Al barakah house

Al barakah house Al barakah house is the best online clothing store for readymade and customized clothing for women

05/11/2024

বিনাশ্রমে মর্যাদা লাভের একটি আমল! খুব চমৎকার হাদিস। রাসুল ﷺ বলেন :

আল্লাহর পক্ষ থেকে কোনো মানুষের জন্য যখন কোনো মর্যাদা নির্ধারিত হয়, যা সে আমল দিয়ে লাভ করতে পারে না।

তখন আল্লাহ তার শরীরে অথবা তার সম্পদে অথবা তার পরিবারের ওপর বিপদ ঘটিয়ে পরীক্ষা করেন।

صَبَّرَهُ عَلَى ذَلِكَ يُبَلِّغُهُ الْمَنْزِلَةَ الَّتِي سَبَقَتْ لَهُ مِنَ الله
আর এতে তাকে ধৈর্যধারণ করারও শক্তি দান করেন। যাতে সেরূপ মর্যাদা লাভ করতে পারে, যা আল্লাহর পক্ষ থেকে তার জন্য নির্দিষ্ট করা হয়েছে। (আবু দাউদ ৩০৯০)

অতএব যেকোনো পেরেশানিতে সবর করুন। এর বিনিময়ে দুনিয়া ও আখেরাতে আল্লাহ মর্যাদা বাড়িয়ে দিবেন। আল্লাহ হেফাজত করুন। আমিন।

#আমলি_টিপস

20/09/2024

দরকার আত্মসমালোচনা; করি অন্যকে নিয়ে আলোচনা। আত্মসমালোচনায় আত্মশুদ্ধি হয় আর অন্যের আলোচনায় কেবল—জমা হয় গুনাহ।

—আদিব সালেহ

অনুগ্রহ করে যত বেশি পারেন শে'য়া'র করেনআশ্রয়কেন্দ্র আপটেডবন্যা, নোয়াখালীআশ্রয়কেন্দ্র ১একলাশপুর মাদরাসা, একলাশপুর উচ্চ বি...
22/08/2024

অনুগ্রহ করে যত বেশি পারেন শে'য়া'র করেন

আশ্রয়কেন্দ্র আপটেড
বন্যা, নোয়াখালী

আশ্রয়কেন্দ্র ১
একলাশপুর মাদরাসা, একলাশপুর উচ্চ বিদ্যালয়
01812355103

আশ্রয়কেন্দ্র ২
এম এ রশিদ উচ্চ বিদ্যালয়,মাইজদি
01616-537086
01609884684

আশ্রয়কেন্দ্র ৩
নোয়াখালী সরকারি কলেজের নতুন ভবন
01875418577

আশ্রয়কেন্দ্র ৪
লক্ষীনারায়ণপুর ,মাইজদি
আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়,
আল ফারুক জামে মসজিদ।
01680943899

আশ্রয়কেন্দ্র ৫
নোয়ান্নই ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়
প্রধান শিক্ষক(মোজাম্মেল স্যার):- 01831873324
সহকারী প্রধান শিক্ষক(জসীম স্যার):- 01813053711

আশ্রয়কেন্দ্র ৬
সেনবাগ
মোহাম্মদপুর রামেন্দ্র মডেল উচ্চ বিদ্যালয়
01956852538
চাঁদপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, সেনবাগ।
01713941594

আশ্রয়কেন্দ্র ৭
নুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে
ব্রাদার আঁন্দ্রে উচ্চ বিদ্যালয় হয়েছে
জাফর স্যার : 01788404424

আশ্রয়কেন্দ্র ৮
চৌমুহনী সরকারী এস এ কলেজ -চৌমুহনী।

আশ্রয়কেন্দ্র ৯
সোনাপুর ডিগ্রি কলেজ, বিজ্ঞান ভবন ১
নুরুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয়,শরীফপুর।
01820926840,
01881065039

আশ্রয়কেন্দ্র ১০
জমিদারহাট বিএন উচ্চ বিদ্যালয়-রসুলপুর।
আবদুর রশিদ চেয়ারম্যান
01812988990

