Nazu's Mart

Nazu's Mart This is the official page of Nazu's Mart, the premium fashion and lifestyle. Like us to stay up to date with our latest products and campaigns.

29/08/2023
❤️Printed Short Abaya🧕 💥Material: Georgette🌸For order or more details, Inbox us with Picture, Address and mobile number....
12/09/2022

❤️Printed Short Abaya🧕
💥Material: Georgette

🌸For order or more details, Inbox us with Picture, Address and mobile number.
🚛Delivery Charge Applicable
Inside Dhaka City 80 Tk,Outside of Dhaka 130 tk.

🌸🌸Assalamualaikum Everyone🌸🌸💖💖 Enjoy Our Party Hijab Collections !!! ➡️Material : Diamond  Georgette💥For more details & ...
07/09/2022

🌸🌸Assalamualaikum Everyone🌸🌸

💖💖 Enjoy Our Party Hijab Collections !!!
➡️Material : Diamond Georgette
💥For more details & price inbox please💬

Cape Abaya 😍Body free sizeDetails for inbox
03/09/2022

Cape Abaya 😍
Body free size
Details for inbox

রাসূল (সঃ) বলেছেন, কিয়ামতের দিন মানুষকে উলঙ্গ দেহে ও খাতনাহীন অবস্থায় কবর থেকে হাশরের ময়দানে জমায়েত করা হবে।' একথা শুনে ...
23/08/2022

রাসূল (সঃ) বলেছেন,
কিয়ামতের দিন মানুষকে উলঙ্গ দেহে ও খাতনাহীন অবস্থায় কবর থেকে হাশরের ময়দানে জমায়েত করা হবে।'
একথা শুনে আমি জিজ্ঞেস করলাম,
'হে আল্লাহর রাসুল!
নারী পুরুষ সকলেই কি উলঙ্গ হবে?
তারা কি একে অপরের প্রতি তাকাবে? (এরূপ হলে তো খুবই লজ্জার বিষয়)।'
উত্তরে তিনি বললেন, 'হে আয়েশা! কিয়ামতের দিনটি এত কঠিন ও বিপদময় হবে যে,
মানুষের মনে একে অপরের প্রতি তাকাবারও খেয়াল হবে না।’
(বুখারি-মুসলিম)

কিয়ামতের দিন
রাসূল (স:) থাকবেন সবচেয়ে ব্যস্ত মানুষ। পুলসিরাত, মিযানের পাল্লা,হাউসে কাউসার একসাথে ছুটাছুটি করতে থাকবেন 'ইয়া উম্মাতি'! 'ইয়া উম্মাতি'! বলে।
জিব্রাইল আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনাকে তুলবেন কবর থেকে।
রাসূল (স:) জিজ্ঞেস করবেন,'কী ব্যাপার জিব্রাইল! আমার উম্মাত কী উঠেছে?'
ওইদিকে আবার মূসা কালিমুল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরশের খুটি ধরে আছেন আর বলছেন 'ইয়া নাফসি! ইয়া নাফসি!'
সেদিন ইমামুল আম্বিয়ার মুখে থাকবে 'উম্মাতি! উম্মাতি!' আর, সেদিন তাঁর পায়ে থাকবে দৌড় আর মুখে থাকবে আওয়াজ!
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইসি ওয়াসাল্লাম খুব অশান্ত ছোটাছুটি করছেন। হঠাৎ উনার মনে পড়ে, আমার উম্মাত ক্লান্ত, পিপাসার্ত নয়তো! ছুটে যান হাউজে কাউসারে। হ্যাঁ, এইতো পিপাসার্ত উম্মাত। নিজের হাতে হাউজে কাউসার থেকে পানি পান করাবেন আর বলবেন পান করো। আর কখনো তৃষ্ণার্থ হবে না।
হঠাৎ মনে হবে মিযানের সামনে দাড়ানো উম্মাতের কথা। ছুটে যাবেন সেখানে। দেখবেন উম্মাতের বাম পাল্লা ভারি হয়ে যাচ্ছে।
পেরেশান, তিনি হয়রান!!!
অতঃপর দৌড়ে যাবেন দুরূদের পিটারার সামনে। যেখানে তাঁর জন্য পড়া দুরূদ উম্মাতের নামসহ একটা বক্সের মধ্যে জমা আছে। সেখান থেকে দুরূদ নিয়ে ডান পাল্লায় দিতে থাকবেন যতক্ষণ না তা বাম পাল্লা থেকে ভারি হয়ে যায়।
মাক্বামে মাহমুদের পাশে উনার জন্য আসন পাতা থাকবে৷
আল্লাহ বলবেন۔ 'হে নবী বসুন।'
তিনি উত্তরে বলবেন, 'না বসবো না।'
আল্লাহ্ বলবেন - 'জান্নাতে যান!'
নবী (স:) বলবেন- 'না, যাবো না!'
আল্লাহ্ বলবেন- 'জান্নাতের পোশাক পড়ুন!'
নবী (স:) বলবেন- 'না, পড়বো না!'
আল্লাহ্ বলবেন - 'বোরাকে উঠুন!'
নবী (স:) বলবেন- 'না, উঠবো না। আমি চলে গেলে উম্মাতের কী হবে?'
কিয়ামতের দিন মানুষ তার ভাই থেকে, সন্তান থেকে, পিতা-মাতা থেকে পালিয়ে বেড়াবে।
কিয়ামতের দিন এক রাসূল (স:) ছাড়া কেউ কাউকে চিনবেনা।
অতএব রাসূল এর সূন্নাত ও আদর্শ অনুসারে জীবন তৈরি করা।

