Eye Care Center BD

Eye Care Center BD "চোখ মানুষের অমুল্য সম্পদ"এখানে আমরা চোখ ও চশমা রিলেটেড বিভিন্ন তথ্য ও সেবা প্রদান করে থাকি। ধন্যবাদ

লম্বা চেহারায় অ্যাভিয়েটর ফ্রেমের চশমা বেশি মানানসই। এতে চেহারায় লম্বাটে ভাব কমে আসবে। কিছুটা চওড়াও লাগবে। অ্যাভিয়েটর ফ্...
25/06/2023

লম্বা চেহারায় অ্যাভিয়েটর ফ্রেমের চশমা বেশি মানানসই। এতে চেহারায় লম্বাটে ভাব কমে আসবে। কিছুটা চওড়াও লাগবে। অ্যাভিয়েটর ফ্রেম ছাড়াও কিছু চার কোনা ফ্রেমের চশমা আপনাকে ভালো মানাবে। 😎

17/06/2023
16/06/2023

➡️চশমার কাচে যেন দাগ না পড়ে👀

দৃষ্টিশক্তির সমস্যা বা রোদ ধুলাবালি থেকে চোখ রক্ষা করা, যে কারণেই চশমা ব্যবহার করা হোক না কেনো, দাগ পড়া কাচ ও ময়লা চশমা ব্যবহার চোখের উল্টো ক্ষতি করে।

সান ফ্রান্সিসকোতে ‘প্যাসিফিক রিমস অপটোমেট্রি’র বিশেষজ্ঞ সেলেনা চ্যান ওয়েলঅ্যান্ডগুড ডটকমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলেন, “চশমা পরিষ্কার করা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি লেন্সের স্বচ্ছতা উন্নত করে এবং এটি চোখের জন্যও নিরাপদ।”

সময়ের সঙ্গে চশমায় ধুলা এবং ব্যাক্টেরিয়া জমে যা চোখের সংক্রমণ সৃষ্টি করে। চশমার দাগ চোখে চাপ এমনকি মাথাব্যথাও সৃষ্টি করে।

পরিষ্কার চশমা ব্যবহার চোখের জন্যই নিরাপদ।

ডা. চ্যান বলেন, “দিনে অন্তত একবার চশমা পরিষ্কার করা প্রয়োজন। তবে যদি ময়লা হয়ে যায় তাহলে একাধিকবার তা পরিষ্কারের প্রয়োজন পড়তে পারে।”

যেমন- কোনো কারণে বাক্স ছাড়াই চশমা ব্যাগে ফেলে রাখলে তা পরে ব্যবহারের আগে অবশ্যই ভালো মতো পরিষ্কার করে নিতে হবে।

চশমা পরিষ্কার খুব একটা তড়াহুড়ার কাজ না। এটা বেশ সূক্ষ্ম শিল্পের মতো যা অনেক মনোযোগ ও সময় নিয়ে করা প্রয়োজন।

11/06/2023

➡️যেসব উপায়ে কমে যাওয়া দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে পারেন👀

১. চোখের জ্যোতি বাড়াতে ভিটামিন এ জাতীয় খাবার বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। মিষ্টি পেঁপে, কাঁঠাল, কুমড়া, কালো কচু শাক, হেলেঞ্চা শাক, পুঁই শাক, লাউ শাক, ধনিয়া পাতা, পাট শাক, গাজর, মিষ্টি আলু, ডিম, কলিজা, মলাঢেলা ছোট্ট মাছ জাতীয় খাবারে চোখের জ্যোতি বাড়ে।

২. চোখকে ধূলিকণা থেকে বাঁচাতে বিশুদ্ধ পানি দিয়ে সব সময় চোখকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

৩. বেশী করে কোরআন শরীফ পাঠ করুন। আল্লাহর রহমতে দৃষ্টিশক্তি কোনো দিন ও কমবে না।

৪. মোবাইল, কম্পিউটার, টিভির ক্ষতিকর তেজক্রিয় রশ্মি থেকে যতটা সম্ভব চোখকে দূরে রাখুন।

