H&S Closet

H&S Closet Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from H&S Closet, Bayzidnagor Residential Area, Nasirabad.
(2)

সাধ ও সাধ্যের মেলবন্ধন নিয়ে আমরা আছি আপনার পাশে। 🌺 আস্থা,বিশ্বাস ও সততার সাথে আমরা আপনাকে সর্বোচ্চ সেবা দিতে বদ্ধপরিকর।একবার বিশ্বাস করেই দেখুন।আমরা আপনার বিশ্বাসের অমর্যাদা করবো না।

এই বেডশীটটা দেখলেই আমার মনে হয়—কিছু মানুষ ঠিক রঙিন নকশার মতোই হয়। দূর থেকে খুব সুন্দর লাগে, কিন্তু কাছে গেলে বোঝা যায়...
10/05/2026

এই বেডশীটটা দেখলেই আমার মনে হয়—
কিছু মানুষ ঠিক রঙিন নকশার মতোই হয়। দূর থেকে খুব সুন্দর লাগে, কিন্তু কাছে গেলে বোঝা যায় প্রতিটা রঙের পেছনে লুকিয়ে আছে কত গল্প, কত অপেক্ষা, কত না বলা অনুভূতি।

এই ঘরটার মতো একটা সংসারের স্বপ্ন ছিল আমারও।
সন্ধ্যায় জানালার পাশে পর্দা উড়বে, হালকা আলো জ্বলবে, আর দিনের শেষে ক্লান্ত মানুষটা এসে বলবে,
“আজ খুব ক্লান্ত… একটু পাশে বসো তো।”
আমি হয়তো এই বেডশীটটাই ঠিক করে বিছিয়ে দিতাম।
তারপর দু’কাপ চায়ের ভেতর জমে থাকত হাজারো অভিমান, হাজারো ভালোবাসা।

জীবনে অনেক দামি জিনিস দেখেছি,
কিন্তু শান্তি?
শান্তি আসলে এমন কিছু ছোট ছোট দৃশ্যের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে—
একটা গুছানো বিছানা,
প্রিয় মানুষের উপস্থিতি,

আর দিনের শেষে ফিরে আসার মতো একটা ঘর।
এই নকশাগুলোর মতোই সম্পর্কও জটিল হয়,
তবু ঠিক মাঝখানে একটা রঙিন ফুলের মতো ভালোবাসা থেকে যায় বলেই মানুষ আবার নতুন করে সংসারের স্বপ্ন দেখে… 🌸

“কিছু কিছু ঘর শুধু ঘর না, মানুষের ক্লান্ত মনটাকে আগলে রাখার একটা শান্ত জায়গা…” 🌿সারাদিনের ব্যস্ততা শেষে নীলা যখন দরজাটা...
07/05/2026

“কিছু কিছু ঘর শুধু ঘর না, মানুষের ক্লান্ত মনটাকে আগলে রাখার একটা শান্ত জায়গা…” 🌿

সারাদিনের ব্যস্ততা শেষে নীলা যখন দরজাটা বন্ধ করে নিজের ঘরে ঢোকে, তখন পৃথিবীটাকে আর ততটা কঠিন মনে হয় না। জানালার পাশে রাখা ছোট্ট গাছগুলো, হালকা আলো আর এই ফুলেল বেডশিট—সবকিছু মিলে যেন তাকে চুপচাপ বলে, “আজকের দিনটা কষ্টের হলেও তুমি ঠিকই পারবে…”

নীলার খুব শখ ছিল তার ঘরটা এমন হবে, যেখানে রাগ কমে যাবে, মন শান্ত হবে। তাই ঘরের প্রতিটা জিনিস সে বেছে নিয়েছে খুব যত্ন করে। এই মিষ্টি হালকা পেস্ট রঙের বেডশিটটা কিনেছিল এক বিকেলে, শুধু কারণ এটা দেখলেই তার মনে হচ্ছিল—বসন্তকে ছুঁয়ে দেখা যায়।

রাতে ঘুমানোর আগে সে প্রায়ই ফুলগুলোর দিকে তাকিয়ে ভাবে, জীবনও হয়তো এমনই… কিছু দিন ঝরে যায়, কিছু দিন ফুটে থাকে, তবুও সৌন্দর্য হারায় না।