AllhamdulillahCape Abaya 😍Body free sizeDetails for inbox
21/08/2022

Allhamdulillah
Cape Abaya 😍
Body free size
Details for inbox



🌸🌸Assalamualaikum Everyone🌸🌸Modest Collection- AbayaLook Like Different Beauty Ma Sha Allah➡️Wear :You Can Use Regularly...
18/08/2022

🌸🌸Assalamualaikum Everyone🌸🌸

Modest Collection- Abaya
Look Like Different Beauty Ma Sha Allah

➡️Wear :You Can Use Regularly and Occasionally Our Abayas Super Soft and Comfortable Also Summer Friendly

➡️Size Customize Available
➡️Material :Diamond Georgette

💥For more details & price inbox please💬

Assalamu AlaiqumAvailable Shirt Abaya 🍁🍁Inbox us for order
15/08/2022

Assalamu Alaiqum
Available Shirt Abaya 🍁🍁
Inbox us for order

দয়াকরে ২ মিনিট সময় নিয়ে পড়ুন। চরম লেভেলের বাস্তবতা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে👇আমার এক বন্ধু বিশাল শিল্পপতি। ১০ টার উপর ফ্যা...
15/08/2022

দয়াকরে ২ মিনিট সময় নিয়ে পড়ুন। চরম লেভেলের বাস্তবতা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে👇

আমার এক বন্ধু বিশাল শিল্পপতি। ১০ টার উপর ফ্যাক্টরি, শত কোটি টাকার উপর ব্যাংক লোন। এক মুহূর্তের জন্য শান্তি নেই। সারাদিন ব্যাস্ত দুনিয়ার পেছনে। একদিন তাঁর অফিসে বসে গল্প করছিলাম, এমন সময় তাঁর এক কর্মচারী আসল। তার কোন কারণে কিছু টাকার দরকার। সে ইনিয়ে বিনিয়ে বলল, সে অত্যন্ত অভাবি ব্যক্তি, তাঁকে সাহায্য করার জন্য।

আমার বন্ধু হেসে বলল ''যদি অভাবের কথাই বলতে হয়, এই পুরো অফিসে আমার চেয়ে অভাবি আর কেউ নেই। আমরা একটু থতমত হয়ে গেলাম। আমি বললাম 'আমাদের সবার মিলিয়ে যত সম্পদ আছে তোর একারই তার বেশি আছে।'

সে বলল তোদের একটা গল্প শুনাই। তাহলেই আমার অভাবের রহস্য বুঝবি।
এক বিশাল ব্যবসায়ি, তাঁর সবই আছে খালি শান্তি নেই। খালি হাহাকার আর টেনশান। চিন্তায় মাথার চুল একটাও বাকি নেই। সে একদিন দেখল তাঁর অফিসের পিয়ন টেবিল মুছছে আর গুনগুন করে গান গাচ্ছে।

