innoVation

innoVation *Wear The Eco Of Tomorrow* With the name of Allah almighty we are starting to publish our innovative products to all. We never compromise with quality.
(1)

We make all types of household products with our own materials and own man power.Beside these we make latest designed dress, Kurtis, baby frock & sharees. Pls stay with us and give strong support to achieve our innovative goal.Thanks to all.

আজ অমর একুশে....
21/02/2026

আজ অমর একুশে....

২০২৬ সাল,আবারো পেলাম বছরের সবচেয়ে  পবিত্রতম মাস।আলহামদুলিল্লাহ! আ'লা কুল্লি হাল।নিশ্চয়ই আল্লাহ উত্তম পরিকল্পনাকারী।মুসলি...
19/02/2026

২০২৬ সাল,
আবারো পেলাম বছরের সবচেয়ে পবিত্রতম মাস।আলহামদুলিল্লাহ! আ'লা কুল্লি হাল।নিশ্চয়ই আল্লাহ উত্তম পরিকল্পনাকারী।

মুসলিম প্রধান এই দেশে বেশির ভাগ মুসলমানদেরই বিভিন্ন আমলের মধ্যেই কাটবে পুরোটা মাস।আমরা ভাবি,এতোটুকুই তো যথেষ্ট। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ছি,কুরআন তেলাওয়াত করছি,বিভিন্ন দোয়া পড়ছি....এরচেয়ে আর বেশি কিইবা করার আছে।

শুনুন,একটু ভেবে বলুন তো,আপনি আজ খুব ভালো অবস্থানে আছেন,এই দম্ভে খুব কাছের কাউকে কথা দিয়ে, ব্যবহার দিয়ে, চিৎকার দিয়ে কারোও মনে আঘাত করে যাচ্ছেন নাতো,অথবা ঠাট্টাচ্ছলে কাউকে অসম্মান করছেন নাতো?নিজের দাপুটে মেজাজ হারিয়ে কাউকে মন্দ কথায় জর্জরিত করছেন নাতো?কেউ হয়তো আপনার কাছে আর্থিক ভাবে ঋণী,তার এই অসহায় অবস্থার সুযোগ নিচ্ছেন নাতো?কেউ হয়তো আপনার সাহায্যপ্রার্থী, তাকে কথায় কথায় খোঁটায় পরিপূর্ণ করছেন নাতো?

যদি তাই-ই হয়, প্লিজ নিজেকে থামান,আজ যাকে নীচু নজরে দেখছেন আল্লাহপাকের ইচ্ছায় হয়তো এমন একদিন আসতেও পারে, আপনি সেই ব্যক্তিরই সাহায্যপ্রার্থী হচ্ছেন!প্রকৃতি সব কিছুই ফিরিয়ে দেয়।ভালো, মন্দ,ভালোবাসা,অপমান,নির্দয়তা, নিষ্ঠুরতা,উপকার.....সবকিছু।

তাই শুধু নামাজ, রোজা,আমলই না,ভালো ব্যবহার করতেও শিখুন,এটাও ইবাদতের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।শুধু নিজের ভালোটাই দেখবেন না,আপনার ঘরে যদি বয়স্ক বাবা-মা থাকেন,সাহায্যকারী থাকেন,এমন কি আপনার ঘরে যদি কোনোও আত্মীয় বা বড় ভাই/বোন অল্প কিছু দিনের জন্য বেড়াতেও আসেন তাদের প্রতিও আন্তরিক হোন,সংবেদনশীল হোন।বিশ্বাস করুন,আপনার ভালো ব্যবহার, মানবিক আচরণ,সুন্দর কথা,একটু হাসিও আমলের অংশ।

আল্লাহপাক সবাইকে শারীরিক এবং মানসিক সুস্থতা দান করুক। আমিন!

২০২৫ সাল নিয়ে একটি বাক্য বলে যান.....
31/12/2025

২০২৫ সাল নিয়ে একটি বাক্য বলে যান.....

এই গল্পটা পড়লে হয়তো আপনি নতুন করে বাঁচতে শিখবেন।১০০ বছর বেঁচে থাকা যায় না, যদি প্রতিদিনের জীবনটাই না হয় শান্ত।শহর থেকে অ...
23/11/2025

এই গল্পটা পড়লে হয়তো আপনি নতুন করে বাঁচতে শিখবেন।
১০০ বছর বেঁচে থাকা যায় না, যদি প্রতিদিনের জীবনটাই না হয় শান্ত।

শহর থেকে অনেক দূরের গ্রামের এক কোণে ছিল একটা ছোট কুঁড়েঘর।
সেখানে থাকতেন এক বৃদ্ধ—সবাই তাকে ডাকত আব্দুল কাকা নামে।
বয়স? কেউ বলে ৯০, কেউ বলে ১০৫।

কিন্তু আশ্চর্য বিষয়—তার চোখে এখনো আলো, মুখে হাসি, পায়ে শক্তি, আর মনে শান্তি।

একদিন এক তরুণ ডাক্তারকে ‘Curiosity’ নিয়ে গেলাম তার কাছে।
বললাম—কাকা, আপনি এত বছর কীভাবে এত তরতাজা আছেন?”

