Amanullah Aman

Amanullah Aman fun for fan

28/06/2022

জিলহজের ১ তারিখ থেকে কুরবানি করা পর্যন্ত নখ-চুল না কাটা সুন্নত। জিলহজের চাঁদ দেখা যাওয়ার আগেই নখচুল কেটে প্রস্তুত থাকি।

এটাই ইসলাম 😍
20/07/2019

এটাই ইসলাম 😍

23/12/2018

Alhamdulillah!
বিশ্ব মানচিত্রে নতুন দেশ হচ্ছে মুসলিম জনপদ ‘বাংসামোরো’
______________________________________
২০১৯ থেকে বিশ্ব মানচিত্রে নতুন মুসলিম দেশ হিসেবে স্থান পাবে ‘বাংসামোরো’। এটি ফিলিপাইনের মিন্দানাও অঞ্চলের অন্তর্ভূক্ত।

নির্যাতিত মুসলিম জনপদ বাংসামোরো পূর্ব এশিয়ার ফিলিস্তিন নামে সমধিক পরিচিত। লাখো মানুষ জীবনদানের মাধ্যমে দীর্ঘ ৫০ বছরের স্বাধীনতা আন্দোলন সংগ্রামে বিজয়ী হয়েছে মোরো জাতি।

মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চল হওয়া বাংসামোরো’র দিকে নজর দেয়নি ফিলিপাইন সরকার। যে কারণে বাংসামোরো জনপদটি একেবারেই অনুন্নত। দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামে বিশ্বের কোনো দেশ সেভাবে সহযোগিতা না করলেও ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট দুতার্তে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘বাংসামোরো’কে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতির ঘোষণা দিয়েছেন।

খনিজসম্পদে সমৃদ্ধ বাংসামোরো নতুন মুসলিম জনপদের প্রধান হচ্ছে ড. মুরাদ ইবরাহিম। তরুণদের নিয়ে গঠিত হবে দেশটির প্রতিরক্ষা বিভাগ।

নতুন বছরে বুঝা যাবে কোন দিকে মোড় নেয় স্বাধীনতাকামী মুসলিম জনপদ বাংসামোরো’র ভবিষ্যত।

প্রসঙ্গত, ৯২ শতাংশ মুসলিম অধ্যুষিত মুসলিম জনপদ বাংসামোরো। মোরো সংক্ষিপ্ত নামে পরিচিত নতুন দেশটির মোট জনসংখ্যা ২ কোটি ৫৬ লাখ।

20/12/2018

উসমান ইবনু ‘আফফান (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন : যখন কোন মুসলিমের ফরয সলাতের সময় উপস্থিত হয়, তখন যদি কোন মুসলিম উত্তমরূপে উযূ করে এবং একান্ত বিনীতভাবে সলাতের রুকূ’ সাজদাহ্ ইত্যাদি আদায় করে তাহলে সে পুনরায় কবীরা গুনাহে লিপ্ত না হওয়া পর্যন্ত তার পূর্বেকার সমস্ত গুনাহ্-ক্ষমা হয়ে যায়। আর এরূপ সারা বছরই হতে থাকে।

ফুটনোটঃ
হাদীস সহীহ : সহীহ মুসলিম হা/৫৬৫, হাদীসের শব্দাবলী তার।

01/07/2018

আফসোস এই জাতির জন্য
যে জাতির ছেলেদের দল হারলে তাদের চোখ দিয়ে পানি ঝরে
কিন্ত তাদের ভাইয়েরা আজ মার খাচ্ছে আফগান ইরাক ; ফিলিস্তিন ; সোমালিয়া সহ পৃথিবীর সবএ। কিন্তু এতে তাদের কিছু আসে যায় না

17/06/2018

" রমাজানে শয়তানকে বেঁধে রাখা হয় "....................................................……

