Ayaat Baby Food

Ayaat Baby Food আমরা আপনার বাচ্চার সঠিক বিকাশের জন্য ?

Ayaat Baby Food এরবিটরুটের আচারপ্রতিদিন বিটরুট খেলে পাবেন ৬টি অবিশ্বাস্য উপকারবিটরুট যেন ভিটামিন ও খনিজ উপাদানের ‘জিপ ফা...
08/11/2024

Ayaat Baby Food এর
বিটরুটের আচার
প্রতিদিন বিটরুট খেলে পাবেন ৬টি অবিশ্বাস্য উপকার

বিটরুট যেন ভিটামিন ও খনিজ উপাদানের ‘জিপ ফাইল’। এতে পাবেন ম্যাঙ্গানিজ, ফোলেট, রিবোফ্লাবিন (ভিটামিন বি২) ও পটাশিয়াম, যা হাড় ও পেশিকে রাখে সুস্থ–সবল। এ ছাড়া এতে আছে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন, জিংক, আয়োডিন, ভিটামিন এ, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন সি। ফাইবার বা আঁশ ও অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট তো আছেই। এত কিছুর কারণেই বিটরুটকে বলা হয় ‘সুপারফুড’। মোটকথা বিটরুট খেলে অনেক উপকার। এর মধ্যে ছয়টি বিশেষ উপকারিতার কথা জেনে রাখুন।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে
বিটরুটে পাবেন নাইট্রেট। এই নাইট্রেট আমাদের দেহে ঢুকে পরিণত হয় নাইট্রিক অক্সাইডে। জানেন নিশ্চয়ই, রক্তচাপ ঠিক রাখতে এর ভূমিকা দারুণ। নাইট্রিক অক্সাইডের প্রভাবে আমাদের রক্তনালি ঠিকঠাক থাকে। ফলে সিস্টোলিক ও ডায়াস্টোলিক দুই ধরনের রক্তচাপ থাকে নিয়ন্ত্রণে। বিটরুট শরীরের রক্তপ্রবাহ আরও ভালো করে। ফলে আমাদের হৃৎপিণ্ড হয় শক্তিশালী এবং হৃদ্‌রোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি যায় কমে।

ওজন কমায়
১০০ গ্রাম সেদ্ধ বিটে পাবেন ৪৪ ক্যালরি, ১ দশমিক ৭ গ্রাম প্রোটিন, ০ দশমিক ২ গ্রাম ফ্যাট ও ২ গ্রাম ফাইবার। সেদ্ধ বিটরুট খেলে পাবেন প্রচুর পুষ্টি, কিন্তু এতে ক্যালরি থাকবে কম। অর্থাৎ পুষ্টি ঠিকঠাকমতো পাবেন আর ওজনও বাড়বে না।

শক্তি ও কর্মক্ষমতা বাড়ায়
যাঁরা অ্যাথলেট বা নিয়মিত খেলাধুলা ও ব্যায়াম করেন, তাঁরা বিটরুটের জুস খেতে পারেন নিয়মিত। অ্যাথলেটদের প্রচুর শক্তির দরকার। বিটে থাকা নাইট্রেট শরীরের কোষে শক্তি উৎপাদক মাইটোকন্ড্রিয়ার কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। আর এতে শারীরিক কর্মক্ষমতাও বাড়ে। গবেষণায় দেখা গেছে, বিটের জুস শরীরের সহনশীলতা ও কার্ডিওরেসপিরেটরি (শ্বাসপ্রশ্বাসে হৃৎপিণ্ড ও ফুসফুস উভয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত) কর্মক্ষমতা বাড়ায়। এ ছাড়া ব্যায়ামের সময় শরীরে অক্সিজেন ব্যবহারের যে প্রক্রিয়া, তা আরও গতিশীল করে।

প্রদাহ কমায়
বেশির ভাগ রোগবালাইয়ের মূল কারণ প্রদাহ। শরীরের রোজকার নানা ছোটখাটো সমস্যা সেরে না উঠলে মারাত্মক প্রদাহের রূপ ধারণ করে। আর বিটরুট অ্যান্টি–ইনফ্ল্যামেটরি বা প্রদাহরোধী গুণে ভরপুর। বিটের দারুণ গাঢ় রঙের নেপথ্যে আছে ‘বিটালেইন’ নামের রঞ্জক উপাদানটি। নাইট্রোজেনসমৃদ্ধ বিটালেইনে থাকে প্রদাহরোধী উপাদান। ফলে প্রদাহ থেকে দূর থাকতে চাইলে বিটরুট খান।