তিনি হেসে বললেন,
— “বাবা, শরীর নয়, আগে মন বাঁচাতে হয়। শরীর তো মনে চালিত।”
আর দেরি না করে, আমি খাতায় লিখতে শুরু করলাম—

১. শরীর নয়, কোষকে বাঁচাও—
তিনি বললেন, “আমি রাত ১০টার মধ্যে ঘুমাই, ভোরে ফজরের আজানে উঠি।
ঘুমই আমার ঔষধ।”

সপ্তাহে দুই দিন দুপুরে না খেয়ে শুধু পানি খাই—“খালি পেটে শরীর পুরনো ময়লা ফেলে দেয়,” বললেন তিনি।
চিনি?
“চিনি মানে বিষ—আমার নাতি চিনি খায়, আমি খেজুর খাই।”

২. ‘Silent killer’ তিনটা এড়াও—
“রাগ, চিন্তা আর ভয়—এই তিনটা জিনিস মানুষকে বুড়ো করে দেয়।
রক্তচাপও তাই বাড়ে।”

৩. প্রাকৃতিক খাবারই আসল ওষুধ—
তার দুপুরের খাবার: ভাত, সবজি, মাছ, জলপাই তেল, রসুন।
বললেন, “খাবার যদি প্যাকেটের ভিতরে আসে, তা আমার নয়।”

৪. মানসিক শান্তি সবচেয়ে বড় চিকিৎসা—
প্রতিদিন বিকেলে গাছের নিচে বসে ধ্যান করতেন।
বললেন, “ক্ষমা করলেই শরীর হালকা হয়।
যে রাগ পোষে, সে নিজের আয়ু কমায়।”

৫. শরীর নড়াচড়া করো—
তিনি হাঁটতেন প্রতিদিন ৫-৬ কিলোমিটার, কারও সঙ্গ ছাড়াই।
বললেন, “যে শরীর চলে না, সে মনেও থেমে যায়।”

৬. রক্ত পরিষ্কার রাখো—
সকালে লেবুর পানি, রাতে গরম পানি।
ওমেগা-৩ খাবার তার নিয়মিত।
বছরে একবার করে চেকআপ করান।

৭. ভালোবাসা ও সম্পর্ক—
বৃদ্ধ হলেও স্ত্রীকে “আমার জীবনের শান্তি” বলে ডাকতেন।
পরিবারের সবাই তার চারপাশে হাসতো।
তিনি বললেন, “যে ভালোবাসা পায় না, সে ওষুধেও বাঁচে না।”

৮. প্রকৃতির সাথে সংযোগ রাখো—
প্রতিদিন ভোরে উঠেই উঠোনে গাছপালা ছুঁতেন।
“প্রকৃতি আমার ডাক্তারের মতো,”
বললেন তিনি।

৯. শেখা বন্ধ করো না—
৯৫ বছর বয়সেও কোরআন ওষুধের মতো পড়তেন।
“যে শেখা থামায়, সে মরতে শুরু করে।”

১০. আত্মিক শান্তি ও কৃতজ্ঞতা—
“আমি প্রতিদিন আল্লাহকে ধন্যবাদ দিই—আজও চোখে আলো আছে, পায়ে হাঁটতে পারি।”

তার চোখে তখন এমন এক আলো, যা শত ওষুধেও পাওয়া যায় না।

শেষে তিনি বললেন,
“মানুষ মরতে ভয় পায়, কিন্তু আমি প্রতিদিন নতুনভাবে বাঁচি।”

আমি নীরবে মাথা নোয়ালাম।
বুঝলাম—
দীর্ঘায়ুর রহস্য কোনো ওষুধে নয়, বরং জীবনের নিয়মে লুকিয়ে আছে।

☞ শেষে বিদায়ে—
“ঘুম + প্রাকৃতিক খাবার + ব্যায়াম + শান্ত মন + কৃতজ্ঞ আত্মা”
১০০ বছরেরও বেশি জীবন যদি আল্লাহ পাক কবুল করেন।💌

জীবনের শ্রেষ্ঠ শিক্ষাগুলো-০১ছাপ্পান্ন বছর জীবন হিসেবে খুব দীর্ঘ নয়, আবার খুব ছোটোও নয়। আমি প্রায় ভাবি জীবনের কোন মুহুর্ত...
01/11/2025

জীবনের শ্রেষ্ঠ শিক্ষাগুলো-০১

ছাপ্পান্ন বছর জীবন হিসেবে খুব দীর্ঘ নয়, আবার খুব ছোটোও নয়। আমি প্রায় ভাবি জীবনের কোন মুহুর্তগুলোতে আমি সেরা শিক্ষাটি পেয়েছি। কোন কথাগুলো আমার চোখ খুলে দিয়েছে। আজ সেগুলো নিয়েই কথা বলব।

