Unknown PINIK

Unknown PINIK Hi There,
This is a Most Uncommon and Islamic Unknown Interesting channel which provides Mysteries,

07/09/2023

যারা যাদুটোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রায়ই বলে থাকেন যে "এদের কি কোনো শাস্তি নেই?" তাদের জন্য নিচের পোস্টঃ
#যাদুকরের_শাস্তি
(মুহাম্মাদ আতীক উল্লাহ হুজুরের বই থেকে উনার অনুমতি নিয়ে এখানে দিলাম)
ব্ল্যাক ম্যাজিক
ইক্বরা টিভি। সরাসরি ফোনালাপের অনুষ্ঠান চলছে। উপস্থাপনায় আছেন শায়খ আব্দুল্লাহ শাহাদাত। এক মহিলা কল করলো।
-আসসালামু আলাইকুম।
-ওয়া 'আলাইকুমুস সালাম।
-শায়খ! আমি অনেক বড় গুনাহ করে ফেলেছি। আল্লাহ তা'আলা কি আমাকে ক্ষমা করবেন?
-কেনো ক্ষমা করবেন না, অবশ্যই ক্ষমা করবেন। নিশ্চই তিনি অতি ক্ষমাশীল অতি দয়ালু।
আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, (আপনি বলে দিন, হে আমার বান্দারা! যারা নিজেদের উপর বাড়াবাড়ি করেছো! আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সব গুনাহ মাফ করে দেন। নিশ্চয় তিনি পরম ক্ষমাশীল, অসীম দয়ালু(যুমারঃ ৫৩)।
- কিন্তু আমার গুনাহটা অনেক বড় আর গুরুতর। আল্লাহ কিছুতেই আমাকে ক্ষমা করবেন না।
- না বোন! আপনি এমনটা ভাববেন না। আল্লাহ তা'আলা বলেছেন,
(নিশ্চয়ই আল্লাহ তার সাথে শিরক করাকে ক্ষমা করেন না। এছাড়া আর (সব) পাপ তিনি যাক ইচ্ছা ক্ষমা করে দেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে শিরক করে সে ঘোরতর ভ্রান্তিতে পতিত হয়। (নিসাঃ১১৬)
-আমি সাত-সাতবার হজ করেছি। কিন্তু এ পর্যন্ত একবারও কা'বাঘর নিজ চোখে দেখতে পাইনি।
শায়খঃ ইয়াল্লাহ! ইয়া রাব!
মহিলাঃ আমি হেরেমে প্রবেশ করার পর তাওয়াফ কারীদেরকে দেখি, কিন্তু কা'বাঘর দেখতে পাই না। এমনকি একজন আমার হাত ধরে কা'বা শরী ছুঁইয়েও দেখিয়েছি। আমি হাত দিয়ে কা'বা ধরতে পেরেছি। কিন্তু কা'বা আমার সামনে দৃশ্যমান হয়নি।
শায়খঃ তাহলে তো দেখা যাচ্ছে আপনার পাপটা সত্যিই গুরুতর। বলুনতো কি এমন পাপ করেছেন? নিশ্চিত হয়ে বলুন, যাতে আমার বুঝতে সুবিধা নয়।
মহিলাঃ আমি অশ্লীল কাজে লিপ্ত ছিলাম। বিয়ের পরও অনেকবার হয়েছে। আমি ঠিক বলতে পারছি না, কোন পাপের কারনে আমার এই অবস্থা হয়েছে।
শায়খঃ অসম্ভব! এটা ছাড়াও অন্য কোনো পাপ আছে। শুধু অশ্লীলতার জন্য এমনটা ঘটতে পারে না। আপনি ভেঙে বলুন। আপনি কী করেছেন?
মহিলাঃ সত্যি কথা বলতে কি, আমি একজন নার্স। আমার গোপনে সম্পর্ক ছিলো একদল ব্ল্যাকম্যাজিক (কালোজাদু) চর্চাকারীদের সাথে। তারা নানাভাবে জাদুচর্চা করতো। তারা শবসাধনা করতো।
