Sparkles Shop

Sparkles Shop Here u can have all the exclusive baby dress & u will enjoy the most easy way to buy them. Our mission is to offer you the best looking baby items available �

IMPORTED FROM:
All the products are 100% imported from Thailand, China, Hong Kong ! ORDERING PROCESS:
Ordering process is nothing but to send us 1 msg with the item's link or simply send us 1 msg by giving the picture of the product. We'll Contact To You ASAP !

আসসালামু আলাইকুম বানানো ড্রেস পাইকারি দাম দিয়ে দেয়া হবে মিনিমাম তিন পিস নিতে হবে,দাম জানতে বয়সসহ ইনবক্স করুন।        ...
12/05/2026

আসসালামু আলাইকুম

বানানো ড্রেস পাইকারি দাম দিয়ে দেয়া হবে
মিনিমাম তিন পিস নিতে হবে,
দাম জানতে বয়সসহ ইনবক্স করুন।
#৩টি

সবচেয়ে ভালো এই শ্যাম্পু, চুলকে করে মশ্রিন ও সিল্কি, মাথায় থাকেনা বুদ্ধি ও খুশকি 😂
24/09/2025

সবচেয়ে ভালো এই শ্যাম্পু, চুলকে করে মশ্রিন ও সিল্কি, মাথায় থাকেনা বুদ্ধি ও খুশকি 😂

আমার এক আপু আছে,হাউজওয়াইফ। সেদিন উনার বাসায় দাওয়াত ছিল। সবাই মিলে খেতে বসলাম। আপু উনার হাজব্যান্ড কে বলছিলো কতো কষ্ট করে...
30/08/2025

আমার এক আপু আছে,হাউজওয়াইফ। সেদিন উনার বাসায় দাওয়াত ছিল। সবাই মিলে খেতে বসলাম। আপু উনার হাজব্যান্ড কে বলছিলো কতো কষ্ট করে রান্নাটা করেছে,একটা নতুন আইটেম ও রান্না করেছে। বলতে বলতে খাবারটা হাজব্যান্ডের প্লেটে দিলো।হাজব্যান্ড চুপচাপ শুনেই গেলো।পরে আপু ইকটু আহত হয়েই বললো-"খাবারটা কেমন হয়েছে তাও বলোনা!এতো কষ্ট করলাম এপ্রিশিয়েট করলে কি হয়?"

এই কথাটা শুনে আমার লিটারেলি কান্না পাচ্ছিলো।চাকরিবাকরি বিসর্জন দিয়ে রাতদিন যার সংসারে খাটছে, তার থেকে একটা এপ্রিশিয়েশন ও ভিক্ষা করতে হচ্ছে!

বেশ ক'বছর আগে এক আংকেলকে বলতে শুনেছিলাম-"ও (উনার স্ত্রী) এতো মোটা হয়ে গেছে!নিজেকে মেইনটেইন করতেই পারেনা!"

অথচ আমার চোখে তখন ভাসছিলো আন্টি কিভাবে রাত-দিন এক করে উনাদের ছেলেদের মানুষ করছে, ঘর সামলাচ্ছে, হাঁটু ব্যথা নিয়ে ঘরের ফ্লোরটা মুছছে!এতো কিছুর পরেও গ্রেটফুল থাকা তো দূর, ফিগার কেন মেইনটেইন করছেনা তা নিয়ে উনি হতাশ।

কিছুদিন আগে রিলিজ হওয়া বলিউডের Mrs মুভিতে মেয়েটা যখন তার হাজব্যান্ডকে বলে সে* বাদদিয়ে ইকটু আদরটা করতে, তখন হাজব্যান্ড তাকে রেগে গিয়ে বলে-"নিজেকে দেখসো কেমন চেহারা হয়ে গেছে! তোমার শরীর থেকেও তো রান্নাঘরের গন্ধ আসে।আদর করতে মন চাইবে কিভাবে?"

ফেসবুকে একজনের একটা কমেন্ট দেখলাম।
"ইফতারির পরে ওয়াইফের শরীর থেকে রান্না ঘরের গন্ধ আসে।"
এক ডাক্তার আপুকে চিনি, যে বাচ্চাকাচ্চা সংসার সামলিয়ে পড়ার সুযোগ না পেয়ে পরীক্ষায় পাশ করতে পারেনি বলে তার স্বামী তাকে বলেছিলো -"তোমার তো ব্রেইনই নাই।পাশ করবা কিভাবে!"

