পরিশোধিত পানি ত্বক ও চুলের জন্য ক্ষতিকার হলেও শহরাঞ্চলের জন্য পানি বিশুদ্ধ করার অন্য কোনো সহজ উপায় নেই। তাই বলবো এই পানি ভালো ভাবে ফুটিয়ে ও ছেঁকে পান করার উচিত।

যদি প্রাকৃতিক পানি সরাসরি সংরক্ষণ করতে হয় তবে যতটা সম্ভব সুর্যের আলো থেকে দূরে রাখতে হবে।

বৃষ্টির পানি: যেসব অঞ্চলে পানি সহজলভ্য নয় সেখানে বর্ষাকালে বৃষ্টির পানি জমা করে রাখা হয়। এক্ষেত্রে বৃষ্টি শুরু হওয়ার ১০ মিনিট পর থেকে পানি সংগ্রহ করতে হবে। পরিষ্কার পাত্রে পানি সংগ্রহ করা উচিত। এই পানি বেশি দিন সংরক্ষণের জন্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সুর্যের আলো থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে হবে। পরে ব্যবহারের আগে তা ভালো মতো ছেঁকে ব্যবহার করা যাবে।
আর “ফুটানো পানির ক্ষেত্রে তা ভালো ভাবে ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে মাটির পাত্রে বা কলসে সংরক্ষণ করলে অনেকদিন পর্যন্ত তা ভালো থাকে। প্লাস্টিকে পানি রাখলে তার নিচে তলানি জমে ও পান করার অযোগ্য হয়ে যায়।
বাজারে নানা রকমের টাইমার যুক্ত পানি পরিশোধক যন্ত্র পাওয়া যায় তা ব্যবহারের মাধ্যমেও বিশুদ্ধ পানি পাওয়া যায় এটি নিরাপদ ও ঝামেলা মুক্ত বলে মত দেন এই প্রভাষক।
পানি পরিশোধন হল এমন একটি প্রক্রিয়া, যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পানি থেকে অবাঞ্চিত রাসানিক পদার্থ, জৈব সংক্রামক পদার্থ ও ক্ষতিকর গ্যাসীয় পদার্থ দূর করা হয়। এই প্রক্রিয়ার মূল উদ্দেশ্য হল বিভিন্ন কাজের জন্য বিশুদ্ধ পানি উৎপাদন করা। অধিকাংশ পানিকে মানুষের ব্যবহারের (পান করার পানি) জন্য বিশুদ্ধ করতে হয়, কিন্তু পানি বিশুদ্ধকরণ প্রক্রিয়াটি মেডিকেল, ফার্মাকোলজিক্যাল, রাসায়নিক এবং ইন্ড্রাস্ট্রিতে ব্যবহারসহ আরো অনেক ধরনের উদ্দেশ্যের জন্য করা পরিকল্পনা করা হয়ে থাকে। পানি বিশুদ্ধকরণের কয়েক ধরনের প্রক্রিয়া রয়েছে। এগুলো মধ্যে হল ফিজিক্যাল প্রক্রিয়া, জৈব প্রক্রিয়া, রাসায়নিক প্রক্রিয়া ইত্যাদি। ফিজিক্যাল প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে পরিস্রাবণ, অধঃক্ষেপণ এবং পাতন। জৈব প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে ধীর বালি ফিল্টার বা জৈবিকভাবে সক্রিয় কার্বন। রাসায়নিক প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে ফ্লুকিউলেশন এবং ক্লোরিনেশন এবং অতিবেগুনী রশ্মির মত তড়িৎচুম্বকীয় রশ্মির ব্যবহার।

পানির বিশুদ্ধকরণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পানিতে থাকা পরজীবী, ব্যাকটেরিয়া, শেওলা, ভাইরাস, ছত্রাকসহ বিভিন্ন ধরনের বস্তুকণার ঘনত্ব কমানো যেতে পারে, সাথে সাথে বৃষ্টির কারণে ভূ-পৃষ্ঠ থেকে বয়ে এসে জলে মিশে যাওয়া বস্তুকণার পরিমাণও অনেকাংশে কমানো যায়।