আর তাই তার ছোট্ট ঘরটা শুধু একটা রুম নয়, এটা তার শান্তি, তার নিরাপদ আশ্রয়, তার একটু করে বেঁচে ওঠার জায়গা… 🤍

এভাবেই আমাদের ঘরগুলো জুড়ে রয়েছে কত স্মৃতি,কতশত আবেগ,ভালোবাসা।














#ঘরসাজ
#রুম_ডেকোর
#বেডশিট
#ফ্লোরাল_ডিজাইন
#শান্তির_ঘর
্প
#অন্দরসজ্জা

আমরা সাধারণত গল্পগুলো ভুলভাবে মনে রাখি।আমরা ভাবি—কে আমাদের কষ্ট দিয়েছে,কে আমাদের বদলে দিয়েছে,কে আমাদের একা করে দিয়েছে…কি...
06/05/2026

আমরা সাধারণত গল্পগুলো ভুলভাবে মনে রাখি।
আমরা ভাবি—
কে আমাদের কষ্ট দিয়েছে,
কে আমাদের বদলে দিয়েছে,
কে আমাদের একা করে দিয়েছে…
কিন্তু খুব কমই মনে রাখি—
আমরা কার গল্পে কী ছিলাম।

এই বেডশিটটার দিকে তাকালে আমার সবসময় একটা অদ্ভুত কথা মনে হয়—
এই জটিল নকশাগুলোর মতোই,
আমাদের জীবনেও আমরা কখনো “পুরো ছবি” দেখি না।

আমি একসময় ভাবতাম—
আমার সাথে অন্যায় হয়েছে,আমাকে বোঝা হয়নি,আমাকে অবহেলা করা হয়েছে।

তারপর একদিন হঠাৎ মনে হলো—
আমি কি সত্যিই শুধু ভুক্তভোগী ছিলাম?নাকি কোনো একদিন,কোনো এক সময়ে,আমি-ই ছিলাম কারো না বলা কষ্টের কারণ?

হয়তো আমি ব্যস্ত ছিলাম,
হয়তো আমি গুরুত্ব দিইনি,
হয়তো আমি বুঝেও না বোঝার ভান করেছি…
আর তখনই—
কারো ভেতরে ভেতরে কিছু ভেঙে গিয়েছিল।

অদ্ভুত না?
আমরা যখন কষ্ট পাই, তখন বিচার চাই আর যখন কষ্ট দিই, তখন কারণ খুঁজি।

এই বেডশিটটার মতো—
দূর থেকে সবকিছু সুন্দর, সাজানো।
কিন্তু কাছে গেলে বোঝা যায়—
প্রতিটা ডিজাইন আলাদা আলাদা,একটার সাথে আরেকটার দূরত্ব আছে।
হয়তো জীবনও এমনই—
সবাই নিজের নিজের জায়গা থেকে ঠিক,তবুও কোথাও গিয়ে সবকিছু ঠিক থাকে না।

তাই আজকাল কাউকে দোষ দেওয়ার আগে
নিজেকে একটা প্রশ্ন করি—
“আমি কি কারো গল্পে খলনায়ক ছিলাম?”
উত্তরটা সবসময় ভালো লাগে না…
কিন্তু সত্যিটা সেখানেই থাকে।

#নিজেকে_দেখা #অন্যরকম_সত্য

কিছু বিছানা থাকে, যেখানে মানুষ শুধু ঘুমায় না—নিজেকে লুকায়।এই বেডশিটটার ফুলগুলো দেখলে প্রথমে মনে হয়, কত শান্ত… কত সুন্দর!...
04/05/2026

কিছু বিছানা থাকে, যেখানে মানুষ শুধু ঘুমায় না—নিজেকে লুকায়।
এই বেডশিটটার ফুলগুলো দেখলে প্রথমে মনে হয়, কত শান্ত… কত সুন্দর!
ধূসর পটভূমির ওপর গোলাপি আর নীলের মিশেল—একটা নরম ভালোবাসার মতো।
কিন্তু কাছে গেলে বোঝা যায়, এই সৌন্দর্যের ভেতরে লুকিয়ে আছে অনেক না বলা গল্প।
এই বিছানাটায় একসময় দু’জন মানুষ ছিল।
একজন খুব চুপচাপ ভালোবাসত, আরেকজন খুব ব্যস্ত হয়ে ভালোবাসা ভুলে যেত।
জানালার পাশে বসে থাকা মেয়েটা মাঝে মাঝে হাত বাড়িয়ে দিত—
স্পর্শের জন্য না,
শুধু নিশ্চিত হওয়ার জন্য—
“সে এখনো আছে তো?”
কিন্তু উত্তর আসত না।
শুধু ফোনের আলোটা তার মুখে পড়ে থাকত আর এই ফুলগুলো নিঃশব্দে সব দেখত।