অথচ আপুটা ডাক্তার!

মেয়েরা আসলে বোকা।নিজের কেয়ার,নিজের ক্যারিয়ার সবটা স্যাক্রিফাইস করে সংসার করে।

স্বামী-বাচ্চাকাচ্চার পিছনেই জীবন উজাড় করে দেয়।রান্নাঘরে জ্বলেপুড়ে স্বামীর পেটপূজার আয়োজন করে,তখন স্বামীই শুনায়

"তোমার শরীরে তো রান্নাঘরের গন্ধ!"

লেখা-- Safia Binta Ahmed

মাইলস্টোনের এক স্টুডেন্টের মাকে দেখতে গেলাম। জানতে চাইলাম আপা কেমন আছেন? সাথে সাথে উনি কান্নায় ভেঙ্গে পড়লেন, কাঁদতে কা...
15/08/2025

মাইলস্টোনের এক স্টুডেন্টের মাকে দেখতে গেলাম। জানতে চাইলাম আপা কেমন আছেন? সাথে সাথে উনি কান্নায় ভেঙ্গে পড়লেন, কাঁদতে কাঁদতে উনি বললেন, আমার বাসা এয়ারপোর্টের কাছে, সব সময় বিমানের আওয়াজ পাই। কখনোই ভয় লাগে নাই, এখন বিমানের আওয়াজ শুনলেই আতঙ্কিত হয়ে উঠি। আমি এই এলাকায় আর থাকবো না, এক মাস পরই চলে যাব। বললাম আপা আপনার ঐ দিনের অভিজ্ঞতা একটু বলেন শুনি? আবারো চোখ দিয়ে দরদর করে পানি পড়ছে, কান্নার চাপে কথা বলতে পারছে না, আমারও চোখ ভিজে উঠলো! এরপর আপা বললেন, আমার অফিসটা উত্তরা হাউজ বিল্ডিং এ। আমার ছেলের এক ক্লাসমেটের মা ১টা ২০ মিনিটে আমাকে ফোন দিয়ে বলল, আপা আপনার নীরব কি বাসায় গেছে? আমি বললাম না? ওতো ক্লাস শেষে কোচিং করার কথা? তখন উনি বলল, আপনি খবর পান নাই? ওদের স্কুলের ছাদে একটা বিমান বি/ধ্বস্ত হয়ে আ/গুন জ্ব/লতেছে। আমার আর হুশ নাই, ছেলের মোবাইলে কল দিলাম, কল হইতেছে ধরে না। কয়েকবার চেষ্টা করলাম, কিছুতেই ধরে না। আমি খালি পায়ে দিলাম দৌড়। পায়ে জুতা নেই সেটা ভুলে গেছি। অফিস থেকে বের হয়ে কোন কিছু পাইতেছি না? রাস্তায় জ্যাম! সবাই দেখি দিয়া বাড়ির দিকে দৌড়াইতেছে। প্রায় দুই কিলো রাস্তা আমি খালি পায়ে দৌড়াতে থাকলাম! আমার পায়ে ঢুকলো কাচ ভাঙ্গা, বসে কাচ ভাঙ্গা খুলে আবার দৌড় দিলাম। দৌড়াতে দৌড়াতে একসময় স্কুলের সামনে গিয়ে দেখি আমার ছেলে যে বিল্ডিং এ কোচিং করে, সেই বিল্ডিং ধাউধাউ করে জ্ব/লে অঙ্গার হয়ে যাইতেছে। আমি পাগলের মতো চিৎকার করলাম, ভিতরে ঢুকতে চাইলাম, আর্মিরা কিছুতেই আমারে ঢুকতে দিলো না? আমি কি করবো? কিভাবে ছেলের উদ্ধার করব? মায়ের সামনে ছেলে আ/গুনে জ্বলে যাইতেছে, কোন মা এই দৃশ্য দেখে সহ্য করতে পারে? আবার কান্না আরো বাড়লো আপার। আপাকে সান্তনা দেওয়ার কোন ভাষা খুঁজে পাচ্ছিলাম না? এরপর আপা বলল, এক ঘন্টার বেশি সময় ধরে আমি পাগলের মত ঘুরলাম, চোখের সামনে পুড়ে যাওয়া বাচ্চাদেরকে বের করে হসপিটালে নিয়ে যাইতেছে, কিন্তু আমার ছেলে নাই? আমি চিৎকার করে কাঁদতে কাঁদতে কোন দিকে যাব কিছু খুঁজে পাচ্ছি না? অনেকক্ষণ দৌড়াদৌড়ি করলাম, এক পর্যায়ে কাঁদতে কাঁদতে অজ্ঞান হয়ে আমি মাটিতে পড়ে গেলাম। কে যেন বোতলে করে মাথায় পানি দিলো। আমার মোবাইলে আমি সবাইরে ছবি দেখাইলাম, এটা আমার ছেলে, আপনারা কেউ দেখছেন? কে কার সন্তানের খবর দিবে? প্রত্যেকেইতো তারা নিজেদের সন্তানকে খুঁজে বেড়াইতেছে! তিন ঘন্টা পর হয়ে গেল, আমার আব্বুটার সন্ধান আমি পাইলাম না। একজন বলল আপনি হসপিটাল গুলোতে খোঁজ নেন। কিন্তু এত দূরের রাস্তা আমি যাব কিভাবে? আমার খালি পা, পা কেটে র/ক্ত ঝরতেছে। আমি ব্যগ ছাড়াই দৌড়ে অফিস থেকে বের হয়ে আসছিলাম। সাথে