Marium Fashion House

Marium Fashion House এখানে ০ থেকে ১৫ বছর বয়সের বাচ্চা দের ?

কাপড়ের প্রকারভেদ যা কাপড় চেনার মুল হাতিয়ার ।
আপনি কি নিজের বা পরিবারের সদস্যের জন্য কাপড় কিনতে চাচ্ছেন? কাপড়ের প্রকারভেদ এর মাঝে বাজারে পছন্দের কাপড়টি খুজে বের করা অনেক সময় আপনার জন্য কঠিন হতে পারে। কাপড় কত প্রকার, কি কি বা বিভিন্ন কাপড়ের প্রকারভেদ থেকে নিজের পছন্দের কাপড় বাছাই করতে সন্দেহজনক পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়, বিশেষ করে যখন কাপড়ের গুনগত মান নিয়ে প্রশ্ন উঠে। কাপড়টি কি কটন, কটন হলে

এটা কি ১০০% কটন নাকি মিক্সড ইত্যাদি ইত্যাদি। কাজেই কাপড়ের প্রকারভেদ ও গুনগত মান যাচাই সম্পর্কে একটি ধারণা থাকলে এই সন্দেহজনক পরিস্থিতি থেকে সহজেই পরিত্রান পেতে পারেন। আবার কাপড়ের সাথে যেহেতু সুতার সম্পর্ক রয়েছে তাই সুতার প্রকারভেদ নিয়েও আমাদের ধারনা থাকা প্রয়োজন।

02/11/2020
11/10/2020
ছোট বাচ্চাদের কাপড় বিক্রি করা হয় খুচরা ও পাইকারি.....
21/09/2020

ছোট বাচ্চাদের কাপড় বিক্রি করা হয় খুচরা ও পাইকারি.....

ঘামের দাগ দূর করুন ঘরোয়া ৫টি উপায়েঘামের দুর্গন্ধের মত আরেকটি বিরক্তিকর সমস্যা হল কাপড়ে ঘামের দাগ পড়ে যাওয়া। ঘাম শুকিয়ে গ...
15/09/2020

ঘামের দাগ দূর করুন ঘরোয়া ৫টি উপায়ে

ঘামের দুর্গন্ধের মত আরেকটি বিরক্তিকর সমস্যা হল কাপড়ে ঘামের দাগ পড়ে যাওয়া। ঘাম শুকিয়ে গেলে কাপড়ে হলদেটে একটি দাগ পড়ে যায়। যা দেখতেই শুধু খারাপ হয় না, অনেকটা বিব্রতকরও বটে। এই ঘামের দাগ দূর করার সহজ কিছু ঘরোয়া উপায় আছে।

আসুন জেনে নিই উপায়গুলো।

১। লেবু

কাপড়ে ঘামের দাগ দূর করতে লেবুর জুড়ি নেই। লেবুর রসের সাথে সমান পরিমাণ পানি মিশিয়ে ঘামের দাগের ওপর ঘষুন। কিছুক্ষণ পর ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

২। ভিনেগার

কাপড়ে যেখানে ঘামের দাগ দেখা যাবে সেখানে কয়েক ফোঁটা ভিনেগার লাগান। তারপর হালকা হাতে ঘষুণ। পরে ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন ঘামের দাগ দূর হয়ে গেছে।

৩। বেকিং সোডা

ঘামের দাগ দূর করে আরেকটি উপায় হল বেকিং সোডার ব্যবহার। ১/৪ কাপ কুসুম গরম পানি, ৪ টেবিল চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করে নিন। এবার পেস্টটি ঘামের দাগের ওপর লাগান। এভাবে ২ ঘণ্টা রেখে দিন। ২ ঘন্টার পর ঘষে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন কাপড়ে কোন দাগ আর নেই।

৪। ঠান্ডা পানি

ঘামের দাগ পড়া কাপড়টি ঠাণ্ডা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর ঘষে ডিটারজেন্ট দিয়ে কাপড় দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। যদি কাপড়ে হলুদ দাগ পড়ে যায় তবে কখনও কাপড় ধোয়ায় গরম পানি ব্যবহার করবেন না।

