20/06/2025
চাকরি করার মানসিকতা বদলাতে হবে
আমাদের একটা সমস্যা হলো আমরা শুরুতে ভাবি লেখাপড়া শেষ করে চাকরী করবো।
আর চাকরী না পেলে বেকার।
তো সারা জীবন খবর নিতে থাকি কোন চাকরী কেমন? কোনটা ভালো, সরকারী না বেসরকারি, ব্যাংক না এনজিও। কার বেতন কত ইত্যাদি।
ফলে দিনে দিনে আমাদের মানসিকতা আরো
বেশী করে আমাদের ধারনার সাথে সেট হয়ে যায়।
কিন্তু তা না করে আমরা যদি খুব অল্প বয়স থেকে নিজে কিছু করার কথা ভাবি।
বা একজন ব্যাবসায়ী হওয়ার স্বপ্ন দেখি।
তখন স্বভাবতই আমরা ভাবতে থাকবে,
কোন ব্যবসাটা আমাদের জন্য সহজ,
কোনটা আমি ভালো বুঝি, কোনটার
ফিউচার ভালো, কোন সিজনে কোন ব্যবসাটা
উঠলো আর কোনটা পড়ে গেলো?
দেখা যাবে ১০/১৫ বছরের শিক্ষাজীবনে আমার প্রাথমিক প্রস্তুতিটা হয়ে গেছে।
এজন্য নিজে এবং বংশধরদের মাঝে ব্যাবসায়ী
হওয়ার বীজ বুনে দেয়া চাই।
এটা আমাদের হাজার বছরের ঐতিহ্যের অংশ যে, আমরা চাকরী করে খেতে পছন্দ করি।
কিন্তু একটা আশার ব্যাপার আছে বাংলাদেশের মানুষ এই প্রবণতা আস্তে আস্তে বের হয়ে আসছে।
এখন অনেক শিক্ষিত যুবক ব্যাবসায়ী হিসাবে সফল হয়েছেন,
মানসিকতা একটা বিরাট ব্যাপার ব্যাবসায়ী হওয়ার জন্য মানসিকতা থাকতে হবে।
এই মানসিকতার মধ্যে রয়েছে:
১. স্রোতে গা না ভাসিয়ে দিয়ে অন্যরকম কিছু করার চিন্তা।
২. রয়েছে নিজের আত্মবিশ্বাস রেখে কিছু একটা করে দেখানোর জেদ।
৩. রয়েছে ঝুঁকি নিয়ে সেটা সামাল দিয়ে মাথা তুলে দাঁড়ানোর ক্ষমতা
৪. সামনের পথটা অনেক দূর অবধি দেখতে পারার মতো শক্তি। আগামী দিনগুলোতে কি হবে তা বুঝতে হবে এখনই।
৫. এবং কিছু ব্যক্তিগত যোগ্যতা।
আমরা চীনের দিকে তাকালে বুঝতে পারি।
বাবসায়ী হওয়ার মানসিকতাই তাদেরকে অর্থনীতির মোড়ল বানাচ্ছে।
আর তার বিপরীতে আমরা খুব ছোটখাটো জিনিস যেগুলো খুব সহজে তৈরী করা যায় সেগুলো আমরা চীন থেকে আমদানি করি,
যেমন ধরুন একটা হাতুড়ী ধরুন একটা সেফটিপিন। একবার ভেবে দেখুন আমরা কতটা পরনির্ভরশীল জাতি।
তাই আসুন চাকরি না করে অন্যকে চাকরি দেওয়ার চেষ্টা করি,,