13/11/2025
আহারে জীবন আর কতো মেয়ে মানুষের জীবন এমন কেন কেউ একটুও বুঝতে চায়না💔🥺
২২ বছরে স্বামী কখনই তাকে ভালোবাসেনি। ভালো ব্যবহার করে নি।
এত বছরে মাত্র কয়বার তার স্বামী দেশে এসেছে। এসে তিনটি মেয়ে সন্তান তাকে দিয়েছে।
কিন্তু স্বামীর অভাব, ভালোবাসার অভাব, ভালো ব্যবহারের অভাব প্রতিদিন তাকে একটু একটু করে ভে:ঙেচূড়ে শেষ করে দিয়েছে। তবুও সে সংসার ছেড়ে চলে আসতে পারে নিতার কারণ, সে সন্তানের মা।
প্রথমে সংসার ছাড়তে পারেনি, কারণ,তার মনে হয়েছে, একবার বিয়ে যখন হয়েছে করি সংসার। ছেড়ে গেলে সমাজ কি বলবে।
হয়ত পরে ঠিক হয়ে যাবে।
তারপর যখন সন্তান হল, তখন ভাবল,এখন ছাড়লে আমার সন্তানের কি হবে?
বাবা ছাড়া ওদের ভবিষ্যতে কি হবে?
তাই তো শত অবহেলা মেনে নিয়ে, মানিয়ে নিয়ে সংসার করতে লাগল।
যখন মেয়ে বড় হল তখন স্বামীর মানসিক অ'''ত্যা''চারে ক/ষ্টের জীবন মেনে নিল শুধু এই ভয়ে যে, মেয়ে বড় হয়েছে, মা যদি সংসার ছেড়ে চলে যায়, তাহলে মেয়ের বিয়ে দিবে কিভাবে? আর যদি বিয়ে হয়,তাহলে মেয়েটাকে মায়ের জন্য কথা শুনতে হবে 😭।
তাই তো সন্তানের সুখের চিন্তায়,স্বামীর করা অবহেলা,মানসিক য/ন্ত্রণা মেনে নিল দিনের পর দিন।
সংসারটাকে আর ছেড়ে আসা হল না তার।
কিন্তু মেয়ে মানুষের কি ভাগ্য!
যে সন্তানের জন্য একজন মা শ্বশুর বাড়ির সব কষ্ট নিরবে হজম করে, সেই সন্তান যখন বড় হয় তখন মায়ের ত্যাগকে অস্বীকার করে অবলীলায়!
এত য/ন্ত্রণা তিনি যে মেয়ের জন্য সহ্য করলেন,সেই বড় মেয়ে (যাকে তিনি কয়মাস আগে বিয়ে দিয়েছেন) তার মায়ের উপর কোন একটা কারণে রা/গ করে মায়ের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে বহুদিন!
মায়ের সাথে কথা পর্যন্ত বলে না।
কিন্তু মা জাতটা তো বেহায়া😭!
তারা সব ছাড়তে পারে কিন্তু সন্তানের মায়া ছাড়তে পারে না😭!
তাই তো তিনি মেয়ের করা তাচ্ছিল্য, অপমান হজম করে অন্যের ফোন থেকে নিজের মেয়ের নম্বরে ফোন দেন শুধুমাত্র মেয়ের কণ্ঠস্বর শোনার জন্য 😭!
কিন্তু মেয়ে মায়ের উপস্থিতি বুঝতে পেরে ফোন কেটে দেয়।
ওদিকে স্বামী এখনও কথায় কথায় তাকে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলে!
এতদিন পর তিনিও জানিয়ে দিয়েছেন তার নামমাত্র স্বামীকে-
এখন আর তার কোন ভয় নেই।যে সন্তানের জন্য তিনি ২২ টা বছর স্বামীর দেওয়া কষ্ট হজম করেছেন,আজ সেই সন্তান তাকে ভুলে গেছে😭!
তাই তিনি তার স্বামীকে জানিয়ে দিয়েছেন তাকে যেন সে এখন মুক্ত করে দেয়😭!!
তার আর কোন অভিযোগ নেই!
তার কিছু পাওয়ার নেই😭
>©Love Guru Studio