খাবার পানির গুণমানের মানদন্ড সাধারণত সরকার কর্তৃক বা আন্তর্জাতিক মানদন্ড দ্বারা নির্ধারিত করা হয়ে থাকে। পানির ব্যবহারের উদ্দেশ্যের উপর নির্ভর করে পানিতে দূষিত পদার্থের ঘনত্বের মান সর্বনিম্ন এবং সর্বোচ্চ কত হবে তা নির্ধারিত হয়ে থাকে। পানির গুণাগুণ যথাযথ কিনা তা দৃষ্টিনির্ভর পরীক্ষণের মাধ্যমে নির্ধারণ করা যায় না। অজ্ঞাত উৎসের পানিকে ফুটিয়ে বা বাসা বাড়িতে ব্যবহৃত সাধারণ ফিল্টারের সাহায্যে ঐ পানিতে দ্রবীভূত সম্ভাব্য সকল দূষিত পদার্থকে পৃথকীকরণের মধ্য সাধারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পানিকে বিশুদ্ধ করা যায় না। এমনকি প্রাকৃতিক ঝরনা জল কে– যা ঊনবিংশ শতাব্দীতে সকল ব্যবহারিক কাজে ব্যবহারের উপযোগী হিসেবে বিবেচনা করা হত – বর্তমানে পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে, যদি দরকার হয়, ব্যবহার করার জন্য উপদেশ দেয়া হয়ে থাকে। রাসায়নিক এবং মাইক্রোবায়োলজিক্যাল বিশ্লেষণ, ‍যদিও ব্যয়বহুল, হল এমন দুইটি পরীক্ষা, যে পরীক্ষাগুলো হতে প্রাপ্ত প্রয়োজনীয় তথ্যই নির্ধারণ করে কোন ধরনের বিশুদ্ধকরণ প্রক্রিয়া গ্রহণ করতে হবে।

২০০৭ সালের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইছও) একটি প্রতিবেদন অনুসারে, ১.১ বিলিয়ন লোক নিরাপদ পানির সরবারহ হতে বঞ্চিত হয়, প্রতি বছর ৪ বিলিয়ন লোক ডায়রিয়া রোগে আক্রান্ত হয় যার ৮৮% লোক অনিরাপদ জল এবং অপর্যাপ্ত এবং অস্বাস্থ্যকর শৌচাগার ব্যবহারের জন্য ডায়রিয়া রোগে আক্রান্ত হয়, এবং এই ডায়রিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রতি বছর প্রায় ১.৮ মিলিয়ন লোকের মৃত্যু হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আনুমানিক হিসেব করে দেখেছে যে নিরাপদ পানি সরবরাহের মত পরিবেশগত পরিবর্তনের মাধ্যমে এইসব ডায়রিয়া রোগীর প্রায় ৯৪% দূর করা যেতে পারে। ক্লোরিনেশন, ফিল্টারীকরণ এবং সৌর-নির্বীজন এর মত সাধারণ কৌশলগুলো আত্মস্থ করলে এবং পানিকে একটি নিরাপধ পাত্রে সংগ্রহ করার মাধ্যমে প্রতি বছর লাখো মানুষের জীবন রক্ষা করা যেতে পারে। পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত রোগীদের মৃত্যুর হার কমানোর মাধ্যমে জনস্বাস্থের উন্নতির করাটাই হল উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য বিরাট একটি লক্ষ। তথ্য সূত্র ইন্টারনেট।

হাতের কব্জির ব্যথাকব্জির ব্যথা খুব সাধারণ একটি সমস্যা। হঠাৎ ইনজুরির কারণে কব্জিতে বিভিন্ন ধরনের ব্যথা হয়ে থাকে। মচকে গে...
06/10/2017

