Ashar Alo Limited

Ashar Alo Limited Ashar Alo is a private limited company. We will do business with some different products.

Ex
Telecom business,
Dealership business,
Technical institute,
Ready made garments,
Department store,
Farm project etc.

09/03/2021
09/03/2021

শক্তি রেখে যারা চলে তারা কখনো হারেনা । ব্যর্থতা একটা পরিক্ষা মাত্র ।

NobboBD.com,,,, Founder :Ashar Alo Limited (AAL)
19/08/2020

NobboBD.com,,,,
Founder :Ashar Alo Limited (AAL)

23/07/2020

একটা সময় ছিল, যখন মানবজাতি সভ্য হয়ে ওঠেনি। বাড়িঘর-দালানকোঠা তখনও গড়ে ওঠেনি। আমরা বাস করতাম গুহায়। জীবনধারণের জন্য আমাদের ফলমূল সংগ্রহ ও শিকার করতে হত। আমরা পরনির্ভরশীল ছিলাম না, হবার সুযোগও ছিল না। তখন আমরা সবাই ছিলাম উদ্যোক্তা।

সভ্যতা যত এগোতে থাকলো, আমাদের মধ্যকার উদ্যোক্তা কোয়ালিটি গুলো লোপ পেতে থাকলো। আমরা নিরাপদ জীবন বেছে নিলাম। আমরা অন্যের হয়ে কাজ করা শুরু করলাম। অন্যের স্বপ্নের পূরণে নিজেদের উৎসর্গ করতে থাকলাম। আমরা হয়ে গেলাম চাকুরিজীবী।

আপনি, কি হতে চান? চাকুরীজীবী না উদ্যোক্তা?

চাকরী করবো না, চাকরী দেবো - এ শ্লোগান নিয়ে আমাদের কাজ হবে আপনার মনে, স্বপ্নের আলো জ্বালিয়ে দেয়া।

দেশে লাখ লাখ শিক্ষার্থী প্রতি বছর পাশ করে বের হচ্ছে, এত চাকরী কোথায় পাবে? মানুষ ক’দিন বাঁচে...কিন্তু বেঁচে থাকে তার কর্ম, হউক না ছোট কিছু......

৫ টা বা ১০টা পরিবারের কর্মসংস্থানও যদি আপনি করতে পারেন, আপনি ভালো থাকবেন, ওই পরিবারগুলু ভালো থাকবে, দেশের জন্যও কিছু করা হল।

এখানে সবাই হয়তো উদ্যোক্তা হবেন না বা হতে পারবেন না, কিন্তু যারা নিজের ভিতরে আলোটা একটু বড় দেখতে পাবেন এবং আপনার ভিতরে ঘুমিয়ে থাকা স্বপ্নকে আমি জাগিয়ে তুলবো, যারা জেগে উঠবেন তাঁদেরকে আর কেউ আটকাতে পারবে না।


(Copyright post)

সফট স্কিলসঅন্য উচ্চতায় এগিয়ে যেতে হলে আপনার এই ৭ টা সফট স্কিল থাকতেই হবে আপনার মাঝে১। কমিউনিকেশন স্কিলসআপনি যেখানেই কথা ...
08/07/2020

সফট স্কিলস
অন্য উচ্চতায় এগিয়ে যেতে হলে আপনার এই ৭ টা সফট স্কিল থাকতেই হবে আপনার মাঝে

১। কমিউনিকেশন স্কিলস
আপনি যেখানেই কথা বলেন না কেন, আপনি কী বলতে চাইছেন সেটা স্পষ্ট করে বলা, কোন টোন-এ বলছেন, কথা বলার সময় আপনার বডি ল্যাংগোয়েজ কেমন হচ্ছে, সময়টা ঠিক আছে কিনা – এসব অনেক কিছুই খুব গুরুত্বপূর্ণ। তাই যখন কোনও কিছু নিয়ে কথা বলছেন, সে বিষয়ে আপনার কী বক্তব্য, তা নিজের কাছে যেন পরিষ্কার থাকে। অনেকে খুব তাড়াতাড়ি কথা বলেন। আবার কারও কারও কণ্ঠস্বর এমনই যে কথা বোঝাই যায় না। ভার্বাল কমিউনিকেশনের ক্ষেত্রে কিন্তু তোমাকে খুব স্পষ্ট ভাবে কথা বলতে হবে, যাতে অন্যরা বুঝতে পারেন। যা আমরা “কথা বলার জড়তা কাটানো” এর ৩০ দিনের সেশানে শিখাচ্ছি।