৫. সুগার, প্রক্রিয়াজাত ময়দা, ট্রান্সফ্যাট (বনস্পতি) ও ধূমপান পরিহার করা উচিত।

৬. চোখে সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

পুনরায় আগের মতো দৃষ্টিশক্তি ফেরত না পেলেও কিছু ব্যায়াম ও খাদ্যভ্যাস পরিবর্তন করে কমে যাওয়া দৃষ্টিশক্তি আবার বাড়াতে পারেন ইনশাআল্লাহ।

➡️আপনি কখন বুঝবেন আপনার চশমা প্রয়োজন? নিম্নক্ত বিষয়গুলি আপনার মাঝে পরিলক্ষিত হলে অবশ্যই আপনার একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞের শরণা...
10/06/2023

➡️আপনি কখন বুঝবেন আপনার চশমা প্রয়োজন?

নিম্নক্ত বিষয়গুলি আপনার মাঝে পরিলক্ষিত হলে অবশ্যই আপনার একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া দরকার 👉

👉চোখ ছোট করে দেখার চেষ্টা: একেবারে ছোট কোনো লেখা পড়তে কিংবা দূরের কিছু দেখতে মাঝে মাঝে চোখ কুচকে বা আধা বন্ধ করে আরও ভালোভাবে দেখার চেষ্টা করা হয়। তবে দিনে তার প্রয়োজনটা খুব কম সময়ই হয়। কারও যদি এমনটা প্রায়শই করতে হয়, এমনকি সাধারণ জিনিস দেখতেও যদি এমনটা করতে হয় তবে বুঝতে হবে নিজের অজান্তেই দৃষ্টিশক্তির ঘাটতি পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন তিনি। তাই এমতাবস্থায় ওই ব্যক্তির চশমা ব্যবহার করার প্রয়োজন পড়তে পারে।

👉মাথাব্যথা: চোখের পেশির উপর অতিরিক্ত চাপ পড়লে দেখা দেয় দপদপে মাথাব্যথা। কর্নিয়া আর লেন্সকে সঠিকভাবে কোনো কিছুর উপর ‘ফোকাস’ করতে যে পেশিগুলো সাহায্য করে সেগুলো ঠিকভাবে কাজ না করলেই তাদের উপর বাড়তি চাপ পড়ে এবং মাথাব্যথা শুরু হয়।

👉ঝাপসা দেখা: তিন থেকে চার ফিট দুরত্বে থাকা যে কোনো কিছু যদি ঝাপসা দেখেন তবে বুঝতে হবে চোখের সমস্যা হয়েছে। চোখের ডাক্তার দেখাতে হবে।

👉রাতে কম দেখা: রাতের বেলা চোখে কম দেখলে এবং ব্যাপারটি নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হলে তা হতে পারে চোখে ছানি পড়ার পূর্বাভাস কিংবা কোনো ওষুধের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া। দুটোই গুরুতর সমস্যা তাই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

👉চোখের অবসাদ: আধা ঘণ্টা বই পড়লে কিংবা বৈদ্যুতিক পর্দার দিকে তাকিয়ে থাকার পর চোখে কেমন অনুভুতি হয়? জ্বালাভাব, ব্যথা, অবসাদ অনুভব করলে একটানা এতক্ষণ কোনো কিছুর দিকে তাকিয়ে থাকা থেকে বিরত থাকতে হবে। চোখের অবসাদ থেকে মুক্তি পেতে প্রচুর পানি পান করতে হবে।

👉চোখে চাপ: চোখের পেছন দিকে চাপ অনুভব করলে তা হয়ত ‘গ্লুকোমা’র পূর্বাভাস।

👉চোখ কচলানো: চোখে ভালো দেখা জন্য যদি প্রায়ই কচলাতে হয় তবে ধরে নিতে হবে চোখ অবসাদগ্রস্ত কিংবা দৃষ্টিশক্তি কমে যাচ্ছে। তাই দ্রুত চোখের ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে।

ম্যাকুলার ডিজেনারেশন (Macular degeneration)চোখের ম্যাকুলার ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাওয়াকে ম্যাকুলার ডিজেনারেশন বলা হয়। ম্যাক...
08/06/2023

ম্যাকুলার ডিজেনারেশন (Macular degeneration)