হাতের কব্জির ব্যথা
কব্জির ব্যথা খুব সাধারণ একটি সমস্যা। হঠাৎ ইনজুরির কারণে কব্জিতে বিভিন্ন ধরনের ব্যথা হয়ে থাকে। মচকে গেলে কিংবা হাড় ভাঙলে কব্জিতে বেশ ব্যথা হয়। তবে অনেক দীর্ঘমেয়াদি সমস্যার জন্য কব্জিতে ব্যথা হতে পারে। যেমন- বারবার কব্জিতে চাপ, বাত ও কারপাল টানেল সিনড্রোম। যেহেতু অনেক কারণে কব্জিতে ব্যথা হতে পারে, তাই কখনো কখনো দীর্ঘমেয়াদি কব্জির ব্যথার সঠিক কারণ নির্ণয় করা কঠিন হয়ে পড়ে। সঠিক রোগ নির্ণয় করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ তার ওপর নির্ভর করে আপনার কব্জির ব্যথার সঠিক চিকিৎসা।
কব্জির ব্যথার উপসর্গ
কব্জির ব্যথার উপসর্গ বিভিন্ন ধরনের হয়। এটি নির্ভর করে ঠিক কী কারণে ব্যথা হচ্ছে তার ওপর। যেমন- অস্টিও আর্থ্রাইটিসের ব্যথা ঠিক ভোঁতা ধরনের দাঁত ব্যথার মতো, অথচ টেনডনের প্রদাহ বা টেনডিনাইটিসের ব্যথা সাধারণত তীè ও ধারালো ধরনের।
আপনার কব্জির ব্যথার স্থানটি নির্ভুলভাবে দেখাতে পারলে ব্যথার কারণ খুঁজে বের করা সহজ হবে।
কব্জির ব্যথার কারণ
আপনার কব্জি বা রিস্টজয়েন্ট হলো একটি জটিল সন্ধি, যা তৈরি হয়েছে কয়েকটি হাড়ের সমন্বয়ে, যেমনÑরেডিয়াস ও আলনা হাড়ের নি¤œাংশ এবং আটটি ছোট ছোট কারপাল হাড়। এই কারপাল হাড়গুলো দুই সারিতে সাজানো। লিগামেন্টের শক্ত ব্যান্ড আপনার কব্জির হাড়গুলোকে একে অন্যের সাথে, আপনার রেডিয়াম ও আলনা হাড়ের নি¤œাংশ এবং আপনার হাতের হাড়গুলোকে সংযুক্ত করে। টেনডনগুলো হাড়ের সাথে মাংসপেশিকে সংযুক্ত করে। আপনার কব্জির যেকোনো অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলে ব্যথা হতে পারে এবং আপনার হাত ও কব্জির ব্যবহারের সক্ষমতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
কব্জির ব্যথার সাধারণ কারণগুলো
ইনজুরি
হঠাৎ সংঘর্ষ : হাতের ওপর ভর দিয়ে সামনের দিকে পড়ে গেলে আপনার কব্জিতে খুব বেশি ইনজুরির ঘটনা ঘটে। এ ক্ষেত্রে কব্জি মচকে যায়, কব্জিতে টান পড়ে এবং কব্জির হাড় ভেঙেও যায়।
হাতের ওপর ভর দিয়ে পড়ে গেলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে কলিস ফ্রাকচার হয়। এ ক্ষেত্রে রেডিয়াসের নিচের অংশ ভেঙে যায়। কব্জি ফুলে যায়।
বারবার চাপ : কব্জি বারবার নাড়াতে হয় এমন যেকোনো কাজেÑ টেনিস বল খেলা থেকে শুরু করে কিংবা বেহালা বহন করতে করতে কব্জির সন্ধির চার পাশের টিস্যুতে প্রদাহ হতে পারে কিংবা হাড় ভেঙে যেতে পারে। বিশেষ করে কোনো বিরতি ছাড়া ঘণ্টার পর ঘণ্টা কব্জির কাজ করলে। বারবার চাপের ফলে হাতের কব্জির ব্যথার আরেকটি কারণ হলো ডি কোয়ার ভেইনস ডিজিজ। এ ক্ষেত্রে কব্জির বাইরের দিকে অর্থাৎ রেডিয়াসের ওপর দিয়ে যে দুটো টেনডন বিন্যস্ত রয়েছে তাদের আবরণীতে প্রদাহ হয়। ব্যথা বুড়ো আঙুলের মূলে অনুভূত হয়।
ডি কোয়ার ভেইনস ডিজিজে কব্জি নাড়াতে খুব ব্যথা হয়, কাজ করতে অসুবিধা হয় এবং অনেক সময় কাজের পর ব্যথা বেশ বেড়ে যায়। বুড়ো আঙুলে চাপ দিলে প্রচণ্ড ব্যথা হয়।
আর্থ্রাইটিস বা বাতের ব্যথা
অস্টিও আর্থ্রাইটিস : সাধারণত কব্জিতে অস্টিও আর্থ্রাইটিস খুব কম হয়। কোনো লোকের কব্জিতে আগে ইনজুরি হয়ে থাকলে পরে অস্টিও আর্থ্রাইটিস হয়। এ ক্ষেত্রে কার্টিলেজ বা তরুণাস্থি ছিঁড়ে যায় বা ক্ষয় হয়। বুড়ো আঙুলের মূলে ব্যথা হয়।
রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস : এটি এমন একটি অবস্থা যেখানে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা তার নিজস্ব টিস্যুগুলোকে আক্রমণ করে। কব্জিতে রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস খুব বেশি পরিলক্ষিত হয়। যদি একটি কব্জি আক্রান্ত হয়, তাহলে সাধারণত অন্য কব্জিতেও এটি ঘটে।
অন্যান্য রোগ ও অবস্থা
কারপাল টানেল সিনড্রোম
গ্যাংলিয়ন সিস্ট
কিয়েনবক্স ডিজিজ
কব্জি ব্যথার ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়গুলো
যে কারো হাতের কব্জিতে ব্যথা হতে পারেÑ তা আপনি অল্প কাজ করুন কিংবা বেশি কাজ করুন না কেন। কিন্তু কিছু ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়ের কারণে এ ব্যথা বেড়ে যেতে পারে। যেমন- খেলাধুলা করা : বিভিন্ন খেলাধুলায় কব্জিতে ইনজুরি হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে বোলিং, গলফ, জিমন্যাস্টিক, টেনিস প্রভৃতি।