১। ১৯৭৩ সাল। খুব গুরুত্বপূর্ণ দিন। সকালে ভালো নাস্তা হয়েছে। আমাকে নতুন জামা পরানো হয়েছে। আমি ভুষভুষা কালো। তারপরও আপারা কপালের এক কোণে কালো টিপ লাগিয়ে দিয়েছেন। তাঁদের অতি সুদর্শন(!) ভাইয়ের দিকে যাতে কারো বদনজর না পড়ে। গাত্রবর্ণের কারণে সেই কালো টিপ আলাদা করে বোঝার সাধ্য নাই। দিনটি গুরুত্বপূর্ণ ,কারণ আজ স্কুলে ভর্তি হবো। ক্লাস ওয়ানে। আম্মা অনেক দোয়াদরুদ পড়ে ফুঁ দিলেন। আপারা চুমুটুমু দিয়ে অস্থির। সবচে স্থির আব্বা। কথা বলছেন না। মৃদু হেসে পরিস্থিতি উপভোগ করছেন। স্কুল ঘরের পাশেই। তাই আব্বার হাত ধরে হেঁটেই রওনা হলাম। হাঁটতে হাঁটতে তিনি বললেন, 'বাবা, আজ থেকে তুমি ছাত্র হয়ে যাবে। এটা কিন্তু অনেক বড় ঘটনা। শিক্ষাজীবন তুমি কীভাবে কাটাবে আমি সে ব্যাপারে আমি কিছু বলব না। শুধু একটি উপদেশ দেই, তাহলো, এমনকি তুমি যদি রিকশাচালক হও তাতেও আমার আপত্তি নেই। কিন্তু লোকে যাতে বলে তুমি শহরের সেরা রিকশাচালক। যাই হও সেরাটাই হবে। আধাখেঁচড়া কিছু হয়ে লাভ নেই।'

২। আমি যখন ক্লাস টু/ত্রিতে যখন পড়ি তখন আমাদের কলোনিতে প্রচুর খেলাধুলা হতো। সেভেন/এইটে পড়া বড়ো ভাইরাই মূলত বারোমাসে তেরো খেলা নামাতেন। পুরস্কার অতি সামান্য। চাঁদায় কেনা প্লাস্টিকের থালা, জগ,বাটি, এগুলো। একদম পয়সা না থাকলে মাটি দিয়ে বানানো হাঁড়িকুড়িও মাঝে মাঝে দেয়া হতো। পুরস্কার সামান্য হলে কী হবে, আমরা ছোটোরা মহাউৎসাহে এতে অংশ নিতাম। আমি যেতাম সবার আগে, আর খেলায় হতাম লাড্ডাগুড্ডা। বেইজ্জতির একশেষ!খেলা শেষে অন্যরা কাপ-প্লেট নিয়ে বাড়ি যায়, আর মহাফাজিল বন্ধু নিপু আমার কানে ফাটা বাঁশি বাজায় 'একবার না পারিলে দেখ শতবার....।' সবাই গলা মেলায়- 'দেখো শত বাআআর....।' হারামি মেয়েরাও দেখি চিকন সুরে গলা মেলায়, 'দেখো শত বাআআআর....।'

আমার করুণ দশা দেখে প্রতিযোগিতার অন্যতম উদ্যোক্তা হাশেম ভাইয়ের মনে অসীম করুণার উদ্রেক হলো। তিনি একদিন এককোণায় ডেকে নিয়ে বললেন, ‘আসমান-জমিন এক চৌকিতে ঘুমাবে, কিন্তু তুই কোনো দিন খেলায় জিতবি না। তাই একটা ব্যবস্থা করসি?’

'কী ব্যবস্থা?' আমি গভীর আগ্রহ নিয়ে জিজ্ঞেস করলাম।

‘অঙ্ক দৌড়ের উত্তর তোকে আগেই দিয়ে দিলাম। যা, চেষ্টা কর। এরপরও না পারলে ওই যে ডাব গাছ দেখস, ওইটাতে ফাঁসি খাবি। দড়ি ফ্রি। পয়সা আমার।‘

চোট্টামি করে অঙ্ক দৌড়ে ফার্স্ট হলাম। খুশিতে আমার বুক ফেটে যাচ্ছে, রাতে ঘুম হলো না। পুরস্কারের প্লাস্টিকের মগ বুকে নিয়ে ঘুমালাম।

ঝামেলা হলো পরদিন। স্কুলে যাওয়ার পর হেডস্যার হাবিবুর রহমান ডেকে পাঠালেন। আমি ভয়ে ঘামছি। স্যারের ডাক মানে বাঘের ডাক। তাঁর রুমে গিয়ে দেখি, তেলতেলে বেত হাতে নিয়ে তিনি বসে আছেন। আমি যাওয়ার সাথে সাথে আগের দিনের খেলার অঙ্কটি দিয়ে বললেন, ‘এটা আমার সামনে কর।‘

আমি তো বকলম! জানি তো শুধু হাশেম ভাইয়ের দেয়া উত্তর। অঙ্ক তো জানি না! স্যারের চোখে বিজলি চমকাচ্ছে। লাল বিজলি। হঠাৎ বিদ্যুৎগতিতে বেত উঠল আকাশে, তারপর তা আমার পিঠে নামতে নামতে থেমে গেলো। তিনি সেটি ছুঁড়ে দূরে ফেলে দিলেন। তারপর অস্বাভাবিক ঠান্ডা গলায় বললেন, 'আমি জানতাম তুই চুরি করে জিতেছিস। একটা কথা শোন, বাদলা বেটা, চুরির জয়ে কোনো আনন্দ নাই।'