জাদুকরের শিখিয়ে দেয়া নিয়মানুযায়ী, হাসপাতালের হিমাগারে চুরি করে প্রবেশ করতাম। শবগুলো মুখে 'বিশেষ কাজ" করে মুখগুলো সেলাই করে দিতাম। শবগুলোকে এই অবস্থাতেই দাফন করা হতো। এই ন্যাক্কারজনক কাজ অসংখ্যবার করেছি।
শায়খঃ এমন কাজ কোনো মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। জাদুবিদ্যা তো শিরক।
নিশ্চয়ই শিরক বড় পাপ (লুকমানঃ১৩)
দুই সপ্তাহ পরে, ইক্বরা অনুষ্ঠানে একটা ফোন আসলো।
-আসসালামু আলাইকুম
- ওয়া 'আলাইকুমুস সালাম।
- হ্যালো শায়খ! দু' সপ্তাহ আগে একজন মহিলা ফোন করেছিলেন, আমি তার সন্তান।
শায়খঃ জি, বাবা! চিনতে পেরেছি। বলো কি খবর।
ছেলেঃ শায়খ! আমার আম্মু ইন্তিকাল করেছেন। তার মৃত্যুটা স্বাভাবিকভাবেই হয়েছে। কিন্তু দাফনের সময় এমন একটা ঘটনা ঘটেছে, আমরা কেউ ধারণাও করতে পারি নি এমনটা কখনো ঘটতে পারে।
শায়খঃ কী ঘটনা?
ছেলেঃ জানাযার পর আমরা কবরস্থানে গেলাম। লাশ কবরে নামাতে গিয়েই বিপত্তি বাঁধলো। আমরা কবরে নামলেই কবরটা সংকুচিত হয়ে আসে। লাশ বের করলে কবরটা আবার ঠিক হয়ে যায়। আবার লাশ নামালে কবরটা সংকুচিত হয়ে যায়। এমনকি আমাদের পক্ষে ভেতরে দাঁড়ানোও অসম্ভবত হয়ে দাড়িয়েছিলো। এ ঘটনা দেখে, সাথে যারা ছিলো ভয়ে পারলিয়ে গেলো। তারা বললো, তোমার মা হয়তো এমন কোনও কাজ করেছে যে, কবর তাকে গ্রহণ করতে চাচ্ছে না। আমি বসে বসে কাঁদতে লাগলাম। এমন সময় দেখলাম একজন বৃদ্ধ লোক আসলে। তার পোশাক ছিলো অত্যন্ত উজ্জ্বল আর শুভ্র। দেখলেই মন ভালো হয়ে যায় এমন একজন মানুষ। তাকে দেখেই আমার মনে হলো, আমার আমনে এজন ফিরিশতা দাঁড়িয়ে আছেন। বিশেষ করে তার সাথে কথা বলে বিশ্বাসটা আরও বদ্ধমূল হলো। তিনি বললেন,
তোমার আম্মুকে যেভাবে আছে রেখে চলে যাও। পেছনে ফিরে তাকাবে না। আমি কোনও কথা না বলে চলে আসলাম। কিছুদূর আসার পর আমি আর কৌতূহল দমন করতে পারলাম না। আমার মায়ের কী হলো সেটা না দেখে বাড়ি যেতে মন টানছিলো না। পেছন ফিরে তাকালাম। দেখলাম, আকাশ থেকে প্রকাণ্ড এক অগ্নিগোলক ছুটে আসলো। চোখের নিমিষেই আম্মার লাশটাকে পুড়িয়ে ছাই করে দিলো। খাটিয়াসহ পুড়ে ছাই হয়ে গেলো।
আগুনের উত্তাপ এত প্রবল ছিল যে, এতদূর থেকেও আমার মুখটা ঝলসে গেল। শুধু দুচোখ অক্ষত রইলো।
আমি চিন্তিত হয়ে গেলাম, আমার চেহারা কেনো ঝলসে গেলো? আল্লাহ কি আমার প্রতি নারাজ?
শায়খঃ প্রিয় বৎস! সম্ভবত আল্লাহ তা'আল মায়ের পাপ থেকে তোমাকে পবিত্র করতে চেয়েছেন। তুমি তো তোমার মায়ের হারাম উপার্জনেই বড় হয়েছো। আল্লাহকে ভয় করো। তাঁর কাছেই ক্ষমা চাও। আল্লাহ আ'আলা তোমার জন্য যা দিয়েছেন তা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকো।
[যারা যাদুকর/কবিরাজ/কুফরী হুজুরদের কাছে যান তারা নিজেদের পরিনতি সম্পর্কে সচেতন হোন। তওবা করে ফিরে আসুন। মৃত্যু অতি সন্নিকটে।]