৫। লবণ

ঘামের জেদি হলুদ দাগ দূর করতে লবণ অনেক কার্যকরী। ৪ টেবিল চামচ লবণ ১ লিটার গরম পানিতে মিশিয়ে নিন। এবার ঘামের দাগ লাগা কাপড়টি মিশ্রণে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর ধুয়ে ফেলুন। আর দেখুন ঘামের দাগ গায়েব হয়ে গেছে।

কাপড় থেকে দাগ তুলতেখেতে গিয়ে কাপড়ে সস লেগেছে, কালমের কালি লেগে শখের জামা নষ্ট হয়েছে বা মেইকআপের সময় লিপস্টিক লেগে পোশাকে...
13/09/2020

কাপড় থেকে দাগ তুলতে

খেতে গিয়ে কাপড়ে সস লেগেছে, কালমের কালি লেগে শখের জামা নষ্ট হয়েছে বা মেইকআপের সময় লিপস্টিক লেগে পোশাকের বারোটা!!! এসব দাগ তোলার জন্য রয়েছে সহজ পন্থা।

দ্রুত দাগ দূর করার উপায়

সুন্দর পোশাক পরে দাওয়াতে যাওয়ার পর অনেক সময় অসাবধানতার কারণে কাপড়ে সুপ বা খাবার পড়ে দাগ লেগে যেতেই পারে। এতে দুশ্চিন্তা করার কিছু নেই।

হাতের কাছে ক্লাব সোডা বা সোডাপানীয় থাকলে তাতে একটি পরিষ্কার কাপড় ভিজিয়ে দাগের উপর ঘষে নিলে দাগ অনেকটাই উঠে যাবে।

ঘাসের দাগ

মাঠে খেলাধুলার করতে গিয়ে বা বসে আড্ডা দিয়ে ওঠার সময় খেয়াল করলেন কাপড়ে ঘাসের দাগ বসে গেছে। এই দাগ দূর করতে বেশ কসরত করতে হয়। তবে একটি পুরানো টুথব্রাশ এবং সাদা পেস্ট ব্যবহার করেই এই দাগ দূর করা যায়।

প্রথমে দাগের উপর কিছুটা টুথপেস্ট নিয়ে ভেজা ব্রাশ দিয়ে দাগের উপর ঘষে নিতে হবে। যতক্ষণ না পুরোপুরি দাগ উঠে যাচ্ছে ততক্ষণ একই প্রক্রিয়ায় চেষ্টা করে যেতে হবে। এরপর সাধারণভাবে কাপড়টি ধুয়ে ফেললেই দাগ চলে যাবে।

রক্তের দাগ

হঠাৎ কেটে গেলে বা কোনো ক্ষত থেকে কাপড়ে রক্ত লাগতেই পারে। যা শুকিয়ে গেলে ওঠাতে বেশ বেগ পেতে হয়।

ওষুধ বা কেমিকলের দোকান থেকে থ্রি পার্সেন্ট হাইড্রোজেইন পারঅক্সাইড যোগাড় করুন। প্রথমে দাগ লাগা কাপড়টি হাইড্রোজেন পারঅক্সাইডে ভিজিয়ে রাখতে হবে।
এরপর নখ বা মাখন লাগানোর ছুরি দিয়ে দাগের অংশটি ঘষে নিতে হবে। এরপর আরও খানিকটা হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। রক্ত শুকিয়ে যাওয়ার আগে ধুয়ে ফেললে ভালোভাবে দাগ উঠে যাবে।

এছাড়া আরেকটি উপায় হচ্ছে, দাগ লাগা কাপড়টি পানিতে ভিজিয়ে দাগের উপর লবণ ছড়িয়ে দিন। ভালোভাবে ঘষে নিলে লবণ দাগ দূর করতে সাহায্য করবে। এরপর সাধারণ সাবান বা ডিটারজেন্ট দিয়ে কাপড় ধুয়ে ফেলতে হবে।

