Golpo Fashion

Golpo Fashion clothing (Brand)

ভালো মেয়েরাই কেন সবসময় বেশি কষ্ট পায়?.. প্রত্যেকটা মেয়ের অবশ্যই একবার হলেও জানা উচিত !একটা জিনিস ভীষণ ভাল করে বুঝতেই...
24/07/2025

ভালো মেয়েরাই কেন সবসময় বেশি কষ্ট পায়?.. প্রত্যেকটা মেয়ের অবশ্যই একবার হলেও জানা উচিত !

একটা জিনিস ভীষণ ভাল করে বুঝতেই পেরেছি। বহু মেয়ে অবহেলিত শুধুমাত্র চাহিদা কম থাকার কারণে। কীরকম চাহিদা? মাছ ছাড়াও দিব্যি ভাত খেতে পারে। অর্থাৎ ওর মাছের প্রয়োজন নেই। ও তো চায়নি, তার মানে এটাই স্বাভাবিক। ওর সাজের জিনিসের প্রয়োজন নেই। কোনও দিন মুখ ফুটে বলে না তো, তাহলে ওর লাগে না।

কখনও কোনও অসুখে ও মাগো বাবাগো বলে শুয়ে না পড়া মেয়েদের যন্ত্রণা যে হতে পারে বা সত্যিই সে অসুস্থ বোধ করতে পারে সেটা তার কাছের মানুষের কাছে বিশ্বাসযোগ্যই নয়। ওই যে চাহিদা কম!
যে মেয়ে বাপের জন্মে হাত খরচ চায়নি আমি হলফ করে বলতে পারি তাকে কেউ হাতে তুলে দুটো টাকা হাত খরচ দেয়নি।

এক্ষেত্রে মেয়েদের বহু কাঙ্খিত জিনিসের চাহিদাই দাম পায় না। কারণ তারা চায় না দামি লিপস্টিক, সখের ফোন, প্রিয় চকলেট, দু দিনের উইকেন্ড, ব্র্যান্ডেড ফেসিয়াল, দামি হেয়ার কাট। এর জন্য কী হয় যখন সত্যিই কিছুর ভীষণ প্রয়োজন হয় ওটাও বাকিগুলোর মতো কদর পায় না। কারণ মেয়েটার তো কোনও ডিম্যান্ডই নেই।

এইসব মেয়েরা সবচেয়ে বেশি সাফার করে যারা বাবা ও স্বামীর কাছে নিজেকে দামি বলে প্রমাণ করেনি। এর ফলে এরা সকলের কাছেই মারাত্মক সহজলভ্য হয়ে পড়ে। এদের সখের জামা লাগে না, প্রয়োজনের জুতো লাগে না, অসুস্থতা হলে কেয়ার লাগে না, এমনকী যন্ত্রণা হলেও সেটা ভীষণ মেকি কারণ এরাই একটা সময় বুঝিয়েছে আমাদের যন্ত্রণা পর্যন্ত হয় না সহ্য করতে পারি।

যে মেয়েদের ডিম্যান্ড কম তাদের সময় দেওয়াটাও গুরুত্বহীন হয়ে পড়ে কারণ সঙ্গী ভাবে ও তো এমনিতেই থাকবে। আর আজকালকার যুগে ইন্ডিপেন্ডেন্ট মেয়েদের কথা আর বললামই না বেশিরভাগই পুরুষদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে থাকতে গিয়ে প্রাপ্তির খাতায় শূন্য থেকে যাচ্ছে, এদের জিনিসপত্র দেওয়া বা আবদার মেটানো তো দূর কি বাত এদের সামান্য কষ্টটাও পর্যন্ত মানতে নারাজ হচ্ছে সমাজ। কারণ এরা কষ্ট হজম করতে পারে।

অন্যদিকে বাড়ির লালুনি পুষুনি মেয়েটা গদগদ হয়ে বাবা বা স্বামীর কাছে দামি আইফোন চাইলে নির্বিঘ্নে তা জুটে যায়। মাসের শেষে পার্লার খরচা কসমেটিক্স খরচা, জামা কাপড়ের খরচা বেশ মিলে যায়। এদের সখ মেটাতে আপত্তি হয় না কারও ওটা প্রয়োজনের মধ্যেই পড়ে। কারণ তাঁরা নিজেদের দাম বোঝাতে পেরেছে.... অন্যদিকে যে এইসব না চেয়ে সামান্য মানসিক শান্তি চেয়েছিল তাতেও জোটে শুধু তিরস্কার আর অপমান। হায় রে সমাজ! ত্যাগকে এরা সহজলভ্য বানিয়ে দিল !
__________________

Collected- from Anulekha.

, , , , , .