অন্ত্র সুস্থ ও সবল রাখে
ভালো হজম ও সুস্থ লিভারের জন্য দরকার ফাইবার বা আঁশ। যা বিটরুটে পাবেন প্রচুর পরিমাণে। বিটরুট শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ ধুয়েমুছে সাফ করে দেয়। যার ফলে আপনি থাকবেন নীরোগ। আমাদের শরীরে সুগার বা শর্করার মাত্রা কমবেশি হলে কী সমস্যা হতে পারে, তা তো সবার জানা আছে। বিটরুটের রস রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য যা জরুরি দরকার। রোজকার জীবনে প্রচুর পরিশ্রম করতে হয় আমাদের, তাই প্রচুর শক্তিও দরকার। বিটরুট খেলে শরীরে সারা দিন শক্তি স্থিতিশীল থাকে।

মস্তিষ্ক সুস্থ রাখে
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের মস্তিষ্ক দুর্বল হতে থাকে। বিটরুট মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ বাড়ায়। ফলে বেড়ে যায় স্মৃতিশক্তি। অর্থাৎ বিটরুট মস্তিষ্ক সুস্থ রাখতেও দারুণ কার্যকর।

অর্ডার করতে ইনবক্স করুন আমাদের পেইজ Ayaat Baby Food

Call অথবা What's app করুন: 01718-301989

Ayaat Baby Food এরSweet potato and carrot meal - সুইট পটেটো এন্ড ক্যারোট মিলগাজর আর মিষ্টি আলুর তৈরি মিল বাচ্চার জন্য।মি...
08/11/2024

Ayaat Baby Food এর
Sweet potato and carrot meal - সুইট পটেটো এন্ড ক্যারোট মিল

গাজর আর মিষ্টি আলুর তৈরি মিল বাচ্চার জন্য।
মিষ্টি আলু এবং গাজর এখন বাচ্চাকে খুব সহজেই খাওয়াতে পারবেন ভেবে আনন্দ লাগতেছে তাই না 😘।
কতটা ইফোর্ট দিলে এবং সবকিছু কতটা পর্যাপ্ত পরিমাণে ব্যবহার করলে একটা খাবারের সঠিক কালার আসে বলতে পারবেন ❓ আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ।

এটা আমরা সাধারণত প্রসেস করি সরাসরি
➡️গাজর,
➡️মিষ্টি আলু,
➡️কাঠবাদাম এবং
➡️কাজুবাদাম
তার সাথে থাকে
➡️লাল বিন্নি চাল,
➡️নাজিরশাইল চাল,
➡️চিনিগুড়া পোলাওয়ের চাল দিয়ে।

আপনার বাচ্চার জন্য যে কোন হোমমেড বেবি ফুড অর্ডার করতে সরাসরি আমাদের পেইজে ইনবক্স করবেন Ayaat Baby Food
অথবা
Call বা What's app করুন: 01718-301989

প্রত্যেকটা বাচ্চাই আলাদা,,, সে মোতাবেক আপনার বাচ্চার প্রতি আপনার অভিজ্ঞতাও আলাদা সুতরাং নিজের বাচ্চার জন্য যাচাই-বাছাই করে খাবার অর্ডার করবেন এবং আমাদের কাছে অর্ডার করার আগে অবশ্যই আমাদের সাথে কথা বলবেন আপনার বাচ্চার যে কোন খাবারে এলার্জি গত প্রবলেম আছে কিনা..
আপনার বাচ্চার স্বাস্থ্য ও খাদ্যাভ্যাস জেনে আমরা আপনার বাচ্চার খাবার বানিয়ে দিবো। ইন শা আল্লাহ

অফার মানেই Ayaat Baby Food কেমন হয় একটা সরিষার তেলের অফার হলে? ধামাকা অফার।
29/08/2024

অফার মানেই Ayaat Baby Food

কেমন হয় একটা সরিষার তেলের অফার হলে? ধামাকা অফার।

অস্ট্রেলিয়ান সরিষা ও দেশী সরিষা মিক্সড করে কম দামে সরিষার তেল করতে চাচ্ছিAyaat Baby Food Ayaat Products - আয়াত প্রোডাক্ট...
26/08/2024