01/09/2023

বিজ্ঞানের যুগ আসার পর থেকে নবী আর অবতার আসা বন্ধ হয়ে গেছে কেন?

অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠা হয় ১০৯৬ সালে। তখন কি মানুষ গুহায় বাস করতো? ইউনিভার্সিটিতে কি মাছ ধরা শেখাতো? ইউনিভার্সিটিতে অবশ্যই বিজ্ঞান শেখাতো। তারা কি তখন এই কথা বলতো - ভবিষ্যতে বিজ্ঞানের যুগ আসবে। না, তারা তাদের যুগকে বিজ্ঞানের যুগ বলতো। তাদের সেই বিজ্ঞানের যুগে কোন ছাপানো বই ছিলো না। ছাপাখানা যন্ত্র আবিস্কার হয়েছে আরো ৩৫০ বছর পরে।

টেলিস্কোপ আবিস্কার হয় ১৬০৮ সালে। তারা তাদের যুগকে বিজ্ঞানের যুগ বলতো। সেই বিজ্ঞানের যুগে মোমবাতি জ্বালিয়ে ঘর আলোকিত করা লাগতো।
ক্যামেরা আবিস্কার হয় ১৮১৪ সালে.। তারা তাদের যুগকে বিজ্ঞানের যুগ বলতো। তাদের সেই বিজ্ঞানের যুগেও মোমবাতি জ্বালিয়ে রাখতো।
বৈদ্যুতিক বাতি আবিস্কার হয় ১৮৭৯ সালে। তাদের সেই বিজ্ঞানের যুগে কোন গাড়ী ছিলো না।
গাড়ী আবিস্কার হয় ১৮৮৫ সালে। তাদের সেই বিজ্ঞানের যুগে মানুষ ধারনাই করতে পারতো না যে মানুষ কোনদিন (প্লেন) আকাশে উড়তে পারবে।
এতক্ষন তো বললাম আবিস্কারের কথা। এখন বলবো জ্ঞানের কথা। ১৯০৩ সালে, লাইট বাল্বের আবিষ্কারক টমাস এডিসন বৈদুতিক শক দিয়ে একটি হাতি মেরে দেখিয়েছেন। এভাবে তিনি মানুষকে শিখিয়েছেন, বিদ্যুত কত বিপজ্জনক। তার মানে, এই ঘটনার আগে, বিদ্যুতের বিপদ সম্পর্কে মানুষ জানতোই না।

ওই ঘটনাটির ১৭৭ বছর আগে বিজ্ঞানী নিউটন মারা গেছেন। বিজ্ঞানী নিউটন বেঁচে থাকতে, তাকে যদি বলা হতো - জানেনে, একটি অদৃশ্য জিনিস আছে (বিদ্যুৎ), যেটা তারের মধ্য দিয়ে চলাচল করে। ওই জিনিসটা শুধুমাত্র ছুয়ে দেখলেই তৎক্ষণাৎ মৃত্যু। এই কথা শুনে নিউটন বলতেন - আমাকে ভুতের গল্প বলছো কেন? বিদ্যুৎ জিনিসটা আবিস্কার হয়েছে নিউটনের মৃত্যুর ২৬ বছর পরে। নিউটন বিদ্যুৎ জিনিসটা চিনতেন না।

বিদ্যুৎ না চেনা বিজ্ঞানী নিউটনকে আপনি যদি বলতেন - আমি (কোরাতে) একটি প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেছি, অন্য দেশের কোন একজন অচেনা লোক সেই প্রশ্নটির উত্তর দিয়েছে। আমি সেই উত্তরটা নিজের হাতের উপরে (স্মার্টফোনে) দেখেছি। আপনার এই কথা শুনে নিউটন আপনাকে জাদুকর ভেবে দৌড়ে পালাতো। নিউটন ছিলেন সেরা বিজ্ঞানী, ওটা ছিলো বিজ্ঞানের যুগ।

এমন পরিস্থিতি ভবিষ্যতেও হবে। বিজ্ঞানের উন্নতি দেখে,বর্তমানে আমরা অস্থির। অথচ আরো ২০০ বছর পরে কি হবে, সেটা আমরা এখন ভাবতেও পারি না। সেই ভবিষ্যতের লোকজন তাদের যুগকে বিজ্ঞানের যুগ বলবে আর আমাদের এই যুগকে মধ্যযুগ বলবে। ঠিক যেমনি আমরা এখনকার যুগকে বিজ্ঞানের যুগ বলি, আর নিউটনের যুগকে মধ্যযুগ বলি।

আপনাকে হাজার বছর আগের বিজ্ঞানের যুগ দেখালাম। আরো অতীতে কেমন ছিলো সেটার বিস্তারিত তথ্য নেই। তবে, যত অতীতেই যান না কেন, সকল যুগই বিজ্ঞানের যুগ ছিলো। সকল যুগের মানুষই নিজের যুগকে বিজ্ঞানের যুগ মনে করতো। সকল যুগই বিজ্ঞানের যুগ। নবী রসুল যখন এসেছিলেন, তখনো বিজ্ঞানের যুগ ছিলো।

এখানে পাল্টা প্রশ্ন থাকতে পারে - নবী রসুল আসা বন্ধ হলো কেন?

কারন, আমরা দুনিয়া ধংশের (কেয়ামত) খুবই নিকটে। আর কুরআন ও হাদিসে আমাদের পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধা রয়েছে। কিয়ামত এর আগে পর্যন্ত আর কোনো নবী রাসুল এর প্রয়োজন নেই।

01/09/2023

বাবার মৃ'তদে'হ সামনে রেখে বললাম " বাবার ঋণদার যারা আছেন,আপনাদের পাওনা টাকা আমাকে জানাবেন।বাবার ঋণ আমি শোধ করবো "

ছোট বোন আমার হাত চেপে ধরে বললো " ভাইয়া,তুই শোধ করবি কিভাবে? তুই নিজেই তো ৫ বছর ধরে কোনো চাকরি পাচ্ছিস না।বেকারত্বের শিকার হয়ে টাকা শোধ করবি কিভাবে? "

বোনকে অভয় দিয়ে বললাম " শত কষ্ট হলেও শোধ করবো বোন "

সারারাত আমার ঘুম হলো না।বোনের বিয়ের বয়স হয়ে গেছে।পরিবারের খরচ নাহয় কোনোরকম চালাবো,কিন্তু বোনের বিয়ে কিভাবে দিবো?