আশ্রয়কেন্দ্র ১১
বেগমগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়
01816780490

আশ্রয়কেন্দ্র ১২
পশ্চিম চরউরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের (খলিল মিয়ার দরজা) ভবন।
৬ নং নোয়াখালী ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড
01712327653 (মজিব স্যার)

আশ্রয়কেন্দ্র ১২
সোনাইমুড়ি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়
যোগাযোগ:
01778711108
01835011434
01902680292
01754497533

আশ্রয়কেন্দ্র ১৩
মফিজ উল্যাহ মেমোরিয়াল একাডেমী। মিরওয়ারিশপুর, নরোত্তমপুর

আশ্রয়কেন্দ্র ১৪
নোয়াখালী স্কুল।
হরিনায়ণপুর স্কুলের পাশে

আশ্রয়কেন্দ্র ১৫
ব্রাইট ফিউচার মডেল হাই স্কুল
রাজাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,দূর্গাপুর।

আশ্রয়কেন্দ্র ১৬
পৌর কল্যাণ উচ্চ বিদ্যালয়

আশ্রয়কেন্দ্র ১৭
উত্তরলক্ষীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

প্রয়োজনে:
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বন্যা নিয়ন্ত্রণ টিম:
01769331519
01769331520
AC(Land):
01307249392
PIO:
01614259627
ফায়ার সার্ভিসের হটলাইন :
102
কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ
02223355555

সকলে সাবধান থাকুন, আবহাওয়া খুবই খারাপ। জলাবদ্ধতা বেশি হলে আশ্রয়কেন্দ্রে উপস্থিত হোন। বাড়িতে অবস্থান করতে পারলে, প্রয়োজনীয় শুকনা খাবার, পানি, স্যালাইন,মোম মজুত রাখুন। পারলে পাশের আশ্রয় কেন্দ্রে ও প্রতিবেশীদের শুকনা খাবার দিন।

22/08/2024

সারা দেশের বন্যাকবলিত এলাকার উদ্ধারকাজ বিষয়ে যেকোনো সেবা গ্রহণের জন্য ফায়ার সার্ভিসের হটলাইন নম্বর ‘১০২’। আর কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকক্ষের নিয়মিত ফোন নম্বর ‘০২২২৩৩৫৫৫৫৫’। মনিটরিং সেলে সার্বক্ষণিক যোগাযোগের মুঠোফোন নম্বর ‘০১৭১৩-০৩৮১৮১’। এ ছাড়া জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’-এ কল করেও ফায়ার সার্ভিসের এ–সংক্রান্ত সেবা নেওয়া যাবে। (Prothom Alo)

11/08/2024

রাসুল (ﷺ) রাগ হতেন, কিন্তু গালি দিতেন না। তিনি মজা করতেন, কিন্তু মিথ্যা বলতেন না। অকৃত্রিম ভাবে সবার সাথে মিশতেন কিন্তু আত্মমর্যাদাহীন ছিলেন না। তিনি গম্ভীর থাকতেন,তবে অহংকারী ছিলেন না।

সবচেয়ে নরম মেজাজের ছিলেন তিনি। সবর ও ধৈর্যের ছিলেন মূর্তপ্রতিক। কিন্তু দ্বীনের কোন বিষয়ে ত্রুটি বা অবহেলাতে তিনিই হয়ে উঠতেন সবচেয়ে কঠোর।

কখনো কখনো দামী পোষাক পরেছেন, কিন্তু শো অফ করতেন না। তালিযুক্ত জামাও থাকতো, কিন্তু অকৃতজ্ঞ ছিলেন না। দুর থেকে কেউ তাঁকে দেখলে ভয় পেত। কিন্তু তাঁর সাথে মিশলে তিনিই হয়ে উঠতেন তার সবচেয়ে প্রিয়।

পরিবারকে শাষন করতেন, তবে বদমেজাজী ছিলেন না। পরিবারকে ভালবাসতেন, কিন্তু দ্বীনের ব্যাপারে কোন ছাড় দিতেন না।