কলারে দাগ

ঘামের কারণে শার্ট বা টি-শার্টের কলারে হলদে দাগ হয়ে যায়। এই দাগ দূর করতে দারুণ কার্যকর শ্যাম্পু। যেকোনো শ্যাম্পু নিয়ে কলারে লাগিয়ে ভালোভাবে ঘষে নিতে হবে। এরপর ভালোভাবে কাপড় ধুয়ে ফেলতে হবে।

লিপস্টিকের দাগ

মেইকআপের সময় অসাবধানতায় কাপড়ে লিপস্টিকের দাগ লেগে যেতে পারে। এরজন্য একটি সাদা রুটি নিয়ে ভিতরের সাদা অংশ গুঁড়া করে নিন। তারপর রুটির গুঁড়া লিপস্টিকের দাগের উপর ঘষে নিতে হবে। একটা সময় লিপস্টিক পুরোটাই উঠে আসবে। উঠে গেলে কাপড়ে লেগে থাকা গুঁড়া ঝেড়ে ফেলুন।

গ্রিজের দাগ

কাপড়ে গ্রিজ লেগে গেলে দাগের উপরে কর্নফ্লাওয়ার ছড়িয়ে দিন। কিছুক্ষণ এভাবেই রাখুন যেন কর্নফ্লাওয়ার গ্রিজ শুষে নিতে পারে। তারপর কর্নফ্লাওয়ার ঝেরে ভালোভাবে ধুয়ে ফেললেই হবে।

তেলের দাগ

মাথায় তেল দিয়ে ঘুমালে বা খাবার খাওয়ার সময় কয়েক ফোঁটা তেল পড়ে সাধের বালিশের কভার বা কাপড় নষ্ট হয়েছে। চিন্তা নেই। আছে সহজ উপাদান।
বালিশের কভারে লেগে থাকা তেলের দাগ দূর করতে সাধারণ শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেললেই হবে। পোশাকেও তাই।
এছাড়া মাথায় তেল দিয়ে ঘুমানোর সময় বালিশের উপর আলাদা একটি কাপড় দিয়ে ঘুমালে বালিশের কভারে তেলের দাগ লেগে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।

কালির দাগ

কলমের কালি কাপড়ে লেগেছে! এই কালি দূর করতে অ্যালকহল ঘষে নিন। তাছাড়া একটি স্পঞ্জ দুধে ভিজিয়ে স্পঞ্জটি দাগের উপর ঘষে নিলেও কালির দাগ উঠে যাবে।

চায়ের দাগ

অসাবধানতায় কাপড়ে চা পড়ে যেতেই পারে। তবে খানিকটা চিনি ব্যবহার করেই এ বেপরোয়া দাগ দূর করা যায়।

খানিকটা পানিতে বেশি করে চিনি গুলিয়ে, এই পানি কাপড় বা টেবিলের যেখানে চা পড়েছে সেখানে ছড়িয়ে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখতে হবে। যতটা বেশি চিনি ব্যবহার করা হবে তত জলদি দাগ উঠে আসবে।

এরপর সাধারণ সাবান বা ডিটারজেন্ট দিয়ে কাপড় ধুয়ে ফেলতে হবে।

সুতি কাপড় চেনার উপায় নিয়ে কিছু পরীক্ষা:বাজারে প্রচলিত ১০০% সুঁতি কাপড় চেনার উপায় হিসাবে শুধু বৈশিষ্টগুলি মিলানোই যথেষ্ট ...
13/09/2020

সুতি কাপড় চেনার উপায় নিয়ে কিছু পরীক্ষা:

বাজারে প্রচলিত ১০০% সুঁতি কাপড় চেনার উপায় হিসাবে শুধু বৈশিষ্টগুলি মিলানোই যথেষ্ট নয়। বিক্রেতা তার বিক্রির স্বার্থে একটি কাপড়কে যখন ১০০% পিউর কটন বলে ঘোষনা দিয়ে আপনার হাতে ধরিয়ে দিবে, তখন কাপড়টি শতভাগ কটন কিনা তা নিশ্চিত হওয়া আপনার সামনে একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাড়াতে পারে।
আপনার থিওরিটিক্যাল বা তাত্ত্বিক জ্ঞানের অংশ হিসেবে বিভিন্ন ধরনের কাপড়ের বৈশিষ্ট সম্পর্কে ধারনা অর্জন অবশ্যই আপনার জন্য প্লাস পয়েন্ট।

তবে, থিওরিটিক্যাল জ্ঞানের সাথে সাথে কাপড় চেনার উপায় সম্পর্কে যখন প্রাকটিক্যাল চর্চাও হয়ে যাবে, তখন পিউর কটন চিনতে আপনি ভূল করবেন না।

তাই, আসুন নিচের অংশ থেকে জেনে নেই কি কি প্রাকটিক্যাল পরীক্ষা করার মাধ্যমে আমার একটি কাপড় একশতভাগ পিউর কটন হিসাবে সনাক্ত করতে পারি।

• লাইট টেষ্ট: কাপড়টিকে আলোর সামনে ধরুন। এতে যদি কাপড়টি ভিতর দিয়ে আলো প্রবেশ করতে পারে তাহলে বুঝা যাবে কাপড়টি খুব স্বচ্ছ। আর এরকম স্বচ্ছতা কটন কাপড়ের বৈশিষ্ট নয়।

• ইউনিফর্মিটি টেষ্ট: আমরা জানি, তুলার আঁশ স্পিনিং প্রক্রিয়ায় ইয়ার্ন তৈরি হয়। আবার এই, ইয়ার্নগুলি বুনন বা উইভিং এর মাধ্যমে কটন কাপড় তৈরি হয়। অর্থাৎ, কটন কাপড়ে বুনন প্রক্রিয়ার একটি প্যাটার্ন অবশ্যই থাকবে যা আপনি হাত দিয়ে একটু গভীরভাবে লক্ষ করলেই বুঝতে পারবেন।

• বার্ন টেষ্ট: এই বার্ন টেষ্টই হল কটন কাপড় সনাক্ত করার কনাফার্মেটরি টেষ্ট বা নিশ্চিত পরীক্ষ। এই পরীক্ষা করার জন্য কাপড়টির কোন এক অংশ আপনি আগুনের শিখার উপর ধরুন। কাপড়টির কিছু অংশ বা কিছুর ফাইবার পুরে যাওয়ার পর এবারে আপনি ধোয়ার গন্ধটি অনুভব করুন। কটন কাপড়ের বেলায় ধোয়ার গন্ধ অনেকটা কাগজ পোড়ানোর মত মনে হবে। এবং কাপড়ের পুরে যাওয়া অংশটি সাধারন Ash ছাই এর মত দেখা যাবে। এর ব্যাতিক্রম কিছু পেলেই বুঝতে হবে, বিক্রেতা তার দাবীতে সত্যবাদি নয়।

কটন কাপড় চেনার উপায়:পৃথিবীব্যাপি সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত কাপড় হল কটন ফেব্রিক বা সুতি কাপড়। এই কাপড় প্রাকৃতিক উদ্ভিদজাত উৎস হ...
13/09/2020

কটন কাপড় চেনার উপায়:

পৃথিবীব্যাপি সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত কাপড় হল কটন ফেব্রিক বা সুতি কাপড়। এই কাপড় প্রাকৃতিক উদ্ভিদজাত উৎস হতে তৈরি করা হয়।

যাকে আমরা তুলা বৃক্ষ নামে সকলেই চিনি। এই তুলার আঁশ থেকেই টেক্সটাইল প্রযুক্তি যেমন স্পিনিং, নিটিং, উইভিং, ডাইং এবং সর্বশেষ প্রিন্টিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কটন কাপড় Finished Products হিসাবে তৈরি করা হয়।

কটন কাপড় বা সুতি কাপড় চেনার আগে এই কাপড়ের কিছু বৈশিষ্ট সম্পর্কে আমাদের ধারনা থাকা প্রয়োজন।