চোখের ম্যাকুলার ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাওয়াকে ম্যাকুলার ডিজেনারেশন বলা হয়। ম্যাকুলা হল চোখের পেছনে রেটিনাতে একটা ছোট্ট জায়গা যা দিয়ে আমরা সূক্ষ্ম জিনিসও পরিষ্কার ভাবে দেখতে পাই (যেমন, বইয়ের অক্ষরগুলো পড়তে পারি)। ম্যাকুলা যদি ঠিকমত কাজ না করে, তাহলে চোখের মাঝখান দিয়ে দেখার ক্ষমতা হ্রাস পাবে - ঝাপসা দেখাবে, কিছু কিছু জায়গা অন্ধকার মনে হবে বা সরল রেখাও ঢেউয়ের মতো দেখতে লাগবে। ম্যাকুলা নষ্ট হতে থাকলে কাছের ও দূরের - দুটি দৃষ্টিশক্তিই ক্ষতিগ্রস্থ হবে। এটি নষ্ট হতে থাকলে পড়া, গাড়ি চালানোর, সূচের কাজ করা, ইত্যাদি নানা ক্ষমতা পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যাওয়া সম্ভব।ম্যাকুলা নষ্ট হতে থাকলে চোখের মাঝখান দিয়ে দেখার ক্ষমতা কমে গেলেও পাশ দিয়ে দেখার ক্ষমতা (side বা peripheral vision) অটুট থাকতে পারে। যেমন, ঘডি়র বাইরের গোলটা দেখতে অসুবিধা হবে না, কিন্তু ভেতরে ঘডি়র কাঁটাটা দেখতে পাওয়া যাবে না, ফলে সময়টা বুঝতে পারা যাবে না।অর্থাত্ বলা যেতে পারে, ম্যাকুলা নষ্ট হতে থাকা মনে অন্ধ হয়ে যাওয়া নয়। ম্যাকুলা প্রায় নষ্ট হয়ে গেলেও, দৃষ্টিশক্তি যতটুকু থাকে, তাতে নিজেকে দেখভাল করা সম্ভব। অনেক সময়েই ম্যাকুলা নষ্ট হতে শুরু করলেও দৈনন্দিন জীবনযাত্রা চালিয়ে যাওয়া যায়।

শুষ্ক চোখের সমস্যা এড়াতে নিম্নক্ত বিষয় বিষয়গুলি ফলো করুন👇শসা 👉শসা পানি এবং ভিটামিনের দুর্দান্ত উৎস। এটি ড্রাই আইজের সমস্...
07/06/2023

শুষ্ক চোখের সমস্যা এড়াতে নিম্নক্ত বিষয় বিষয়গুলি ফলো করুন👇

শসা 👉

শসা পানি এবং ভিটামিনের দুর্দান্ত উৎস। এটি ড্রাই আইজের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে। এর জন্য প্রথমে একটি শসাকে গোল গোল টুকরা করে কেটে নিন। তারপর ওই টুকরা চোখের পাতার ওপর কিছুক্ষণ রেখে দিন। দিনে তিনবার এই প্রক্রিয়াটি করা যেতে পারে।

গ্রিন টি👉

গ্রিন টি প্রাকৃতিক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি রূপে কাজ করে এবং চোখের ইনফেকশন রোধ করতে সহায়তা করে। প্রথমে এক কাপ গরম পানিতে একটি গ্রিন টি ব্যাগ, ১০ মিনিটের জন্য ভিজিয়ে রাখুন। তারপর ঠান্ডা হলে, তাতে তুলা ভিজিয়ে ৫ মিনিটের জন্য চোখের পাতার ওপর রাখুন। এই প্রতিকারটি দিনে বেশ কয়েকবার করা যেতে পারে।

ঘুম 👉

পর্যপ্ত ঘুমের অভাবও শুষ্ক চোখের সমস্যার অন্যতম কারণ হতে পারে। পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম, কর্নিয়ার আর্দ্রতা ধরে রাখতে সহায়তা করে। তাই প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন।

➡️শুষ্ক চোখের সমস্যা দূর করার ৭ উপায়চোখের ওপরে পানির একটি পাতলা স্তর থাকে। পানি, তেল, পিচ্ছিল মিউকাস এবং জীবাণুরোধী অ্য...
06/06/2023

