Dress Center Tailors

Dress Center Tailors Custom-made shirts, trousers, coats, suits are what you will find at Dress center tailors.

Latest collection of fabrics for Suit, Sufari, Shirt, Pant, Prince Coat Sherwani & Pagri are available here.

01/03/2024

Suits are best when it's custom-made. Anyone who wears one knows that. So let’s start with some formal dress making from Dress Center Tailors 😁

07/12/2023
প্রিয় লোহাগাড়া বাসীকে জানাই পবিএ ঈদুল ফিতরের  শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক । বিশ্বব্যাপী মানুষ আজ আতঙ্কিত, করোনা ভাইরাসের প্রভাব...
24/05/2020

প্রিয় লোহাগাড়া বাসীকে জানাই পবিএ ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক । বিশ্বব্যাপী মানুষ আজ আতঙ্কিত, করোনা ভাইরাসের প্রভাবে।
মহান রাব্বুল আলামীন আমাদের এই মহামারী থেকে রক্ষা করুন। আমীন.।
#ঘরে_থাকু_সুস্থ_থাকুন।

22/05/2020
কুল শরীফ মসজিদ।কাজানে ভলগা নদীর তীরেই অবস্থিত কুল শরীফ মসজিদ। রাশিয়ার অন্যতম মুসলিম অধ্যুষিত প্রদেশ তাতারস্তানের রাজধানী...
31/01/2020

কুল শরীফ মসজিদ।

কাজানে ভলগা নদীর তীরেই অবস্থিত কুল শরীফ মসজিদ। রাশিয়ার অন্যতম মুসলিম অধ্যুষিত প্রদেশ তাতারস্তানের রাজধানী কাজান। বিশ্বের সর্ববৃহৎ এই দেশের অন্য দুই মুসলিম প্রদেশ হলো চেচনিয়া ও দাগেস্তান। তাতারস্তানের জনগোষ্ঠির ৬০ ভাগ মুসলিম। সবচেয়ে বিখ্যাত ও দৃষ্টি নন্দন স্থাপত্য কুল শরীফ মসজিদ। গাঢ় নীল রঙের এই মসজিদের বিশাল গুম্বুজ ও চারটি সু-উচ্চ মিনার চোখে পড়ে বহু দূর থেকে। রাতে যখন আলো জ্বলে উঠে এই মিনার ও গুম্বুজে তখন আরো সুন্দর লাগে এই মসজিদকে।
রাশিয়ার কমিউনিস্ট শাসন আমলে অন্য সব এলাকার মতো তাতারস্তানেও বহু মসজিদ ধবংস করা হয়েছিল। কিন্তু হাত দেয়া হয়নি এই কুল শরীফ মসজিদে।

১৫৫২ সালে কাজান আক্রান্ত হলে তখন কাজান রক্ষায় যুদ্ধে নামেন ইমাম কুল ও তার ছাত্ররা। সেই যুদ্ধে মারা যান ইমাম কুল। মসজিদের ভেতরে অবস্থান করছিলেন ইমাম কুল। তাকে সহই পুড়িয়ে ফেলা হয় মসজিদটি।
২০০৫ সালে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ অন্যান্য মুসলিম দেশের আর্থিক সহযোগিতায় নতুন করে নির্মিত হয় আজকের এই আধুনিক ও চমৎকার মসজিদ। নামও দেয়া হয় তার নামে কুল শরীফ মসজিদ।
কাজানে আসা পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ এই মসজিদ।
বিশাল এলাকা জুড়ে এই মসজিদ চত্তর। চারপাশে দেয়াল ঘেরা। বেশ উঁচুতে অবস্থান এই মসজিদের। ঘুরে ঘুরে মাটির উপর নির্মিত সিড়ি ডিঙিয়ে যেতে হয় মসজিদে।

 #স্যুট_পরিধানে_৫টি_রুলস্।  #নিয়মমাফিক_স্যুট_পরছেন_তো?আমাদের দেশে স্যুট-বুট-টাই-এর ট্রেন্ড-টার আবির্ভাব হয়েছে গ্রেট ব্রি...
30/01/2020

#স্যুট_পরিধানে_৫টি_রুলস্।
#নিয়মমাফিক_স্যুট_পরছেন_তো?