২। লিখার দক্ষতা
যা ভাবছেন, তা স্পষ্ট করে ভাষায় প্রকাশ করাটাও একটা দক্ষতা। তাই, যে কোনও ক্ষেত্রে যা লিখতে হবে, সে প্রজেক্ট রিপোর্টই হোক, বিজনেস প্রোফাইল বা ক্লাস নোট্স, সব কিছুতেই যেন একটা পরিচ্ছন্নতা থাকে। বিশেষত, চাকরিতে বা বিজনেসে যদি সহকর্মীর জন্য কোনও মেমো বা বস-এর জন্যে কোনও রিপোর্ট তৈরি করতে হয়, তা হলে বুঝতে হবে, কী লিখতে হবে, কতটা লিখতে হবে। কম কথায় সোজাসাপটা ভাষায় কোনও কিছু গুছিয়ে লেখার অভ্যাস করো। একই সঙ্গে মাথায় রাখতে হবে লেখায় গ্রামার, পাংচুয়েশন ও বানান যেন ঠিক থাকে।

৩। শোনার দক্ষতা
এটাও একটা বিরাট দক্ষতা। যে কোনও কাজের জায়গাতেই যে অন্যের কথা মন দিয়ে শোনে, অর্থাৎ যে ‘গুড লিসনার’, তার বা তাদের গুরুত্ব অন্য রকম। তাদেরকে কিন্তু প্রোডাকটিভ ওয়ার্কার হিসেবে দেখা হয়। কারণ আপনি যদি চট করে কোনও কথা শুনে বুঝে যান আপনার কাছ থেকে কী চাওয়া হচ্ছে, তা হলে আপনারই কাজের সুবিধে। এতে বস-এর নেকনজরে পড়বে, সহকর্মীদের সঙ্গেও সুসম্পর্ক তৈরি হবে।
ব্যক্তিগত জীবনেও এই অভ্যেস তৈরি করতে পারলে, জীবনে নানান সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং অন্যান্য মানুষকে বোঝার অনেক সুবিধে হয়। তবে সবাই যে গুড লিসনার হয় তা নয়। আবার অনেক সময় যাঁদের মনে করা হয় গুড লিসনার, তাঁরাও এমন আচরণ করেন, দেখে মনে হবে তিনি কোনও মনোযোগই দিচ্ছেন না। যাঁরা মনোযোগ দিয়ে কথা শোনেন তাঁরা দেখবেন কয়েকটা জিনিস করেন। যেমন, চোখে চোখ রেখে কথা বলা। অন্য ব্যক্তি যখন কথা বলেন, তখন তাঁর কথার মধ্যে কথা না বলা। অযথা উসখুস না করা। কথার মাঝে মাথা নাড়া। বক্তার দিকে সামান্য ঝুঁকে বসা। বক্তার কথা শেষ হয়ে গেলে তবেই প্রয়োজনীয় প্রশ্ন করা।

৪। অর্গানাইজেশনাল স্কিল্‌স
কিছু মানুষ থাকেন, যাঁরা খুব গুছিয়ে কাজ করতে পারেন। এ ধরনের স্কিল যাঁদের থাকে, তাঁরা দেখবে কোনও হুড়োহুড়ি না করেই যে কোনও কাজ করে ফেলতে পারেন। একাধিক অ্যাসাইনমেন্ট খুব স্বচ্ছন্দে করে ফেলতে পারেন এবং তাদের কাজে ভুলও থাকে নামমাত্র। আমরা অনেকেই গুছিয়ে কাজ করতে পারি না। কিন্তু কয়েকটা জিনিস করলেই এই অভ্যাস তৈরি করে ফেলা যায়।
প্রথম কাজই হল কাজের একটা তালিকা তৈরি করা। এ বার কোন কাজটা বেশি গুরুত্বের আর কোন কাজটা কম গুরুত্বের, সেটা ভাগ করে নেয়া। যেমন যেমন কাজ শেষ করছেন, টিক মারতে থাকেন। স্মার্টফোন, কম্পিউটার, ট্যাবলেট বা হাতে লেখার নোটবুক— যেটাতে আপনার সুবিধে, এই তালিকা বানিয়ে রাখেন। প্রত্যেকটা কাজের জন্য একটা ডেডলাইন করে রাখেন ক্যালেন্ডারে। দরকারে রিমাইন্ডার দিয়ে রাখেন। একটা রুটিন ফলো করেন।