কোন টাকা নাই। একটা রিক্সাওয়ালাকে বললাম, উত্তরা মেডিকেলে যাবেন। সে চাইলো ৫০০ টাকা। আমি টাকা পাবো কই? খালি পায়ে দৌড়াতে শুরু করলাম। খালপাড় চোরাস্তা পর্যন্ত আইলাম, আর পারতেছিনা? রাস্তার উপরে বসে কাঁদতে ছিলাম, হঠাৎ একটা ছেলে বাইক নিয়ে আমার সামনে থামলো, আমারে জিজ্ঞাসা করল কি হইছে? আমি কাঁদতে কাঁদতে বললাম আমার ছেলেরে বুকের ধনরে আমি খুঁজে পাইতেছি না? আর্মিরা বলছে হসপিটালগুলোতে খুঁজতে! ভাইগো আমার সাথে একটা টাকাও নাই? ছেলেটা আমারে বলল, আপনি আমার পিছনে উঠেন। আমার মনে হলো একটা ফেরেশতা আমার জন্য আল্লাহ পাঠাইয়া দিছে। ছেলেটা আমারে নিয়ে প্রথমে গেলে উত্তরা আধুনিক হসপিটাল, এরপর গেল লুবানা হসপিটাল। এরপর গেল মনসুর আলী হসপিটাল, কুয়েত মৈত্রী হসপিটাল। কোথাও খুঁজে পাইলাম না আমার বুকের মানিক রে। কান্নায় আপা কথা বলতে পারছেনা। হঠাৎ আমার মোবাইলে একটা ফোন আইলো, আমারে বলল আপনি কি নিরবের আম্মা? আমি বললাম হ। উনি আমারে বলল আপনি মেট্রো স্টেশনের এখানে আসেন। ওই ফেরেশতা রূপী ভাইটা তার বাইকে করে আমারে নিয়ে উড়াল দিল, মানুষের জ্যামে কোনভাবে সামনে আগানো যাইতেছে না । আমি গিয়ে দেখি আমার ছেলে দাঁড়িয়ে কাঁপছে। আমার ছেলে বেঁচে আছে, সুস্থ আছে ভালো আছে, এটা দেখে আমি আমার বুকের মানিকরে বুকের সাথে জড়াই ধরে রাখলাম। কতক্ষন জড়িয়ে ধরে রাখছি আমি জানিনা? আমার কলিজা ঠান্ডা হইলো। এরপর বললাম বাবা তুই কই ছিলি? আমি যখন আপার সাথে কথা বলছিলাম, তখন পাশে খাটে শুয়ে ছিল উনার ছেলে নিরব। এ সময় ঘুম থেকে জেগে উঠলো আপার ছেলে নীরব। ট্রমার মধ্যে থাকা ছেলেটা এখনো ঠিকভাবে কথা বলতে পারে না? কানে ঠিকভাবে শুনতে পায় না, তাকিয়ে থাকে। আমি একটু জোর করে বললাম, মামা তোমার কি মনে পড়ে ওই দিনের ঘটনা? ও বলল একটার সময় ছুটির পর আমি আমার বন্ধুর সঙ্গে বাইরে দোকানে গেলাম। দুইজনে দুইটা বার্গার নিলাম। ভাবছি ক্লাসে বসে খাব, স্কুলের মাঠে আসতেই বিমানটা আমাদের থেকে একটু দূরে আছড়ে পড়ল, আমি আর আমার বন্ধু দৌড় দিয়ে পিছন দিকে এলাম, আমার একহাতে বার্গার আরেক হাতে মোবাইল, দুটো সেখানে পড়ে গেছে। আমি আমার বন্ধুরে আর খুঁজে পাই নাই, পরে খবর পাইলাম আমার বন্ধু এখন হসপিটালে ভর্তি আছে। ও আমার থেকে একটু সামনে ছিল তো, ওর শরীরের অনেক অংশ পুড়ে গেছে। জানিনা ও বাঁচবে কিনা? আমার বন্ধুর জন্য দোয়া করবেন আঙ্কেল। মা ছেলেকে বুকের সঙ্গে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে কাঁদতে বলে, আমার ছেলেকে আমার চোখের সামনে থেকে আমি এখন আর কোথাও যেতে দেব না! আল্লাহর কাছে লাখ লাখ শুকরিয়া, আল্লাহ আমার ছেলের বাঁচিয়ে রাখছে। আমার ছেলে পাশে আছে, তাতেও আমি এত কষ্ট পাচ্ছি, এত আতঙ্কের মধ্যে আছি। যেসব মায়েরা সন্তান হারাইছে, আর যাদের সন্তান এখন হসপিটালে মৃ/ত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে, তারা যে কিভাবে বেঁচে আছে আমি জানিনা? বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার শব্দে মনে হয় ছেলেটা কানে আঘাত পেয়েছে? আপনারা বাচ্চাটার জন্য দোয়া করবেন, যেন ও এই ট্রমা কাটিয়ে আবার নতুন করে সুস্থ স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারে। ফি আমানিল্লাহ।

