Meye der Dudh Pagol

Meye der Dudh Pagol Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Meye der Dudh Pagol, Women's clothes shop, Sylhet, Sylhet.

31/10/2022

ফারুক মামা বিয়ের দিনের পর থেকে কলি মামি কে আমাদের ফামিলির কোনো পুরুষ আর দেখে নাই । মহিলা বোরকা পরে থাকেন । আমি লুকায় লুকা মামা – মামির সেক্স করা দেখেছিলাম। মামির পাছাটা দেখে আমার খুব ভাল লেগেছিলো। বেশি জোস! ফিগার টাও কঠিন ছিলো। মামা মামিকে হেবি চোদা দিছেন সেদিন। মামি মামার নুনু সাক করার সময় আমাকে এক পলকের জন্য দেখে ফেললেন । কিনতু কিছু বললেন না, মামার নুনু এতো কঠিন চুসা দিলেন মামার মাল বের হয়ে গেলো। এরপর বছর খানিক হয়ে গেলো, মামা বাড়ি যাই না। মামি

নাকি এখন পেগনেনট। ৫মাস এর বাচচা পেটে । আমার মেজাজটা খারাপ হয়ে গেলো। এই ফিগার এর কলি মামি কে এখন বাচচা নিতে হবে কেন ? আর কয়টা দিন লাগায় নিতো মামা। মামা এখন ২মাস হল বিদেশ গেছে।শালা পেগনেনট বউ কে ফেলে রেখে গেছে মাগি লাগাতে। আমার বড় বোন মামা বাসায় ছিল, যে কদিন মামা ছিলো না। এখন আমার বোনের এর পরীক্ষা। মা আমাকে বললেন কয়দিন তর মামার বাসায় থেকে আয়।

আমি চিন্তা করলাম, মামা হারামিটা এই জন্য মামি কে পেট বানায় দিয়া গেলও, আমি মামিরে মনে করে খেছেতেও পারুম না। যাই হোক, আমি গেলাম মামার বাসায়। মামি আমার সামনে আসে না। কাজের মেয়েটা আমাকে গেসট রুম দেখায় দিল, আর বলল, খাটের নিচে একটা ছোট বক্স আসে ঐটা যেন না খুলি। আমার মনটা কেমন করে উঠল। হালার বক্স এর কথা না বললেই তো আমি খুলতাম না। এখন তো মন আনচান করছে .। আমি রাতের খাওয়া শেষ করে, ভাবলাম দরজা লাগায় দেখুম কি আসে বক্সে । দরজা লাগাই তে গিয়া দেখি দরজা লাগানো যায় না। তাতে কি, বক্স খুলে দেখি ৩০-৪০টা চটি-ছবি-সহ ম্যগাজিন।

আমি বুজালাম আমার এখানে খেছতে কোন আসুবিধা হবে না। (আমি জানতাম না এতো পরবলেম হবে| ) লুংগি পরে নুনু খারা হয়ে আসে, দরজা তো লাগে না, তাই ভাবলাম সবাই ঘুমালে আমি শুরু করবো কাম। একবার মনে হল, কামে ছেমরি টা কে ডেকে চুদবো নাকি।।ঐ মাগিটা টো বক্সের কথা বলল। কেমনে বলি, কোনদিন তো কামে ছেমরি চুদি নাই। খারা নুনু নিয়া ঘুমায় গেলাম। হঠাৎ মনে হল, কে জানি আমার নুনু চোসে। আমি মনে করলাম, আসমা(কামের ছেমরি)। কেন জানি, মেয়ে টার মাথায় চাপ দিয়া ধরলাম। আমি বললামঃ ,”আসমা একটু কামড় দিয়া- দিয়া চোস!” আসমা, আমার নুনু তে এত জোরে কামড় দিল আমার মনে হল যে, আমার নুনু ২ ভাগ হয়ে যাবে।

আমি ব্যাথায় ওর চুল ধরে টেনে সরাতে গেলাম, চুল হাতে নিয়া বুঝলাম, এটা আসমা না। আসমা বলাতে খেপে গেসে।কলি মামি কোনো রকম সরানো পর, মামি উঠে গিয়া লাইট জালায় দিলো। মামি বল্লঃ আগে তো জানালার ফাক দিয়া মামি কে, দেখতা .. এখন, নুনু চুসলেও মামি কে চিনো না। যাও আসমা কে চোদো গা। কালকে, আমি আসমা কে বলে দিবো নে, রাতে যেন তোমার সাথে থাকে। আমার পেটে বাচচা দেখে তুমি আমার কথাটা মনেও আনলা না। আমি এত কথা কিসুই শুনি নাই, মামি পেট টার দিকে তাকায় ছিলাম। সে ঘুরে হাটা শুরু করার পর , আহ সেই পাছা টা আবার দেখলাম.. চলে যাওয়া পর বুজলাম, ওহ সিট। আমি দোড় দিলাম, মামির ঘরে। শুধু পেটিকোট পড়ে আছে, কলি আমার জান।