সে পিয়নকে দেকে বলল এই যে তুমি মনে মনে গান গাও, তোমার কি অনেক সুখ, তোমার মনে কি কোন দুঃখ নেই, কোন হতাশা নেই?।

পিয়ন বলে না, হতাশা কেন থাকবে স্যার, আপনি যা বেতন দেন তাদিয়ে আলহামদুলিল্লাহ আমার ভালই চলে যায়। আল্লাহর রহমতে কোন অভাব নেই।
ব্যবসাইতো আরো টেনশানে পড়ে গেলেন। ওনার ম্যানেজারকে ডেকে বললেন, আমার সব আছে কিন্তু শান্তি নেই, আর ওই লোককে আমি সামান্য কয়টা বেতন দেই, সে আছে মহা সুখে, এর রহ্স্যটা কি?

ম্যানেজার বলল , রহস্য বললে বুঝবেননা। সত্যই যদি বুঝতে চান তাহলে, ওই পিয়নকে প্রমোশান দিয়ে একটা বড় পোস্টে দিন। আর তাঁকে ১০ লক্ষ টাকা দিয়ে দিন। এরপর দেখুন।

ব্যবসায়ি তাই করল। এতোগুলো টাকা, আর এতবড় চাকরি, পেয়ে পিয়ন আনন্দে আত্মহারা। বাসায়ও সবাই খুশি। যেহেতু এখন অফিসার হয়ে গেছে, এখন তো আর টিনের ঘরে থাকা যায়না। কলিগরা কি মনে করবে।

প্রথমেই বাসা পরিবর্তন করে আরেকটু অভিজাত এলাকায় এপার্টমেন্টে উঠলো। দেখল, বিল্ডিং এর সবাই সন্তানকে বড় স্কুলে পাঠায়, তাই বাচ্চার স্কুলও চেঞ্জ করতে হল। কিছুদিন পড় বউ ঘ্যনঘ্যন শুরু করলো সবার বাসায় কত দামি আসবাব, ফ্রিজ, টিভি, আর আমাদের বাসায় কিচ্ছু নেই। ওগুলোও কিনতে হোল। এরপর শুরু হোল বাচ্চার প্রাইভেট টিউশান, নানা রকম দাবি দাবা। আগে ঈদে একজোড়া জুতা পেয়েই সবাই কত খুশি হত, আর এখন প্রতি মাসে একজোড়া দিলেও তৃপ্তি নেই।

যেহেতু সে এখন বড় চাকরি করে , পরিবারের সবার তাঁর কাছে প্রত্যশাও অনেক। সাধ্যমত চেষ্টা করে, তাও সবার চাহিদা মেটাতে পারেনা। আত্মীয় স্বজন বন্ধু গন তাঁকে অহংকারি ভেবে দুরে সরে গেলো।

এদিকে অফিসের সবাই ফলটা/ প্লট এ বুকিং দিচ্ছে। বৌ সারাদিন বাসায় খোটা দেয় , তোমাকে দিয়ে কিছুই হবেনা। ছেলেমেয়র ভবিষ্যৎ অন্ধকার। সে চাকরির ফাকে একটা দুইটা টিউশানি করা শুরু করলো। তাতেও কিছু হয়না। নানাবিধ টেনশান আর দুশ্চিন্তায় তারো মাথার চুল আসতে আসতে কমতে লাগলো।
ব্যবসায়ি লক্ষ করলেন ব্যপারটা। উনি বললেন কি ব্যপার , তোমাকে এতো বড় প্রমোশান দিলাম, এতো টাকা দিলাম, আর এখন দেখি তুমি আগের মত আর প্রাণবন্ত নেই। ঘটনা কি?