অস্ট্রেলিয়ান সরিষা ও দেশী সরিষা মিক্সড করে কম দামে সরিষার তেল করতে চাচ্ছি
Ayaat Baby Food
Ayaat Products - আয়াত প্রোডাক্টস

আপনার শিশুকে নতুন নতুন খাবার খাওয়ানো যদিও খুবই রোমাঞ্চকর, কোনো নতুন খাবার শুরু করার আগে কিছু ব্যাপারে আপনাদের খেয়াল রাখত...
02/08/2024

আপনার শিশুকে নতুন নতুন খাবার খাওয়ানো যদিও খুবই রোমাঞ্চকর, কোনো নতুন খাবার শুরু করার আগে কিছু ব্যাপারে আপনাদের খেয়াল রাখতে হবে আর তার সাথে সেই খাবার খাওয়ানো শুরু করার সঠিক সময়ও মাথায় রাখতে হবে।

১) গরুর দুধঃ ( cow milk)
যদিও এতে শরীরের জন্য পুষ্টিকর অনেক পদার্থ আছে কিন্তু এক বছরের কম বয়সের শিশুকে গরুর দুধ খাওয়ানো উচিত নয় কারণ কারণ এটি হজম করা কঠিন। কিছু প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর দ্রব্য গরুর দুধে পাওয়া যায় না, যেমন আয়ন আর ভিটামিন E , যা শিশুর বৃদ্ধি আর বিকাশের জন্য খুবই প্রয়োজন। তাই গরুর দুধ থেকে মায়ের দুধ ভালো। বাচ্চার ১ বছর হয়ে গেলে অল্প অল্প করে গরুর দুধ শুরু করতে পারেন, কিন্তু পরিমিতভাবে।

২) পরিশোধিত শস্যঃ (Refined grains)
কমপ্লেক্স শর্করা যার থেকে প্রাকৃতিক পুষ্টি পাওয়া যায় পরিশোধনের সময় তা চলে যায় আর তার ফলে আমরা পাই পরিশোধিত শস্য যেমন, পাউরুটি, পাস্তা, সিরিয়াল আর ক্র্যাকার।এই সব পরিশোধিত শস্যের থেকে দূরে থাকুন আর পরিবর্তে সম্পূর্ণ খাবার খান। প্রথম থেকেই স্বাস্থকর খাবার খাওয়ান আর ছোট ছোট টুকরোয় শিশুকে খাওয়ান।

৩) গলায় আটকে যাওয়ার ঝুঁকি আছে এমন কোনও খাবারঃ (Foods can cause choking)
যে খাবার সহজেই মাড়ি দিয়ে চেবানো যায় না অথবা মুখের ভিতর সহজে মিলিয়ে যায় না এরকম কোনো খাবার আপনার শিশুকে দেবেন না। যেমন, গোটা কড়াইশুঁটি, গাজরের মতো কাঁচা সবজি আর নাশপাতি আর আঙুরের মতো ফল। যখন দাঁত আসা শুরু হবে তখন আপনি চিবিয়ে খাওয়া যায় এরকম খাবার দিতে পারেন। কিন্তু তখন খেয়াল রাখবেন যাতে খাবারটি যতটা সম্ভব পাতলা করে যেন কাটা থাকে।

৪) এলার্জি হতে পারে এমন খাবারঃ (Foods can cause allergy)
যে সমস্ত খাবারের থেকে এলার্জি হওয়ার সম্ভাবনা আছে সেই খাবার শুরু করার আগে ভালো করে বিশ্লেষণ করে নেওয়া উচিত। সাধারণত, চীনাবাদাম, ডিম, গম আর টমেটো থেকে হয়ে থাকে।যদি এলার্জি হয়ে থাকে ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করুন কিভাবে তা কম করবেন আর কোনো বিকল্প খুঁজে বার করুন।

৫) মিষ্টি খাবারঃ (sweet treats)
শিশুর টেস্ট বাডগুলি মিষ্টি খাবারের প্রতি স্বাভাবিক ভাবে বেশি আকৃষ্ট থাকে, কিন্তু যদি আপনি অন্য স্বাদের সঙ্গে পরিচয় করান, তাও ভালোবাসবে। আপনার শিশু যাতে মিষ্টি খাবারের প্রতি বেশি আকৃষ্ট না হয় তারজন্য প্রথম জন্মদিন পর্যন্ত মিষ্টির থেকে দূরে রাখুন। জেলি বিনস বা ক্যান্ডির গলায় আটকে যাওয়ার ঝুঁকিও থাকে।