একসময় মেয়েটা বুঝে গেল—
সব সম্পর্ক ভাঙে না,
কিছু সম্পর্ক শুধু ধীরে ধীরে চুপ হয়ে যায়।

এখনো বিকেলের আলো এলে ফুলগুলো আগের মতোই ঝলমল করে,
কিন্তু কেউ আর সেই আলো ভাগ করে না।

এই বেডশিটটা আজও বিছানায় আছে,
সব কিছু আগের মতোই…
শুধু ভালোবাসাটা আর আগের মতো নেই।

কিছু ভালোবাসা শেষ হয় না—
শুধু শব্দ হারিয়ে ফেলে… 🌸
#নীরব_ভালোবাসা #অপেক্ষা #অসমাপ্ত_গল্প

04/02/2026
বেডশিটটা শুধু একটা প্রোডাক্ট না,এটা আরাম আর অনুভূতির এক নিঃশব্দ ঠিকানা।গভীর নীল রঙটা যেন দিনের সব ক্লান্তি ধুয়ে দেয়,আর...
23/01/2026

বেডশিটটা শুধু একটা প্রোডাক্ট না,
এটা আরাম আর অনুভূতির এক নিঃশব্দ ঠিকানা।গভীর নীল রঙটা যেন দিনের সব ক্লান্তি ধুয়ে দেয়,
আর মাঝখানের ফুলগুলো মনে করিয়ে দেয়—
কঠিন দিনের মাঝেও সৌন্দর্য হারায় না।

এই বেডশিটে শুয়েরাত হয় একটু শান্ত,ঘুম আসে একটু নিশ্চিন্ত।নিজের জন্য সময় নেওয়ার,নিজেকে আগলে রাখার একটা ছোট্ট বিলাস।

ঘরের আলোতে রঙগুলো আরও জীবন্ত লাগে,নরম কাপড়ে শরীর পায় স্বস্তি,মন পায় বিশ্রাম।

যারা শুধু ঘুম নয়,
ঘুমের ভেতরেও অনুভূতির ছোঁয়া খোঁজেন—
এই বেডশিট তাদের জন্যই।

আপনার ঘর হোক আরামের,
আপনার রাত হোক সুন্দর স্বপ্নের। 🌙✨



#ঘরের_সৌন্দর্য
#আরামের_ঘুম




নদী যত গভীর, তত নীরব তার বয়ে চলা —নীরবতায় লুকিয়ে থাকে তার মহিমা, তার শক্তি।গভীর নদী কখনো নিজের গভীরতা নিয়ে গর্জে ওঠে...
19/10/2025

নদী যত গভীর, তত নীরব তার বয়ে চলা —
নীরবতায় লুকিয়ে থাকে তার মহিমা, তার শক্তি।
গভীর নদী কখনো নিজের গভীরতা নিয়ে গর্জে ওঠে না,
যেমন সত্যিকারের জ্ঞানী বা সচ্চরিত্র মানুষও কখনো নিজের গুণ নিয়ে বাড়াবাড়ি করে না।

যাদের ভেতরে আসল মূল্য আছে —
জ্ঞান, চরিত্র, বা অর্থবিত্ত —
তারা দেখনদারি করে না, তারা নীরবে জ্বলে থাকে প্রদীপের মতো।
অন্যদিকে, অগভীর নদী যেমন ছলছল শব্দে নিজেকে জানান দেয়,
তেমনি অগভীর মনও সামান্য পেলে ঢেউ তোলে অহংকারে।

নীরবতা কখনো দুর্বলতার নয়,
এটা শক্তির আর স্বভাবিক মর্যাদার প্রতীক।
যে সত্যিই সমৃদ্ধ — সে জানে,
আসল সৌন্দর্য প্রকাশে নয়, শান্ত বয়ে চলাতেই। 🌿