৩। ক্লাস সিক্সে উঠে প্রাইমারি স্কুল ছেড়ে আগ্রাবাদ সরকারি কলোনি উচ্চবিদ্যালয়ে ভর্তি হলাম। ক্লাস টিচার আউয়াল স্যার। দীর্ঘদেহী মানুষ। সাদা পাঞ্জাবি-পায়জামা পরতেন। মাথায় টুপি। তিনি সবার নাম জিজ্ঞেস করলেন, কোথায় থাকি জিজ্ঞেস করলেন, কয় ভাইবোন তা জিজ্ঞেস করলেন, কিন্তু একবারও কার বাবা কী করেন তা জিজ্ঞেস করলেন না। সবাই পরিচয় দেওয়ার পর বললেন, ‘ বাবারা, আমি তোদের সবকিছু জিজ্ঞেস করলাম, কিন্তু বাবার পরিচয় জানতে চাইলাম না। কেন জানিস?’

আমরা কোনো উত্তর দিলাম না। কারণ উত্তর জানা নেই। স্যার হাসতে হাসতে বললেন, ‘দাদার নামে গাধা, বাপের নামে আধা, নিজের নামে মহারাজা। মানে বুঝছস? যে দাদার নাম ভাঙিয়ে চলে সে গাধা, যে বাপের নাম ভাঙিয়ে চলে সে পুরো মানুষ নয়, আধামানুষ, যে নিজের নামে চলতে পারে সে-ই হলো মহারাজা। তাই তোদের বাপের পরিচয় জানা আমার দরকার নাই। আমি চাই তোরা নিজের নামে মহারাজা হ।‘

পাদটীকা: বাবার তাঁর চাওয়াটা বোঝানোর জন্য রিকশাওয়ালা ভাইদের কথা বলেছিলেন। এতে এ পেশার প্রতি কোনো অসম্মান ছিল না। আমি নিজেও তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞ। কারণ তাঁদের মতো খেটে খাওয়া মানুষের ট্যাক্সের টাকায় আমি পড়াশোনা করেছি। আচ্ছা, এ পর্বটি কি অব্যাহত রাখব?

(লেখাটি শেয়ার করা যাবে )
এআই দ্বারা নির্মিত ছবি
#আসুনমায়াছড়াই

17/10/2025

"জীবন ফুরিয়ে যাওয়ার আগেই এই চার বন্ধুকে গুরুত্ব দিন। মমতার সাথে লালন করুন।"

জীবনের জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় বন্ধুটির নাম হলো এন্ডোরফিনস। হাসপাতালের বিছানায় একাকী শুয়ে না থাকা পর্যন্ত অনুধাবন করা যায়না- সুস্বাস্থ্য জীবনে কত দরকার। সুস্বাস্থ্যের জন্য দিনে চব্বিশ ঘন্টায় কমপক্ষে আধঘন্টা সময় এই বন্ধুর জন্য ব্যয় করতে হয়। ব্যয়াম করলে শরীর এণ্ডোরফিনস ডিসচার্জ করে। শরীরে একটা হাসিখুশী- হালকা- ভাব আসে। ভালো একটা বই পড়লে , ভালো মানুষের সাথে সুসম্পর্ক রাখলেও শরীরে জন্য অতি প্রয়োজনীয় এই বন্ধুটির সাক্ষাৎ পাওয়া যায়। তাই, হঠাৎ করে একদিন না। এই বন্ধুটিকে প্রতিদিনই দরকার। মন খারাপ থাকলে প্রিয়জন কাছে আসলে যেমন মন ভালো হয়ে যায়। ঠিক তেমনি- মন যখন খারাপ একটু দৌড়ে আসুন। হেঁটে আসুন। এই এণ্ডোরফিনস নামক বন্ধুটি তখন আপনার ভরসা হয়ে সাথে থাকবে।