হাদীস শরীফে উল্লেখিত কথাটি বিশুদ্ধ সনদে বর্ণিত হয়েছে৷{মুসতাদরাকে হাকেম হা:১৫৩২,তিরমিযি হা:৬৮২,ইবনে খুযায়মা হা:১৮৮৩ ইবনে হিব্বান ৮/২২১}

হাদীসের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা জানেন যে উক্ত হাদীসটির ব্যাপারে মুহাদ্দিসিনে কেরাম অনেক রকম ব্যাখ্যা দিয়েছেন৷এখন দরসে হাদীস আমার উদ্দেশ্য নয়,তাই সে ব্যাখ্যার আলোচনায় আমি যাবনা৷

তবে…

আমি মনে করি এ হাদীসগুলোকে প্রকাশ্য অর্থে নিলেও তা যথার্থ৷কোন তাবীল ছাড়াই বিশুদ্ধ৷

রমজানে শয়তানকে বেঁধে রাখার বাস্তব প্রমাণ আমি নিজে চোখে অবলোকন করলাম৷

আজকে শাওয়ালের ১ তারিখ৷গতকাল ছিল রমজান মাসের শেষ তারিখ৷গতকাল যে মাসজিদে আসর আদায় করেছিলাম আজকের আসরও সেই একই মাসজিদে আদায় করলাম৷কিন্তু দু:খের বিষয় প্রায় অর্ধেক মুসল্লি হাওয়া…

রমাজান ও গায়রে রমাজানেরপার্থক্যটা স্পষ্ট হয়ে উঠলো৷বারবার মনে হচ্ছিল রাসূলের{স:}বাণী "যখন রমাজানের ১ম রাত আসে তখনই শয়তান ও অবাধ্য জ্বিনদেরকে শিকল পড়িয়ে বেঁধে রাখা হয়…"৷

অতএব,যে যেঅর্থেই বুঝুক না কেন আমি হাদীসটিকে প্রকাশ্য অর্থেই বুঝতে চাই৷আমার মনে হয় সেটাই হাকিকত৷

কারণ…? "বাস্তবতা যে আমার চোখের সামনে"৷

তাই…ঈদের অানন্দের পাশাপাশি আজ রমাজানের বিরহের কষ্টও অনুভব করছি৷

রমাজান আবারও ফিরে আসুক আমাদের মাঝে বারবার…অ-নে-ক বার…আমীন৷৷

20/05/2018

নবীজি সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম বলেন, শুধু পানাহার বর্জনের নাম সিয়াম বা রোযা নয়, বরং সিয়াম হল অনর্থক ও অশ্লীল কথা ও কর্ম বর্জন করা।
-----------------
মুস্তাদরাক হাকিম হাদীস নং-১৫৭০; সহীহ ইবন হিব্বান।

14/04/2018

#পহেলা_বৈশাখ_নিয়ে_কিছু_জরুরি_প্রশ্ন_ও_উত্তর

উত্তর নিয়ে কারো দ্বিমত থাকলে সঠিক
উত্তর বলতে পারেন।

১) প্রশ্ন - বলুন তো, কবে থেকে বাঙালীর হাজার বছরের ঐতিহ্য মঙল শোভাযাত্রা শুরু হয়?
🔵 উত্তর - ২৭ বছর আগ থেকে ১৯৮৯ সালে।

২) প্রশ্ন - বলুন তো, কোন মহান নেতা পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে সরকারি ছুটি দেয়?
🔵 উত্তর - এরশাদ।

৩) প্রশ্ন - বলুন তো, কত হাজার বছর আগ থেকে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে পান্তা-ইলিশ খাওয়া শুরু হয়?
🔵 উত্তর - হাজার নয়, ৩২ বছর আগ থেকে ১৯৮৪ সালে।

৪) প্রশ্ন - বলুন তো, কোন মহান বাঙালী বাংলা সন চালু করেন?
🔵 উত্তর - কোন বাঙালী নয়, বাদশাহ আকবর। সে মঙলীয় বংশোদ্ভূত, ফার্সী ভাষী।