বারবার কাজ করা : বেশির ভাগ ক্ষেত্রে হাত ও কব্জির যেকোনো কাজ বারবার করলে কব্জির ব্যথা বেড়ে যেতে পারে। যেসব মহিলা হাঁড়িপাতিল ধোয়াধুয়ি করেন বা বুননের কাজ করেন (যেমন সোয়েটার বোনা) তাদের কব্জির ব্যথা বেশি হয়। যারা চুল কাটার কাজ করেন তাদেরও কব্জির ব্যথা বেশি হয়।
যারা কম্পিউটার কিবোর্ডে টাইপ করেন, কম্পিউটার মাউস ব্যবহার করেন, হ্যান্ডবল খেলেন, সেলাই করেন, আঁকাআঁকি করেন, লেখালেখি করেন বা ভাইব্রেটিং যন্ত্রপাতি ব্যবহার করেন তাদের কব্জির ব্যথা বেড়ে যায়।
রোগ : যদি আপনার ডায়াবেটিস, লিউকেমিয়া, স্কেরোডার্মা, লুপাস থাকে কিংবা থাইরয়েড গ্রন্থি ঠিকমতো কাজ না করে তা হলে আপনার কব্জির ব্যথা বেড়ে যেতে পারে।
কী পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাবেন
আপনার কব্জিতে ব্যথা হলেই প্রথমত আপনি চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন। তিনি আপনাকে প্রথমে শারীরিক পরীক্ষা করবেন। আপনি কব্জির কোথায় চাপ দিলে ব্যথা অনুভব করেন তা পরীক্ষা করে দেখবেন। কোনো ফোলা আছে কি না তা দেখবেন। চিকিৎসক আপনার কব্জির নাড়াচাড়ার মাত্রাটা দেখবেন। আপনি শক্ত হাতে ধরতে পারেন কি না দেখবেন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে তিনি আপনাকে কব্জির এক্স-রে, সিটি স্ক্যান, বোন স্ক্যান ও এমআরআই করতে দিতে পারেন। যদি এসব পরীক্ষায় কোনো সিদ্ধান্ত না আসে তাহলে আপনার চিকিৎসক আপনাকে আর্থ্রােস্কপি ও নার্ভটেস্ট করে দেখতে পারেন।
কী চিকিৎসা নেবেন
হাতের কব্জির ব্যথার চিকিৎসাপদ্ধতি নির্ভর করে ইনজুরির ধরন, স্থান ও তীব্রতা সর্বোপরি আপনার বয়স ও সার্বিক স্বাস্থ্যের ওপর। প্রথমত, আক্রান্ত হাতের কব্জিকে বিশ্রামে রাখতে হবে এবং যদি কোনো নির্দিষ্ট রোগের কারণে কব্জিতে ব্যথা হয়ে থাকে তাহলে তার উপযুক্ত চিকিৎসা দিতে হবে। ব্যথানাশক ওষুধ যেমন- আইবুপ্রফেন ও অ্যাসিটামিনোফেন কব্জির ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। প্রয়োজনে শক্তিশালী ব্যথানাশক ওষুধ দেয়া যেতে পারে। হাড় ভাঙলে হাড়ের টুকরোগুলো সঠিক বিন্যাসে রাখতে হবে যাতে ঠিকমতো জোড়া লাগে; এ ক্ষেত্রে কাস্ট বা স্পিøন্ট ব্যবহার করা যেতে পারে। কব্জিতে টান লাগলে বা মচকে গেলে ক্ষতিগ্রস্ত টেনডন বা লিগামেন্ট যাতে সুরক্ষা পায় সে জন্য স্পিøন্ট ব্যবহার করা যেতে পারে। আক্রান্ত হাতের কব্জিকে নড়াচড়া থেকে রক্ষা করার জন্য রিস্টব্যান্ড ব্যবহার করা যেতে পারে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে অপারেশনের প্রয়োজন হয়। যেমন- মারাত্মকভাবে হাড় ভাঙলে, কারপাল টানেল সিনড্রোমের উপসর্গ তীব্র হলে এবং টেনডন বা লিগামেন্ট ছিঁড়ে গেলে।
একটি কথা মনে রাখা প্রয়োজন, সব ধরনের কব্জির ব্যথায় কিন্তু মেডিক্যাল চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। কব্জিতে সামান্য আঘাত পেলে আপনি আঘাতের স্থানে বরফের সেঁক দিলে দারুণ উপকার পাবেন এবং আক্রান্ত কব্জিতে ইলাস্টিক ব্যান্ডেজ পরে থাকবেন।
হাতের কব্জির ব্যথা কিভাবে প্রতিরোধ করবেন
হাতের কব্জিতে ব্যথা ঘটায় এমন কোনো কোনো বিষয় প্রতিহত করা বেশ মুশকিল, তবে কিছু সুরক্ষার জন্য কিছু টিপস মেনে চললে উপকার পাবেন।
হাড় শক্ত করে গড়ে তুলুন
পড়ে যাওয়া ঠেকান
খেলাধুলা করার জন্য সুরক্ষাকর ব্যবস্থা নিন
পেশাগত ব্যাপারে সতর্ক হোন : যারা দীর্ঘ সময় কিবোর্ডে কাজ করেন তারা নিয়মিত বিশ্রাম নেবেন। টাইপ করার সময় আপনার কব্জিকে রিল্যাক্স রাখবেন, নিউট্রাল পজিশনে রাখবেন। আর্গোনোমিক কিবোর্ড এবং ফোম বা জেল রিস্ট সাপোর্ট ব্যবহার করুন। বারবার কাপড় মোচড়ানো, হাতপাখা দিয়ে বাতাস করা কিংবা হাতের কব্জিকে বারবার ঘুরাতে হয় এমন সব কাজ থেকে বিরত থাকুন। (এই বিষয়ে তথ্য ও ছবি ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে)
ডাঃ ইমরান চৌধুরী
রিকনস্ট্রাকটিভ প্লাস্টিক সার্জন
এমবিবিএস, এফসিপিএস প্লাস্টিক সার্জারি
এপয়নটমেনট নিতে ফোন করুন 02 8091332-6 এই নম্বরে