যাতে কাপড় কেনার সময় সুনির্দিষ্ট কাপড়ের বৈশিষ্টগুলি মিলিয়ে দেখার সুযোগ হয়।

কটন কাপড়ের প্রধান প্রধান বৈশিষ্ট হল –
• কটন কাপড় তুলার আঁশের মত নরম ফাইবার দিয়ে তৈরি, তাই এটি নরম প্রকৃতির হয় এবং পরিধান করে আরামদায়ক অনুভূতি সৃষ্টি হয়।

• কটন কাপড় পানি শোষন করতে পারে।

• শুকাতে কিছুটা তুলনামুলক বেশী সময়ের প্রয়োজন হয়।

• পানিতে ধুয়ার সময় কুঁচকে যায়।

• দীর্ঘ সময় সূর্যালোকের উপস্থিতিতে কটন কাপড়ের গুনগত মান নষ্ট হয়ে যায়।

• কটন কাপড় টেকসই হয়।

• সুতি কাপড় পরিধানের সময় বাতাস শরীরের ভেতর প্রবেশ করতে পারে। ফলে, গ্রীষ্মকালে বেশীরভাগ মানুষই কটন কাপড় ব্যবহার করে থাকে।

কটন কাপড়ের বৈশিষ্ট:• পরিধানে আরামদায়ক হয়।• নরম প্রকৃতির হয়।• আদ্রতা শোষন করতে পারে।• সুন্দরভাবে প্রিন্ট করা যায় এবং প্রি...
13/09/2020

কটন কাপড়ের বৈশিষ্ট:

• পরিধানে আরামদায়ক হয়।
• নরম প্রকৃতির হয়।
• আদ্রতা শোষন করতে পারে।
• সুন্দরভাবে প্রিন্ট করা যায় এবং প্রিন্টের রঙ ধরে রাখতে পারে।
• ভাল রকমের শক্ত প্রকৃতির কাপড়।
• সহজেই ব্যবহার ও সেলাই করা যায়।
• ধীরে ধীরে শুকায়।
• ধৌত বা পানির সংস্পর্শে সংকুচিত হয়।

বিভিন্ন সুতি কাপড়ের নাম• Muslin : প্লেইন উইভ কটন ফেব্রিক যা খুব নরম ও হালকা ওজনের হয়। এদের বয়ন তেমন একটা ঘন হয় না। • Den...
13/09/2020

বিভিন্ন সুতি কাপড়ের নাম

• Muslin : প্লেইন উইভ কটন ফেব্রিক যা খুব নরম ও হালকা ওজনের হয়। এদের বয়ন তেমন একটা ঘন হয় না।

• Denim : এরা খুব শক্ত, ভারি এবং রোবাস্ট প্রকৃতির হয়। Twill Weave প্রক্রিয়া ব্যবহার করে এই ধরনের ঘন ওভেন কাপড় তৈরি করা হয়। ডেনিম কাপড় দিয়ে ক্যাজুয়াল পোশাক যেমন জিনস, স্কার্ট, জ্যাকেট ইত্যাদি তৈরি করা হয়।

• Chambray : হালকা থেকে মাঝারি ওজনের ওভেন ফেব্রিক যা কটন দিয়ে তৈরি। এদের দৈর্ঘ এবং প্রস্থ বরাবর সুতার মধ্যে বিভিন্ন রকম রঙের বৈচিত্র থাকে। সাধারনত: নীল, ধুসর অথবা কাল বর্ণের হয়ে থাকে। এসব কাপড় সেলাই করা সহজ এবং পরিধানে আরামদায়ক হয়। শার্ট, টপস এবং বাচ্চাদের পোশাক তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়।

• Chintz : এই কটন ফেব্রিক খুব ঘনভাবে বয়ন করা হয়। শক্ত প্রকৃতির হয়ে থাকে যা দিয়ে গৃহ সজ্জার কাজে ব্যবহার করা হয়। এই ধরণের সুতি কাপড় সাধারনত: প্রিন্টের হয়।