৫) প্রশ্ন - বলুন তো, ঐতিহাসিক রমনার বটমূলটি কোন জাতের বট গাছ?
🔵 উত্তর - ঐটি বট গাছ নয়, অশ্বত্থ গাছ।

৬) প্রশ্ন - বলুন তো, কত হাজার বছর আগে থেকে রমনায় পহেলা বৈশাখ পালন শুরু হয়?
🔵 উত্তর - ৪৯ বছর আগে থেকে, ১৯৬৭ সালে।

৭) প্রশ্ন - পহেলা বৈশাখ একটি সার্বজনিন বাঙালী উৎসব, আচ্ছা ঐ দিন কী কী সার্বজনিন অনুষ্ঠান থাকে?
🔵 উত্তর - হিন্দুদের ঘটপূজা, গণেশ পূজা, সিদ্বেশ্বরী পূজা, হিন্দুদের ঘোড়ামেলা, হিন্দুদের চৈত্রসংক্রান্তি পূজা-অর্চনা, হিন্দুদের চড়ক বা নীল পূজা বা শিবের উপাসনা ও সংশ্লিষ্ট মেলা, গম্ভীরা পূজা, কুমীরের পূজা, অগ্নিনৃত্য, ত্রিপুরাদের বৈশুখ মারমাদের সাংগ্রাই ও পানি উৎসব, চাকমাদের বিজু উৎসব (ত্রিপুরা মারমা ও চাকমাদের পূজা উৎসবগুলোর সম্মিলিত নাম বৈসাবি), হিন্দু ও বৌদ্ধদের উল্কিপূজা, মজুসি তথা অগ্নি পূজকদের নওরোজ, হিন্দুদের বউমেলা, মঙলযাত্রা এবং সূর্যপূজা।

এতো কিছু জানার পরও আমাদের কেন বুঝ হয় না?
আল্লাহ্‌ আমাদের সবাইকে হেদায়েত দান করুক, আমীন।

11/04/2018

কোটা পদ্ধতিতে কর নিতে হবে :/
নাহয় সংস্কার!!!

05/04/2018

১৬ বছরে বিয়ে হলে সমস্যা কিন্তু ১৬
বছরের মেয়ে পার্কে পার্কে ..... যেনা ব্যাভিচারে লিপ্ত হলে সমস্যা নেই।