পরেরদিনই ঋণদাতারা এসে বাড়িতে হাজির।বাইরে বেড় হয়ে এতো লোককে দেখে ঘামে আমার কপাল ভিজে উঠলো।মৃদু স্বরে বললাম

" আপনারা বাবার কাছে কত টাকা পান বলুন।আমি চেষ্টা করবো শোধ করার "

ওদের মধ্যে থেকে একজন এগিয়ে এসে বললো " আমরা ব্যাংক থেকে এসছি।উনি তার ছেলে মেয়ের নামে ৭ লাখ টাকা সঞ্চয় করে রেখে গেছেন।কাইন্ডলি ব্যাংকে যোগাযোগ করুন "

একথা বলে তিনি চলে গেলেন।বাকি লোকগুলিও ছোট ছোট সমিতি থেকে এসছেন। ওরা জানালেন বাবা ওদের সমিতিতে প্রতিদিন ২০ টাকা করে সঞ্চয় রাখতেন।

রাতে সব মিলিয়ে হিসেব করে দেখলাম বাবা আমাদের জন্য মোট ১১ লাখ টাকা সঞ্চয় করে রেখে গেছেন।মনে পড়ে গেলো সেদিন রাতের কথা।যে রাতে আমি বাবাকে বলেছিলাম

" আপনি কেমন বাবা?আমার ভবিষ্যতের নিয়ে আপনার কোনো চিন্তা আছে?দরকার নেই আমার এমন বাবার "

বাবা তখন মৃদু হেসে বলেছিলেন " আমার সাধ্য মতো চেষ্টা করছি।সময় হলেই পেয়ে যাবে "

হ্যা সে সময়টা এখন এসে গেছে।কিন্তু বাবা চলে গেছে দূরে,ওই তারাদের কাছে।আমি আকাশের দিকে দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললাম

" বাবা,আজ পর্যন্ত তোমায় কখনো বুঝতে পারলাম না।এখন বুঝতে পারছি,কেন তুমি এক শার্ট পড়েই একটা বছর কাটিয়ে দিতে "

© সোশ্যাল মিডিয়া থেকে নেওয়া

01/09/2023

কোরআনে আল্লাহ কেন জান্নাতিদের শরাব (মদ্য পানীয়) পরিবেশনের জন্য মুক্তার মতো সুন্দর কিশোর বালকদের দাস হিসেবে রাখবেন বলেছেন? দুনিয়ায় শিশু শ্রম নিষিদ্ধ কিন্তু জান্নাতে কেন শিশু শ্রম বৈধ?

প্রশ্নকারী পরকাল বিশ্বাস করে না। জান্নাতের অস্তিত্ব অস্বীকার করে। ওদিকে জান্নাতে শিশু-শ্রম এর ব্যপারে উদ্বিগ্ন হয়ে গেছে।

এটাকে বাংলায় বলে ভন্ড ; ইংরেজীতে hypocrite ; আর, আরবীতে - মুনাফিক (منافق)
গত ২০ বছর ধরে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলাতে, দলগুলি যখন মাঠে নেমে লাইনে দাঁড়ায়, তখন তাদের সাথে শিশুদেরও দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। খেলা শুরু হবার আগে, শিশুরা মাঠ থেকে বেরিয়ে যায়। এমন দৃশ্য দেখে কি কখনো এই প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেছেন - বিশ্বকাপ খেলাতে শিশুদের দিয়ে পরিশ্রম করায় কেন? বিশ্বকাপে শিশু-শ্রম কেন?

না, আপনি তেমন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেন না। কারন, আপনি নিজেই এর স্বপক্ষে যুক্তি তৈরি করে রেখেছেন। আপনি জানেন, শিশুরা হলো শান্তির প্রতীক। তাছাড়া, শিশুরা ওখানে কোন কাজ করে না। শুধুমাত্র লাইনে দাঁড়িয়ে, সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।

রেস্টুরেন্টের ওয়েটারের কাজ দেখেছেন? অমুকের এটা লাগবে, তমুকের সেটা লাগবে, এভাবে বিভিন্ন ব্যাবস্থা করাটা, বেশ পরিশ্রমের কাজ। ওয়েটারের সেই পরিশ্রম দেখেই, আপনি মনে করছেন - জান্নাতের শিশুরা খাবার পরিবেশনের জন্য খুব পরিশ্রম করবে। এজন্যই ওটাকে আপনি শিশু-শ্রম বলছেন।

জান্নাত আমাদের ধারনার বাইরে। জান্নাতে ফল খাবার ইচ্ছা হলে, গাছ নিজে ঝুকে মানুষের মুখের সামনে আসবে। পাখির মাংস খেতে ইচ্ছা হলে, পাখি উড়ে এসে, সয়ংক্রিয়ভাবে রান্না হয়ে, প্লেটের উপরে পড়বে। জান্নাত যায়গাটাই সয়ংক্রিয়। মানুষ যেটা ইচ্ছা করবে, সেটা এমনিতেই তার সামনে হাজির হবে। জান্নাতে কস্ট করার কোন উপায়ই নেই।

জান্নাতে উপস্থিত শিশুরা, দুনিয়ার ওয়েটারের মতন পরিশ্রম করবে না। তারা উপস্থিত থেকে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবে। জান্নাতে, ইচ্ছা করলেই সবকিছু এমনিতেই মুখের সামনে চলে আসে। নিজের কোন কস্ট করা লাগবে না। কাউকে দিয়ে কোন পরিশ্রম করানো লাগবে না। জান্নাতে পরিশ্রম জিনিসটা নেই। জান্নাতে কস্ট করার কোন উপায় নেই।