অতি প্রয়োজনীয় দ্বিতীয় বন্ধুটির নাম হলো ডোপামিন। প্রথম বন্ধু আপনার শরীরকে লাইনে রাখে। কিন্তু শরীর শুধু লাইনে রাখলে হয়না। পাশাপাশি আপনাকে সৎ একটা জীবনও যাপন করতে হয়। কোটি কোটি টাকা থাকলেও অসৎ মানুষের চেহারা দেখলে বুঝবেন- কি যেন একটা অশান্তি ওদের মাঝে বিরাজ করে। কিন্তু সৎ মানুষের চেহারায় দেখবেন একটা অন্য রকমের দীপ্তি ছড়িয়ে আছে। যখনই সৎভাবে কোনো একটা কাজ আপনি করবেন তখন শরীরে ডোপামিন তৈরি হয়। আপনি পরিকল্পনা করলেন- আজকে ঠিক সময়ে অফিসে যাবেন। অফিসের সব কাজ ভালোভাবে শেষ করবেন। এক টাকাও ঘুষ খাবেন না। ফাইল আটকে রাখবেন না। কোনো রকমের চিটিং করবেন না। কাউকে ফাঁকি দিবেন না। প্রতিদিন যখন এই টার্গেট আপনি পূর্ণ করবেন- শরীরে ডোপামিনের আগমন ঘটবে। ফুলে যেমন প্রজাপতির আগমণ ঘটে। কারো ভালো কাজে অনুপ্রেরণা দিলেও শরীরে ডোপামিন আসে। স্ত্রী যখন স্বামীর পরিশ্রমকে উৎসাহ দেয়, স্বামী যখন ঘরে গিয়ে দিনের যাবতীয় নানা কাজের জন্য স্ত্রীর প্রশংসা করে- দেখবেন স্ত্রীর চেহারায় একটা লাবণ্য আসে। আপনার কাজ যখন বস এ্যপ্রিশিয়েট করে কিংবা নিজের ছেলেমেয়েকে কোনো কিছু ভালোভাবে শেষ করার জন্য আপনি সাবাশ বলেন- তখন একটা বাড়তি আনন্দ, উৎসাহ তৈরি হয়। এর সবগুলোই হলো- শরীরের অকৃত্রিম বন্ধু ডোপামিনের কাজকারবার। ভালো কিছু অর্জন করুন-ভালো কাজে একজন আরেকজনকে উৎসাহ দিন আর শরীরের ডোপামিনের কলোনি গড়ে তুলুন।

তৃতীয় বন্ধুটি হলো সেরোটোনিন। এই বন্ধুটি হলো- কামিনী রায়ের কবিতার এই দুই লাইন "আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে আসে নাই কেহ অবনী 'পরে, সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে মোরা পরের তরে।" কারো কল্যাণের জন্য যাই করিনা কেন তাতে সেরোটোনিন নামক এই অদৃশ্য বন্ধুটির সাক্ষাৎ পাওয়া যায়। পথের মাঝ থেকে একটা কাঁটা ফেলে দিলেন- কাউকে সুপরামর্শ দিলেন- বৃদ্ধ, মহিলা, রোগী , দূর্বল কাউকে বাসের সীটটা ছেড়ে দিলেন। দেখবেন- মনে সুখ পাচ্ছেন। শরীরে এই সুখ এনে দেয় সেরোটোনিন নামক এই অদেখা বন্ধুটি। একাগ্রচিত্তে ধ্যান করলেও শরীরে প্রশান্তি আসে। লোক দেখানো না বরং আধ্যাত্মিক সম্পৃক্ততার তাগিদে কেউ যদি কারো ধর্ম বিশুদ্ধ পালন করে - মনে প্রশান্তি আসে। এই প্রশান্তির যোগান দেয়- বন্ধু সেরোটোনিন।

আমাদের শেষ বন্ধুটি হলো- অক্সিটোসিন। প্রিয়জনের সান্নিধ্যে আসলে কিংবা কোনো সুন্দর জায়গা ভ্রমন করলে শরীরে একটা সুখ আসে। কোলাকুলি করলে- কারো সাথে করমর্দন করলে- অদেখা বন্ধুকে কাছে পেয়ে জড়িয়ে ধরলে -বাবা-মায়ের পাশে বসে থাকলে - এমনকি আপনজনের কন্ঠস্বর শুনলে- পরিবারের সবাইকে ভালোবাসায় জড়িয়ে রাখলে দেহ মনে একটা আনন্দের ভাব আসে। কেউ যখন খুব কষ্টে থাকে তখন কোনো প্রিয়জন যদি বুকের সাথে শুধু জড়িয়ে ধরে- তখন মনটা অনেক হালকা হয়ে আসে। মনকে হালকা করে দেয়া এই আনন্দময়ী বন্ধুটি হলো অক্সিটোসিন।

তাই, এন্ডোরফিনস নামক বন্ধুকে পেতে প্রতিদিন ব্যায়াম করা, ডোপামিনকে পেতে প্রতিদিন সৎভাবে জীবনযাপন করে ছোট ছোট কাজ সম্পাদনা করা, সেরোটোনিন কে পেতে পরোপকার করা- বিশুদ্ধ মনে নিজ নিজ ধর্ম পালন করা আর অক্সিটোসিন নামক অকৃত্তিম বন্ধুকে পেতে শিশুদের আদর-সোহাগ করা- সুযোগ পেলেই বাবা-মায়ের পাশে বসে থাকা এবং আপনজনের সাথে সময় কাটানোর কোনো বিকল্প নেই। প্রতিটি পরিবারেরই উচিত শিশুরা যেন এই চারবন্ধুকে সাথে নিয়ে বড় হতে পারে-সেটা খেয়াল রাখা। একাডেমিক পড়ালেখার চেয়ে শিশুদের আরো বেশী দরকার এই চার বন্ধুর। মোবাইল, ভিডিও গ্যেমে-ডিজিটাল ফ্রেমে ঘরে বন্দি হয়ে না থেকে শিশুদের উচিত ঘরের বাইরে প্রকৃতির ফ্রেমে নজর দেয়া। শারীরিক নানা রকমের খেলাধূলায় সম্পৃক্ত করা। এটা হলো- এণ্ডারফিনস। প্রতিটি ভালো কাজে শিশুদের উৎসাহিত করা- শিশুদের যেকোনো ছোট অর্জনকেও অনুপ্রেরণা দেয়া- এটা হলো- ডোপামিন। সহপাঠির সাথে প্রতিযোগিতা না সহযোগিতা শিখা। খাবার ভাগ করে খাওয়া- একসাথে বসে একটা অংকের সমাধান করা- স্কুলের টেবিল -চেয়ার সাজিয়ে রাখা- বৃষ্টিতে ভেজা কোনো সহপাঠিকে নিজ ছাতার নীচে নিয়ে আসা। এইসব ছোট ছোট পরোপকারই হলো- সেরোটোনিন। আর কাজে যত ব্যস্ততাই থাকুক-জীবন যত পেরেশানই থাকুক ঘরে গিয়ে প্রশস্ত হৃদয়ে শিশুকে বুকে জড়িয়ে ধরা- বৃদ্ধ বাবা-মায়ের খোঁজ খবর নেয়া- অল্প সময়ের জন্যও সুযোগ পেলে তাদের পাশে বসা থাকাই হলো-নিজের-শিশুর-পিতামাতার সবার অকৃত্রিম বন্ধু অক্সিটোসিন।"
(collected)