৫। থিংকিং স্কিলস
অন্যে যা ভাবছে, সেটাকেই সহজে গ্রহণ করবেন না। নিজের ভাবনা-চিন্তা-কল্পনার ওপর জোর দিবেন। এখন চাকরির বা ব্যবসার ক্ষেত্রে যা প্রতিযোগিতা, তাতে নিজের কাজে যে যত সৃষ্টিশীল হতে পারবে, সে তত এগিয়ে যাবে।সমস্যা হলে দেখবে অধিকাংশ মানুষ সেটা নিয়েই মেতে যায়। কিন্তু যে সমস্যা সমাধান করে, সে-ই লিডার হয়। ফলে ঠান্ডা মাথায়, যুক্তি দিয়ে পরিস্থিতির বিচার করে, সমাধানের পথ খোঁজাটা বুদ্ধিমানের কাজ।
সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা একটা বড় দক্ষতা। একটা পরিস্থিতি কী চাইছে, সেটা বুঝে নিয়ে এবং সেই পরিস্থিতির কী কী সমাধান হতে পারে, সেটা ভেবে আপনার যা ঠিক মনে হবে, সেই অনুযায়ী একটা সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অনেকেই নানা রকম পথ বাতলাতে পারে, কিন্তু কোনও একটা পথ চিহ্নিত করতে বললে, দ্বিধায় পড়ে যায়। সেটা কাটিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারাটা খুব বড় গুণ।

৬। প্রফেশনালিজম
কাজের ক্ষেত্রে এই ওপরের শব্দটার গুরুত্ব যথেষ্ট। এর কারণে কাজের জায়গায় আপনার অনেক কিছু বদলে যেতে পারে। এর জন্য কয়েকটা জিনিস অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে। এই সূত্রে কয়েকটা উদাহরণ দেওয়াই যায়। কাজের জায়গায় কিংবা মিটিং-এ দেরিতে পৌঁছনো একেবারেই নয়। এতে ধারণা হয়, আপনি কাজকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না।
একই নিয়ম খাটে লাঞ্চে যাওয়ার সময়েও। খেতে গিয়ে আড্ডায় অনেক ক্ষণ কাটিয়ে দিলে, এমনটা না করাই ভাল। বাড়িতে বা অন্য কোথাও ঝামেলার কারণে যদি মুড খারাপ হয়ে যায়, সেটা কাজের জায়গায় এনো না। জামাকাপড়ের দিকে নজর দিতে হবে। ফর্মাল বা ক্যাজুয়াল, সেটা যেন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকে। সাধারণত উইকডেজ-এ ফর্মাল পরবেন। আর, উইকেন্ডে ক্যাজুয়াল। অনেকের অভ্যাস থাকে সহকর্মীদের সঙ্গে পরচর্চা করার। অফিসে এ সব না করাই ভাল।
কোনও ভুল করলে সেটা নিজের ঘাড়ে নিন। অজুহাত দিয়ে অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবেন না। ভুল থেকে শিক্ষা নিন। হতেই পারে কোনও একটা বিষয়ে আপনার এক রকম মত, তআপনার সহকর্মী বা বস-এর আর এক রকম। যদি তিনি তোমার মতামত গ্রহণ না করে নিজের মতটাই খাটাতে চান, অযথা রেগে যাবেন না বা চিৎকার-চেঁচামেচি করবেন না। তাঁকে বোঝাবার চেষ্টা করে দেখতে পারেন, আপনি কোন দিক থেকে বিষয়টা দেখেছ। তার পরেও তিনি যদি রাজি না হন, বিষয়টা নিয়ে আর না এগনোই ভাল।