12/09/2017
22/08/2017
"কিছু কিছু ওষুধ ও খাবার কিডনির ক্ষতি করতে পারে"অনেক রকম ওষুধ থেকে সমস্যা হতে পারে। প্রথমে বলি, ব্যথাজনিত ওষুধের কথা। এই ...
20/08/2017

"কিছু কিছু ওষুধ ও খাবার কিডনির ক্ষতি করতে পারে"
অনেক রকম ওষুধ থেকে সমস্যা হতে পারে। প্রথমে বলি, ব্যথাজনিত ওষুধের কথা। এই ওষুধগুলো কিডনির মারাত্মক ক্ষতি করে। এটিই প্রথম কারণ। ওষুধ কিন্তু লিভারে মেটাবলিজম হবে এবং কিডনি দিয়ে বের হয়ে যাবে। যদি রেনাল ফেইলিউর থাকে, তাহলে ওষুধের মাত্রার পরিমাণ কমিয়ে দিতে হবে। দুভাবে করা যায়। একটি হলো ওষুধের পরিমাণটা কমিয়ে দেওয়া যায় অথবা নির্দিষ্ট করা যায়। যদি একটি ওষুধ আট ঘণ্টা করে হয়, সেটি আমরা ১২ ঘণ্টা করতে পারি অথবা ওষুধের যে পরিমাণ, সেটিও কমিয়ে দিতে পারি। এখন ওষুধ তো অনেক রয়েছে। ধরেন, ব্যথার ওষুধ, ক্যানসারের ওষুধ, ক্যামোর ওষুধ—প্রেশারের জন্য রয়েছে বিভিন্ন রকম ওষুধ। এই প্রতিটি ওষুধের ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের কিন্তু একটু সাধারণ জ্ঞান থাকতে হবে। আমি বলব না, সবারই কিডনি বিশেষজ্ঞ হতে হবে। তবে সাধারণ জ্ঞান থাকতে হবে।