11/03/2018

ডা: জাকির নায়েক মূলত: একজন ইসলাম প্রচারক। এই পরিচয়েই বিশ্ব তাঁকে চেনে। আমল ও ইবাদতে তিনি ফিকহে হাম্বলী বা সালাফিয়্যাতের অনুসরণ করেন। তাঁর ব্যক্তিগত অভিমতসমূহের একটি হলো, তিনি 'আহলে হাদীস' পরিচয় ধারণের বিরোধিতা করেন।
তাঁর লেকচার কিংবা প্রশ্নোত্তরের মধ্যে ফিকহী মাসআলা কিংবা উলামায়ে কেরামের মাঝে মতপার্থক্যপূর্ণ বিষয় ৫%ও থাকে না। ফিকহী মাসআলা সংক্রান্ত যে কয়েকটি ফুটেজ অনলাইনে দেখা যায় তার বেশিরভাগ বহু আগের এবং তিনি সেগুলোতে অন্য অনেকের মতো আক্রামণাত্মক কথা বলেননি। আনুমানিক বছর চারেক পূর্বের একটি মতপার্থক্যপূর্ণ ফিকহী মাসআলা প্রসঙ্গে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে উলামাদের নিকট রেফার করতে দেখেছি। তাঁর পরিবর্তিত নীতি সম্পর্কে অনেকেই আপডেটেড নন।
দুবাইয়ে তিনি যখন পিসটিভির স্পিকারদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে এসেছিলেন, তখন প্রথম বারের মতো পিস টিভিতে কয়েকজন দেওবন্দী উলামায়ে কেরামকেও আমন্ত্রণ প্রসঙ্গে ইঙ্গিতমূলক অভিযোগ তোলেন একজন স্পিকার। জবাবে ডা: জাকির নায়েক পরিস্কারভাবে বলেছিলেন, আমি ঐক্য চাই। আমি মনে করি, শিয়া এবং (ব্রেলভী) কবরপুজারীরা ছাড়া অন্যদের মধ্যে ঐক্য হতে পারে। দেওবন্দী, জামাতে ইসলামী এবং আহলে হাদীসের পারস্পরিক মতভেদের জায়গাগুলো খুবই কম। (অন্তত: ১০-১৫জন স্পিকারের উপস্থিতিতে তিনি এ মন্তব্য করেছেন। আমি তখন তাঁর কাছ থেকে মাত্র ১হাত দুরে বসা।)
একজন বড় মাপের ডাক্তার আমাকে বলেছিলেন, 'আমি ছাত্র ইউনিয়ন করতাম। ইসলামের ব্যপারে আমার যেসব প্রশ্ন ছিল তার উত্তর কোন আলেমের কাছে পাইনি। কিন্তু হঠাৎই জাকির নায়েক সাহেবের লেকচার কানে আসে এবং সব প্রশ্নের তৃপ্তিদায়ক উত্তর পেতে থাকি'। এরপর থেকে ছাত্র ইউনিয়ন ছেড়ে তিনি এবং তাঁর পরিবার পরিপূর্ণভাবে ইসলাম পালনের চেষ্টা করেন।
বাংলাদেশে যেসব লোক ড. জাকির নায়েক দ্বারা প্রভাবিত হয়েছেন তাদের বিরাট অংশ মূলত: নামমাত্র মুসলিম হলেও ইসলামের প্রতি আস্থা এবং বিশ্বাস পূর্ণমাত্রায় ছিল না, কিংবা ইসলামের প্রতি তেমন কোন আগ্রহ ছিল না; এমনকি কোন আলেমের দাওয়াতও তাদের প্রভাবিত করতে পারছিল না।
আমাদের মান্যবর উলামায়ে কেরামের অনেকে (উগ্রভাবে ইখতেলাফী বিষয়গুলো উপস্থাপন এবং উলামাদের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানো এবং অনৈক্যের বীজবপনসহ) যেসব অভিযোগে ডা. জাকির নায়েক সাহেবকে তুলোধুনা করা পরম কর্তব্য মনে করছেন, সেই সব অভিযোগ তাঁর চেয়ে বহগুন বেশি বিদ্যমান অন্য অনেকের মধ্যে। অথচ যত ঝাল সব ডা: জাকির নায়েকের ওপর!
যখন ব্রেলভী ও কট্টর হিন্দুদের প্ররোচনায় ভারত সরকার লোকটিকে হেনস্থা করতে চাইলো তখন এক সময় তাঁর বিরুদ্ধে ফতোয়া দেওয়া দারুল উলূম দেওবন্দও তাঁর প্রতি সহানুভূতি দেখিয়ে বিবৃতি দিয়েছে। অথচ বিশ্বব্যপী অমুসলিম অপশক্তিগুলো যখন লোকটার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়লো তখন আমরা তার প্রতি আক্রমণের মাত্রা আরো বাড়িয়ে দিলাম! আজ জাকির নায়েকের একহাত নেওয়া একটা ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের বিরাট একটা শ্রেণীর (যারা আহলে হাদীস নয়) সাথে উলামায়ে কেরামের দূরত্বও বাড়ছে।
যেই সেক্টরে তিনি কাজ করছেন সেখানে মুসলিম স্কলারদের পদচারণা খুবই কম। অথচ সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু! এমন একজন লোককে ঘায়েল করে আখেরে আমাদের কি লাভের চেয়ে ক্ষতি বেশি হচ্ছে না?
#মুফতি_আহমাদুল্লাহ

Address

Khulna
Sonadanga
9100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Amanullah Aman posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share