#নদীরদর্শন #নীরবতারশক্তি #অহংকারহীনতা #জীবনেরগভীরতা #মর্যাদা_নীরবতায়

আমার বাসায় এই পর্যন্ত ৫ জন হেল্পিং হ্যান্ড কাজ করেছে। তার মধ্যে একেকজনের গল্প একেক রকম। কারো স্বামী অসুস্থ তাই মানুষের ব...
03/10/2025

আমার বাসায় এই পর্যন্ত ৫ জন হেল্পিং হ্যান্ড কাজ করেছে। তার মধ্যে একেকজনের গল্প একেক রকম। কারো স্বামী অসুস্থ তাই মানুষের বাসায় কাজ করতে হয় আবার কারো স্বামী ভন্ড তাই কাজ করতে হয়। কিন্তু তাদের মধ্যে একটা জিনিসের খুব মিল আছে। সেটা হলো স্বামীর হাতে মাইর খাওয়া।

৪ বছর আগে একজন আপা কাজ করতো তার স্বামী আগে ট্রাক থেকে বস্তা নামানোর কাজ করতো কিন্তু কোমড়ের হাড়ে চাপ খাওয়ার কারণে সে আর কাজ করতে পারে না। কিন্তু কাজ না করলে কি হবে সকাল বিকাল বউ পিটানো আর সারাদিন বিড়ি-গাঞ্জা তার ঠিক মতোই চলে। আমি আপা কে অনেকবার বলেছি আপনার স্বামী কে কেনো বসিয়ে বসিয়ে খাওয়ান। সে ভারি কাজ না করতে পারলে বলুন বসে কাজ করতে। অন্তত রাস্তায় বসে আলু পেয়াজ বিক্রি তো করতে পারে। কিন্তু না আপা স্বামী বলতে অজ্ঞান। দিনে ৪ বেলা নিয়ম করে মার খেতে রাজি কিন্তু স্বামীকে জোর করে কাজে পাঠানোর সাহস তার নাই। স্বামীকে কিছু বললেই হুমকি দেয় তিনি আবার বিয়ে করবেন। বোঝেন সে নাকি কোমড়ের হাড্ডির ব্যাথায় কাজ করতে পারে না কিন্তু বউ পিটিয়েও আরেকটা বিয়ে করার হুমকি দিতে পারে।

এরপর আসি আরেকজনের কথায়। তারা স্বামী স্ত্রী দুইজনের বয়সটাই কম। জামাই এমনিতে ভালো ( স্ত্রীর ভাষ্যমতে) শুধু কথায় কথায় গালি আর থাপ্পড় মারে।
যেদিনই দেখি কাজ করতে এসে মেয়েটা কথা বলছে না, চোখ ফুলে আছে তখনই বুঝতাম সে আজকেও একটা থাপ্পড় খেয়ে এসেছে।
তাকে আমি বলি তোমাকে যে এভাবে থাপ্পড় মারে তুমি কিছু বলো না। কয় বলি তো - আমিও দুইটা গালি দেই, ঘরের দুইটা হাড়ি পাতিল ছুড়ে মারি, ওর উপরে রাগে বাচ্চার গালে ঠাস করে আমিও থাপ্পড় মারি।
কি আজব জামাইয়ের মাইর খাইয়া নাকি সে বাচ্চারে থাপ্পড় মারে। এটাই নাকি তার প্রতিবাদ।

প্রতিদিন তার ঘরে মারামারি গালাগালি সেগুলো রাস্তা থেকে মানুষ বেশ মজা নিয়ে দেখে। কেউ একবার বলে না এই ছেলে তুমি বউ টা কে এভাবে মারো কেনো। কেউ একবার বউটার প্রতি একটু মায়াও দেখায় না। হয়তো স্বামী বউ কে মারবে এটাই দুনিয়ার নিয়ম। এখানে অন্যায় কারো চোখে পড়ে না।