12/09/2025

“দৃষ্টির হিফাযত কেবল নাজায়েজ কিছু থেকে নয়, বরং জায়েজ বস্তু থেকেও করতে হয়”…

চমকে উঠলাম। জায়েয জিনিস থেকেও নজরের হিফাযত?? …

মাগরিবের পর মসজিদে বসা ছিলাম। মিম্বারের পাশে একজন বয়ষ্ক তাবলিগের মুরুব্বী বয়ান করছেন। কিছুটা দুরে থেকে তার বক্তব্যের এই অংশটা কানে আসতেই কান খাড়া হয়ে গেলো। তিনি ব্যাক্ষা দেয়ার জন্য একটু সময় নিয়ে বলতে শুরু করলেন,

দুনিয়াবী বিষয়গুলো নিয়ে যার ভেতর আকর্ষন এবং হীনমন্যতা বেশী কাজ করে, তার জন্য জরুরী এরকম ক্ষেত্রেও দৃষ্টির হিফাযত করা। যার লেটেস্ট মডেলের গাড়ীর প্রতি ফ্যাসিনেশন আছে, এরকম গাড়ি চোখে পড়লেই তার জন্য চোখ সরিয়ে নেয়া জরুরী। সুন্দর বাড়ী বা এপার্টমেন্ট, লেটেস্ট মডেলের মোবাইল ফোন বা আকর্ষণীয় কোন ড্রেস - যেগুলো দেখলে তার নিজের ভেতর আফসোস এবং আকর্ষণ তৈরি হয়, সে যেন এসব কিছু থেকেও দৃষ্টির হিফাযত করে।

আর এটা আমার কথা না। বরং স্বয়ং আল্লাহ তাআলা তার রাসুলকে এরকম আদেশ দিয়েছেন।

আবার অবাক হওয়ার পালা। এতক্ষন ভাবছিলাম, সাময়িক চিকিৎসা হিসেবে তিনি হয়তো নিজ থেকে এটা বললেন। কিন্তু এটা সরাসরি আল্লাহর আদেশ!! সত্যি!!

মুরুব্বী তিলাওয়াত শুরু করলেন,

وَلَا تَمُدَّنَّ عَیۡنَیۡکَ اِلٰی مَا مَتَّعۡنَا بِہٖۤ اَزۡوَاجًا مِّنۡہُمۡ زَہۡرَۃَ الۡحَیٰوۃِ الدُّنۡیَا ۬ۙ لِنَفۡتِنَہُمۡ فِیۡہِ ؕ وَرِزۡقُ رَبِّکَ خَیۡرٌ وَّاَبۡقٰی

হে নবী! তুমি পার্থিব জীবনের ওই চাকচিক্যের দিকে তাকিও না, যা আমি তাদের বিভিন্ন শ্রেণীকে সাময়িক উপভোগের জন্য দিয়ে রেখেছি, তা দ্বারা তাদেরকে পরীক্ষা করার জন্য। বস্তুত তোমার রব্বের রিযক সর্বাপেক্ষা উত্তম ও সর্বাধিক স্থায়ী। - সুরা ত্বহা, আয়াত ১৩১।

দ্বীনি মজলিসের ফায়দা এটাই। কুরআনের এই আয়াত তিলাওয়াত হয়েছে বহুবার। কিন্তু নিজের সাথে এভাবে ফিট করার সুযোগ…. আগে হয়নি কখনো!