• Lawn : খুব হালকা প্রকৃতির এবং সুক্ষ ও মসৃণ ধরনের ওভেন ফেব্রিক। এই কাপড় পরিধানে আরামদায়ক হয়। মহিলাদের ব্লাউজ, সেলোয়ার-কামিজ ও বাচ্চাদের পোশাক তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

• Jersy Knit : কটন জার্সি টানলে প্রসারিত হয় এমন ধরনের কাপড় যা দিয়ে টি শার্ট তৈরি করা হয়।

• Flannel : মাঝারি ওজন বিশিষ্ট প্লেইন অথবা টুইল উইভিং প্রক্রিয়ায় তৈরি হওয়া এক ধরনের কটন কাপড়। এরা খুব নরম প্রকৃতির কাপড় হয়ে থাকে যা দিয়ে মহিলা ও বাচ্চাদের পোশাক তৈরি করা হয়।

• Pima or Egyptian Cotton : এরা চমৎকার মান সম্পন্ন সুতি কাপড়।

• Twill : একটি টেকসই ধরণের সুতি কাপড় যেখানে তির্যকভাবে রেখা অংকিত থাকে। এই কাপড় দিয়ে ট্রাওজার, স্কার্ট ইত্যাদি জাতীয় পোশাক তৈরি করা হয়।

• Sateen : মাঝারি ওজনবিশিষ্ট এক ধরণের ওভেন ফেব্রিক। যা নরম, মসৃন এবং দীপ্তময় থাকে। প্রধানত: পোশাক তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়।

• Corduroy : মাঝারি থেকে ভারি ওজন বিশিষ্ট হয়। এই কাপড় ট্রাওজার জাতিয় পোশাক তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

• Velvet : মাঝারি ওজন সম্পন্ন ওভেন ফেব্রিক। এই কাপড় একটু দামী হয় এবং রাত্রিকালীন পোশাকের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

• Terrycloth : এই ধরনের সুতি কাপড়ের আদ্রতা শোষণ করার অসাধারন বৈশিষ্ট থাকে। টাওয়েল তৈরিতে সবচেয়ে বেশী ব্যবহৃত হয়।

• Canvas : মাঝারি থেকে ভারি ওজন সম্পন্ন সুতি কাপড় যা প্লেইন উইভিং এর মাধ্যমে তৈরি করা হয়। যা অত্যান্ত শক্ত, দৃঢ় এবং টেকসই হয়ে থাকে। প্রথাগতভাবে এই কাপড় দিয়ে নৌকার পাল তৈরি হত। এছাড় ব্যাগ তৈরির কাজেও ক্যানভাস জাতিয় কাপড় ব্যবহৃত হয়।

• Chino : এই কাপড়কে Drill কাপড়ও বল হয়। এর শক্ত এবং টেকসই প্রকৃতির হয়। টুইল উইভিং প্রক্রিয়ায় তৈরি করা হয়।

• Gabardine : টেকসই ওভেন ফেব্রিক এবং বৃষ্টির সময় পরিধান করা যায়।

• Batiste : নরম প্রকৃতির এক ধরণে প্লেইন ওভেন ফেব্রিক।

• Poplin : পপলিনকে কটন ব্রডক্লোথও বলা হয়। মাঝারি ওজন বিশিষ্ট শক্ত ও ঘন বয়ন করা কাপড়। এই কাপড় সেলাই করা সহজ। পপলিন কাপড় বহুমুখী কাজে ব্যবহৃত হয়। এদের অনেক রকমের প্রিন্ট থাকে। মহিলা ও বাচ্চাদের পোশাক তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

• Voile : খুবই হালকা ওজনের সরল বয়ন করা সুতি কাপড় যার ভিতর দিয়ে আংশিকভাবে দেখা যায়। এরা প্রিন্টেরও হতে পারে। এই কাপড় দিয়ে মহিলা ও বাচ্চাদের কাপড় তৈরি করা হয়।

• Cambric : ইহা সরল ওভেন সুতি কাপড় যা খুব সুক্ষ প্রকৃতির হয়। এই ধরণের সুতি কাপড় দিয়ে সাধারনত: মহিলা ও বাচ্চাদের পোশাক তৈরি করা হয়।

13/09/2020

কটন কাপড় কিভাবে তৈরি হয়?