Collected

13/08/2025

মদ খাওয়ার সময় আমি কোন রিস্ক নিই না।
অফিস থেকে সন্ধ্যাবেলা বাড়ি ফিরে দেখি গিন্নি রান্না করছে।
রান্নাঘর থেকে বাসনের আওয়াজ আসছে।
আমি চুপিচুপি ঘরে ঢুকে পড়লাম।
কালো রঙের আলমারি থেকে বোতল বার করলাম।
নেতাজি ফটো ফ্রেম থেকে আমাকে দেখছেন।
কিন্তু এখন পর্যন্ত কেউ কিচ্ছুটি টের পায় নি।
কারণ আমি কোন রিস্ক নিই না।

সিঙ্কের উপরের তাক থেকে গ্লাস বার করলাম
আর টক করে এক পেগ গিলে ফেললাম।
গ্লাস ধুয়ে ফের তা তাকের উপর রেখে দিলাম
হা, বোতল টাও আলমারি তে রেখে দিলাম।
নেতাজি মুচকি হাসলেন।
রান্নাঘরে উঁকি দিলাম, গিন্নি দেখি আলু কাটছে।
কেউ কিছু টের পায় নি।
কারণ আমি কোন রিস্ক নিই না।

গিন্নি কে জিগেস করলাম: সমীরের মেয়ের বিয়ের কিছু হলো ?
গিন্নি : নাহ, মেয়েটার ভাগ্য টাই খারাপ। এখনো পাত্র দেখছে।
আমি আবার ঘরে গেলাম, আলমারি খুলতে গিয়ে এবার একটু শব্দ হলো।
তেমন কিছু নয় অবশ্যি।
বোতল বের করার সময় অবশ্য কোনো আওয়াজ করিনি।
সিঙ্কের উপরের তাক থেকে গ্লাস নিয়ে চট করে দু পেগ মেরে দিলাম।
বোতল ধুয়ে সাবধানে সিঙ্কের মধ্যে রেখে দিলাম। আর গ্লাস টা আলমারি তে।
এখন পর্যন্ত কেউ কোনো কিছু আঁচ করতে পারে নি
কারণ আমি কোন রিস্ক নিই না।