01/09/2023

শয়তান বুড়ো- ১
এক বৃদ্ধ ট্রেনে উঠেছে। গোটা কামরায়
বৃদ্ধ একাই ছিলো।
হঠাৎ ১২ জন যুবক চলন্ত ট্রেনের
ঐ বগিতে উঠেই চিৎকার করে গান গাইতে শুরু করল ।
ছুরি দিয়ে আম কেটে কেটে খাচ্ছিলো ।
হঠাৎ
একটি যুবক বলে উঠলোঃ
"চল আমরা ট্রেনের চেইনটা টেনে ট্রেনটাকে
থামিয়ে দেই।"
২য় যুবকঃ "না দোস্ত, লেখা আছে পাঁচ
শত টাকা জরিমানা অনাথায় ছয় মাস জেল।"
১ম যুবকঃ "আমরা একশো টাকা করে
চাঁদা তুলি। বারোশো টাকা হবে । বাকী
সাত শো টাকা দিয়ে লাঞ্চ করবো।
Let's have fun friends"
(বারোশো টাকা
তুলে ১ম যুবকের পকেটে রাখলো)
৩য় যুবকঃ "দোস্ত, আমরা চেইন টেনে
ঐ বুইড়াটাকে দেখিয়ে দিলে পাঁচ শো
টাকাও বাঁচলো Fun হলো। আমরা ১২
জনে সাক্ষী দিলে টিটি মেনে যাবে।"
বৃদ্ধ কাঁদতে কাঁদতে হাত জোড় করে
বললোঃ "বাবা, তোমরা আমার ছেলের
বয়সী। কেনো আমাকে বিপদের মধ্যে
ফেলবে?"
যুবকগুলো বৃদ্ধের অনুরোধ অবজ্ঞা করে
চেইনটায় টান দিল।
টিটি চলে এসে
জিজ্ঞাসা করলোঃ "কে চেইন টেনেছে?"
যুবকগুলো বৃদ্ধকে দেখিয়ে বললোঃ
"ঐ চাচা মিয়া টেনেছে।"
টিটি বৃদ্ধকে বললোঃ "অকারনে চেইন
টানলে পাঁচ শত টাকা জরিমানা অথবা
ছয় মাস জেল।"
যুবকগুলো চিৎকার
করে বললোঃ "স্যার, বুইড়া অকারনেই
টেনেছে। হো হো হো হো........."
বৃদ্ধ একটু দাঁড়িয়ে বললোঃ
"টিটি সাহেব আমি বিপদে পড়েই চেইন
টেনেছি।"
টিটি বললোঃ "কি বিপদ?"
বৃদ্ধ বললোঃ "ঐ যুবকগুলো আমার
গলায় ছুরি ধরে আমার বারো শো টাকা
ছিনতাই করেছে।"
টিটি বললোঃ "কি সর্বনাশ?"
বৃদ্ধ বললোঃ "দেখুন ঐ যুবকটির পকেটে
টাকা আর ঐ ব্যাগে ছুরি।"
টিটি পুলিশ কল করে ১২জন যুবককে
গ্রেফতার করে নিয়ে যাচ্ছিলো।
তখন বৃদ্ধ তার পাকা চুল আর দাড়ি দেখিয়ে
যুবকগুলোকে বললোঃ
"এইগুলো বাতাসে পাকে নাই"
(সংগ্রহ)

01/09/2023

বিংশ শতাব্দীতে আমেরিকায় সবচেয়ে কম বয়সী মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত মানুষটির নাম জর্জ স্টিনি জুনিয়র।

মাত্র ১৪ বছর বয়সে ছেলেটিকে ইলেকট্রিক চেয়ারে বসিয়ে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়।

ট্রায়ালের দিন থেকে শুরু করে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বাচ্চা ছেলেটার হাতে ছিলো বাইবেল। প্রতিটা মুহুর্ত ছেলেটা নিজেকে নির্দোষ দাবী করেছিলো।

তার বিরুদ্ধে ছিলো দুই শ্বেতাঙ্গ মেয়েকে হত্যার অভিযোগ। মৃতদের একজনের নাম বেটি, বয়স ১১ বছর, আরেকজনের নাম মেরি, বয়স ৭ বছর। দুই হতভাগ্যর মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছিলো তাদের নিজেদের বাড়ির পাশেই।

সেই সময় সমস্ত জুরিরা ছিলেন শ্বেতাঙ্গ। ট্রায়াল চলেছিলো মাত্র ২ ঘন্টা। ট্রায়ালের মাত্র ১০ মিনিট পরেই রায় শুনিয়ে দেয়া হয় মৃত্যুদন্ড। স্টিনির বাবা-মা কে হত্যার হুমকি দেয়া ছাড়াও কোর্টরুমেও তাদের পুত্রকে কোন উপহার দিতে দেয়া হয়নি। পরবর্তীতে তাদের শহর থেকেই বের করে দেয়া হয়।