নন-স্টেরয়েড ইনফ্লেরেটোরি ওষুধগুলো অনেক সময় কিডনির পারফিউশন (রক্ত সঞ্চালন) কমিয়ে দেয়। অর্থাৎ একজন ব্লাড প্রেশারের রোগী বা একজন কিডনির রোগীকে এসব ওষুধ দিলে পারফিউশনটা কমে যায়। আর পারফিউশন কমে গেলে ফিল্টার কম হবে। এটি হলে রক্তের ক্রিয়েটিনিনের মাত্রাটা বেড়ে যায়। সেটি দেখে আমরা বুঝতে পারি যে এর কিডনির সমস্যা হচ্ছে। এখন কথা হচ্ছে, একজন রোগী অনেক দিন ওষুধ খাচ্ছে, তার হচ্ছে না, তবে একজন রোগী দু-তিনটি ওষুধ খাচ্ছে, তার হয়ে যাচ্ছে। এই আলাদা বিষয়, সেটি আমরা বলতে পারি না। অনেক সময় কিছু অ্যান্টিবায়োটিক থেকেও কিডনিতে সমস্যা হতে পারে।

চিকিৎসকের পরামর্শ না নিয়ে যখন-তখন ও দীর্ঘদিন ব্যথার ওষুধ খাওয়া কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

প্রশ্ন মনে জাগে ব্যথার ওষুধ যত্রতত্র খাচ্ছি। আর ব্যথা না কমা পর্যন্ত দিনের পর দিন খেয়েই যাচ্ছি। এগুলোর প্রভাব আসলে কীভাবে পড়ে?

ব্যথা নিরাময়ে একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক কী করেন? একটি ওষুধ দিয়ে দেন পাঁচ দিন। এরপর বলেন, ‘এর বেশি খাবেন না।’ রোগী কী করল? আবার যখ্ন ব্যথা হলো এই ওষুধ আবার খাওয়া শুরু করল। আবার হলো, আবার খেল। এটা থেকে তার কিডনির পরিস্থিতি ধীরে ধীরে খারাপ হয়ে গেল। সে ক্ষেত্রে আমরা বলি, স্থানীয় যে চিকিৎসক আছেন, তাঁকে দেখান। ওনারা তো জানেন, ব্যথার ওষুধ বেশি খেলে কিডনির সমস্যা হয়। তাঁরা কিডনির পরীক্ষা করে নিলেন। এরপর ওষুধটা দিলেন।
অনেকে কাউন্টার থেকে যত্রতত্র ওষুধ কিনে খান। এখন ফার্মেসিতে তো প্রেসক্রিপশনের প্রয়োজন হয় না। আপনি গেলেন, ওরাও দিয়ে দেয়। যাঁরা ফার্মেসিতে থাকেন, তাঁরাও কিন্তু ডাক্তারি করেন। তাঁদের কাছে জিজ্ঞেস করলে তাঁরা বলে দেন, আপনি এই এই ওষুধ খান। এই জিনিসটি করবেন না। এটি করলে আমরা মনে করি, রোগীরা বিপদের সম্মুখীন হন। আমাদের কাছে এ রকম আসে যে শুধু ব্যথানাশক ওষুধ নয়, এর সঙ্গে স্টেরয়েড খায়। আপনি জানেন, পেডনিসোলোন বা এই জাতীয় ওষুধগুলো জ্বরের সঙ্গে দিতে পারেন, ব্যথার সঙ্গে দিতে পারেন, ত্বকের রোগে দিতে পারেন। সবকিছুতে দেওয়া যায়। আমরাও দিই। আমরা একটু নিয়ন্ত্রিত পদ্ধতিতে দিই। তারা হয়তো এটি দিচ্ছে। বয়স্ক রোগী হয়তো এটি খাচ্ছে। তিন, চার, পাঁচ, ১০ বছরও চালিয়ে যাচ্ছে। তখন ব্যথা কমেছে, এটিই মুখ্য থাকে। কিন্তু চার/পাঁচ বছর পর তার কিডনিতেও সমস্যা হয়, তার স্টেরয়েডের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয়। আর দ্বিতীয়ত হলো স্টেরয়েড বন্ধ করতে গেলে সে ব্যথার জন্য আর থাকতে পারে না।