সে বলল স্যার , কিছু দুনিয়াবি সম্পদ দিয়েছেন, কিন্তু তাঁর সাথে যে এতো চাহিদা আর অভাব আসবে তাতো আর বুঝিনি। আগে আমার কিছুই ছিলনা, অভাবও ছিলনা। আর এখন যেদিকেই তাকাই , খালি নাই আর নাই। আগে আমার অভাব পড়লেও সেটা ছিল এক দুই হাজারের ব্যপার। কোন ভাবে মেটান যেত। আর এখন আমার অভাব লক্ষ কোটি টাকার। এটা কিভাবে মেটাবো সে চিন্তায় আমার এখন আর রাতে ঘুম আসেনা স্যার।

ব্যবসায়ি বলল, এতদিনে বুঝলাম, আমার মুল অসুখ। একটাকার সম্পদের সাথে ২ টাকার অভাব আসে। যতই দুনিয়ার পিছনে ছুটি কবরের মাটি ছাড়া এই অভাব আর অন্য কিছু দিয়েই পূর্ণ হবেনা।
---------------------------------------------------

আদম সন্তানের যদি স্বর্ণে পরিপূর্ণ একটি উপত্যকা থাকে, তবে সে (তাতে সন্তুষ্ট হবে না, বরং) আরেকটি উপত্যকা কামনা করবে । তার মুখ তো (কবরের) মাটি ছাড়া অন্য কিছু দ্বারা ভর্তি করা সম্ভব নয় । যে আল্লাহর দিকে রুজু করে আল্লাহ তার তওবা কবূল করেন - [বুখারী]

জাতির ভবিষ্যত
আজ মোবাইলের কারণে পরিবারের মধ্যে একে অপরের সাথে, ভালো সুসম্পর্ক নেই।

লেখাটা পড়ে আমার জীবন দর্শন একটু থমকে গেলঃআমি বৃদ্ধাশ্রমে আছি আজ প্রায় পাঁচ বছর হতে চলল। ভালই লাগে এখানে।নিজের মত করে থাক...
12/08/2022

লেখাটা পড়ে আমার জীবন দর্শন একটু থমকে গেলঃ

আমি বৃদ্ধাশ্রমে আছি আজ প্রায় পাঁচ বছর হতে চলল। ভালই লাগে এখানে।
নিজের মত করে থাকা যায়।
মন চাইলে বই পড়ি না হলে গান শুনি।
কখনো কখনো এখানকার অন্যান্য বাসিন্দাদের সাথে গল্প করি।
আমার ভাল লাগে।
আমি ভাল আছি।
দুই ছেলে এক মেয়ে আমার।
বড় ছেলে যাওয়াদ,পেশায় ডাক্তার।
সপরিবারে অস্ট্রেলিয়ায় থাকে।
জহির,আমার ছোট ছেলেটা দেশেই থাকে।
পৈত্রিক ব্যবসা দেখাশোনা করে।
মেয়েটা ব্যাংকে কাজ করে।
বন্ধের দিনে আসে আমাকে দেখতে।
কোন সপ্তাহে আসতে না পারলে রান্না করে পাঠিয়ে দেয়,
একটু বেশি করেই পাঠায় যাতে করে অন্যদেরও একটু ভাগ দিতে পারি।
আমি রাজিয়া খানম।
এভাবেই চলছে আমার জীবন গত পাঁচ বছর ধরে।

যাওয়াদের বাবা মারা যাবার বছর খানেক পর হঠাৎ করে আমার কার্ডিয়াক-এটাক হয়।
আমাকে প্রায় মাসখানেক হাসপাতালে থাকতে হয়েছিল।
কি যে সময় গেছে তখন।
অর্থের অভাব নেই, নেই ইচ্ছার অভাবও।
অভাব হচ্ছে সময়ের।
হাসপাতালে সার্বক্ষণিকভাবে একজন থাকা,
প্রতিনিয়ত ডাক্তারের সাথে কথা বলা,
এক্সারসাইজ করানো,
ওষুধ খাওয়ানো সময় ধরে,
আরো কত কী!
বাসায় আসার পর আরেক ঝামেলা।
সার্বক্ষণিক দেখা শোনার জন্য একটা মানুষ কোথায় পাওয়া যায়।
মেয়েটা অফিস করছে,
অফিস আর আমাকে সামলে তার নিজের সংসারটা ঠিক খেয়াল রাখতে পারছেনা।
একদিন শুনলাম,
জামাই বলছে-মা তো তোমার একার নয়,
তোমার ভাইদেরও তো কিছু দায়িত্ব আছে।
খুব স্বাভাবিকভাবেই কিন্তু কথা গুলো এসে যায়।
তাই আমি সহজভাবেই নিলাম।