একদিন আমি রাগ করে মেয়েটা কে অনেক বকেছি। বলেছি - তোমার মতো হাট্টাগাট্টা একটা মেয়ে কিনা ওই চিকন রোগা কারেন্টের খাম্বার মতো বেডার হাতে মার খায়। তুমি একটা ফু দিলেই তো সে উরে যাবে। তোমার যদি আসলেই রাগ হয় ঘরের হাড়িপাতিল না ভেংগে ওরে ভাংগো। ও একটা থাপ্পড় দিলে তুমিও একটা দাও৷ পারলে মাথার উপরে তুলে একটা আছার দাও।
ওই বেটা কিছু করলেও তোমারে মারবে কিছু না করলেও মারবে। অন্তত তারে দুইটা উত্তমমাধ্যম দিয়ে নিজের মনের শান্তি বের করো।

ওমা সে আমার কথা শুনে একদিন সত্যি সত্যি তার জামাই কে ধরে এমন মাইর দিয়েছে যে পুরো এলাকা দেখে হতভম্ব। সেদিন থেকেই সে এলাকার সবচেয়ে খারাপ মেয়ে হয়ে গেলো। সবার মুখে মুখে একটাই কথা এমন মেয়ে নিয়ে কেউ সংসার করবে নাকি। কি খারাপ মেয়েরে বাবা জামাইকে ধরে পিটায়।
অথচ এই মেয়েটা প্রতিদিন মাইর খাওয়ার পরেও একদিন কেউ বলেনি জামাই টা খারাপ।

আমি আমার জীবনে এসব অশিক্ষিত নিম্নবিত্তের সংসারে মারামারি অনেক দেখেছি। তাই বলে শিহ্মিত পরিবারে যে দেখিনি তা নয়। অনেক ভালো পরিবার, স্বামী স্ত্রী সুনামধন্য চাকরিজীবি তাদের ঘরেও আমি বউ কে মার খেতে শুনেছি। এদের দুইজনের মধ্যে পার্থক্য হলো একজন সবার সামনে রাস্তায় এসেও বউ পিটায়, আর অন্যজন ঘরের দরজা আটকে লোক-চোখের আড়ালে বউ পিটায়।
বউ পিটানোর জন্য জঘন্যতম কারণ লাগে না। সামান্য বিষয়েও বউকে পিটানোর অধিকার পুরুষ সমাজের আছে। কারণ তারা কারণে বউ পিটায় না তারা শুধু তাদের পুরুষত্বের প্রমান দিতেই বউ কে মারে।

তবে আমি অন্য রকম চিন্তার মানুষ। আমার কথা হলো তুমি স্বামী হয়ে আমাকে দুইটা থাপ্পড় মারার অধিকার যদি তোমার থাকে তাহলে তোমার অর্ধাঙ্গিনী হিসাবে আমারও তোমাকে একটা থাপ্পড় ফিরত দেওয়ার অধিকার আছে। আমি অর্ধাঙ্গিনী হয়ে ভুলে কিছু করে যদি দুইটা থাপ্পড় খাইতে পারি তুমি পূর্নাঙ্গি হিসাবে কোনো অন্যায় করলে চারটা থাপ্পড় খাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাইকো। তাতে সমাজ আমাকে যাই বলুক। যেই সমাজ আমাকে মাইর খাওয়া থেকে আটকাতে পারবে না সেই সমাজ আমাকে মাইর দেওয়া থেকেও কেনো আটকাবে।

যাই হোক আশে পাশের কোনো একটা বাসা থেকে
চিৎকারে আওয়াজ আসছে। হয়তো কোনো পুরুষ স্ত্রী নামক দাসীকে শাসনের নামে মারছে। সেই থেকেই এতো লম্বা কাহিনি মনে পড়লো।

কানিজ তন্নি

পরাধীনতার শৃঙ্খল কতটা ভয়ঙ্কর, তা স্বাধীন মানুষের পক্ষে বোঝা সম্ভব নয়। আকাশে ডানা মেলে উড়ে বেড়ানো মুক্ত পাখি কি কখনো ...
29/09/2025

পরাধীনতার শৃঙ্খল কতটা ভয়ঙ্কর, তা স্বাধীন মানুষের পক্ষে বোঝা সম্ভব নয়। আকাশে ডানা মেলে উড়ে বেড়ানো মুক্ত পাখি কি কখনো বুঝতে পারবে খাঁচায় বন্দি পাখির কষ্ট, তার নিঃশ্বাসের চাপা হাহাকার? ঠিক তেমনি, যাদের জীবন স্বাধীনতার রঙে রঙিন, তারা কেমন করে বুঝবে আজন্ম পরাধীন মানুষের অসহায়ত্ব।