~ Rizwanul Kabir

23/08/2025

📖 সূরা আদ-দুহা (সূরা ৯৩)

---

🕋 আরবি

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ

وَالضُّحَىٰ ﴿١﴾
وَاللَّيْلِ إِذَا سَجَىٰ ﴿٢﴾
مَا وَدَّعَكَ رَبُّكَ وَمَا قَلَىٰ ﴿٣﴾
وَلَلْآخِرَةُ خَيْرٌ لَّكَ مِنَ الْأُولَىٰ ﴿٤﴾
وَلَسَوْفَ يُعْطِيكَ رَبُّكَ فَتَرْضَىٰ ﴿٥﴾
أَلَمْ يَجِدْكَ يَتِيمًا فَآوَىٰ ﴿٦﴾
وَوَجَدَكَ ضَالًّا فَهَدَىٰ ﴿٧﴾
وَوَجَدَكَ عَائِلًا فَأَغْنَىٰ ﴿٨﴾
فَأَمَّا الْيَتِيمَ فَلَا تَقْهَرْ ﴿٩﴾
وَأَمَّا السَّائِلَ فَلَا تَنْهَرْ ﴿١٠﴾
وَأَمَّا بِنِعْمَةِ رَبِّكَ فَحَدِّثْ ﴿١١﴾

---

🔊 বাংলা উচ্চারণ

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম।

ওয়াদ্দুহা (১)
ওয়াল্লাইলি ইযা সাজা (২)
মা ওয়াদ্দা’আকা রব্বুকা ওয়া মা কালা (৩)
ওয়ালাল-আখিরাতু খাইরুল্লাকা মিনাল উলা (৪)
ওয়ালাসাওফা ইউ‘তীক রাব্বুকা ফাতারদা (৫)
আলাম ইয়াজিদকা ইয়াতীমান ফা-আওয়া (৬)
ওয়া ওয়াজাদাকা দা-ল্লান ফাহাদা (৭)
ওয়া ওয়াজাদাকা ‘আইলান ফা-আগ্না (৮)
ফা-আম্মাল ইয়াতীমা ফা-লা তাকহার (৯)
ওয়া আম্মাস-সা-ইলা ফা-লা তানহার (১০)
ওয়া আম্মা বি-নি‘মাতি রব্বিকা ফাহাদ্দিস (১১)

---

📜 বাংলা অর্থ

আল্লাহর নামে শুরু করছি যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।

১. শপথ পূর্ণ প্রভাতের।
২. এবং রাতের, যখন তা প্রশান্ত হয়।
৩. আপনার প্রতিপালক আপনাকে ত্যাগ করেননি এবং আপনার প্রতি বিরাগও পোষণ করেননি।
৪. নিশ্চয়ই পরবর্তী জীবন আপনার জন্য পূর্ববর্তী জীবনের চেয়ে উত্তম।
৫. আর আপনার প্রতিপালক আপনাকে এতই দান করবেন যে, আপনি সন্তুষ্ট হবেন।
৬. তিনি কি আপনাকে এতিম অবস্থায় পাননি এবং আশ্রয় দেননি?
৭. আপনাকে পথভ্রষ্ট অবস্থায় পেয়েছিলেন, অতঃপর পথপ্রদর্শন করেছেন।
৮. এবং আপনাকে অভাবগ্রস্ত অবস্থায় পেয়েছিলেন, অতঃপর আপনাকে অভাবমুক্ত করেছেন।
৯. অতএব, এতিমের প্রতি কঠোর হবেন না।
১০. আর ভিক্ষুককে ধমক দিবেন না।
১১. আর আপনার প্রতিপালকের অনুগ্রহের কথা প্রকাশ করুন।

---

🌟 সূরা আদ-দুহার ফজিলত

1. সান্ত্বনা ও আশার সুরা: এ সূরাটি রাসূল ﷺ–এর দুঃখ-কষ্টের সময় নাজিল হয়েছিল। এটি হতাশ মানুষকে আশা জাগায়।

2. দুঃখ-কষ্টে ধৈর্য ধরার শিক্ষা: মনে করিয়ে দেয় যে, কঠিন সময়ের পরেই সহজি ও সুখের সময় আসে।

3. এতিম ও অভাবগ্রস্তদের প্রতি দয়া: এতিমকে অবহেলা না করা এবং অভাবগ্রস্তকে ধমক না দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে।

4. আল্লাহর নিয়ামতের কৃতজ্ঞতা: আল্লাহর অনুগ্রহের কথা প্রকাশ করা এবং তার শুকরিয়া আদায় করা শিক্ষা দেয়।

5. অতুলনীয় সওয়াব: যে ব্যক্তি নিয়মিত এ সূরা পাঠ করে, আল্লাহ তাকে দুঃখ-যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেন এবং অন্তরে প্রশান্তি দান করেন।

কথা কি ঠিক আছে,নাকি কোনও ভেজাল আছে গায়েস 😄
20/08/2025

কথা কি ঠিক আছে,নাকি কোনও ভেজাল আছে গায়েস 😄

দুরুদ শরীফ পড়ার অপার ফজিলতচারটি বিষয় মাথায় রেখে দুরুদ শরীফ পড়ুন, আপনার দুরুদের প্রতি আকর্ষণ বাড়তেই থাকবে ইনশাআল্লাহ।১) র...
05/08/2025

দুরুদ শরীফ পড়ার অপার ফজিলত

চারটি বিষয় মাথায় রেখে দুরুদ শরীফ পড়ুন,
আপনার দুরুদের প্রতি আকর্ষণ বাড়তেই থাকবে ইনশাআল্লাহ।

১) রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আপনার নাম জানেন!