তাঁকে সাহাবীরা সর্বোচ্চ সম্মান ও শ্রদ্ধা করতেন, তাঁর সামনে উচু আওয়াজে কথা বলতেন না। কিন্তু তাঁর কাছেই নিজের সমস্যা কষ্ট অকপটে শেয়ারও করতে পারতেন। তিনি এমনই একজন ছিলেন, যাকে একই সাথে শ্রদ্ধা ও ভালবাসা, ভয় ও মুহাব্বত করা যেত।

ব্যালেন্সড ও সর্বোত্তম আখলাকের অধিকারী ছিলেন আমার রাসুল। সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।

©️ রিজওনালুল কবির

11/07/2024

আপনার চাকুরি দরকার? ব্যবসার মূলধন নেই?
রিযিকের ব্যাপারে পেরেশানিতে ভুগছেন? বিপদ-আপদ,দুঃখ-দুঃচিন্তা থেকে মুক্তি চাচ্ছেন?বিয়ে হচ্ছেনা?সন্তান দরকার? পার্থিব জীবনে সমৃদ্ধি দরকার? ফসল-ফলাদির ভালো ফলন দরকার?

আপনার সব কিছুর সমাধান একটা আমলের মধ্যে রয়েছে,তা হচ্ছে- ইস্তিগফারের আমল। ইস্তিগফারকে নিজের জীবনে আবশ্যক করে নেন। চলতে,বসতে,ঘুরতে সব সময় ঠোঁটে ইস্তিগফারের আমল জারি রাখুন।

হাদিসে এসেছে যার মূল বক্তব্য মোটামুটি এই রকম," যে ব্যক্তি ইস্তিগফারকে নিজের জন্য আবশ্যক বানিয়ে নিবে আল্লাহ তায়ালা তার জন্য প্রতিটি সংকীর্ণ অবস্থা থেকে বের হওয়ার পথ খুলে দিবেন,তার প্রতিটি উদ্বেগ-অস্থিরতা দূর করে দিবেন। এবং তাকে কল্পনাতীত উৎস থেকে রিযিক প্রদান করবেন।"

হাসান আল বসরি রাহিমাহুল্লার বিখ্যাত সেই ঘটনা আমরা অনেকেই জানিঃ

"একবার হাসান বসরী রাহ. এর কাছে এক ব্যক্তি জানালো “ আমার ফসলে খরা লেগেছে। আমাকে আমল দিন” হাসান বসরী তাকে বললেন এস্তেগফার করো। কিছুক্ষণ পর আরেক ব্যক্তি এসে অভিযোগ পেশ করল “আমি গরীব। আমাকে রিজক এর আমল দিন” হাসান রহ. তাকেও বলেলন এস্তেগফার করো। এমনিভাবে অপর এক ব্যক্তি এসে সন্তান হও্য়ার আমল চাইলে তিনি বললেন, এস্তেগফার করো।” উপস্থিত ছাত্ররা জিজ্ঞেস করল, “সবাইকে এক পরামর্শই দিলেন যে?” বিখ্যাত তাবেয়ী হাসান বসরী রহ. বললেন “আমি নিজের পক্ষ থেকে কিছুই বলি নি। এটা বরং আল্লাহ তায়ালা তার কুরআনে শিখিয়েছেন । তারপর তিনি সুরা নুহ এর আয়াতটি তেলাওয়াত করলেন। (তাফসীরে কুরতুবী ১৮/৩০৩)