কটন কাপড় নিম্নোক্ত ধাপ অনুসরণ করে তৈরি করা হয়:

• তুলা গাছ থেকে তুলা বীজ এবং এর চারপাশে মোলায়েমভাবে ফুলে থাকা তুলার আশকে একত্রে কটন সীড পড বা বল বলা হয়। এই কটন সীড পডকে সর্বপ্রথম তুলা বৃক্ষ হতে আলাদা করা। এর জন্য বিশেষ ধরণের মেশিন ব্যবহার করা হয়।

• কটন সীড পড খুব ভালভাবে পরিস্কারের পর এর থেকে তুলার আঁশ পৃথক করা হয়। এর জন্য কটন Gin নামক এক প্রকারের যন্ত্র ব্যবহার করা হয়।

• মেশিনের সাহায্যে আলাদা হওয়া এই ফাইবারকে Lint বলা হয়। যা পরবর্তিতে ফাইবারের মান, দৈর্ঘ, পরিচ্ছন্নতা ইত্যাদি বিবেচনায় শ্রেণীবিভাগা করা হয়। এরা Bale নামে সংরক্ষণ করা হয়।

• এই Bale গুলি টেক্সটাইল মিলে বয়ন বা উইভিং এর জন্য বিক্রি করা হয়। সেখানে প্রথমে এই Lint গুলিকে Carding মেশিনের মাধ্যমে পরিস্কার করা হয়। Carding মেশিনে প্রক্রিয়াজাত হওয়ার পর Lint তখন নরম এবং প্যাচানোহীন দড়ির মত অবস্থায় পরিণত হয়ে যাকে Silver বলা হয়।

• এই Silver তারপর স্পিনিং ফ্রেমে বসিয়ে Yarn তৈরি করা হয়।

• এই Yarn থেকেই পরি উইভিং অথবা নিটিং মেশিনের মাধ্যমে ফেব্রিক তৈরি করা হয়। কটন ফাইবার থেকে নন ওভেন ফেব্রিকও তৈরি করা যায়।

• এভাবে যে কাপড় পাওয়া গেল তাকে গ্রে কাপড় বলা হয়।

• পরিশেষে এই গ্রে কাপড় ভালভাবে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করার পর ডাইং এবং প্রিন্টিং প্রক্রিয়া সম্পাদনের পর বাজারে ফিনিশড কাপড় হিসাবে ছাড়ার উপযোগী হয়।

সুতি কাপড় বা কটন কাপড় কি, কাকে বলে?সুতি কাপড় হল বিশ্বের সবচেয়ে বেশী ববহৃত এক ধরনের কাপড়।যা তুলা বৃক্ষের বীজের চারপাশে বি...
13/09/2020

সুতি কাপড় বা কটন কাপড় কি, কাকে বলে?

সুতি কাপড় হল বিশ্বের সবচেয়ে বেশী ববহৃত এক ধরনের কাপড়।
যা তুলা বৃক্ষের বীজের চারপাশে বিদ্যমান তুলার আঁশকে স্পিনিং এবং উইভিং প্রক্রয়ায় তৈরি হয়।

টেক্সটাইলের ভাষায় আঁশকে ফাইবার বলা হয়।এই ধরণের কাপড় রাসায়নিকভাবে জৈব প্রকৃতির হয়। কারণ এখানে কোন কৃত্রিম উপাদান থাকে না।