মৃত্যুর আগে জর্জ স্টিনি জেলে ছিলো ৮১ দিন। এ সময়টায় তাকে তার বাবা-মায়ের সাথেও দেখা করতে দেয়া হয়নি। স্টিনিকে রাখা হয়েছিলো নিজের শহর থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূরের এক সলিটারি সেল এ।

মাথায় ৫৩৮০ ভোল্ট বিদ্যুত প্রয়োগের মাধ্যমে জর্জ স্টিনির মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়।

মৃত্যুর ৭০ বছর পর সাউথ ক্যারোলিনার এক জজ প্রমাণ করেন জর্জ স্টিনি ছিলো নিরপরাধ। মেয়ে দুজনকে যে বীমের আঘাতে হত্যা করা হয়েছিলো তার ভর ছিলো ১৯ কেজিরও বেশি। মাত্র ১৪ বছর বয়সে ঐ বীম ওঠানোই ছিলো স্টিনির পক্ষে অসম্ভব। সেই বীম দিয়ে প্রাণঘাতী আঘাত করা তো অনেক দূরের ব্যাপার।

স্টিনি ছিলো পুরোপুরি নিরপরাধ। গোটা প্লটটা ছিলো সাজানো, শুধু কৃষ্ণাঙ্গ বলেই অভিযোগের তীরটা গিয়েছিলো বেচারার দিকে।

এই ঘটনায় অনুপ্রাণিত হয়ে স্টিফেন কিং লিখেছিলেন তার বই "দ্য গ্রীন মাইল" ।

এখন প্রায়ই শুনতে পাই, আগের সময়ে মানুষ নাকি অনেক মানবিক ছিলো। ডাঁহা মিথ্যা কথা। মানুষ আগেও পশু ছিলো এখনোও তাই। আগে শুধু প্রকাশ হতোনা, এখন হয়। পার্থক্য এখানেই।

(তথ্যসূত্রঃ ভিন্টেজ নিউজ)

01/09/2023

সিগন্যাল :

ধরুন, কারো S*x উঠছে। মানে He wants to have cohabitation badly. এই অবস্থায় সে এক শিশুকে পেলো। আশেপাশে কেউ নাই, এমনকি তার ভিতরে পশু ছাড়া আর কিছু নাই। যেহেতু আশেপাশে কেউ নাই এবং তার পশুবৃত্তি জেগেছে সে রেপ করবেই। আল্লাহ, নবী, ভগবান কাউকে সে মানবেনা। শুধু আল্লাহ, নবী, ভগবানের ভয়ে খারাপ কাজ না করার যোগ্যতা অর্জন করতে একজীবন সাধনা করতে হয়। একটা ভালো পরিবারে জন্ম নিতে হয়। মানবিক হতে হয়। টুপি, পুতি পরেছে অথবা বড় বড় সমাজ সেবা করেছে বলেই কাউকে সেই যোগ্যতা অর্জনকারী ভাববেন না। সারা বছর নামাজ পড়ে, পুঁজা করে, সমাজসেবা করে কাজের মেয়েকে প্রেগন্যান্ট করেছে এমন ইতিহাস হাজারো আছে।

কোনো লোকের S*x উঠলে তার মাথা সিগন্যাল দেয় "Pe*****te your p***s into a hole. Ej*****te your semen, no matter how old, young or ungly the hole is, how innocent the hole is, how sinnest the hole is. Be perverted, be the beast." এই সিগন্যালকে রুখবেন কিভাবে যখন সেখানে কেউ নেই? এই সিগন্যালকে রুখতে ব্রেনে একটা এন্টি সিগন্যাল সৃষ্টি করতে হবে - জাতীয় ভাবে প্রতিটি ব্রেনে এই সিগন্যাল সৃষ্টি করতে হবে।

সিগন্যাল হলো- প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড। অথবা এমন শাস্তি যার কথা ভাবলেও মনে ভয় চলে আসে। গা শিহরিত হয়।

দেশের প্রচলিত আইনে যদি জনসম্মুখে ধর্ষককে ফাঁসি দেওয়া হয় তাহলে এমনকি পশুরও যদি সেক্স ওঠে তাহলে তার ব্রেন তাকে সিগন্যাল দিবে। এমনভাবে ধর্ষনের শাস্তি প্রচার করতে হবে যে দেশের প্রতিটি মানুষ তা জানবে।

বাংলাদেশের মানুষ পুলিশ দেখে ভয় পায়না কিন্তু RAB দেখে ভয় পায় কেন, আরমি দেখে ভয় পায় কেন? RAB দেখলে ব্রেন 'ক্রসফায়ারের' সিগন্যাল দেয়, মানুষ ভয় পায়।

আমি মন্ত্রীদের সম্পর্কে, বিরোধীদলের লোকদের সম্পর্কে, আমার চেনা খারাপ কিছু মানুষের সম্পর্কে, ক্ষমতাশালীদের সম্পর্কে হাজারো লেখা লিখে আবার মুছে দেই- কারন আমার ব্রেন আমাকে সিগন্যাল দেয় এদের সম্পর্কে লিখলে আমার চাকরি চলে যেতে পারে। আমি সাপ ধরিনা - কারন আমার ব্রেন সিগন্যাল দেয় সাপ কামড় দিলে মারা যাবো।