فَقُلْتُ اسْتَغْفِرُوا رَبَّكُمْ إِنَّهُ كَانَ غَفَّارًا. يُرْسِلِ السَّمَاءَ عَلَيْكُمْ مِدْرَارًا. وَيُمْدِدْكُمْ بِأَمْوَالٍ وَبَنِينَ وَيَجْعَلْ لَكُمْ جَنَّاتٍ وَيَجْعَلْ لَكُمْ أَنْهَارًا
নুহ আ. বললেন “তোমরা তোমাদের রবের কাছে এস্তেগফার করো। ( ক্ষমা চাও) নিশ্চয় তিনি অতি ক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের উপর অজস্র বারিধারা বর্ষণ করবেন। তিনি তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি বৃদ্ধির মাধ্যমে তোমাদের সাহায্য করবেন। তোমাদের জন্যে উদ্যান তৈরি করবেন, তোমাদের জন্যে নদীনালা প্রবাহিত করবেন।” (সুরা নূহ- ১০-১২)"

হাদিসে ইস্তিগফারের বেশ কিছু দু'আ এসেছে আমরা সেখান থেকে ইস্তিগফারের দু'আ উল্লেখ করছিঃ

ইস্তিগফার মানে ক্ষমা চাওয়া, আল্লাহর কাছে নিজের গুনাহের জন্য ক্ষমা চাওয়া। পাপের জন্য লজ্জিত,অনুতপ্ত হওয়া।

দোয়া-১:
======
মূল আরবীঃ ﺃَﺳﺘَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﻠﻪَ
উচ্চারণঃ আস্তাগফিরুল্লা-হ।

অনুবাদঃ আমি আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করছি।
প্রতি ওয়াক্তের ফরয সালাতে সালাম ফিরানোর পর রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এই দোয়া ৩ বার পড়তেন। [মিশকাত-৯৬১]

দোয়া-২:
======
মূল আরবীঃ ﺃَﺳْﺘَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﻠﻪَ ﻭَﺃَﺗُﻮْﺏُ ﺇِﻟَﻴْﻪِ
উচ্চারণঃ আস্তাগফিরুল্লা-হা ওয়া আতূবু ইলাইহি।
অনুবাদঃ আমি আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করছি ও তাঁর দিকে ফিরে আসছি।

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) প্রতিদিন ৭০ বারের অধিক তাওবা ও ইসতিগফার করতেন। [বুখারী-৬৩০৭]

দোয়া-৩:
======
মূল আরবীঃ ﺭَﺏِّ ﺍﻏْﻔِﺮْ ﻟِﻲْ ﻭَﺗُﺐْ ﻋَﻠَﻲَّ ﺇِﻧَّﻚَ ‏( ﺃﻧْﺖَ ‏) ﺍﻟﺘَّﻮَّﺍﺏُ ﺍﻟﺮَّﺣِﻴْﻢُ ‏( ﺍﻟﻐَﻔُﻮْﺭُ )
উচ্চারণঃ রাব্বিগ্ ফিরলী, ওয়া তুব ‘আলাইয়্যা, ইন্নাকা আনতাত তাওয়া-বুর রাহীম। দ্বিতীয় বর্ণনয় “রাহীম”-এর বদলে: ‘গাফূর’।
অনুবাদঃ হে আমার প্রভু, আপনি আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমার তাওবা কবুল করুন। নিশ্চয় আপনি মহান তাওবা কবুলকারী করুণাময়। দ্বিতীয় বর্ণনায়: তাওবা কবুলকারী ও ক্ষমাকারী।

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) মসজিদে বসে এক বৈঠকেই এই দোয়া ১০০ বার পড়েছেন। [আবূ দাঊদ-১৫১৬, ইবনু মাজাহ-৩৮১৪, তিরমিযী-৩৪৩৪, মিশকাত-২৩৫২]

দোয়া-৪:
======
মূল আরবীঃ ﺃَﺳْﺘَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﺍﻟَّﺬِﻱ ﻻَ ﺇِﻟَﻪَ ﺇِﻻَّ ﻫُﻮَ ﺍﻟْﺤَﻰُّ ﺍﻟْﻘَﻴُّﻮﻡُ ﻭَﺃَﺗُﻮﺏُ ﺇِﻟَﻴْﻪِ

উচ্চারণঃ আস্তাগফিরুল্লা-হাল্লাযী লা- ইলা-হা ইল্লা- হুওয়াল হাইয়্যুল কইয়্যূম ওয়া আতূবু ইলায়হি।