আমাদের দেশে স্যুট-বুট-টাই-এর ট্রেন্ড-টার আবির্ভাব হয়েছে গ্রেট ব্রিটেন থেকে। তবে এই পোশাক পরার যে কিছু নিয়ম আছে তার খবরতো জানি না। তাই দেশের গন্ডি পেড়িয়ে যখন বিদেশে পা দেয়া হয় তখন স্যুট রুলস মেনে চলা অনেকেরই সেই ভুলগুলো দিকে বারবার চোখ পড়ে যায়। আর তখন স্বাভাবিকভাবেই আপনার বিব্রতবোধ হবে। মেয়েদের চেয়ে ছেলেরা স্যুট বেশি পরলেও ছেলেদেরকেও স্যুট পরিধান করার ক্ষেত্রে ভুল করতে দেখা যায়। যেহেতু স্যুটকে একটি ফরমাল ড্রেস হিসেবে ধরা হয়, তাই সঠিকভাবে স্যুট রুলস মেনে চলাই স্মার্ট পারসোনালিটি প্রকাশ করবে। স্যুট বলতে আসলে শার্ট, প্যান্ট, কোট, ওয়েইস্ট কোট, টাই/ বো-টাই এই ৫ টি অংশকে একত্রে বুঝায়। তবে অনেকেই ওয়েইস্ট কোট পরেন না। আসুন স্যুট পরার ভুল এড়াতে জেনে নেই স্যুট রুলস!

১. শার্ট

ফরমাল শার্ট হিসেবে সাধারণত হালকা রঙের শার্ট পরতে হয়। সাদারণত ড্রেস শার্টকেই ফরমাল শার্ট বলে। ক্যাজুয়াল শার্ট কোনোভাবেই স্যুটের সাথে পরা যাবে না। আরও জানিয়ে রাখি শার্টের কলার কিন্তু খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। শার্টের বিভিন্ন ধরনের কলার রয়েছে। কিন্তু ফরমাল গেটআপ-এ স্প্রেড কলার শার্ট ও পয়েন্ট কলার শার্ট পরাই ভালো।
স্প্রেড কলার শার্ট বিভিন্ন মিটিং-এর জন্য পারফেক্ট। আর বিভিন্ন পার্টিতে বা ডিনার স্যুট পরার ক্ষেত্রে পয়েন্ট কলার শার্ট-কে প্রাধান্য দেয়া উচিত। উল্লেখ্য যে স্প্রেড কলারে টাই সব সময় পরা হয়। আর পয়েন্ট কলার শার্ট-এর সাথে চাইলে ইনফরমাল প্রোগ্রামে টাই ছাড়াও পরতে পারেন। কখনোই বাটন-ডাউন শার্ট-এর সাথে স্যুট পরতে হয় না।

২. প্যান্ট

ফরমাল প্যান্টের ধরন হল- এর ফিটিংস ভালো হবে। অর্থাৎ, স্ট্রেইট প্যান্ট হবে আর প্যান্টের লেন্থ এমন হতে হবে যেন প্যান্ট পায়ের পাতায় এসে ভাঁজ না হয়ে যেন শুধু ভাঁজের মত হেলে থাকে। স্যুটের প্যান্টের রঙও কোট, ওয়েইস্ট কোট- এর মতই হয়।