এরমধ্যে শুনি, ছোট বউমা জহিরের সাথে খুব চিৎকার- চেঁচামেচি করছে।
নাতির রেজাল্ট খুব খারাপ হয়েছে।
অসুস্থ আমাকে দেখতে আত্নীয়-স্বজনের আনাগোনা বেড়ে গিয়েছিল,
আবার আমাকেও একটু বাড়তি যত্ন করতে হয়েছে,
তাই এ কয়দিন বাবা মা কেউই আর ছেলের পড়াশুনা দেখার সুযোগ পায়নি।
এই ঘরে বাচ্চা মানুষ হবেনা,
কারন এখানে পড়াশোনার কোন পরিবেশ নাই
সারাদিন মেহমান, রান্নাবান্না এইসবের মধ্যে বাচ্চা মানুষ হয়!
বউমার জোর গলা।
আমি শুনলাম এবং ভাবলাম ,ঠিকইত ।
আজকালকার এই প্রতিযোগিতার যুগে টিকে থাকতে হলে বাচ্চাকে শতভাগ সময় দিতে হবে।
এখান থেকে দশ ভাগও যদি অন্য কোথাও দেয়া হয়, ক্ষতি হবে বাচ্চার।
আমি অনেক ভেবে দেখলাম।
বিভিন্ন দিক থেকে ভেবেছি।
তারপর আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
ছেলেমেয়েরা বিরোধিতা করেছে।
বড় ছেলেটা বিদেশ থেকে আসল।
অনেক কান্নাকাটি করেছিল সে আমাকে এখান থেকে অস্ট্রেলিয়ায় নিয়ে যেতে চেয়েছিলো।
মেয়েটা অনুরোধ করেছিল যেন তার সাথে গিয়ে থাকি,
কিন্তু আমি সবাইকে না করে দিয়েছি।
আমি আমার সিদ্ধান্তে অটল থেকেছি।

-তাহলে মা তুমি আমাদের ভালবাসনা,
আমাদের আপন মনে করনা,
তাই আমাদের কারো সাথে থাকতে চাওনা?
জহির কাতর কণ্ঠে জিজ্ঞেস করল।
তার চোখে জল।
-ভালবাসিরে পাগল,
অনেক ভালবাসি।
আর তাই চাই সম্পর্কটা সবসময় এমন ভালবাসাময়ই থাকুক।
একসাথে থাকা সম্পর্কগুলোর মধ্যে প্রত্যেশা অনেক বেশিরে।
আর যখন প্রত্যেশা আর প্রাপ্তির হিসাব মিলেনা তখনই সম্পর্কে টানাপোড়েন শুরু হয়,
পরিবারে অশান্তি বাড়ে।

-মা, তুমি আমাদের সাথে থাকতে চাওনা,
আবার আমাদের গ্রামের বাড়িটাত খালিই পড়ে আছে......
তুমিতো ঐ বাসায়ও থাকতে পারো মা।
বড় ছেলেটা বলল।

-সেইত বাসা, সংসার,দায়িত্ব-অনেক তো করলাম।
এবার একটু নিজের মত থাকি।
তোদেরও আমাকে নিয়ে টেনশন করতে হবেনা।
আমারও একা বাড়িতে মরে পড়ে থাকার ভয় থাকলনা,

-তুমি যাবেই,বুঝতে পেরেছি।
ঠিক আছে মা,
বাধা দিবনা আর।
একটাই অনুরোধ,
তোমার খরচটা আমাদের দিতে দিও মা।

-বেশ তো, দিবি।
মুচকি হেসে জবাব দিলাম।
এরপরের কাজগুলো খুব দ্রতই গুছিয়ে নিলাম।
টাকা-পয়সা, সম্পদের যথাযথ বিলি-বন্টন করলাম।