বাইরে এসে গিন্নিকে : যাই হোক, সমীরের মেয়ের বয়েস ই বা কি !
গিন্নি : কী বলছ !! ৩০ বছর বয়েস হলো, দেখতে আরো বুড়োটে লাগে।
আমি (ভুলেই গেছিলাম সমীরের মেয়ের বয়েস ৩০) : তা ঠিক
সুযোগ বুঝে ফের আলমারি থেকে আলু বের করলাম (আলমারিটা আবার জায়গা বদলে ফেলল কি করে রে বাবা),
তাক থেকে বোতল বার করে সিঙ্কের সঙ্গে মিশিয়ে চট করে আর এক পেগ পেটে চালান করলাম।
নেতাজি দেখি জোরে জোরে হাসছেন।
তাক আলুতে রেখে নেতাজীর ছবি খুব ভালো করে ধুয়ে আলমারিতে রেখে দিলাম।
গিন্নি কি করছে দেখি - হ্যা, ও গাসের উপর সিংক চড়াচ্ছে।
কিন্তু এখন পর্যন্ত কেউ কিসসু টের পায় নি,
কারণ আমি কোন রিস্ক নিই না।

আমি গিন্নিকে : তুমি সমীরকে বুড়ো বললে ?
গিন্নি : বকবক কর না তো , বাইরে গিয়ে চুপ করে বসো। এখন তুমি কথা বলবে না।
আমি আলু থেকে ফের বোতল বের করে মজাসে আলমারি তে আরো এক পেগ গিললাম।
সিংক টা ধুয়ে ওটাকে তাকের উপর রেখে দিলাম।
ফটো ফ্রেম থেকে গিন্নি এখনো হেসে চলেছে।
নেতাজি রান্না করছে।
কিন্তু এখনো কেউ কিছু টের পায় নি
কারণ আমি কোন রিস্ক নিই না।

গিন্নিকে হাসতে হাসতে বললাম : তাহলে সমীর পাত্রী দেখছে ?
গিন্নি : শোনো, তুমি মুখে জলের ঝাপটা দিয়ে কোথাও চুপ করে বস তো !
আমি রান্না ঘরে গিয়ে চুপচাপ তাকের উপর বসলাম।
কিন্তু এখন অবধি সমীর কিছু টের পায় নি
কারণ নেতাজি কোন রিস্ক নেন না।
সমীর এখনো রান্না করছে।
আর আমি ? আমি ফটো ফ্রেম থেকে গিন্নিকে দেখে এখনো হেসে চলেছি।
কারন আমি কখনো ইয়ে নিই না, কি যেন নিই না ,ও হা, আলু নিই না।

তারাপদ রায়

হক কথা 👏
26/07/2025

হক কথা 👏

25/07/2025

মূসা আলাইহিসসালাম ছিলেন কালিমুল্লাহ।
তিনি আল্লাহর সাথে সরাসরি কথা বলতে পারতেন।

একদিন এক মহিলা মূসা আলাইহিসসালাম এর কাছে এসে অনুরোধ করলো, যাতে তিনি আল্লাহর কাছে তার ব্যাপারে ফরিয়াদ করেন। ওই মহিলা নিঃসন্তান ছিলেন। তিনি চাচ্ছিলেন মূসা আলাইহিসসালাম যাতে আল্লাহকে অনুরোধ করেন আর আল্লাহ তাকে সন্তান দান করেন।

মহিলাটি বিবাহের পর অনেকদিন হয়ে গিয়েছিল, মনেপ্রাণে তিনি মা হতে চাচ্ছিলেন।
মূসা আলাইহিসসালাম আল্লাহর কাছে চাইলেন। আল্লাহ জবাব দিলেন-
~ সেই মহিলা বন্ধ্যা, সে সন্তান জন্মদানে অক্ষম। মূসা আলাইহিস সালাম মহিলাকে এ কথা জানালে সে চলে গেলো।

আমি বা আপনি যদি আল্লাহর কাছ থেকে এ ব্যাপারে জানতে পারতাম, আমরা হয়তো থেমেই যেতাম।