বিছানায় গিয়ে চুমু

 #দুধ   দুধের গ্লাসে বিষ মিশিয়ে এক মহিলা তাঁর স্বামীর হাতে দিয়ে বললো। সারাদিন কাজ করতে করতে তুমি একদম শুকিয়ে যাচ্ছো। ...
16/10/2022

#দুধ দুধের গ্লাসে বিষ মিশিয়ে এক মহিলা তাঁর স্বামীর হাতে দিয়ে বললো। সারাদিন কাজ করতে করতে তুমি একদম শুকিয়ে যাচ্ছো। এখন থেকে প্রত্যেকদিন এক গ্লাস করে গরুর দুধ খাবে। এই নাও লোকটা যেন আকাশ থেকে পড়লো, স্ত্রীর এতো ভালোবাসা দেখে! এক মাস হলো স্ত্রী তাঁর সাথে ভালো করে কথাই বলে না! আর হঠাৎ একেবারে গরুর দুধ! স্বামী উত্তর দিলো। “ ঝগড়া করলে দুজনে সমান সমান করি। দুঃখ কষ্ট দুজনে ভাগাভাগি করে নিই
আমি পুরো গ্লাস একা কীভাবে খাই স্ত্রী আরো আদুরে স্বরে বললো। তোমার জীবন যৌবন তো আমার জন্যই পার করে দিলে। মাথার সব চুল পেঁকেই গেছে। অথচ তোমার দিকে আমি ভালো করে খেয়ালই করিনি! কোনো কথা শুনবো না আমি।
তুমি একাই খাবে পুরোটা! স্বামীর চোখে পানি এসে গেলো! তুমি আসলেই আমাকে অনেক ভালোবাসো! যতই ঝগড়া করো না কেনো! স্ত্রী স্বামীর মাথায় হাত বুলিয়ে বললো। জানো না কী একটা কথা? মানুষ তাঁর সাথেই বেশি ঝগড়া করে। যাকে সে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে! ”স্বামী আবেগপ্রবণ হয়ে গ্লাসের দিকে তাকিয়ে দেখলো একদম খাঁটি গরুর দুধ। “ খাঁটি গরুর দুধ মনে হচ্ছে? ” “ হ্যাঁ গো, মুনিয়ার চাচা সকালে দিয়ে গেলো! ” স্বামী এবার ভালোবেসে বললো, “ বিয়ের পর থেকে আজ পর্যন্ত, খাঁটি কোনো কিছু আমি একা একা খাইনি। তুমিও একটু খাও? ” স্ত্রী স্বামীকে ভুলানোর জন্য চোখ মেরে বললো। “ আজকের জন্য কিছু হবে না।
তোমার পেটে কিছু যাওয়া তো আমার পেটেই যাওয়া না? ” স্বামী দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললো। “ সত্যিই তোমার সাথে আর পারা গেলো না। ” বলেই এক চুমুকে পুরো গ্লাসের দুধ খেয়ে নিলো! স্ত্রী অপেক্ষা করতে লাগলো কখন স্বামী হেলে পড়বে! স্বামী টেবিলে বসে কী যেন কাজ করছে। একঘন্টা দুইঘন্টা করে চার ঘন্টা হয়ে গেলো। স্বামীর কিছুই হচ্ছে না! স্ত্রী অস্থির হয়ে জিজ্ঞেস করলো।“ তোমার কী খারাপ লাগছে না? ” স্বামী মাথা নাড়িয়ে বললো। “ না তো! গরুর দুধ খেয়ে তো আমি আরো চাঙা হয়ে গেছি! ” স্ত্রীর মুখ থেকে বেরিয়ে গেলো। “ তবে কী গোলাইপ্পা ভেজাল জিনিস দিলো? ” স্বামী শুনে ফেললো।
চোখের চশমাটা ভালো করে লাগিয়ে বললো। “ কোন গোলাপ? ঐ ঘটক গোলাপ? ও কোনোদিন কাউকে আসল জিনিস দেয় না! ” বৌ চমকে গিয়ে বললো। “ তুমি জানো কীভাবে? ” স্বামী হালকা কাশি দিয়ে বললো। “ প্রত্যেকদিন লেবুর শরবত খেয়েও তো তোমার কিছু হয় না! আমি কতো যত্ন করে বানাই! ” স্ত্রী কথাটা শুনার সাথে সাথে অজ্ঞান হয়ে মাটিতে