মূল কথা হচ্ছে, চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ খাওয়া উচিত নয়। সব সময় খুব ওপরের লেভেলের চিকিৎসক হতে হবে, তার দরকার নেই। গ্রামের যে ডিসপেনসারি রয়েছে, সেখানে যে চিকিৎসক রয়েছে, তার পরামর্শ নিয়েই খান। তাহলে এই ঝুঁকি অনেকটাই কমে যাবে।
কিডনির সমস্যা বোঝার উপায় হলো, চিকিৎসক প্রথমত জানবেন রোগীর কিডনির রোগ আছে কি না। এটা কীভাবে বুঝতে পারবেন, ক্রিয়েটিনিন আছে কি না, ডায়াবেটিস বেশি আছে কি না, উচ্চ রক্তচাপ আছে কি না, রোগীটা ফোলা কি না, লিভারের রোগ আছে কি না, তার আগের কোনো ইতিহাস ছিল কি না, দেখতে হবে। সেই ক্ষেত্রে যেসব ওষুধ থেকে কিডনিতে সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা থাকে সেগুলো খুব সাবধানে ব্যবহার করতে হবে। করার দুই বা চারদিন পরে কিডনি ফাংশন টেস্ট বা কিডনির কার্যক্ষমতা দেখার জন্য পরীক্ষা করতে হবে। এখন শুধু ক্রিয়েটিনিন করতে বলি না, এর সঙ্গে ইজিএফআর করতে বলি। এই দুটো পরীক্ষা করা উচিত। কেন কেবল ক্রিয়েটিনিন বলি না? ক্রিয়েটিনিন অনেক সময় স্বাভাবিক থাকে, তবে কার্যক্ষমতা অনেক কমে যায়। সেরকম হতে পারে। কাজেই এই দুটো টেস্ট করে দেখতে হবে কিডনি ঠিক আছে কি না। এটা হলো ব্যথাজনিত কারণের ওষুধগুলোর ক্ষেত্রে। এই ওষুধগুলো আমরা যখন ব্যবহার করব সেটি করার আগে কিডনির কার্যক্রমটা পরীক্ষা করে নেব।
এরপর আসা যাক যেকোনো অ্যান্টিবায়োটিকের ক্ষেত্রে। যেকোনো অ্যান্টিবায়োটিকের স্বাভাবিক মাত্রা রেনাল ফেইলিউর থাকলে কমিয়ে দিতে হবে। কমাটা দুইভাবে করতে পারি, ডোজ হয়তো ৫০০ মিলিগ্রাম তিনবার লাগে, সেটি আমি ২৫০ মিলিগ্রাম করে দুইবার দিলাম বা তিনবার দিলাম। অর্থাৎ আমরা চাচ্ছি ওই জিনিসটা এক্সপোজ কম হোক কিডনিতে এবং কিডনির কার্যক্রম স্বাভাবিক হোক।
এরপর খুব প্রচলিত ওষুধ যেমন সিপ্রোমেক্সিন গ্রুপ। এই একটি দুটো ওষুধও কিন্তু রেনাল ফেইলিউর করে দিতে পারে। এগুলো খুবই ভালো ওষুধ। যেকোনো অ্যান্টিবায়োটিক খুব ভালো। তবে আপনি কিছুই বুঝতে পারলেন না। দুটো ওষুধ খেলেও কিন্তু তার হঠাৎ কিডনি বিকল হতে পারে। এ ক্ষেত্রে বেশির ভাগ দায়িত্ব চিকিৎসকের ওপর পড়ে। আমরা যেহেতু কিডনি বিশেষজ্ঞ। এই সব রোগী আমাদের কাছে বেশি আসে বিধায়, আমরা এই বিষয়ে সচেতন। সেই ক্ষেত্রে আমরা যেটি বলব, যখন আপনি ওষুধটা ব্যবহার করেন, তখন একটু সতর্ক থাকতে বলেন। রোগীকে চেক করতে বলেন। রক্তের পরীক্ষা করান। প্রসাবটা কম হচ্ছে কি না একটু দেখতে বলেন। পাঁচদিন পর আপনি একটু রক্ত পরীক্ষা করান অথবা প্রস্রাব যদি কমে যায়, তাহলে সতর্ক হোন।
হঠাৎ করে কিডনি অকেজোর প্রথম উপসর্গ হলো প্রস্রাব কমে যাবে এবং একটু খারাপ লাগবে। দুই তিনদিন পর বমি বমি লাগবে। সেই ক্ষেত্রে রোগী যেন দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যায়।তথ্য সূত্র ও ছবি ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।
ডাঃ তাজকেরা সুলতানা চৌধুরী
কনসালট্যান্ট ইউরোলজিস্ট (ShSMCH)
এমবিবিএস, এফসিপিএস জেনারেল সার্জারি
এমএস ইউরোলজি (BSMMU) এপয়নটমেনট নিতে ফোন করুন 02 9135947-48 ও 01706401952 এই নম্বরে