অনুবাদঃ আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই, তিনি ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন মা‘বূদ নেই, তিনি চিরঞ্জীব, চিরস্থায়ী এবং তাঁর কাছে তাওবাহ্ করি।

এই দোয়া পড়লে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিবেন-যদিও সে যুদ্ধক্ষেত্র হতে পলায়নকারী হয়। [আবু দাউদ-১৫১৭, তিরমিযী-৩৫৭৭, মিশকাত-২৩৫৩]

দোয়া-৫:
ক্ষমা চাওয়ার শ্রেষ্ঠ দু'আঃসাইয়্যিদুল ইস্তিগফার:

======

মূল আরবীঃ ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺃَﻧْﺖَ ﺭَﺑِّﻲ ﻟَﺎ ﺇِﻟَﻪَ ﺇِﻟَّﺎ ﺃَﻧْﺖَ ﺧَﻠَﻘْﺘَﻨِﻲ ﻭَﺃَﻧَﺎ ﻋَﺒْﺪُﻙَ ﻭَﺃَﻧَﺎ ﻋَﻠَﻰ ﻋَﻬْﺪِﻙَ ﻭَﻭَﻋْﺪِﻙَ ﻣَﺎ ﺍﺳْﺘَﻄَﻌْﺖُ ﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﺷَﺮِّ ﻣَﺎ ﺻَﻨَﻌْﺖُ ﺃَﺑُﻮﺀُ ﻟَﻚَ ﺑِﻨِﻌْﻤَﺘِﻚَ ﻋَﻠَﻲَّ ﻭَﺃَﺑُﻮﺀُ ﻟَﻚَ ﺑِﺬَﻧْﺒِﻲ ﻓَﺎﻏْﻔِﺮْ ﻟِﻲ ﻓَﺈِﻧَّﻪُ ﻟَﺎ ﻳَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﺬُّﻧُﻮﺏَ ﺇِﻟَّﺎ ﺃَﻧْﺖَ

উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা আনতা রব্বী লা-ইলাহা ইল্লা আনতা খালাক্কতানী ওয়া আনা আ’বদুকা ওয়া আনা আ’লা আহ্দিকা ওয়া ও’য়াদিকা মাসতাত’তু আ’উযুবিকা মিন শার্রি মা ছা’নাতু আবূউলাকা বিনি’মাতিকা আ’লাইয়্যা ওয়া আবূউলাকা বিযানবী ফাগ্ফির্লী ফাইন্নাহু লা-ইয়াগফিরুয্যুনূবা ইল্লা আনতা

অনুবাদঃ হে আল্লাহ তুমিই আমার প্রতিপালক। তুমি ছাড়া কোন ইলাহ নেই। তুমিই আমাকে সৃষ্টি করেছ। আমি তোমারই গোলাম। আমি যথাসাধ্য তোমার সঙ্গে প্রতিজ্ঞা ও অঙ্গীকারের উপর আছি। আমি আমার সব কৃতকর্মের কুফল থেকে তোমার কাছে পানাহ চাচ্ছি। তুমি আমার প্রতি তোমার যে নিয়ামত দিয়েছ তা স্বীকার করছি। আর আমার কৃত গুনাহের কথাও স্বীকার করছি। তুমি আমাকে মাফ করে দাও। কারন তুমি ছাড়া কেউ গুনাহ ক্ষমা করতে পারবে না।

যে বুক্তি সকাল, সন্ধ্যায় সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার অর্থ বুঝে দৃঢ় বিশ্বাস সহকারে পড়বে, সে ঐ দিন কিংবা রাতে মারা গেলে অনবশ্যই জান্নাতে যাবে। [বুখারীঃ৬৩০৬]


07/06/2024

আমরা বছরের শ্রেষ্ঠ দশদিন পেতে যাচ্ছি; আর তা হলো জিলহজ্জ মাসের প্রথম দশদিন, ইন শা’ আল্লহ্।