29/06/2024

ভেজিটেবল ওয়েল খুঁজছেন?
Ayaat Baby Food আপনার খোঁজ শেষ করে দিবে।
আমাদের পেইজে ইনবক্সে নক দিন অথবা কল বা What'app করুন 01718-301989

18/06/2024

আপনার বাচ্চাদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি ঠিক রাখতে Ayaat Baby Food খাটি সরিষার তেলের বিকল্প কিছুই নেই। এতো কিছু না ভেবে। খাঁটি নাকি ভেজাল তাই খুজে নিন

07/06/2024
31/05/2024

অসংখ্য ধন্যবাদ সোলাইমান সুখন ভাই এতো সুন্দরভাবে লিডারশীপ বোঝানোর জন্য

Ayaat Baby Food articlesঅভিভাবক হিসাবে আমরা সন্তানের সঠিক বেড়ে উঠা ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে চাই। আপনি নিশ্চয়ই জানেন এ...
31/05/2024

Ayaat Baby Food articles
অভিভাবক হিসাবে আমরা সন্তানের সঠিক বেড়ে উঠা ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে চাই। আপনি নিশ্চয়ই জানেন একটা শিশু কি খাচ্ছে তার সাথে তার ব্রেইন ডেভেলাপমেন্ট সরাসরি যুক্ত। কিন্তু আসলে কতটা গুরুত্বপূর্ণ?

আজকে আমরা এই লেখায় এটাই জানবো পুষ্টিকর খাবারের সাথে আপনার সন্তানের মস্তিস্ক বিকাশের সংযোগ কতটা।

আমরা আমাদের অন্যান্য লেখায় এটাও জানিয়েছি আসলে পুষ্টিকর খাবার কোনগুলো, এবং কোন পুষ্টি কোন খাবারে আছে। এবং পাশাপাশি এটাও জানিয়েছি কোন বয়সে কোন ধরনের খাবারগুলো আপনার সন্তানের বয়স অনুযায়ী কতটা খাওয়া দরকার।

চলুন শুরু করি।

👉ব্রেইনের বৃদ্ধির বিল্ডিং ব্লক হচ্ছে বিভিন্ন পুষ্টি
একটা বাড়ি করতে যেমন ইট- সিমেন্ট-রড ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের জিনিস লাগে, তেমনি আমাদের ব্রেইনেরও এমন বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি লাগে। ভিটামিন, মিনারেল, ওমেগা-৩ হচ্ছে ব্রেইন ডেভেলাপমেন্টের জন্য ইট আর সিমেন্টের মতো। ওমেগা-৩ পাওয়া যায় মাছে, বাদামে। এটি ব্রেইনের কোষ গঠনে সাহায্য করে এবং চিন্তা করার শক্তি বাড়ায়।

👉প্রাথমিক বছরগুলি গুরুত্বপূর্ণ
ব্রেইনের ডেভেলাপমেন্ট সন্তান জন্মের আগে থেকেই মায়ের গর্ভে থাকতেই শুরু হয়। এবং এরপর চলতে থাকে। প্রথম ৫ বছর বয়স পর্যন্ত ব্রেইন অনেকটা স্পঞ্জের মতো - জ্ঞান এবং দক্ষতা শুষে নেয়। এইসময় থেকেই শিশুকে পুষ্টিকর খাবার দিলে তার ব্রেইন শক্তিশালী হয়।

👉স্মার্ট শিশুর জন্য স্মার্ট খাবার
কিছু খাবার আছে যেগুলো ব্রেইনের জন্য সুপারহিরোর মতো কাজ করে। যেসব খাবারে ভিটামিন ও মিনারেল আছে, যেমন ফল ও সবজি, এগুলো শিশুদের চিন্তাশক্তি বাড়াতে, শিখতে এবং স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। ফল আর সবজি ব্রেইনের ইঞ্জিনের মতো। তাই সন্তানকে পর্যাপ্ত ফল ও সবজি প্রতিদিন খাওয়ানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