➡️শুষ্ক চোখের সমস্যা দূর করার ৭ উপায়

চোখের ওপরে পানির একটি পাতলা স্তর থাকে। পানি, তেল, পিচ্ছিল মিউকাস এবং জীবাণুরোধী অ্যান্টিবডি দিয়ে তৈরি এই চোখের পানি। চোখের গ্রন্থি থেকে কোনো কারণে পানি নিঃসরণ কম হলে চোখ শুষ্ক হয়ে পড়ে। এ সমস্যার একাধিক কারণের মধ্যে সব চেয়ে বড় কারণ কম্পিউটার বা মোবাইল স্ক্রিনে অনেক্ষণ ধরে তাকিয়ে থাকা।

শুষ্ক চোখের সমস্যা হলে নানান অস্বস্তি, জালাপোড়া দেখা দিতে পারে। এতে আলো সহ্য করতে না পারা, ঝাপসা দেখা, লাল হওয়া কিংবা চোখের ভেতর ও বাইরে পিচ্ছিল আঠাল পদার্থ তৈরি হতে পারে। তবে কিছু সহজ ঘরোয়া উপায়ে এই সমস্যা থেকে স্বস্তি মিলতে পারে।

গরম ভাপ👉

শুষ্ক চোখের ক্ষেত্রে গরম ভাপ কার্যকর। গরম ভাপ থেকে আর্দ্র তাপ শুষ্ক চোখ থেকে স্বস্তি দিতে সহায়তা করে। প্রথমে কিছুটা গরম পানি নিন। তাতে একটি পরিষ্কার কাপড় ভিজিয়ে ভালো করে পানি ঝরিয়ে নিন। তারপর ওই কাপড়টি চোখের পাতার ওপর রেখে খুব আলতো করে চাপুন, যাতে চোখের গ্রন্থিতে আটকে থাকা তেল সহজেই বেরিয়ে আসে।

চোখের পাতা ফেলা👉

ঘন ঘন চোখের পাতা ফেলুন এবং কাজ করার সময়ে কিছুক্ষণের জন্য বিরতি নিন। কম্পিউটার বা ল্যাপটপে কাজ করার সময়, মোবাইল ফোন বা টেলিভিশন দেখার সময় বিরতি নেওয়ার চেষ্টা করুন। কাজের মাঝে ঘন ঘন বিরতি নেওয়া হলে, আপনার চোখের আর্দ্রতা ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করতে পারে।

মধু 👉

মধুতে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি এবং অ্যান্টি-সেপটিক বৈশিষ্ট্য থাকে, যা শুষ্ক চোখের চিকিৎসার ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকরী। এটি সংক্রমণ প্রতিরোধ এবং লুব্রিকেশন বৃদ্ধি করে। শুষ্ক চোখের ক্ষেত্রে খাঁটি মধু ব্যবহার করার উপায় হলো- প্রথমে ১/২ কাপ গরম পানি ঠান্ডা করে এক টেবিল চামচ খাঁটি মধু মিশিয়ে নিন। তারপর ওই মিশ্রণে তুলা ভিজিয়ে দিনে দুই থেকে তিনবার ৫ মিনিটের জন্য চোখের ওপর রাখুন।

দই 👉

দই ভিটামিন-বি এবং ভিটামিন-ডি সমৃদ্ধ। তাই খাদ্যতালিকায় দই অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত করুন। প্রতিদিন এই এক কাপ দই খেতে পারলে, শুষ্ক চোখের সমস্যা থেকে মুক্তি মিলতে পারে।

05/06/2023

চশমা মানুষের চোখের রক্ষাকবচ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যে কোনো ধরনের অনিষ্ট থেকে যা চোখের সংবেদনশীল অংশকে রক্ষা করে। সাধারণত চশমা কাচ দিয়ে তৈরি করা হয় এবং সেটা নাকের ওপর এবং দুই কানের সাথে লাগানো থাকে। চোখের সমস্যায় চশমা ব্যবহার করা হলেও অনেক সময় চশমা পরলেও চোখের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

👉চশমা পরে চোখে যাতে বেশি চাপ না পড়ে তার জন্য কী কী সুরক্ষাবিধি মেনে চলবেন?