বছরের শ্রেষ্ঠ ১০ টি রাত হলো রমজানের শেষ দশক,
আর বছরের শ্রেষ্ঠ ১০টি দিন হলো যিলহজ্জের প্রথম দশক।
রবের কাছে এই ১০ দিনের আমল অনেক প্রিয়।

🍁 : শাইখ ডক্টর সালেহ আল ফাউজান (حفظه الله).
🍁 : শাইখ ডক্টর আব্দুস সালাম আস সুলাইমান (حفظه الله).
এর আলোচনা থেকে নিজে জিলহজ্জ মাসের গুরুত্বপূর্ণ আমলসমূহ তুলে ধরা হলো l

#জিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ দিন এর গুরুত্বপূর্ণ আমলসমূহঃ

(১) জিলহজ্জের প্রথম ৯ দিন রোজা রাখা; বিশেষত আরাফার দিনের রোজা রাখা।

রাসূল (ﷺ) বলেন,
❝আরাফার দিনের রোজার বিষয়ে আমি আল্লাহর নিকট আশা করি যে, তিনি এর দ্বারা বিগত বছর ও আগামী এক বছরের গুনাহ মাফ করে দেবেন।❞
[ সহীহ মুসলিম : ১১৬২ ]

(২) সামর্থ্যবান হলে কুরবানি করা।

(৩) এই দশ দিন নখ ও চুল না কাটা।

রাসূল (ﷺ) বলেন,
❝তোমাদের কেউ জিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখলে এবং কুরবানি করার ইচ্ছা করলে, সে যেন তার চুল ও নখ কাটা থেকে বিরত থাকে।❞
[ সহীহ মুসলিম : ১৯৭৭ ]

(৪) চার ধরনের যিকিরে লেগে থাকা।

রাসুল (ﷺ) বলেন,
❝আল্লাহ তা‘আলার নিকট জিলহজ্জের দশ দিনের আমলের চেয়ে মহান এবং প্রিয় অন্য কোনো দিনের আমল নেই।
সুতরাং, তোমরা সেই দিনগুলোতে অধিক পরিমাণে
তাসবিহ ( سُبْحَانَ اللّٰهِ ), সুবহানাল্লাহ
তাহমিদ ( ٱلْحَمْدُ لِلَّٰهِ ), আলহামদুলিল্লাহ
তাহলিল ( لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ ) লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ

তাকবির ( اللّٰهُ أَكْبَر ) আল্লাহ আকবার
পড়ো।❞
[ মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৪৬; হাদিসটির সনদ সহিহ ]

(৫) বেশি বেশি তাকবির তথা আল্লাহর বড়ত্ব ঘোষণা করা।

সাধারণভাবে এই দশ দিন সংক্ষেপে اللّٰهُ أَكْبَر বেশি বেশি পড়ুন। সাথে, নিচের বাক্যগুলোও সাধ্যানুসারে পড়ুন—

اَللّٰهُ أَكْبَرْ اَللّٰهُ أَكْبَرْ
لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ
وَاللّٰهُ أَكْبَرْ اَللّٰهُ أَكْبَرْ
وَلِلّٰهِ الْحَمْد

অর্থঃ আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ; আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ;
আল্লাহ ছাড়া কোনও উপাস্য নেই।
আল্লাহই সর্বশ্রেষ্ঠ; আল্লাহই সর্বশ্রেষ্ঠ;
আর আল্লাহর জন্যই সকল প্রশংসা।

এটি ইবনু মাস‘উদ (রা.) ও অন্যান্য পূর্বসূরিদের থেকে প্রমাণিত।
[ দারাকুতনি, আস-সুনান: ১৭৫৬; আলবানি, ইরওয়াউল গালিল: ৬৫৪; সনদ সহিহ ]