আমার অংশের সম্পত্তিটুকু নিজের কাছেই রেখেছি,
নিজের মত ব্যবস্থা করব বলে।
এ সম্পদ থেকে সমাজের বয়স্কদের জন্য কিছু করার ইচ্ছা আছে।
এখানে অনেকেই আছেন যারা ছেলেমেয়েদের সাথে একটু সময় কাটানোর বিনিময়ে সর্বস্ব দিতে প্রস্তুত,
কিন্তু ছেলেমেয়েদের সময় হয়না,
বৃদ্ধ বাবা মায়ের সাথে দুদন্ড সময় কাটানোর।
আবার অনেকে ভাগের মা কিংবা বাবা হয়ে থাকতে চাননা, চলে আসেন এখানে।
অর্থাৎ একদম নিরুপায় নাহলে কেউ বৃদ্ধাশ্রমে আসাটা চিন্তাই করতে পারেনা।
অথচ বৃদ্ধাশ্রমে থাকাটা যে জীবনের শেষ বেলায় অনেক ধরনের পারিবারিক জটিলতার বিপরীতে কোন সুন্দর বা সম্মানজনক সমাধান হতে পারে এই ধারনাটাই এখনো সমাজে তেমন গ্রহনযোগ্য নয়।

যতদিন আমরা মেয়েরা স্বামী, সন্তান পরিবারেরর বাইরে নিজেকে অস্তিত্বহীন মনে করব,ততদিন এই বৃদ্ধাশ্রম ব্যাপারটা একটা ঋণাত্মক ব্যাপার হয়ে আমাদের মাঝে থাকবে।

এখানে সবাই আমাকে হিংসা করে,
ভালবাসা মিশ্রিত হিংসা।
বলে, ছেলেমেয়েরা আপনাকে এত ভালবাসে,
এত তাদের সাথে থাকতে বলে,
আর আপনি এখানে আশ্রমে পড়ে আছেন।
আমি হাসি।
তাদের আমি বুঝাতে পারিনা,
আমি এখানেই ভালো আছি।
আমি জানি, আমার ছেলে মেয়েরা আমাকে অনেক ভালবাসে, অনেক সম্মান করে।
কিন্তু আমি এটাও জানি, এই ব্যস্ত জীবনে যেখানে দিনের প্রতিটা ঘন্টা হিসাবের, সেখানে আমি তাদের কাছে একটা বাড়তি দায়িত্ব ছাড়া কিছু নই।

একজন মায়ের জীবন শুধু ছেলেমেদের বড় করে তোলা আর বৃদ্ধ বয়সে তাদের উপর নির্ভরশীল হয়ে বেঁচে থাকা নয়।
বড় হওয়ার সাথে সাথে সন্তানদের নিজের জগত তৈরি হয়, নিজের পরিবার তৈরি হয় ।
তাদের ঘিরেই চলে জীবনের আবর্তন।
সেইখানে বৃদ্ধ মা বা বাবা তাদের সেই জীবনের অংশ হয়না।
এটাই সত্য।
অনেকেই হয়তো এই সত্যটা ধরতে পারেনা কিংবা ধরতে পারলেও না বোঝার ভান করে।
হয়তো তাদের আর কোন উপায় নেই অথবা তারা যেকোন মুল্যে সন্তানের কাছে থাকার লোভ সামলাতে পারেনা।
আমি যেকোন ভাবেই হোক এই লোভ সংবরণ করে নিলাম।
আমি শেষ বয়সটা আমার নিজের মত করে কাটাতে চাই।

এরপর থেকে আছি আমার ঠিকানায়।
হ্যা, এখন এটাই আমার ঠিকানা,
আমি নিজে এই ঠিকানা বেছে নিয়েছি,
একটু আমি হয়ে বাঁচার জন্য।

জীবন_দর্শন
অজানা লেখকের জীবন দর্শন

সংগৃহীত।

(আমিও থাকতে চাই বৃদ্ধাশ্রমে)

Address

Mirpur-1, Dhaka
Mirpur
1216

Telephone

+8801878032554

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nazu's Mart posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Nazu's Mart:

Share