৩. কোট

আপনার কোট ভালো ফিটিং হয়েছে। এতেই কি আপনি খুশি? ইচ্ছেমতন সবগুলো বোতাম খুলে বা লাগিয়ে পরবেন? মোটেও এই কাজ করবেন না!
কোটের বোতাম খোলা আর লাগিয়ে রাখারও নিয়ম আছে। স্যুটে যদি ৩টি বোতাম থাকে তাহলে, মাঝের বোতাম সব সময় লাগানো থাকতে হবে। নিচের বোতাম সব সময় খোলা রাখতে হবে। আর উপরে বোতাম আপনার খেয়ালমত লাগাতেও পারেন আবার নাও লাগাতে পারেন। আর যদি ২ বোতামের কোট হয়? হ্যাঁ, ২ বোতামের কোট হলে, উপরের বোতাম সব সময় লাগিয়ে রাখতে হবে আর নিচের বোতাম সব সময় খোলা রাখতে হবে। স্যুটের হাতার লেন্থ-এর কথা ভাবুন এবার। এই ভুলটি খুব বেশি হয়। স্যুটের হাতা এমন হতে হবে যেন তা শার্ট-এর হাতা একদম ঢেকে না ফেলে বা শার্ট-এর হাতার অনেক অংশ বের হয়ে থাকে। ফ্যাশন বিশেষজ্ঞদের মতে, কোট-এর হাতা এমন হবে যেন শার্ট-এর হাতার ঠিক ১/৪ ইঞ্চি পর্যন্ত দেখা যায়।

৪. টাই/বো-টাই

স্যুটের সাথে টাই পরার ক্ষেত্রে প্রথম রুলস হলো- টাই-এর রঙ শার্টের চেয়ে গাঢ় রঙের হবে। কোনোভাবেই শার্ট-এর চেয়ে হালকা রঙের টাই পরা উচিত না। টাই-এর লেন্থ হবে ঠিক প্যান্টের বেল্ট ছোঁয়া পর্যন্ত।
এর উপরে বা নিচে টাই পরলে তা নিয়ম বহির্ভূততো হয়ই সেইসাথে দেখতেও বেমানান লাগে। ও আচ্ছা! ভাবছেন চিকন টাই পরতে হয় নাকি মোটা টাই? দুটোই পরতে পারবেন। মোটা টাই-কেই সাধারণত ফরমাল টাই বলে। আর চিকন টাই-কে পার্টি টাই বলা হয়। তবে আপনি যদি রোগা গড়নের হন, তবে সেক্ষেত্রে মোটা টাই-এর জায়গায় চিকন টাই পরতে পারেন। চাইলে বো-টাইও বেছে নিতে পারেন!
এই তো গেলো টাই-এর মূল কথা। এবার আসুক তার অনুষঙ্গ বা এক্সেসরিজ। অনেকেই টাই এক্সেসরিজ পরতে পছন্দ করেন। কিন্তু সঠিক নিয়ম না জানায় ভুল করেন সেখানেও। তাই এখন টাই-এক্সেসরিজ নিয়ে বলব। টাই অনুষঙ্গ হিসেবে টাই পিন ও টাই বার ব্যবহার করা হয়।তবে টাই পিন-এর চেয়ে টাই বার পরাই ভালো। তাই বলে যেখানে খুশি সেখানে টাই বার পরবেন না যেন! শার্টের ৩ ও ৪ নম্বর বোতামের ঠিক মাঝে টাই বার আটকে নিতে হয়। সৌখিনতা ছাড়াও টাই বার পরার মূল কারণটি হলো- বাতাসে বা অন্য কোনো কারণে যেন টাই উড়ে না যায় বা বাঁকা না হয়ে যায়।

৫. জুতা, মোজা, বেল্ট ও ঘড়ি

আপনি ফরমালি বেশ স্যুটেড হয়েছেন, কিন্তু ফরমালি বুটেড না হলে কি হবে? শুনতেই কী হাসি পাচ্ছে? তাহলে দেখতে কেমন উদ্ভট লাগে ভাবুন! অবশ্যই স্যুটের রঙের সাথে জুতার রং মিলিয়ে পরতে হবে।
ফরমাল লেদারের শু-এর সাথে মোজার দিকেও একটু খেয়াল করুন! যে কোনো রঙের মোজা পরলেই হবে এমনটা ভাবতে যাবেন না।
মোজা পরুন আপনার প্যান্টের রঙের সাথে মিলিয়ে। আর বেল্ট কেমন পরবেন? বাকলে বাঘ, সিংহ বা ইচ্ছেমত যে কোনো বড় বাকলের? ভুলেও না! আপনার সুরুচির পরিচয় দিবে সাধারণ লেদারের বেল্ট পরলেই।
ও হ্যাঁ, বেল্ট আর জুতার রঙ কিন্তু অবশ্যই এক হতে হবে। স্যুটেড-বুটেড হয়ে ফিটফাট? বেশ, এবার চেইন বা লেদারের যেমন ফরমাল ঘড়ি আছে তা পরে চুল আঁচড়িয়ে আয়নায় নিজেকে একবার দেখে নিন তো!