তবে, আরাফার দিন অর্থাৎ জিলহজ্জের ৯ তারিখ ফজর থেকে শুরু করে ১৩ তারিখ আসর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর একাকী বা জামাতে নামাজ আদায়কারী, নারী অথবা পুরুষ— প্রত্যেকের জন্য একবার তাকবিরে তাশরিক (উপরে বর্ণিত তাকবিরটি) পাঠ করা ওয়াজিব। পুরুষরা উচ্চ আওয়াজে বলবে, আর নারীরা নিচু আওয়াজে।
[ ইবনু তাইমিয়্যাহ, মাজমু‘উ ফাতাওয়া: ২৪/২২০; ইবনুল কায়্যিম, যাদুল মা‘আদ: ২/৩৬০; ইবনু আবিদিন, রাদ্দুল মুহতার: ৩/৬১]

(৬) চারটি সম্মানিত মাসের একটি হলো জিলহজ্জ; তাই এই মাসের সম্মানে যথাসম্ভব সকল গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা।

আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
❝নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট সংরক্ষিত ফলকে (বছরে) মাসের সংখ্যা বারোটি—আসমানসমূহ ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন থেকে। তার মধ্যে চারটি (মাস) সম্মানিত। এটিই সুপ্রতিষ্ঠিত বিধান; সুতরাং এর মধ্যে তোমরা (গুনাহ করার মাধ্যমে) নিজেদের প্রতি অত্যাচার করো না।❞
[ সুরা তাওবাহ, আয়াত: ৩৬ ]

(৭) এই দিনগুলো বছরের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ, তাই অধিক পরিমাণে নেক আমল করা।

রাসূল (ﷺ) বলেছেন,
❝আল্লাহ তা‘আলার নিকট জিলহজ্জের (প্রথম) দশ দিনের আমলের চেয়ে অধিক মর্যাদাপূর্ণ ও প্রিয় অন্য কোনো আমল নেই।❞ সাহাবিগণ বললেন, ‘ইয়া রাসুলাল্লাহ! আল্লাহ রাস্তায় জিহাদও কি এর চেয়ে উত্তম নয়?’ তিনি বললেন, ‘‘না। আল্লাহর রাস্তায় জিহাদও নয়। তবে যে ব্যক্তি তার জান ও মাল নিয়ে (জিহাদে) ঝাঁপিয়ে পড়লো এবং এর কোনো কিছু নিয়েই আর ফিরে এলো না (অর্থাৎ, শহীদ হয়ে গেলো, তার কথা ভিন্ন)।❞
[ সহীহ বুখারি : ৯৬৯; মুসনাদে আহমাদ : ৬৫০৫; সুনান আবু দাউদ : ২৪৩৮]

(সংগৃহীত)

08/04/2024
19/01/2024
09/12/2023

কাউকে গালির বদলে গালি দিও না, লজ্জার বদলে লজ্জা দিও না, কষ্টের বদলে কষ্ট দিও না।

যদিও তোমার প্রতিশোধ নেওয়ার অধিকার রয়েছে, কিন্তু এই অধিকার প্রয়োগের চেয়ে মাফ করে দেওয়া উত্তম!

তুমি যদি চুপ করে থাকো, কোন উত্তর না দাও এবং এর ফলে তোমার ভিতরে কষ্ট হয়, ক্রোধের সৃষ্টি হয়, আর তা তুমি হজম করো, ধৈর্য্য ধারন করো, তাহলে এ সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা ওয়াদা করেছেন,

"ধৈর্য্য ধারনকারীদের আল্লাহ তা'আলা বেহিসাব পুরুষ্কার দিয়ে থাকেন!"
(সূরা আয-যুমারঃ ১০)।❤️

©

23/10/2023

ফিলিস্তনের এক ছোট্ট বালক।
মাথার উপর ইসরাইলি বিমান দেখে ভয় লাগে কি না জিজ্ঞেস করা হলে সে জবাব দিয়েছিল!

"আমাদের মাথার উপর তাদের বিমান উড়ে,
কিন্তু- তারা জানে না, তাদেরও উপরে আমাদের আল্লাহ আছেন"!

কথাটির গভীরতা কত একবার ভেবে দেখেছেন?♡︎🥹

Address

Kazipara

Telephone

+8801748442548

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al barakah house posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Al barakah house:

Share