৭। পিপল স্কিলস
কাজের ক্ষেত্রে বা ব্যক্তিগত জীবনে কেমন ভাবে লোকের সঙ্গে মিশছেন, সেটাই অন্যের কাছে আপনার সম্পর্কে একটা ধারণা তৈরি করে দেয়। আপনার ব্যবহার, অন্যের প্রতি শ্রদ্ধা, মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা, এই সব কিছুই কিন্তু এক জন সফল মানুষ হতে খুব প্রয়োজন।
অধিকাংশ মানুষেরই লক্ষ্য থাকে, যেখানে কাজ করছে, সেখানে এক সময় সে নেতৃত্ব দেওয়ার স্তরে পৌঁছবে। এই লিডারশিপ স্কিল তৈরি করতে হলে কিছু বিষয় মাথায় রাখা দরকার। যেমন, দলের মধ্যে একটা মত প্রতিষ্ঠা করতে হলে সবাইকে রাজি করানো একটা বড় ব্যাপার। তার জন্য নিজের চিন্তা এবং অনুভূতিকে ঠিকমত প্রকাশ করতে জানতে হয়। সবাইকে উৎসাহ দিয়ে বুঝিয়ে রাজি করানো এবং নিজের দক্ষতা ও সততার মাধ্যমে অন্যের আস্থা অর্জন করাটাও একটা জরুরি শিক্ষা। টিমওয়ার্ক মানে কিন্তু একটা টিমকে দিয়ে কতটা কাজ করানো গেল তা নয়, একটা টিম নিজেরা দায়িত্ব নিয়ে কতটা কাজ করল, সেটাই আসল।

এই সফট স্কিল গুলো জানা থাকলে আপনাকে অন্যদের থেকে একটু বেশী এগিয়ে রাখবে।

05/07/2020

উদ্যোক্তা হতে হলে কিছু স্কিলস আপনাকে অবশ্যই শিখতে হবে এবং জানতে হবে

১। বাংলায় সুন্দর করে কথা বলতে পারা এবং লিখতে পারা অর্থাৎ কথা বলার জড়তা কাটানো - প্রেজেন্টেশান স্কিলস।

২। ইংরেজিতে কথা বলতে পারা ও লিখতে পারা

৩। কম্পিউটার জানা অন্তত মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, এক্সেল ও পাওয়ারপয়েন্ট

৪। বিজনেস ইমেইল লিখতে জানা, সময় মতো রিপ্লাই দেয়া এবং ইমেল ফোল্ডারিং ও ফলোয়াপ

৫। লিডারশীপ কোয়ালিটি অর্জন করা এবং ভাল ম্যানেজমেন্ট জানা এবং সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে জানা

৬। নেটওয়ার্কিং করা প্রতিনিয়ত এবং এক্সিলেন্স ইন কাস্টমার সার্ভিস

৭। বিক্রয় দক্ষতা অর্জন করা

উপরের ৭ টি স্কিলসের মধ্যে আপনার কয়টি স্কিলস আছে? যেগুলো জানা নেই সেগুলো আগামী ৩ মাসের মধ্যে শিখে ফেলুন কারণ এই সব গুলো স্কিলস আমরা আমাদের ৯০ দিনের প্রশিক্ষণ কর্মশালায় শেখাই।

03/07/2020

তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য পরামর্শ

বিশ্বজুড়ে হৈ চৈ ফেলে দেয়া চীনা অনলাইন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, আলীবাবা গ্রুপের প্রেসিডেন্ট 'মা ইউন' তরুণ উদ্যোক্তাদের প্রতি বলেন:

১. তরুণ বয়সে ভুল হচ্ছে বড় বিনিয়োগ, প্রতিটি ভুল থেকেই তুমি লাভবান হতে পারো।

২. ২৪ বছরে পড়াশোনা শেষ করো। পঁচিশের পর থেকে ভুল করতে থাক, ব্যর্থ হও আবার ওঠে দাঁড়াও।