09/10/2022
08/10/2022

dudh wali ra koi

24/07/2022

মধুমিতার গোলাপি দুধের বোটা খাওয়ার বাংলা চটি গল্প

গল্পের শুরুতেই বলে রাখি আমি আমার নাম ঠিকানা পুরোপুরি আলাদা রাখছি কিন্তু গল্প পুরোপুরি সত্যি আমি তখন নীচু ক্লাসে পরি। যখন টিউসন এ আমার এবং মধুমিতার প্রথম দেখা তখন খুবই ছোট চোদাচুদি ব্যাপারে কিছুই বুঝতাম না। যখন বড় উঠি তখন এই বেপারে বুঝা আরম্ভ হয়েছে তখন মোবাইল সবার হাতে হাতে ছিল না যেসব বন্ধুরা মোবাইল ব্যবহার করত তাদের কাছে পানুর বেপারে জানতে পারলাম এবং নিয়মিত দেখতে লাগলাম।

স্কুল এ ঘনিষ্ঠ বন্ধু দের মধ্যে একজন ছিল অনিমেষ সে ব্রেঞ্চের তলায় আমার নুনু নিয়ে খেলা করতো কখনো কখনো পেন্টের ভেতরে হাত ভোরে নুনু নিয়ে খেলা করত। আমরা ক্লাসের পেছনের ব্রেঞ্চে বসতাম যার জন্য স্যার তেমন টের পেত না।একদিন ক্লাস এ সে আমার পেন্টের ভেতরে হাত ভোরে নুনুটাকে উপর নিচ নাড়াতে লাগলো এবং আমি উত্তেজিত হয়ে আমিও প্যান্টের উপর দিয়ে ওর নুনু নাড়াতে লাগলাম।

দুজনেরই নুনু তখন একদম শক্ত হয়ে গিয়েছিল।সে সময় হয়তো আমি বেশি উত্তেজিত হয়েছিলাম। কিছুক্ষন পর আমার হাত পা কাঁপতে থাকে চোখে যেন অন্ধকার দেখি কিছুক্ষন পর আবার ঠিক হয়ে পরি। তারপর দেখি আমার প্যান্ট পুরো ফেদায় ভিজে গেছে বুঝতে পারার পর আমি পকেট থেকে রুমাল বার করে সবটা মুছে ফেলি।এটাই ছিল আমার খেচার প্রথম অভিজ্ঞতা এরপর ডেইলি পানু খেচা ক্লাস এ নুনু নাড়া নারী চলতে থাকলো।

একদিন টিউশন যায় টিউশন এ মধুমিতা আমার পাশে বসে (টিউশনে ছেলে আরএকে alternate বসানো হয় যাতে গল্প কম হয়) সেদিন মধুমিতা একটা স্লিভলেস টপ আর টাইট জিন্স পরে এসেছিল। ব্রেঞ্চের উপরে হাত রাখার ফলে ওর বগল ভালো মতো দেখা যায় এবং ঝুলতে থাকা মাই গুলোও।

ছোট বেলা থেকে ওর শরীরে তেমন ভাবে দেখি নি কিন্তু সেদিন দেখার পরে ওর শরীরের ফটো আমার মনে লেগে গেলো। ওর উলঙ্গ শরীর কল্পনা করে কতবার যে খেচেছি ঠিক নেই মনে চাইতো যে কোনো না কোনো সুযোগ করে তার মাই হলো টিপে ফেলি খেয়ে ফেলি। কোথায় আছে সবরের ফল মিষ্টি হয় ঠিক তেমন তাই হলো আমার সাথে।

আগে মধুমিতার শরীরের বিবরণ দি খুব ফর্সা নয় তবে দেখতে ভীষণ মিষ্টি নাচ করার ফলে তার মাই এবং পাছা একটু বড় 34-28-32 হয়তো এরকমই হবে। তখন আমাদের পরীক্ষা দিন এগিয়ে আসছিল আর আমাদেরকে স্যার নোট মুখস্ত করতে দেয় আমি নিজের মত পড়া করতে থাকি সেদিন মধুমিতা নিজের নোটে আনতে ভুলে গিয়েছিল যার জন্য ওই আমাকে অনুরোধ করাই দুজনে শেয়ার করে নোট পড়তে থাকি।খাতাটা আমাদের মাঝে উঁচু করে ধরে রেখে দুজনে মনে মনে পড়তে থাকি ওই আর আমি দুজনে একদম গায়ে লেগে যায় যাতে ওই কোনো বাঁধা দেয় নি কিন্তু আমি আস্তে আস্তে গরম হতে থাকি।

হটাৎ পেন পরে যায় এবং আমি নিচে নেবার জন্য হাত বাড়ায় আর ওই ঝুকে তুলার জন্য যায় ার ফলে আমার হাত ওর টপ এর ভিতরে অনেকটা ঢুকে যায়। তার উপরে দিকে তাকাই দুজনে চোখাচোখি হবার পরেই আমি খুব দ্রুত হাত বার করে দি কেউ কিছু বুঝার আগেই।