তাই বলছি, 2020 সালে দাঁড়িয়ে যেকোনো এক রকম পোশাক পরলেই হয়- এমন চিন্তা করা মানে নিজের বোকামি। তাই, স্যুট পরুন স্যুট রুলস মেনে। আর নিজেকে আরও স্মার্ট ও কনফিডেন্ট হিসেবে প্রকাশ করুন!

করোনা ভাইরাস নিয়ে বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক। করোনা ভাইরাস কী?করোনা ভাইরাসটির আরেক নাম ২০১৯-এনসিওভি। এটি এক ধরনের করোনা ভাইরাস। ভা...
26/01/2020

করোনা ভাইরাস নিয়ে বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক।

করোনা ভাইরাস কী?

করোনা ভাইরাসটির আরেক নাম ২০১৯-এনসিওভি। এটি এক ধরনের করোনা ভাইরাস। ভাইরাসটির অনেক রকম প্রজাতি আছে, কিন্তু এর মধ্যে মাত্র ৭টি মানুষের দেহে সংক্রমিত হতে পারে।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, ভাইরাসটি হয়তো মানুষের দেহকোষের ভেতরে ইতোমধ্যে ‘মিউটেট করছে’, অর্থাৎ গঠন পরিবর্তন করে নতুন রূপ নিচ্ছে এবং সংখ্যাবৃদ্ধি করছে। ফলে এটি আরও বেশি বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। এ ভাইরাস একজন মানুষের দেহ থেকে আরেকজন মানুষের দেহে ছড়াতে পারে।

কতটা ভয়ংকর এই ভাইরাস:

এই ভাইরাস মানুষের ফুসফুসে সংক্রমণ ঘটায় এবং শ্বাসতন্ত্রের মাধ্যমেই এটি একজনের দেহ থেকে আরেকজনের দেহে ছড়ায়। সাধারণ ফ্লু বা ঠান্ডা লাগার মতো করেই এ ভাইরাস ছড়ায় হাঁচি-কাশির মাধ্যমে। তবে এর পরিণামে অরগ্যান ফেইলিওর বা দেহের বিভিন্ন প্রত্যঙ্গ বিকল হয়ে যাওয়া, নিউমোনিয়া এবং মৃত্যু ঘটারও আশঙ্কা রয়েছে। এখন পর্যন্ত আক্রান্তদের দুই শতাংশ মারা গেছেন, হয়তো আরও মৃত্যু হতে পারে। তাছাড়া এমন মৃত্যুও হয়ে থাকতে পারে যা চিহ্নিত হয়নি। তাই এ ভাইরাস ঠিক কতটা ভয়ংকর, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
এক দশক আগে সার্স (পুরো নাম সিভিয়ার অ্যাকিউট রেসপিরেটরি সিনড্রোম) নামে যে ভাইরাসের সংক্রমণে পৃথিবীতে ৮০০ লোকের মৃত্যু হয়েছিল সেটিও ছিল এক ধরনের করোনা ভাইরাস। এতে আক্রান্ত হয়েছিল ৮ হাজারের বেশি মানুষ। আর একটি ভাইরাসজনিত রোগ ছিল মিডল ইস্টার্ন রেসপিরেটরি সিনড্রোম বা মার্স। ২০১২ সালে এতে মৃত্যু হয় ৮৫৮ জনের।

করোনা ভাইরাসের লক্ষ্মণ কী?