১. অন্য সময় দরকার না পড়লেও বই পড়ার সময় অনেকেই চশমা পরে নেন। চক্ষু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চশমা পরে বসে বই পড়তে পারেন। কিন্তু শুয়ে বই না পড়াই ভালো। এতে চোখে বেশি চাপ পড়ে। পড়ার সময় বই এবং চোখের দূরত্ব হওয়া উচিত ৩০ সেমি। টানা অনেকক্ষণ ধরে বই পড়বেন না। মাঝে ৫-১০ মিনিটের বিরতি নিন।

২. চশমা ব্যবহার করলে চশমার কাচ পরিষ্কার রাখা জরুরি। চশমার কাচে যেন কোনোভাবেই ধুলো না জমে।

৩. নিজের চশমা কখনও অন্যকে ব্যবহার করতে দেবেন না। এমনকি একই পাওয়ারের চশমা হলেও নয়। কারণ অন্য কারও চোখে সংক্রমণ থাকলে চশমার মাধ্যমে সেই জীবাণু আপনার চোখেও হানা দিতে পারে।

01/06/2023

عن أنسٍ (رض)قَالَ : قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ : ثَلَاثٌ مَنْ كُنَّ فِيْهِ وَجَدَ بِهِنَّ حَلَاوَةَ الْإِيمَانِ مَنْ كَانَ اللّهُ وَرَسُوْلُهٗ أَحَبَّ إِلَيْهِ مِمَّا سِوَاهُمَا وَمَنْ أَحَبَّ عَبْدًا لَا يُحِبُّهٗ اِلَّا لِلّهِ وَمَنْ يَكْرَهٗ أَنْ يَعُوْدَ فِى الْكُفْرِ بَعْدَ إِذْ أَنْقَذَهُ اللّهُ مِنْهُ كَمَا يَكْرَه أَنْ يُلْقى فِي النَّارِ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোকের মধ্যে তিনটি গুণের সমাবেশ ঘটে, সে ঈমানের প্রকৃত স্বাদ পেয়েছে। (১) তার মধ্যে আল্লাহ ও তাঁর রসূলের ভালোবাসা দুনিয়ার সকল কিছু হতে অধিক প্রিয়। (২) যে লোক কোন মানুষকে কেবলমাত্র আল্লাহর উদ্দেশেই ভালোবাসে। (৩) যে লোক কুফরী হতে নাজাতপ্রাপ্ত হয়ে ঈমান ও ইসলামের আলো গ্রহণ করার পর পুনরায় কুফরীতে ফিরে যাওয়াকে এত অপছন্দ করে যেমন আগুনে নিক্ষিপ্ত হওয়াকে অপছন্দ করে। (বুখারী, মুসলিম)

সব চশমার ফ্রেমে একধরনের কোড থাকে।অনেকটা এরকম 54 -20-140। আমরা অনেকেই এই কোড টার মানে জানি না। কিন্তু এই কোড টা বুঝলে চশম...
31/05/2023

সব চশমার ফ্রেমে একধরনের কোড থাকে।অনেকটা এরকম 54 -20-140। আমরা অনেকেই এই কোড টার মানে জানি না। কিন্তু এই কোড টা বুঝলে চশমার ফ্রেম নির্বাচনে আমাদের আর কোন সমস্যা থাকবে না।

ইমেজটির দিকে লক্ষ করুন, 54 সংখ্যাটি হল আই সাইজ। অর্থাৎ এটা ফ্রেমের চোখের অংশের পরিমাপ কতটুকু তা বোঝাচ্ছে। 20 সংখ্যাটি হল ব্রিজের মাপ। অর্থাৎ দুই চোখের সংযোগস্থলের পরিমাপ কতটুকু এটা তা বোঝাচ্ছে। আর 140 সংখ্যাটি হল ফ্রেমের ডাঁটের পরিধি। এটা বোঝাচ্ছে ডাঁট দুটি দৈর্ঘ্যে কতটুকু। এই তিনটি পরিমাপই মিলিমিটারে নির্ধারন করা হয়

Address

Palashbari
5730

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Eye Care Center BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share