খৃস্টপূর্ব ৫০০০ অব্দে সর্বপ্রথম ভারতবর্ষে কটন কাপড় এর প্রচলন লক্ষ করা যায়।

কটন সাধারনত: বৃক্ষ পৃথিবীর গৃষ্মমন্ডলীয় অঞ্চলে ভাল উৎপাদন হয়। কটন বৃক্ষ Malvaceae পরিবারভুক্ত Gossypium জেনাসের আওতায় এক ধরণের গাছ যার তিনটি প্রজাতি বিশ্বব্যাপি তুলা উৎপাদনে চাষ করা হয়।

প্রজাতি তিনটির মধ্যে Gossypium Hirsutum প্রজতিই হল বাণিজ্যিকভাবে তুলা উৎপাদনের জন্য সবচেয়ে বেশী পরিমানে চাষ করা হয়।
তুলার আঁশের সবচেয়ে সুবিধাজনক বিষয়টি হল এটিকে খুব সহজে সুক্ষভাবে স্পিন করা সত্ত্বেও এর ইয়ার্ণ শক্তিশালী থাকে।

সুতি ও লিনেন চেনার উপায়হাত দিয়ে স্পর্শ ছাড়াও কিছু সাধারণ পরীক্ষার মাধ্যমে সুতি ও লিনেন কাপড় চেনা যায়।সুতার পাক দেখে: একট...
12/09/2020

সুতি ও লিনেন চেনার উপায়

হাত দিয়ে স্পর্শ ছাড়াও কিছু সাধারণ পরীক্ষার মাধ্যমে সুতি ও লিনেন কাপড় চেনা যায়।
সুতার পাক দেখে:
একটি সুতা পাক খুলে দুই ভাগ করে তা ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। সুতি হলে ছেঁড়া অংশের সামনের অংশ দেখতে তুলির মতো লাগবে আর লিনেন হলে তার সামনের অংশ সূচের মতো সরু হবে।

ভাঁজ করে রেখে:
সুতি ও লিনেন কাপড় ভাঁজ করে রাখলে ভাঁজের দাগ পড়ে। তবে সুতি কাপড়ের তুলনায় লিনেন কাপড়ের দাগ বেশি স্পস্ট হয় ও অনেকক্ষণ স্থায়ী হয়।

উজ্জ্বলতা:
স্বাভাবিকভাবেই লিনেন কাপড় উজ্জ্বল হয়ে থাকে। লিনেনের একটি সুতা ছিড়ে তার সামনের অংশে দেখা যাবে সূচালো ও উজ্জ্বল এবং সুতির সামনের অংশ তুলির মতো ও অনুজ্জ্বল।

পোড়ানো:
সুতি ও লিনেন কাপড় খানিকটা পুড়িয়ে নিয়ে আগুনের শিখা ও ছাই দেখে যাচাই করা যায়। সুতি ও লিনেন কাপড় আগুনে বড় হলুদ শিখাসহ জ্বলবে ও তাড়াতাড়ি পুড়বে। এই দুই ধরনের কাপড় পোড়ানো হলে কাপড় পোড়া গন্ধ বের হবে এবং হালকা ছাই হবে। তবে মারসেরাইজড সুতি কাপড়ে কালো রংয়ের ছাই হয়।

কাপড় ভিজিয়ে:
হাতের এক আঙ্গুল সামান্য ভিজিয়ে লিনেন কাপড়ের উপরে রাখলে তা দ্রুত পানি শোষণ করবে এবং তা কাপড়ে ছড়িয়ে যাবে। সুতি কাপড়ও পানি দ্রুত শোষণ করে এবং দ্রুত শুকিয়ে যায়।

রাসায়নিক দ্রবণ:
কস্টিক সোডার দ্রবণে সুতি কাপড় ভেজানো হলে সুতি কাপড় সাদাই থাকে। তবে লিনেন কাপড় কিছুটা হলুদ হয়ে যায়।

আয়োডিন ও জিঙ্ক ক্লোরাইডের দ্রবণে লিনেন কাপড় নীল বর্ণের হয়ে যায়। সুতি কাপড় তুলনামুলক কম নীল বর্ণের হয়।

Address

Lalmonirhat

Telephone

+8801780911777

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Marium Fashion House posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Marium Fashion House:

Share