প্রধানমন্ত্রীর গাড়িতে আগামী ১০০ বছরে কেউ হামলা করবে না যদি সে খবরটা জানে যে তাকে হামলার দায়ে ফাঁসিতে ঝুলতে হয়। যারা রাজনীতি বুঝেন তারা খুব ভালো করে জানেন খুব সচেতনভাবে রাষ্ট্র মানুষের মনে সিগন্যাল তৈরি করে দিয়েছেন। কোটা সংস্কারের সময় ছাত্রদের হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে ব্রেনে সিগন্যাল দেওয়া হয়েছে - আন্দোলন মানেই হাতুড়ি পেটা।

বস্তুত কাউকে শাসন করতে হলে ভালোবাসা দিয়ে কাজ না হলে ভয়ের সিগন্যাল তৈরি করতে হয়। এটা অন্যায় না। আপনি দেশের শ্রেষ্ট মানুষ, দেশের মাথাকে হামলা করবেন তা তো হতে পারেনা।

ধর্ষন রুখতে একটা সিগন্যাল তৈরি করতে হবে ব্রেনে। আমি বুঝিনা একটা গণতান্ত্রিক দেশের ৯০% লোক যে আইন চায় সেই আইন কেন বাস্তবায়িত হয়না।

ঐ যে ব্রেন সিগন্যাল তৈরি করেছে এদেশে বিচার নাই - বুঝলে মামু?

সব সিগন্যাল। রিক্সওয়ালারা অবশ্য এটার উচ্চারন করে "সিঙ্গেল"। মামা সিঙ্গেল দেন তো, সিঙ্গেল দেন।

29/08/2023

Plz ভাইয়া ও আপুরা পুরোটা পড়বেন।🙏🙏প্লীজ কেউ বাজে ভাবে নিবেন নাহ 😓
ছেলে : বাবু কি করো?
মেয়ে : এইতো জান গোসল করে আসলাম!
ছেলে : তাই তো একটা ফটো দাও তো তোমার ভেজা ন/গ্ন শরীরের!
মেয়ে : যাহ... ফাজিল কোথাকার..!
ছেলে : শুনো না বাবুণী... আজকে কি রঙের ব্রা পড়বা..?
মেয়ে : উমমমমম..কালো রঙের!
ছেলে : সত্যি..? ফর্সা দেহে তোমাকে শুধু কালো রঙের ব্রা তে ভীষণ সে/ক্সি লাগবে আমাকে কিন্তু অবশ্যই ফটো দিবা!
মেয়ে : চুপ শয়তান!
ছেলে : বলোনা দিবা..?
মেয়ে : যাহ... দুষ্টু কোথাকার!
Now there is a question...? এটা কি আদৌ ভালোবাসা...? নাকি ভালোবাসার নামে নোং/রামি?
অনেকেই তো বলেন ভালোবাসা স্বর্গীয় আল্লাহ প্রদত্ত।(নাউজুবিল্লাহ)
আল্লাহ কি আমাদের এভাবে ভালোবাসতে শিখাইছেন...? নাকি তিনি স্বর্গ থেকে মানুষের জন্য রহমত রুপে এমন ভালোবাসা আমাদের জন্য পাঠান...?কোনটা রে ভাই বোনেরা...?
দেখ ভাই...ভালোবাসা মানে গার্লফ্রেন্ডের ব্রা প্যা/ন্টি না...। সে কি রঙের ব্রা পড়ছে... তার ফিগারের সাইজ কতো কোন ব্রা তে তাকে কেমন লাগে বা ব্রা প্যা/ন্টি পড়া ফটো চাইবার নাম ভালোবাসা না...। এইটা শুধু নোং/রামি এখানে ভালোবাসা বলতে কিছু নেই..।
বরং এসব জিজ্ঞেস না করে সারাদিন তোর ভালোবাসার মানুষটা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়লো কিনা...তিন বেলা খেলো কিনা... গোসল করে মেয়েটা তাড়াতাড়ি চুল শুকালো কিনা...ঠান্ডা লাগছে বা জ্বর আসছে ঠিকমতো ঔষধ খেলো কিনা,,, এগুলার বারবার খোঁজ নেওয়ার নামই ভালোবাসা..।
কারণ ভালোবাসা সেটা না যেখানে কেয়ারিং বা আদর সোহাগের নাম করে গার্লফ্রেন্ডের বুকে পাছায় হাত বুলাতে ইচ্ছে করে।
আর মেয়েরা
এইযে যা দুষ্টু,,,চুপ শয়তান,, ফাজিল একটা..!!
এই কথাগুলোর মানে কিন্তু নোং/রামি করতে তুমি ছেলেটাকে বারণ করছো তা কিন্তু মোটেই না..! বরং এ কথাগুলোর মানে হলো তাকে তোমার আরো কাছে ডাকার নিরব আহ্বান। এই কথাগুলো কোনো ছেলের নোংরামি কে আরো প্রশ্রয় দেয়।
ইজ্জত হারানোর পর সে দোষ কোনো ছেলের ঘাড়ে না চাপিয়ে বরং সবসময় এইটা মনে রেখো যে তুমি না চাইলে কোনো ছেলে তোমার কাছে ঘেষা তো দূরের কথা তোমার ছায়াও মারাতে পারবে না..।
ভাইরে ১৮+ যুগে এসে সবাই কে নৈতিক কথা শুনালে কেউই তাতে কান দিবেনা..।
তবুও লিখে রাখলাম..কারণ আমি জানি আর বিলিভ করি পৃথিবীর সব ছেলে মেয়ে নষ্ট হয়ে যায়নি। এখনো অনেকেই ভালো আছে।
দোয়া করি তারা তাদের জীবন স/ঙ্গী সাথে আজীবন ভালো থাকুক!🥰