👉প্রোটিন পাওয়ার
প্রোটিন হচ্ছে এমন কর্মীবাহিনী যারা ব্রেইনকে যোগাযোগ করতে সাহায্য করে। ডিম, মাংস এসবে প্রোটিন আছে যা ব্রেইনের সেল বা কোষগুলোকে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে সাহায্য করে। যত বেশি এমন যোগাযোগ হবে শিশুরা তত সহজে শিখতে পারবে আর সমস্যার সমাধান করার দক্ষতা বাড়বে।

👉সুস্থ পেট, সুখী ব্রেইন
আপনি কি জানেন, আমাদের পেট আর ব্রেইন বন্ধু। অনেক ফাইবার আছে এমন খাবার যেমন ফল, রুটি, ব্রেড, বাদামী চালের ভাত এগুলো পেটকে সুস্থ রাখে। পাশাপাশি নিয়মিত দই খেলে পেট ভালো থাকে। আর যখন শিশুর পেট সুস্থ থাকে, তখন ব্রেইনও আনন্দে থাকে।

👉শেখার শক্তি
ব্রেইন হচ্ছে একটা গাড়ির মতো যেটা চালানোর জন্য তেল লাগে। ফল, বাদাম, রুটি, ভাত, ব্রেড এগুলো শিশুর ব্রেইনকে এনার্জি দেয় চিন্তা করার, খেলার আর শেখার জন্য। এই খাবারগুলো নিয়মিত খেলে শিশুর মনোযোেগ বাড়ে আর সে স্কুলে ভালো করে।

👉ব্রেইনের সুপারপাওয়ার ভিটামিন
ভিটামিন একটা ম্যাজিকের মতো যা ব্রেইনকে সবচেয়ে সচল রাখে। যেসব খাবারে ভিটামিন আছে, যেমন কমলা এবং সবুজ সবজি, সেগুলো ব্রেইনকে করে শার্প আর শক্তিশালী। ভিটামিন শিশুকে আনন্দে রাখে এবং সে টায়ার্ড ফিল করে না।

👉বাজে ও অপুষ্টিকর খাবার বাদ দিন
যেসব খাবারে অনেক চিনি থাকে যেমন চকলেট, আইসক্রিম, কোল্ড ড্রিঙ্কস – এগুলো ব্রেইনের জন্য ক্ষতিকর। এগুলো খেলে শিশু ক্লান্তবোধ করে এবং ক্লিয়ারলি চিন্তা করতে পারে না। এজন্য সন্তানের ব্রেইনকে সুস্থ রাখতে ফল, দই, বাদাম – এগুলো দিন।

👉পানির বিকল্প নেই
আমাদের ব্রেইনের পানির প্রয়োজন হয় শেখার জন্য, চিন্তা করার জন্য, সব কিছুর জন্য। তাই শিশুকে পর্যাপ্ত পানি খাওয়ান। কারণ পানি হচ্ছে ব্রেইনের জন্য একটা রিফ্রেশিং ড্রিংক।

👉হেলদি হ্যাবিট অভ্যাস করা
শিশু যখন অল্প বয়স থেকেই ভালো খাবার খাবে, তখন সে স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে ভালবাসবে। এতে করে শিশু শারীরিকভাবে শক্তিশালী হয়ে উঠবে ও মানসিকভাবে স্মার্ট হবে। কালারফুল ফল, সবজি, দই, দুধ, রুটি এগুলো নিয়মিত খেলে আপনার সন্তানের ব্রেইন হবে শার্প।
আপনি কি ধরনের খাবার সন্তানকে খাওয়াচ্ছেন সেটাই তার ভবিষ্যৎ কতটা উজ্জ্বল হবে সেটা নির্ধারণ করে ফেলে। তার ব্রেইন ডেভেলাপমেন্ট নির্ভর করে সে কি কি ধরনের পুষ্টিকর খাবার খাচ্ছে। তাই ৫ বছরের মধ্যেই সন্তান কি ধরনের পুষ্টি পাচ্ছে সেটাই নির্ধারণ করে দেয় সন্তানের ব্রেইন ডেভেলাপমেন্ট কতটা ভালো হবে।

তাই পুষ্টিকে বাদ দিয়ে ব্রেইন ডেভেলপমেন্ট এবং আর্লি লার্নিং ভাবা যায় না। তাই সন্তানকে কি দিচ্ছেন খেতে, আর সে কি খাচ্ছে সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখুন।