করোনা ভাইরাস সংক্রমণের প্রধান লক্ষণ হলো, শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া, জ্বর এবং কাশি। বিজ্ঞানীরা বলছেন, ভাইরাসটি শরীরে ঢোকার পর সংক্রমণের লক্ষণ দেখা দিতে প্রায় পাঁচ দিন লাগে। প্রথম লক্ষণ হচ্ছে জ্বর। তারপর দেখা দেয় শুকনো কাশি। এক সপ্তাহের মধ্যে শ্বাসকষ্ট দেখা দেয় এবং তখনই কোনও কোনও রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়।

কীভাবে ছড়িয়েছে এই ভাইরাস:

মধ্য চীনের উহান শহর থেকে এই রোগের সূচনা। ৩১ ডিসেম্বর এই শহরে নিউমোনিয়ার মতো একটি রোগ ছড়াতে দেখে প্রথম চীনের কর্তৃপক্ষ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে সতর্ক করে। এরপর ১১ জানুয়ারি প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।
তবে ঠিক কীভাবে এর সংক্রমণ শুরু হয়েছিল, তা এখনও নিশ্চিত করে বলতে পারেরনি বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, সম্ভবত কোনও প্রাণী এর উৎস ছিল। প্রাণী থেকেই প্রথমে ভাইরাসটি কোনও মানুষের দেহে ঢুকেছে এবং তারপর মানুষ থেকে মানুষে ছড়িয়েছে। এর আগে সার্স ভাইরাসের ক্ষেত্রে প্রথমে বাদুড় এবং পরে গন্ধগোকুল থেকে মানুষের দেহে ঢোকার নজির রয়েছে। আর মার্স ভাইরাস ছড়িয়েছিল উট থেকে।

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের সম্বভনা

করোনা ভাইরাস ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশ। কারণ চীনের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে বাংলাদেশের। প্রতিদিন অনেক মানুষ বাংলাদেশ থেকে চীনে যাওয়া-আসা করছে। এছাড়া অন্যান্য যেসব দেশে রোগটি সংক্রমিত হয়েছে, সে দেশগুলোর সঙ্গেও বাংলাদেশের সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে। তাই এখন পর্যন্ত কোনো রোগী পাওয়া না গেলেও বাংলাদেশকে ঝুঁকিমুক্ত বলা যাচ্ছে না।
চীনসহ ১৩টি দেশে এই ভাইরাসের অস্তিত্ব মিলেছে। আক্রান্ত হয়েছেন ১৩শ’ মানুষ। এ পর্যন্ত ৪১ জন মারা গেছেন। বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস ঝুঁকি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে ।

করোনা ভাইরাস থেকে যেভাবে সাবধান থাকা যাবে

১) ঘরের বাইরে মাস্ক ব্যবহার করুন।
২) গণপরিবহন এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন।
৩) প্রচুর ফলের রস এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
৪) ঘরে ফিরে হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে ভালো করে হাত ধুয়ে নিন।
৫) কিছু খাওয়া কিংবা রান্না করার আগে ভালো করে ধুয়ে নিন।
৬) ডিম কিংবা মাংস রান্নার সময় ভালো করে সেদ্ধ করুন।
৭) ময়লা কাপড় দ্রুত ধুয়ে ফেলুন।

কাজী আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল বাকীর ( জীবনের একটি গল্প )।তিনি খুব সৎ মানুষ ছিলেন, অত্যন্ত নেক বান্দা ছিলেন। তাঁর নি...
26/01/2020

কাজী আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল বাকীর ( জীবনের একটি গল্প )।

তিনি খুব সৎ মানুষ ছিলেন, অত্যন্ত নেক বান্দা ছিলেন। তাঁর নিজের জীবনের একটি কাহিনী, তার মুখ থেকেই শোনা যাক।