"অতি সাধারণ সবজি মূলার কিছু দ্রব্য গুন "মুলা এন্টিব্যাক্টেরিয়াল, এন্টি ফাঙ্গাল এবং ডাই ইউরেটিক। ভিটামিন সি, ফলিক এসিড, এ...
18/08/2017

"অতি সাধারণ সবজি মূলার কিছু দ্রব্য গুন "
মুলা এন্টিব্যাক্টেরিয়াল, এন্টি ফাঙ্গাল এবং ডাই ইউরেটিক। ভিটামিন সি, ফলিক এসিড, এন্থোসিয়ানিন্স সমৃদ্ধ। সাইনাসে, গলা খুসখুস, বুকে ঠান্ডা, এজমায় উপকারী। Mucus এবং acid দ্রবীভুত করতে পারে। ব্লাডার হতে গলস্টোন অপসারণ, কিডনী পরিশোধন করে। ইউরিনারী ট্র্যাক্ট এবং ব্লাডার সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে সক্ষম। নিয়মিত খেলে ঠাণ্ডা, ফ্লু’র প্রকোপ কমে। এন্টি ক্যান্সার ফুড হিসেবে এর সুনাম আছে। পাকস্থলী, কিডনী, মুখ এবং কোলন ক্যান্সারে উপকারী। শর্করা জাতীয় খাবারের সাথে এটি খাওয়া ভাল কারন এতে উপস্থিত এনজাইম জারক রস নিঃসরণে ভুমিকা রাখে। মুলাতে যে সবুজ অংশটি আছে তাতে ভিটামিন সি, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম এর পরিমাণ মুলোর থেকেও বেশী। পুষ্টিকর এবং খনিজ সমৃদ্ধ এটা খাওয়া উচিৎ। জুস হিসেবে খেলে এটা detoxifying drink হিসেবে কাজ করে যা হজমের জন্য খুব আরামদায়ক এবং শরীর পরিশোধন করে। সালাদ, স্যুপ, স্ট্যু, স্যান্ডুইচে ব্যবহার করা যায়। পুষ্টি যোগাতে এটি অতুলনীয়। তথ্য সূত্র ও ছবি ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।
ডাঃ তাজকেরা সুলতানা চৌধুরী
কনসালট্যান্ট ইউরোলজিস্ট (ShSMCH)
এমবিবিএস, এফসিপিএস জেনারেল সার্জারি
এমএস ইউরোলজি (BSMMU) এপয়নটমেনট নিতে ফোন করুন 02 9135947-48 ও 01706401952 এই নম্বরে।

Address

Jessore
7400

Telephone

+8801732810485

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Let the river flow posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Let the river flow:

Share