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর ওপর যখন আপনি দুরুদ পাঠ করেন, তখন একজন বিশেষ ফেরেশতা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে গিয়ে আপনার নাম উল্লেখ করে এই দুরুদের সংবাদ পৌঁছে দেন।

রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:
"তোমরা যেখানেই থাকো না কেন, তোমাদের দুরুদ আমার কাছে পৌঁছায়।"
(সুনান আবু দাউদ, হাদিস: ২০৪২; মুসনাদ আহমদ: ১০৫৯৪)

অন্য হাদিসে এসেছে,
"তোমাদের দুরুদ ফেরেশতারা আমার কাছে পৌঁছে দেয় এবং তোমাদের নাম উল্লেখ করে।"
(মুসনাদ আহমদ: ১৬৩০৩, সহিহ ইবনে হিব্বান: ৯১০, হাদিস সহিহ)

২) একবার দুরুদ পড়লে আল্লাহ দশগুণ রহমত বর্ষণ করেন!

রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন:
"যে ব্যক্তি আমার ওপর একবার দরুদ পাঠ করে, আল্লাহ তার ওপর দশবার রহমত বর্ষণ করেন, তার দশটি গুনাহ মাফ করে দেন এবং তার দশটি মর্যাদা বৃদ্ধি করেন।"
(সুনান আন-নাসায়ি: ১২৯৭, সহিহ ইবনে হিব্বান: ৯০৮, সহিহ হাদিস)

আর আল্লাহ তাআলা কুরআনে বলেন:
"নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতারা নবীর প্রতি দরুদ পাঠ করেন। হে বিশ্বাসীগণ! তোমরাও নবীর প্রতি দরুদ পাঠ করো এবং যথাযথভাবে সালাম প্রেরণ করো।"
(সুরা আল-আহযাব: ৫৬)

৩) দুরুদ শরীফ সমস্যার সমাধান এনে দেয়

যে ব্যক্তি দুরুদ শরীফ বেশি বেশি পড়ে, আল্লাহ তার জীবনের সকল সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব নিয়ে নেন, এমনকি সে যদি আলাদাভাবে দোয়া নাও করে।

হাদিসে এসেছে,
"তোমাদের সমস্যার সমাধান ও গুমাহ মাফের জন্য দুরুদকে অধিক পরিমাণে নিজের উপর আবশ্যক করো।"
(সুনান আত-তিরমিজি: ২৩৮১, সহিহ হাদিস)

এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে এসে বলল:
"হে আল্লাহর রাসূল! আমি আমার দোয়ার একাংশকে আপনার জন্য দুরুদে নির্ধারণ করেছি।"
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন:
"তাহলে তোমার চিন্তা-ভাবনা থেকে দুঃখ-কষ্ট দূর করে দেওয়া হবে এবং তোমার গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।"
(সুনান আত-তিরমিজি: ২৪৫৭, সহিহ হাদিস)

৪) তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের জাহান্নাম থেকে বাঁচাতে জীবন উৎসর্গ করেছেন

রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের জাহান্নাম থেকে বাঁচানোর জন্য কত কষ্ট সহ্য করেছেন! তাঁর সামনে তাঁর প্রিয় সাহাবীদেরকে নির্যাতন করা হয়েছে, তবুও তিনি উম্মতের জন্য দোয়া করেছেন।

কিয়ামতের দিনও তিনি আমাদের জন্য দোয়া করবেন:
"আমার উম্মত! আমার উম্মত!"
(সহিহ মুসলিম: ২০২, তিরমিজি: ২৪৪৩)

তিনি বলতেন:
"হে আল্লাহ! আমার উম্মতকে ক্ষমা করো, হে আল্লাহ! আমার উম্মতকে ক্ষমা করো।"
(সহিহ মুসলিম: ২৪৯)

অতিরিক্ত আমল: দুরুদের সাথে ইস্তেগফার ও দোয়া ইউনুস

দুরুদের পাশাপাশি বেশি বেশি ইস্তেগফার (আস্তাগফিরুল্লাহ) পড়লে এবং দোয়া ইউনুস (لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنَ الظَّالِمِينَ) পাঠ করলে জীবন থেকে বিপদ দূর হয়।

রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:
"যে ব্যক্তি দোয়া ইউনুস পড়বে, আল্লাহ তাকে সমস্ত সংকট থেকে মুক্তি দেবেন।"
(সুনান আত-তিরমিজি: ৩৫০৫, সহিহ হাদিস)

দুরুদ শরীফ শুধু একটি আমল নয়, এটি আমাদের জীবনের জন্য রহমত, সমস্যার সমাধান এবং জান্নাতের সুসংবাদ। আল্লাহ আমাদের সবাইকে বেশি বেশি দুরুদ পড়ার তাওফিক দান করুন, আমিন!
আল্লাহুম্মা আমিন

দেখি তো কে কে বলতে পারে
29/07/2025

দেখি তো কে কে বলতে পারে

Address

Zaman Park, 3449 Sagufta Housing, (Near Mirpur DOHS Gate-01. Mirpur/12
Mirpur
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when innoVation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to innoVation:

Share