24/07/2025
17/07/2025

প্রাপ্তিতেই
সমাপ্তি

15/07/2025

একান্ত নিজের এবং স্থায়ী কোন ঠিকানা যদি থেকে থাকে সেইটা হচ্ছে কবর। এই যাযাবর জীবন আর ভালো লাগছে না।

স্ত্রীকে ভালো রাখার মানেই ভালো খাবার আর বাসস্থান নয়। তার আত্মিক শান্তিটা খুবই জরুরী। সবাই বিলাসিতায় সুখী হয়না। একজন স্বা...
24/08/2024

স্ত্রীকে ভালো রাখার মানেই ভালো খাবার আর বাসস্থান নয়। তার আত্মিক শান্তিটা খুবই জরুরী। সবাই বিলাসিতায় সুখী হয়না। একজন স্বামী মানে যার হাত ধরে তার স্ত্রী সব ছেড়ে আজীবন কাটিয়ে দিবে, যার ফলে তার সর্বগুণ থাকা প্রয়োজন। অথচ সমাজ স্ত্রীর পেছনে লেগে থাকে তাকে জাজ করতে।

আপনি জানেননা আপনার স্ত্রীর ত্যাগের গল্প, আপনার চোখে সে সর্বসুখী। এরকম হলে সমস্যা আপনার চোখের,সাথে অন্তরেরও। আপনি আসলে তাকে উপলব্ধি করতে পারেননা। একটা স্বামী শুধু জীবন সঙ্গীই নয়,বরং বাবা মায়ের স্নেহেরও অংশীদার, স্ত্রীর উত্তম বন্ধু। অথচ আপনার মধ্যে ইগো কাজ করে।

স্ত্রীর উপদেশ যদি শুনতে শরীর জ্বলে তাহলে বুঝে নিন শয়তান আপনাকে অহংকারে কাবু করে ফেলেছে।

স্ত্রীর প্রতি যেমন স্বামীর কর্তৃত্ব রয়েছে তদ্রুপ স্বামীর প্রতিও স্ত্রীর পূর্ণ হক্ব রয়েছে।সংসার জীবনে কলহ আসবেই কিন্তু সেই কলহে জবান দিয়ে যেন এমন কিছু বের যেন নাহয় যেটা সাংসারিক জীবটায় বিষাদ করে দেয়।জীবন কেটে যাবে কিন্তু জবানের কষ্টের ঘাঁ কোনো মলমেই শুকাবে না।

স্ত্রী অনুভুতি গুলো তার হয়ে ভাবলে বুঝতেন তাকে।বিশ্বাস করুন জগতের সব নারীই ভালোবাসা, আদর ও আহ্লাদের কাঙাল। এসব দিয়েই প্রতিটি নারীকে সহজেই কাবু করা যায়।

আপনি একটু ভাবুন,স্ত্রীর পরিবার থেকে কেউ আপনার বিরুদ্ধে কিছু বললে আপনি মারাত্মক চটে যাবেন।হয়তো কোনোদিন শ্বশুর বাড়ি পা রাখবেননা। অথচ প্রতিনিয়ত আপনার স্ত্রীর সাথে এটায় হয়ে চলে। যেখানে আপনিই পারেননা ফ্যামিলি ছাড়া কাউকে আপন করতে সেখানে তার ওপর কিভাবে চাপিয়ে দেন?

মেয়ে বলে? মেয়ে বলে কি মানুষ না? আপনিও যেই মায়ের সন্তান সেও মায়েরই সন্তান বরং বাবার রাজকুমারিও। আচ্ছা কোন আইনে লেখা একটা মেয়েকে এসব সহ্য করতেই হবে? না রাষ্ট্রীয় আইন আর না ইসলামিক শরিয়াহ্।শরিয়তের দৃষ্টিতে নারীরা এহসান করে। না করলে বাধ্য নয়। স্ত্রীকে সম্মান দিতে শিখুন। কেননা আল্লাহ্ র কাছে ঐ ব্যক্তিই উত্তম যে তার স্ত্রীর নিকট উত্তম। আমার কথা না হাদিসের কথা।

একজন স্বামীকে খুব বেশিই সাপোর্টিভ হতে হয়। উত্তম জীবনসঙ্গী না পেলে জীবনটা এতো বেশি তিক্ত হয়!!!
এটাও ঠিক সবার নসীবে সব জোটেনা।থাকনা অপূর্ণ, চলুক এভাবেই!!
এইতো কয়টা দিন, মৃত্যু আসলেই তো সব শেষ
দুনিয়ায় কস্টের বিনিময়ে আমার আল্লাহর কাছে সুখ চেয়ে নেবো পরকালে।

Collected

আয়েশার অবিরাম সংগ্রাম: এক নারীর জীবনকাহিনীআয়েশার জীবন ছিল এক অবিরাম সংগ্রামের। বাবার অসুখের যত্ন, একা পড়াশোনা, জীবনের...
01/08/2024