18/08/2023
ইসলাম ধর্মে এত অন্যায় অত্যাচার কেন? নারীদের স্বাধীনতা কেন তারা দিতে চায় না?আপনার দুইটি আভিযোগ। একটি অন্যায় অত্যাচার। আরে...
11/08/2023

ইসলাম ধর্মে এত অন্যায় অত্যাচার কেন? নারীদের স্বাধীনতা কেন তারা দিতে চায় না?

আপনার দুইটি আভিযোগ। একটি অন্যায় অত্যাচার। আরেকটি হলো স্বাধীনতা। আমরা একে একে দুইটি বিষয়ই বুঝবো।

১৮৮৪ সালে, ব্রিটেনে নারীকে উত্তরাধিকারী সম্পত্তি দেবার আইন করা হয়। ওটাই ছিল নারীকে সম্পত্তি দেবার জন্য, বিশ্বের প্রথম আইন। এর আগে, বিশ্বব্যাপী নারীকে সম্পত্তির ভাগ দেওয়া হতো না। এক কথায় - বিশ্বের যত উন্নত আর আধুনিক জাতি বা দেশ দেখেন, তারা কেউই ১৮৮৪ সালের আগে নারীকে সম্পত্তির ভাগ দিতো না। নারীকে সম্পত্তির ভাগ দেওয়া শুরু হয়েছে মাত্র ১৩৮ বছর আগে। অর্থাৎ, ৫০০ বছর আগে, নারীকে সম্পত্তির ভাগ দেবার কথা বললে, মানুষ হাসাহাসি করতো।

ওদিকে, ১৪০০ বছর আগে, কোরআনে নারীর সম্পত্তি বন্টন এর সুনির্দিষ্ট নির্দেশ দেওয়া আছে (ছবি দেখুন)। কতটুকু সম্পত্তি দিতে হবে, সেটার হিসাব বলে দেওয়া আছে।

এখানে লক্ষ্যনীয় - কোরআন হলো ইসলামিক রাস্ট্রের সংবিধান, কোরআন হলো আইন। অর্থাৎ, নারীকে সম্পত্তি দেবার প্রথম (ব্রিটিশ) আইনের হাজার বছর আগেই ইসলামিক আইনে নারীর সম্পত্তি দেওয়া হয়েছে।

ইসলাম ধর্মে অন্যায় অত্যাচার আছে, এই ডাহা মিথ্যা আর কতদিন মুখস্ত করবেন?
এবার নারী স্বাধীনতা দেখি। কোন পশ্চিমা দেশে অন্তত ২ বছর না থাকলে, নারী স্বাধীনতা জিনিসটা চেনা যায় না। ভারতবর্ষে, যারা "ইসলামে নারী স্বাধীনতা নেই", এমন অভিযোগ করে, তারা জীবনে কোনদিন নারী স্বাধীনতা জিনিসটা চোখেও দেখেনি। অন্যের কাছে শুনে, আন্দাজে বকবক করে।

পাশের বাড়ির ২১ বছর বয়েসের মেয়েটার ৩ বছর বয়সী একটি বাচ্চা আছে। এই বাচ্চার বাবার সাথে মেয়েটির কখনো বিয়ে হয়নি। - আপনার পরিবারে এমন আছে তো?
এক বন্ধু তার বাসায় ডেকে মধ্যবয়সী একটি লোকের সাথে পরিচয় করিয়ে আমাকে বলছে - খুশির সংবাদ, ইনি আমার মায়ের নতুন বয়ফ্রেন্ড। - আপনি এমন বলেন তো?
তরুণী মেয়ে বাসায় ফিরতে দেরী দেখে, বাবা ফোন করে জানতে পারলো, মেয়েটি অমুক ছেলের সাথে রাতে থাকবে। - আপনার পরিবারে এমন মেয়ে আছে তো?
উপরের এই তিনটি প্রশ্নের উত্তর আপনি যদি "হ্যাঁ" বলেন, তাহলে বোঝা যাবে আপনি নারী স্বাধীনতা চেনেন। ইসলাম, আপনার মতন এমন স্বাধীনতা দেয়নি। তবে, ওই প্রশ্নগুলোর উত্তরে আপনি যদি "না" বলেন, তাহলে আপনি নিজেই নারী স্বাধীনতা বিরোধী। অযথা ইসলামকে দোষ দিবেন না।

11/08/2023
09/08/2023

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে ভালোবাসা।Unknown PINIK
https://youtu.be/OKSdY7I-5sY

Address

Rupnagar Tinsed Mirpur 12
Mirpur
1216

Telephone

+8801319638261

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Unknown PINIK posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Unknown PINIK:

Share