তিনি বলেন, আমি মক্কায় ছিলাম। একদিন আমার খুব ক্ষুধা পেল। তখন আমার কাছে না ছিল কোনো খাবার, না ছিল কোনো অর্থকড়ি। এমন সময় আমি একটি থলে কুড়িয়ে পেলাম; রেশমের থলে, রেশমের ফিতা দিয়ে বাঁধা। আমি থলেটি নিয়ে বাড়ি এলাম। খুলে দেখি তাতে একটি মোতির হার। এমন হার জীবনে কোনোদিন দেখিনি।
কী করব ভেবে পাচ্ছি না। এরই মধ্যে এক বৃদ্ধের চিৎকার কানে এল, ‘যে আমার থলেটি ফিরিয়ে দিবে তাকে আমি পাঁচশ দিনারের (স্বর্ণ মুদ্রা) থলেটি দিব’। তখন আমি মনে মনে বললাম, আমি অভাবী, তাছাড়া আমি ক্ষুধার্তও, সুতরাং পাঁচশ দিনারের থলেটি নেব এবং তার থলেটি ফিরিয়ে দিব।
তাকে আমি বাড়িতে নিয়ে এলাম। সে আমার কাছে তার থলে, থলের ফিতা ও মোতির হারের হুবহু বর্ণনা দিল। এমনকি হারের মধ্যে কতটি মোতি ছিল তাও বলে দিল। তখন আমি তার থলেটি ফিরিয়ে দিলাম। সে আমাকে পাঁচশ দিনারের (স্বর্ণ মুদ্রার) থলেটি দিতে চাইল। সে জোর জবরদস্তি করা সত্ত্বেও আমি থলেটি নিলাম না। আমি বলালম, আপনার থলেটি আপনার কাছে ফিরিয়ে দেয়া তো আমার দায়িত্ব ছিল। আমি আমার দায়িত্ব পালন করেছি মাত্র। সুতরাং আমি এর কোনো বিনিময় গ্রহণ করব না। তারপরও সে আরো জোরাজুরি করল, কিন্তু আমি কিছুতেই তা গ্রহণ করলাম না। অবশেষে সে হারটি নিয়ে চলে গেল।
এবার ঘটল আরেক ঘটনা। এর কিছুদিন পর আমি সমুদ্রপথে সফরে বের হলাম। জাহাজ ভেঙে গেল এবং জাহাজের সকল আরোহী ডুবে মারা গেল। আর আমি জাহাজের একটি কাষ্ঠখন্ডে ভেসে বেঁচে গেলাম। কয়েকদিন সমুদ্রে ভাসতে থাকলাম। জানি না ভেসে ভেসে কোথায় চলেছি। কয়েকদিন পর কাষ্ঠখন্ডটি একটি দ্বীপে গিয়ে ঠেকল। সেই দ্বীপের অধিবাসীরা ছিল মুসলিম। আমি সেই দ্বীপের একটি মসজিদে গিয়ে উঠলাম। লোকেরা আমার তিলাওয়াত শুনে মুগ্ধ হল এবং তারা আমার কাছে কুরআন শেখার আবেদন জানালো। আমি তাদেরকে কুরআন শিক্ষা দিলাম। আমার হাতে কিছু অর্থ জমা হল। তারপর তারা আমার কাছ থেকে লেখাও শিখল। তাদের সন্তানদের লেখা শেখার জন্য আমার কাছে পাঠাতে লাগল। এখন আমার হাতে বেশ কিছু অর্থ কড়ি জমা হল। তখন তারা আমাকে একটি বিবাহের প্রস্তাব দিল। তারা বলল, আমাদের এখানে একটি এতিম মেয়ে আছে। সে ধন-সম্পদেরও মালিক। আমরা চাই যে আপনি তাকে বিবাহ করুন। আমি প্রথমে অসম্মতি জানালাম। কিন্তু তাদের অনেক জোরাজুরিতে পরে রাজি হলাম।
তার সাথে আমার বিবাহ হল। বিবাহের পর যখন আমি তাকে প্রথম দেখলাম আমার দৃষ্টি আটকে গেল তার গলার হারে। আমি তাকে দেখার পরিবর্তে থ হয়ে হারটির দিকে তাকিয়ে থাকলাম। এ-কী! এ দেখি হুবহু সেই হারটি যা আমি কুড়িয়ে পেয়েছিলাম এবং বৃদ্ধকে ফিরিয়ে দিয়েছিলাম।
আমার এ আচরণে মেয়েটি কষ্ট পেল; মেয়েটি ভাবছিল, আমার দিকে না তাকিয়ে সে কি না আমার মোতির হারের দিকে তাকিয়ে রয়েছে।