সবসময় নিয়ম করে এভাবে পুষ্টিকর খাবার দেয়া শিশুদের সম্ভব হয়ে উঠে না। আর গবেষণায় দেখা গেছে আমাদের দেশের শিশুদের মধ্যে সাধারণত জিঙ্ক, আয়োডিন, আয়রনের ঘাটতি দেখা দেয়। তাই এই ঘাটতিপূরণের জন্য কাজ করছে গ্রামীণ-ডানোন। তাদের শক্তি+ দইয়ে শিশুদের জন্য এই পুষ্টি উপাদানগুলো দেয়া আছে। শিশুরা যেহেতু অনেক সময় সবজি বা পুষ্টিকর খাবারগুলো খেতে চায় না, তাই প্রতিদিন এক কাপ শক্তি দই আপনার সন্তানের এই পুষ্টিগুলো নিশ্চিত করতে পারে।

নিচের টেবিলে কোন বয়সের শিশুকে কতটা ফল ও সবজি খাওয়াতে হবে সেটা দেয়া হল।

আপনার বাচ্চাদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি আমাদের দায়িত্বAyaat Baby Food
18/05/2024

আপনার বাচ্চাদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি আমাদের দায়িত্ব

Ayaat Baby Food

কালিজিরা (Black Seed) কে বলা হয় মৃত্যু বাদে সকল রোগের মহৌষধ। ছোট কালো রঙের এই দানার ভিতর লুকিয়ে আছে চমৎকার সব স্বাস্থ্যগ...
26/12/2023

কালিজিরা (Black Seed) কে বলা হয় মৃত্যু বাদে সকল রোগের মহৌষধ। ছোট কালো রঙের এই দানার ভিতর লুকিয়ে আছে চমৎকার সব স্বাস্থ্যগুণ। এতে আছে প্রায় শতাধিক যৌগের উপস্থিতি যা নানান রোগ থেকে সুরক্ষা প্রদান করে। হালকা ঝাঁঝালো স্বাদের এই ছোট দানা রসুইঘরে যেমন মসলা হিসেবে ব্যবহৃত হয় ঠিক তেমনই ভেষজ হিসেবে রোগের সুরক্ষায়ও ব্যবহৃত হয়। এমনকি এই দানা থেকে নিঃসৃত তেলও ব্যবহার করা হয়।

🍀কালিজিরার গুণাগুণ
১। সর্দি কাশি উপশমে চমৎকার কাজ করে। এক চা চামচ কালিজিরার সাথে তিন চা চামচ মধু ও দুই চা চামচ তুলসী পাতার রস মিশিয়ে খেলে জ্বরের ব্যথা, গলা ব্যথা, সর্দি – কাশি ভালো হয়।
২। হাঁপানী বা শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা অবসান ঘটায়।
৩। এটি নিয়মিত গ্রহণে ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস হয়।
৪। হজম সমস্যায় ১ – ২ চা চামচ কালিজিরা বেটে পানির সাথে মিশিয়ে গ্রহন করা উত্তম। এভাবে নিয়মিত সেবনে হজম সমস্যা দূরীভূত হয়।
৫। ক্ষুধামন্দা রোধে ও হজম শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
৬। পেট ফাঁপা সমস্যা সমাধানে ভালো কাজ করে।
৭। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভূমিকা রাখে এই মহৌষধ খ্যাত উপাদানটি।
৮। প্রসূতির দুগ্ধ বৃদ্ধির জন্য এটি বেশ কার্যকরী।
৯। মস্তিষ্কের রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে স্মরণশক্তি বৃদ্ধিতে এটি ভালো ভূমিকা রাখে।
১০। ডায়রিয়া, আমাশয় এর ক্ষেত্রেও এটি কার্যকরী।

Ayaat Baby Food এর কালিজিরা (Black Seed) কেনো সেরা?
১। দেশি কালোজিরা সরবরাহ করা হয়।
২। দেশি কালিজিরা সংগ্রহ করে ধুয়ে নেট এর মাধ্যমে শুকিয়ে প্যাকেজিং সম্পন্ন করা হয়।
৩। পুরো প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ নিজস্ব তত্ত্বাবধানে করা হয়।
৪। এর সাথে অন্য কোন বীজ বা কিছু মিশানো হয় না। ফলে শতভাগ বিশুদ্ধ।

অর্ডার করতে আমাদের পেইজে ইনবক্স করুন অথবা কল বা What's app করুন
01718-301989

Address

Daulat Munshi Road
Mymensingh

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ayaat Baby Food posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ayaat Baby Food:

Share