তারপর ওই পেন তুলে এনে আবার আগের মতই বসে সেদিন র কিছু হয় না কিন্তু তার ওই নরম মাই এর স্পর্শ সারারাত ঘুমোতে দেয় না।পরের দিন আবার টিউসনে এ গেলাম আবার ওই র আমি পাশাপাশি।আজকে মধুমিতা নোট এনেছে যার জন্য গায়ে লাগালাগি তা হয় না।

কিন্তু ইংলিশ নোট পড়ার সময় ওই আমার নোট থেকেই পড়বে বলল আমার তো মহাখুশি আবার গায়ে লাগালাগি হবে বলে র সেটা মধুমিতা বুঝতে পারছিল আবার দুজনে সেরকম করে বসলাম মধুমিতা আমার ডান দিকে বসেছিল আমি বা হাত দিয়ে নোট তা ধরে আছি আর ডান হাত তা নিজের থাই এর উপর রেখেছি।

এরপর একটু সাহস করে আমার হাতটা ওর থাই এর উপরে রাখলাম দেখলাম কোনো রেসপন্স নেই আর একটু সাহস করে হাত তা অকগানে নাড়াতে লাগলাম তবু কোনো ভুক্ষেপ নেই যেন আমি কিছুই করছি না। এরপর আমি হাত বদল করলাম বা হাত নামালাম আর সেটা direct পেট এ রাখলাম ওই আমার দিকে একবার দেখলো আবার মুখ ঘুরিয়ে নিলো আস্তে আস্তে টপ এর উপর দিয়েই পেট এ হাত বুলাতে লাগলাম কোন আপত্তি করলো না কখন নাভি যে কখন উপরে কখন নীচে।

এরপর সাহস করে আমি ওর বা দিকের মাই এ হাত রাখলাম একটু নড়ে বসলো কিন্তু আপত্তি দেয় নি।আমি আস্তে আস্তে পুরো থাবা দিয়ে ওর মাই তা ধরলাম দেখলাম স্বাভাবিক এর থেকে বেশ বড় আস্তে আস্তে টিপতে লাগলাম এদিকে আমার নুনু ফুলে ফেঁপে গেছে আমি এদিকে ওর মাই টিপছি এর মধ্যেই স্যার ছুটি দিয়ে দিল।

মহা ঝামেলা এরকম করে দাঁড়ানো বিপদ হবে তাই বসেই থাকলাম মধুমিতা বুঝতে পেরে ওই বসে থাকলে সবাই চলে যাবার পর আমি র ওই বসে রইলাম তারপর আমার নুনু ঠান্ডা হলে দুজনে বাড়ির দিকে হাটতে লাগলাম ওর বাড়ি আর আমার বাড়ি একই পারে তো আস্তে আস্তে হাটতে লাগলাম তখন মাথায় এক বুদ্ধি আসলো।

ওকে বললাম “মধু চল না পার্ক থেকে ঘুরে আসি” প্রথমে না না করলেও পরে রাজি হল। পার্ক এ ঢুকলাম কিছুক্ষন ঘুরলাম বোটিং করলাম তার কণার এক ব্রেঞ্চে গিয়ে বসলাম আসে পাশে তখন কোনো লোক ছিল না। ব্রেঞ্চে আমি আর ওই দূরে দূরে ছিলাম তার পর আমি একবারে ওর গা লেগে বসলাম ওই কিছু বলল না আমি ওর কানের কাছে আসতে করে বললাম যে ভালো লাগছিলো।

মধুমিতা কিছুই বলল না। আমি তখন ওর থাই এর উপ হাত রাখলাম এবং হটাৎ করে মাই টিপে দিলাম। ওই আমার দিকে রেগে বলল “দেখ এসব করা আমাদের ঠিক হচ্ছে না”

আমি তখন মধু কে বললাম “দেখ সেই ছোট থেকে তোকে ভালোবাসি। কিছুদিন আগে তোর স্লিভলেস পড়া সেই টপ দেখার পর থেকে তোর এগুলো খেতে মন করে। কতদিন এর জন্য ঘুম হয় নি।”

ও তখন কি বলবে বুঝতে না পেরে চখ নিচু করে থাকে আমি ওর গালের দুপাশে হাত দিয়ে উঁচু করে কিস করে দেয়। দুজনের মধ্যে কেউ কিস করতে জানি না তবে এটা জনি যে মুখ লাগিয়ে চুষতে হয় তাই করছিলাম আস্তে আস্তে আমি ওর বুকে হাত দেয় মাই টিপি সে কি নরম মাই বলে বুঝাতে পারবো না র সে কি স্বর্গীয় অনুভূতি তবে সেদিন এর থেকে বেশি আর কিছুই হয় না।

13/07/2022

Address

Sylhet
Sylhet
3550

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Meye der Dudh Pagol posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share