আমরা অনেকে তো কিছুদিন দু'আ করেই হতাশ হয়ে যাই আর নালিশ জানাই।

অনুযোগ করে বলে ফেলি- আল্লাহ কখনোই আমার দু'আ শুনেন না। কিন্তু ওই মহিলা ক্রমাগত আল্লাহর কাছে দু'আ করে যাচ্ছিলো। সে অকাতরে, বিনীত ও বিনম্রভাবে আল্লাহর কাছে চাইতে থাকলো। কখনো দু'আ করা বাদ দিলোনা।

এরপর একদিন তিনি দ্বিতীয়বার মূসা আলাইহিসসালাম এর কাছে গিয়ে বললেন,
~ "আপনার প্রভুকে বলুন, হে মূসা!"

মূসা আলাইহিস সালাম জানালেন- আল্লাহ একই জবাব দিয়েছেন, আপনি বন্ধ্যা।

এভাবে তিনি তিনবার মূসা আলাইহিস সালাম এর কাছে অনুরোধ জানিয়ে প্রত্যাখ্যান হলেন। প্রতিবারই একই উত্তর পেলেন- তিনি বন্ধ্যা, সন্তান জন্মদানে অক্ষম।

তিনি চতুর্থবার মূসা আলাইহিসসালাম এর সাথে দেখা করলেন। কিন্তু, এবার তার কোলে একটি ফুটফুটে শিশু ছিলো। তার হাত ধরে নারছিলো আরেকটি শিশু। তিনি বললেন,
~ "দেখুন মূসা! আল্লাহ আমাকে দুটো সন্তান দান করেছেন।"

মূসা আলাইহিসসালাম বিব্রতবোধ করলেন। আল্লাহকে তিনি জিজ্ঞেস করলেন,
~ "হে আল্লাহ! আপনি তিনবার আমাকে জানালেন যে, সে বন্ধ্যা, তার সন্তান হবেনা। কিন্তু তারপর আপনি তাকে সন্তান দান করলেন!"

আল্লাহ জবাব দিলেন,
~ "প্রত্যেকবার যখন আমি লিখে রাখি যে সে বন্ধ্যা, তখনই সে দু'আ করছিলো আর বলছিলো: 'হে দয়াময়! হে দয়াময়!"

আল্লাহ বলেন-
~ "হে মূসা, তখন আমার দয়া তার জন্য নির্ধারিত তাক্বদীরকে পরিবর্তন করে দিয়েছে।"

(শিক্ষা: ক্রমাগত দুয়া তাকদীরকে উত্তম কিছু দ্বারা পরিবির্তন করে দিতে পারে।)

- শাইখ মূসা জিবরীল
বই: বিপদ যখন নিয়ামত, পৃষ্ঠা ৫৭
Copy

24/07/2025

মাইলস্টোন কলেজের কেমিস্ট্রি বিভাগের শিক্ষক শাম্মী (সায়ানের মা) ম্যাডামের স্ট্যাটাস

প্রিয় সহকর্মীবৃন্দ,
আসসালামু আলাইকুম।
আমি ও ইউসুফ স্যার হয়তো কোনো বড় ভুল বা অন্যায় করে ফেলেছি, যার জন্য আল্লাহ আমাদের এত বড় শাস্তি দিয়েছেন। আপনারা সবাই আমাদের ক্ষমা করে দেবেন। আমার ছেলেটিকেও (সায়ান) দয়া করে ক্ষমা করবেন। আমাদের ফুলের মতো নিষ্পাপ সন্তানটি আমাদের চোখের সামনে দিয়ে চলে গেল, অথচ আমরা কিছুই করতে পারলাম না।
কত সুন্দর, কত মেধাবী, কত বুদ্ধিদীপ্ত ছিল আমার ছেলেটি! আজ পত্রিকার শিরোনামে আমার ছেলের নাম, ফেসবুক খুললেও তার ছবি, তার খবর! আমরা কল্পনাও করতে পারিনি আমাদের সন্তান এভাবে খবরের শিরোনাম হবে। ওর বাবা সবসময় বলত, "সীমা, আমার মনে হয় আমাদের ছেলে একদিন কিছু আবিষ্কার করবে।" এমন প্রখর মেধাবী ছিল সে—একটু পড়লেই সবকিছু শিখে ফেলত। ছিল ভদ্র, নম্র, বিনয়ী। ক্লাস টু-তে পড়ার সময় থেকেই ৩০ টি রোজা রাখতো,পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তো।

দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে আজ বুয়েটের মতো প্রতিষ্ঠানের মেধাবী ছাত্ররা প্রাণ হারাচ্ছে। ইউসুফ স্যারের ইচ্ছে ছিল, আমাদের ছেলে যেন আমেরিকায় পড়াশোনা করতে পারে। আমরা ছেলেকে নিয়ে বিদেশে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম শুধু নিরাপত্তার কারণে—আর সেই ভয়ই আজ বাস্তব হয়ে দাঁড়ালো।
আমার ছেলেটি দগ্ধ শরীরে চারদিকে অসহায় দৃষ্টিতে তাকাচ্ছিল, কিন্তু তখনও সে কাঁধের ব্যাগটা নিতে ভুল করেনি! আহারে পড়াশোনা! আহারে শিক্ষা! কী দরকার ছিল এমন শিক্ষার, যা আমার সন্তানের জীবনটাই কেড়ে নিল!
ঘটনার দিন একটি নাম্বার থেকে আমার ফোন আসে। জানতে পারি, যে ছেলে আমার ছেলেকে বাংলাদেশ মেডিকেলে নিয়ে গিয়েছিল, সে ইউসুফ স্যারেরই ছাত্র। পরে ফোনে ছেলেটির কাছে শুনি, আমার সোনা পাখি ঠিকমতো নিশ্বাস নিতে পারছিল না,এই অবস্থার মধ্যেও সে ছাত্রটিকে তার মায়ের ফোন নম্বর দিয়ে দেয়। আমি ফেসবুকে দেখি, সেই ছেলেটি—অমিত—আমার ছেলেকে নিয়ে যাচ্ছে। ভাই ও বোনেরা, আমি আপনাদের সবার কাছে চিরঋণী।
বাংলাদেশ মেডিকেলে যখন ওর দগ্ধ শরীর দেখে ওর চাচ্চু কাঁদছিলেন, তখনও আমার ছেলে তাঁকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেছিল, "চিন্তা কোরো না চাচ্চু , সব ঠিক হয়ে যাবে।" ওর বাবাকে দেখে ও সাহস পেয়েছিল।ওর বাবা বলেছিল, "বাবা, আমি আসছি। আর ভয় নেই।" মাথা নেড়ে সে সাড়া দিয়েছিল।
আমার ছেলেটি ছোটবেলা থেকেই খুব ভীতু ছিল। অথচ সেই ছেলেই আজ পাখির মতো ছটফট করেছে পুরো শরীর ঝলসে গিয়ে। কিন্তু আমাদের বুঝতে দেয়নি, যাতে আমরা দুশ্চিন্তায় না পড়ি। আইসিইউতে থাকা অবস্থায়ও ও আমাকে দেখতে চেয়েছিল। আমি যখন ওকে দেখতে যাই, দেখি তার পুরো শরীর ঝলসে গেছে। আমি আমার ছেলেকে চিনতেই পারছিলাম না।
আমি তাকে বলেছিলাম, "মা, বাবা, সোনা পাখি, শুধু পড়তে থাকো —
লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ্জোয়ালিমীন।"
আমার সোনা মাথা নেড়ে সায় দিয়েছিল। এটাই ছিল আমার সঙ্গে ওর শেষ কথা।
এই সময়টা বড় কঠিন। আমি জানি না কিভাবে ওকে ছাড়া এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দেব। দিন যেন শেষই হয় না। আমি কখন যাব আমার সোনা পাখির কাছে, সেটাই ভাবি।
আমার আর সহ্য হচ্ছে না মা পাখি, আমাকে তুমি তোমার কাছে নিয়ে যাও।
সোনা, আমাকে ক্ষমা করে দিস।
আমি এক ব্যর্থ মা—তোর জন্য কিছুই করতে পারলাম না।
COPY

28/03/2025
27/03/2025

Address

Sonadanga Residential Area
Khulna
9100

Telephone

+8801767018771

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sparkles Shop posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share