৩. জীবনের শুরুতে কাজ শুরু কর ছোট কোম্পানীতে, কাজ শিখতে পারবে। ছোট কোম্পানীতে শিখবে অল্প সময়ে একই সঙ্গে কিভাবে অনেক কাজ করা যায়। বড় কোম্পানীতে কাজ করা মানে বড় মেশিনেরে খুচরা পার্টস হওয়া।

৪. কোন্ কোম্পানীতে কাজ করছ তা’ বিষয় নয়, কেমন বসের অধীনে কাজ করছ সেটিই মূখ্য। একজন ভালো বস একেক কর্মীর জীবন পাল্টে দিতে পারে।

৫. যে কোন পরিস্থিতিতে পড়, জানো, ভ্রমণ কর, অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ কর আর আবিষ্কার কর নিজেকে।

৬. ত্রিশের পর নিজের দিকে তাকাও। নিজের ভিত্ শক্ত করো।

৭. চল্লিশের পর ছুটাছুটি বন্ধ করো। যে কাজটি সবচাইতে ভালো পারো সেটির প্রতিই নজর দাও। এখন আর নতুন কিছু করার চেষ্টা না করাই ভালো। নতুন কিছুতে সফল হতে পারো, কিন্তু ব্যর্থ হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেশি।

৮. পঞ্চাশ বছর থেকে কাজ করো তরুণদের জন্য, কারণ এখন তরুনরা যা পারবে তা’ তুমি পারবে না।

৯. ষাট বছরের পর নিজের সব গুটিয়ে নাও। সব গুছিয়ে অানো পরবর্তী প্রজন্মের জন্য।

১০. সত্তরের পর সব শুধু নিজের জন্য। বিশ্রাম, বিনোদন, নিজের কৃতকর্ম দেখ।

03/07/2020

আপনি আপনার মা-বাবা ও কারো না কারো দোয়ায় আছেন তো...

কখনো কখনো রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাবার সময় উপর থেকে ইটের টুকরাটা মাথায় না পড়ে ৩ ইঞ্চি সামনে পড়ে বা ঠিক পিছনের মানুষটার মাথার উপর পড়ে...

রাস্তায় গাড়িতে যাবার সময় কয়েক মিলি সেকেন্ডের ব্যবধানে যে এক্সিডেন্ট থেকে আমরা বেঁচে যাই বা চোখের সামনেই আরেকটা গাড়ি এক্সিডেন্ট করে যেটা নিজেরটাও হতে পারত...

ট্রাফিক জ্যামের কারণে বা মায়ের/বাচ্চার হটাৎ অসুস্থতার কারণে যে ফ্লাইটটা মিস করলেন, মর্মান্তিকভাবে হয়তো ঐ বিমানটাই দুর্ঘটনায় পতিত হয়......

চকবাজারের ঐ রেস্টুরেন্টে একটু আগেই হয়তো নানরুটি ও বটি কাবাব খেয়ে বের হলেন, গরম চা টা আরেকটু ঠাণ্ডা করে খেলেই হয়তো সেদিন পুড়ে কাবাব হয়ে যেতে হতো...

সেদিন বিদেশে আমাদের সোনার ছেলে ক্রিকেটাররা ৩-৪ মিনিট দেরী না করলে/হলে, পুরো বাংলাদেশ শোকে স্তব্দ হয়ে যেত......।

ভাগ্যক্রমে এই বেঁচে যাওয়া নিয়ে কি আমরা ভাবি... ! একটুখানি ভাবলেই হয়তো জীবনে এতো চালাকি, অসততা ও দাপটের আর দরকার হতো না। হয়তো ভাবা হয় কিছুক্ষন, তারপর ...

মুহূর্তের জন্য এই বেঁচে যাওয়ার পিছনে থাকে অনেক মানুষের দোয়া বিশেষ করে মা-বাবার দোয়া ও আল্লার রহমত।

শুধু বেঁচে থাকার নাম জীবন নয়, জীবন হচ্ছে কারো জন্য একটু খানি হলেও কিছু করে মরে গিয়েও বেঁচে থাকা।

Address

Sylhet
Mogalabazar
3108

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ashar Alo Limited posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ashar Alo Limited:

Share