আয়েশার অবিরাম সংগ্রাম: এক নারীর জীবনকাহিনী
আয়েশার জীবন ছিল এক অবিরাম সংগ্রামের। বাবার অসুখের যত্ন, একা পড়াশোনা, জীবনের নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু সে হার মানেনি। অন্ধকারের মধ্যেও আলোর সন্ধান করে চলেছিল। শেষ পর্যন্ত সে সফল হয়। পড়াশোনা শেষ করে। কিন্তু চাকরি না পেয়ে জীবন যেন এক অন্ধকার গলির মতো মনে হচ্ছিল। তবুও সে হাল ছেড়ে দেয়নি।

চাকরির বাজারে সংগ্রাম:

চাকরির বাজারে প্রতিযোগিতা কঠিন ছিল। দিনের পর দিন আবেদন, ইন্টারভিউ, প্রত্যাখ্যান – এই সব মিলে আয়েশার মন ভেঙে যাচ্ছিল। অর্থনৈতিকভাবে নির্ভরশীল হওয়ার কষ্ট তাকে আরও বেশি করে কাঁদাতো।

বিয়ের স্বপ্ন:

এমন সময় তার জীবনে আসে একজন যুবক। আয়েশা ভেবেছিল, এবার তার জীবন সুখের হবে। একজন ভালোবাসার মানুষ তার পাশে থাকবে, যে তার সব দুঃখ-কষ্ট ভাগ করে নেবে। সে ভেবেছিল, এই সম্পর্ক তার জীবনে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।

মানসিক নির্যাতনের শিকার:

কিন্তু ভাগ্য তার অন্যরকম পরীক্ষা নিল। কয়েক বছর পর আয়েশা তার স্বামীর আসল রূপ দেখতে পায়। প্রথমে ছোট ছোট বিষয় নিয়ে ঝগড়া, তারপর ধীরে ধীরে মানসিক নির্যাতন। আয়েশা প্রথমে ভেবেছিল, হয়তো একটা ভুল বোঝাবুঝি। কিন্তু দিন যত যাচ্ছিল, নির্যাতন তত বাড়তে থাকছিল।

স্বামী তার সব স্বপ্নকে চূর্ণ করে দিচ্ছিল। একা পড়াশোনা করে, চাকরি না পেয়েও যে স্বপ্ন দেখেছিল, সে স্বপ্ন ধীরে ধীরে মৃত্যুবরণ করছিল। আয়েশা নিজেকে একটা কেদারের পাখি মনে হচ্ছিল, যার ডানা ভেঙে গেছে।

স্বামী তার সব কাজে ত্রুটি খুঁজতো, তার আত্মসম্মানকে চূর্ণ করে দিতো। আয়েশা নিজেকে একজন মূল্যহীন মানুষ মনে করতে শুরু করেছিল।

মানসিক নির্যাতনের প্রভাব:

মানসিক নির্যাতনের প্রভাব আয়েশার জীবনে গভীর ছিল। সে অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েছিল, তার আত্মবিশ্বাস নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। খাওয়া-দাওয়া ঠিকমতো করতে পারত না, ঘুমাতে পারত না। সারাক্ষণ একটা ভয়ের ছায়া তার মনে লেগে থাকতো। সে নিজেকে একাকী মনে করতো, যেন পুরো পৃথিবী তার বিরুদ্ধে।

নতুন জীবনের সূচনা:

আয়েশার জীবন যেন একটা ভয়াবহ স্বপ্ন। সে ভেবেছিল, বিয়ে করে সে সুখ পাবে, কিন্তু পেল দুঃখ। সে ভেবেছিল, একজন ভালোবাসার মানুষ তার পাশে থাকবে, কিন্তু পেল একজন নির্যাতনকারী। কিন্তু আয়েশা হার মানেনি। সে জীবনের নতুন এক অধ্যায় শুরু করার জন্য প্রস্তুত।নিজের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য নানা কোর্স করেছে, নতুন নতুন দক্ষতা অর্জন করেছে।নিজের পায়ে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছে।এবং সফল হয়েছে।

আয়েশার গল্প আমাদের অনেক কিছু শিখায়। জীবনে আমরা সবসময় সুখের আশা করি। কিন্তু সুখের পাশাপাশি দুঃখও আসতে পারে। কঠিন সময় এলে হার মানা যাবে না। সাহস করে এগিয়ে যেতে হবে। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, নিজের জন্য দাঁড়াতে হবে।

এই গল্পটি শুধু আয়েশার নয়, অনেক নারীর গল্প। যারা নির্যাতনের শিকার হয়েও নিজেকে বাঁচিয়ে নিয়েছে। তাদের সাহস আমাদের সবাইকে অনুপ্রাণিত করবে।

29/05/2024
12/04/2024
Done
02/12/2023

Done

আলহামদুলিল্লাহ অর্ডার ডেলিভারি সম্পন্ন হয়েছে।
28/11/2023

আলহামদুলিল্লাহ অর্ডার ডেলিভারি সম্পন্ন হয়েছে।

Address

Kotchandpur
Jhenida

Telephone

+8801738404798

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Golpo Fashion posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Golpo Fashion:

Share