আমাদের সমাজে মেয়েদের জন্ম থেকেই যেন এক অদৃশ্য খাঁচায় বন্দি করে রাখা হয়। জন্মের পর থেকে বাবা-মায়ের অনুমতির বেড়াজাল, কৈশোরে আরও কঠোর নিয়মের শৃঙ্খল, আর বিবাহের পর তো পরাধীনতার আরেক নতুন অধ্যায়। তখন শুরু হয় স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ির অনুমতির অপেক্ষা। যেন নিজের জীবন নিজের হাতে নয়, অন্য কারো হাতে লেখা।

বিয়ের আগে একটি মেয়ের প্রতিটি ইচ্ছে, প্রতিটি চাওয়া-পাওয়ার জন্য বাবা-মায়ের দিকে তাকাতে হয়। ছোটখাটো আনন্দ, সাধ, স্বপ্ন—সবকিছুর জন্য হাত পাততে হয় তাদের কাছে। আর বিয়ের পরে সেই একই চাওয়া-পাওয়ার জন্য তাকাতে হয় স্বামীর দিকে। বাবা-মা যেমন মাঝে মাঝে ‘না’ বলে দেন, তেমনি স্বামীও বলেন। কিন্তু সব সময়ই যে সেই ‘না’-এর পিছনে যুক্তি থাকে, তা নয়। কখনো থাকে কেবল ক্ষমতার প্রকাশ, কখনো থাকে ইচ্ছার অভাব, আবার কখনো কেবল এই কারণে পাওয়া হয় না যে—তারা চাইলো না।

অনেক মেয়েরা আবার ঘর-সংসারের পাশাপাশি চাকরি করে, ঘাম ঝরিয়ে উপার্জন করে, পরিবারের জন্য নিজের সময় আর শক্তি বিলিয়ে দেয়। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, সেই উপার্জনের উপরও তাদের কোনো অধিকার থাকে না। যে টাকাটা তারা কষ্ট করে রোজগার করে, সেটার দিকেও স্বামী কিংবা শ্বশুরবাড়ির অন্য সদস্যরা কর্তৃত্ব দেখায়। তারা সিদ্ধান্ত নেয় সেই টাকার ব্যবহার নিয়ে, অথচ যিনি সেই শ্রম দিয়েছেন, তার কোনো মতামতকেই গুরুত্ব দেওয়া হয় না। যেন উপার্জনও স্বাধীনতা এনে দেয় না, বরং নতুন আরেক শৃঙ্খল যোগ করে দেয় জীবনে।

ফলে মেয়েদের জীবনটা যেন হয়ে দাঁড়ায় অনুমতির উপর নির্ভরশীল এক দীর্ঘ সংগ্রাম। ডানা থাকা সত্ত্বেও আকাশে উড়তে না পারা পাখির মতো, তারা প্রতিনিয়ত অনুভব করে অদৃশ্য শৃঙ্খলের চাপা যন্ত্রণা।

মেয়েরা নিজে থেকেও স্বপ্ন দেখতে জানে, সিদ্ধান্ত নিতে জানে, জীবন সাজাতে জানে। কিন্তু সমাজের চাপে, পারিবারিক কাঠামোর কারণে তাদের সেই অধিকারগুলো কেড়ে নেওয়া হয়। তাদের শক্তি, প্রতিভা, সাহস—সবকিছুই যেন খাঁচার ভেতরে আটকে রাখা হয়। অথচ তারা যদি স্বাধীনতার স্বাদ পেতো, হয়তো আরও উজ্জ্বল হতো, আরও দীপ্তিময় হতো তাদের জীবন।

প্রশ্ন একটাই থেকে যায়—কবে ভাঙবে এই শৃঙ্খল? কবে মিলবে সেই কাঙ্ক্ষিত মুক্তি? যে মুক্তি একজন মানুষকে মানুষ হিসেবে বাঁচার অধিকার দেয়।

Address

Bayzidnagor Residential Area
Nasirabad
4376

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801648062401

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when H&S Closet posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to H&S Closet:

Share