30/06/2025
⚫রিজিক বৃদ্ধির আমলঃ
▪️আল্লাহর কাছে রিজিকে বারাকাহ্ চেয়ে দুআ করবেন।
"ইয়া আল্লাহ! আমাকে উত্তম রিজিক দাও। বেহিসাবি রিজিক দাও। ধারণাতীত উত্তম রিজিক দাও। এমন উত্তম রিজিক ,যা আমার দুনিয়া ও আখিরাতে কাজে আসবে। রিজিকের সাথে পরীক্ষা দিও না। বরং সবসময় আফিয়াতের সাথে উত্তম হালত দাও। দুনিয়ায়ও দাও,আখিরাতেও দাও। বরং আমার চাওয়ার চেয়ে উত্তম দাও। তোমার দেওয়া রিজিক তোমার সন্তুষ্টির পথে ব্যয় করার নসীব দাও।"
▪️অধিক পরিমাণে ইস্তেগফার করা। সারাদিন, সবসময় জবানে ইস্তেগফার রাখা। ইস্তেগফারকে নিজের জন্য আবশ্যক করে নেওয়া। বিশেষ করে শেষরাতে অর্থাৎ তাহাজ্জুদের সময় ইস্তেগফার জীবনের সবকিছুতে বারাকাহ্ আনে৷ দুআ কবুলের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।
▪️আত্মীয় স্বজনদের খোঁজ খবর নেওয়া, তাদের হক্ব আদায় করা।
▪️নিয়মিত অল্প হলেও সদকাহ্ করা। সদকাহ্ রিজিক বৃদ্ধি করে। বিপদাপদ দূর করে। সম্পদে বারাকাহ্ আনে।
▪️দুরুদ পাঠ করা। দুরুদ পাঠে হাজত পূর্ণ হয়। দুনিয়া ও আখিরাতের পেরেশানি দূর হয়। আল্লাহুম্মা সল্লি আলা মুহাম্মদ ﷺ।
▪️ নিজের যা আছে, তার জন্য আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করা। শুকরিয়া করলে আল্লাহ বাড়িয়ে দেন।
▪️সূরা কাসাসের ২৪ নং আয়াত পাঠ করা। দুআ কবুলের সময়গুলোতে,সিজদাহ্তে বা বিভিন্ন সময় এই দুআ পড়া। এই দুআর বরকতে আল্লাহ মুসা নবীকে কর্মসংস্থান,রিজিক,নেককার স্ত্রী দিয়েছিলেন।
▪️ নিজের জন্য দুআ করার পাশাপাশি অন্যের জন্যও দুআ করা। যেমন- ইয়া ওয়াহাব! আমার রিজিকের সমস্যা দূর করো৷ আমার জন্য তুমি যথেষ্ট হয়ে যাও। তোমার বান্দাদের মধ্যে যারা রিজিকের পেরেশানিতে আছে,তাদেরও বারাকাহ্ দাও।
অন্যের জন্য দুআ করলে ফেরেশতারা একই দুআ আপনার জন্য করবে।
▪️বিয়ে করা৷ অধিক পরিমাণে সন্তান নেওয়া। বিয়ে-সন্তানের মাধ্যমে রিজিকে অঢেল বারাকাহ্ আসে৷ রিজিক বৃদ্ধি পায়৷
▪️ রুকইয়াহ রিলেটেড সমস্যা থাকলে রিজিকে বাঁধা আসতে পারে। এই ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ রাক্বির সাথে যোগাযোগ করে রুকইয়াহ করা।
▪️ ঘরে প্রতিদিন সূরা বাকারাহ তিলওয়াত করার চেষ্টা করা বা অডিও চালু করে রাখা৷ ঘরে সূরা বাকারাহ তিলওয়াত করা হলে শয়তান আবাস গড়তে পারে না। যে ঘরে শয়তানের আবাস নেই, সে ঘরে রহমত ও বরকত থাকবে।
▪️অপচয়,অপব্যয় থেকে বিরত থাকা। এমনকি একটা ভাতের দানাকেও কদর করা।
▪️সবকিছুর জন্য আল্লাহর উপর ভরসা করা। আল্লাহর উপর পরিপূর্ণ ভরসা করতে পারলে আল্লাহ ধারণাতীত রিজিক দিবেন।
এছাড়াও পুরুষ মানুষের উচিত রিজিকের জন্য হালাল উপায়ে চেষ্টা করা। তাই বলে হারাম ইনকাম করা যাবে না। ইনকাম হালাল না হলে কোনো আমল/দুআ আল্লাহর কাছে কবুল হবে না৷ সকালের সময়টাতে রিজিকের উদ্দেশ্যে বের হওয়া। চাকরির চেয়ে ব্যবসাকে প্রাধান্য দেওয়া। ব্যবসাতে আল্লাহ বারাকাহ্ দিয়েছেন।
বারাকাহ্ মানে অনেক টাকা না। বারাকাহ্ হলো আল্লাহ যা দিয়েছেন,তাতে কল্যাণ থাকা৷ বরকতময় রিজিকে অল্পতেই তুষ্ট থাকা যায়। আর বরকত নেই, এমন অঢেল রিজিকেও মন প্রশান্ত হয় না।