19/05/2026
ঈদের আগে ঘর পরিষ্কার করতে গিয়ে কি আপনার দম বন্ধ হওয়ার যোগাড়?
হয়তো আপনি ভুল পদ্ধতিতে কাজ করছেন!
আমরা সারা বছর ঘর গুছিয়ে রাখি না, আর ঈদের আগের ৩ দিনে সব ঠিক করতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ি। জাপানিজ অর্গানাইজিং এক্সপার্ট ম্যারি কোন্ডোর 'কণমারি' মেথড ফলো করলে আপনার ঘর গোছানো হবে মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যাপার।
কম পরিশ্রমে ঘর একদম ঝকঝকে রাখার ৭টি সিক্রেট টিপস:
১. রুম ধরে নয়, ক্যাটাগরি ধরে গুছান: আমরা আগে একটা রুম ধরি, তারপর আরেকটা। এটা ভুল! বরং আগে সব কাপড় এক জায়গায় করুন, তারপর সব বই, এরপর রান্নার সরঞ্জাম। ক্যাটাগরি ধরে কাজ করলে ক্লান্তি কম হয়।
২. 'স্পার্ক জয়' টেস্ট: কোনো জিনিস হাতে নিয়ে নিজেকে জিজ্ঞেস করুন—এটি কি আপনার মনে আনন্দ দেয়? যদি না দেয়, তবে সেটি স্রেফ মায়া ত্যাগ করে সরিয়ে ফেলুন। জমানো জিনিস কমালে ঘর এমনিতেই বড় দেখাবে।
৩. আগে ছাঁটাই, পরে গোছগাছ: আমরা ভুল করি কি, অপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলোকেই সুন্দর করে সাজানোর চেষ্টা করি। আগে ঘর থেকে বাড়তি জিনিস বিদায় করুন, গোছানোর কাজ অর্ধেক কমে যাবে।
৪. লম্বালম্বি ভাঁজ করার ম্যাজিক: কাপড় একটার ওপর একটা না রেখে, খাড়া করে (Vertical) রাখুন। এতে ড্রয়ার বা আলমারি খুললে সব কাপড় একসাথে দেখা যায় এবং নিচে রাখা কাপড় বের করতে গিয়ে সব এলোমেলো হয় না।
৫. সবকিছুর একটা নির্দিষ্ট ঠিকানা দিন: রিমোট থেকে শুরু করে চার্জার—প্রতিটি ছোট জিনিসের জন্য একটা ফিক্সড জায়গা রাখুন। কাজ শেষে সেটি সেখানেই রাখার অভ্যাস করলে ঘর আর অগোছালো হবে না।
৬. আবেগমাখা জিনিস সবার শেষে: পুরনো ছবি বা চিঠি সবার আগে গুছাতে বসলে স্মৃতিচারণেই ৩ ঘণ্টা পার হয়ে যাবে! তাই এই ক্যাটাগরিটা রাখুন সবার শেষে।
৭. মেহমানদের জন্য বাড়তি জিনিসের স্তূপ সরান: বছরে একবার আসবে এমন মেহমানের জন্য ডাইনিং টেবিলের ওপর সব প্লেট-বাটি সাজিয়ে রাখবেন না। সেগুলো বক্সে ভরে স্টোর রুমে রাখুন, এতে ঘর খোলামেলা লাগবে।
এবারের ঈদে ঘর গোছানো শুরু হবে তো? না কি এখনো আলসেমি লাগছে?
🚩সোফা রানার এপ্লিক এমব্রয়ডারি প্রি অর্ডার চলছে