পরের দিন সকালে লেকেরা আমাকে বলল, আপনি আপনার আচরণে মেয়েটির মনে কষ্ট দিয়েছেন; তার দিকে না তাকিয়ে তার মোতির হারের দিকে তাকিয়ে ছিলেন। তখন আমি তাদেরকে সব ঘটনা খুলে বললাম, কীভাবে আমি হারটি পেয়েছিলাম এবং বৃদ্ধকে ফিরিয়ে দিয়েছিলাম। কীভাবে জাহাজ ডুবে ভেসে ভেসে আমি এখানে পৌঁছলাম এবং...। আমার কাহিনী শুনে সকলে ‘আল্লাহু আকবার’ বলে চিৎকার করে উঠল। তারা তখন আমাকে বলল, যেই বৃদ্ধকে আপনি হারটি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন তিনিই হলেন এই মেয়েটির বাবা। তিনি বলতেন, আমি পৃথিবীতে তার চেয়ে ভালো মানুষ দেখিনি, যে আমার মোতির হারটি কুড়িয়ে পেয়ে আবার ফিরিয়ে দিয়েছিল এবং কোনো বিনিময় গ্রহণ করেনি। তিনি দুআ করতেন, হে আল্লাহ! আপনি এ মহৎ-হৃদয় মানুষটিকে আমার সাথে আবার সাক্ষাৎ করিয়ে দিন, যাতে আমার কলিজার টুকরা এই কন্যাকে তার সাথে বিবাহ দিতে পারি। তার সেই প্রার্থনা আজ বাস্তবে রূপ নিল। সুবহানাল্লাহ!
সেখানে আমি কিছুদিন থাকলাম। আল্লাহ আমাকে দুটি ছেলে সন্তান দান করলেন। কিছুদিন পর মেয়েটি ইন্তেকাল করল। তার কিছুদিন পর ছেলে দুটি ইন্তেকাল করল। এখন সেই মোতির হারটি আমার মালিকানায় চলে আসল। যেটি আমি কুড়িয়ে পেয়ে ফিরিয়ে দিয়েছিলাম এবং সততার পরিচয় দিয়েছিলাম। আজ সততার ফল হিসেবে আল্লাহ সেই মোতির হারটি আমাকে দান করলেন। পরবর্তীতে আমি হারটি একলক্ষ দিনারে বিক্রি করলাম। এই যে আমার সম্পদ তোমরা দেখছ তা সেই সম্পদেরই অংশ। (যাইলু তাবাকাতিল হানাবিলা ১/৭৯)
লোকটি সততার পরিচয় দিয়েছে; পাঁচশ দিনার গ্রহণ করেনি। এর বিনিময়ে আল্লাহ তাঁকে দুনিয়াতেই পাঁচশ দিনারের দুইশ গুণ বেশি এক লক্ষ দিনার পুরস্কার দিলেন। আর আখেরাতের প্রতিদান তো আছেই। লোকটি যদি থলের মালিকের সন্ধান পেয়েও থলেটি না দিত বা অস্বীকার করত তাহলে সে হয়ত সাময়িক কিছু লাভবান হত, কিন্তু দুনিয়াতেই সে ক্ষতির সম্মুখীন হত। আর আখেরাতের আযাব তো ছিলই। কোনো বুদ্ধিমান কি দুনিয়ার সামান্য লাভের বিনিময়ে আখেরাতের আযাব চাইতে পারে? কখনোই না। কাজী আবু বকর ছিলেন বুদ্ধিমান। তাই তিনি থলেটি ফিরিয়ে দিলেন এবং বিনিময়ে পেলেন দুনিয়া ও আখেরাতের পুরস্কার।

লেখক: মুহাম্মাদ ফজলুল বারী

Address

M. Rahoman Market (2nd Floor) Amirabad, Lohagara, Chattragram
Lohagar
4396

Opening Hours

Monday 09:45 - 22:15
Tuesday 09:45 - 22:15
Wednesday 09:45 - 22:15
Thursday 09:45 - 22:15
Friday 09:45 - 22:15
Saturday 09:15 - 22:15
Sunday 09:15 - 10:15

Telephone

01818048967

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dress Center Tailors posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Dress Center Tailors:

Share