Laaibah boutiques

Laaibah boutiques This is simrah Z Fashion's official page..

28/02/2023

দোয়া কবুলের সময় ও স্থান:

1) সুরা ফাতিহা পাঠ করার পর, সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত পাঠ করে দু'আ করলে দু'আ কবুল হয়। (মুসলিম-৮০৬)
2) অনুপস্থিত ব্যক্তির জন্য দু'আ, কোন মুসলিমের অগোচরে অন্য মুসলিমের জন্য দু'আ করলে দু'আ কবুল হয়। (মুসলিম -৬৮২২)
3) জালিমের বিরুদ্ধে মাজলুম ব্যক্তির দু'আ কবুল হয়। (তিরমীযি-৩৪৪৮)
4) মা-বাবা তার সন্তানের জন্য দু'আ করলে দোয়া কবুল হয় ৷ (তিরমীযি-৩৪৪৮)
5) নেককার সন্তানের দু'আ কবুল হয়। (বাবা-মায়ের জন্য তাদের মৃত্যুর পর)। (আবু দাউদ-২৮৮০)
6) আরাফাতের ময়দানে দু'আ করলে দু'আ কবুল হয়। (তিরমীযি-৩৫৮৫)
7) বিপদগ্রস্ত অসহায় ব্যক্তির দু'আ তাড়াতাড়ি কবুল হয়। (সূরা নমল ৬২,৫৭ ও সূরা ইসরার ৬৭ নাম্বার আয়াত)
8) সেজদায় দু'আ করলে দু'আ কবুল হয়। (নাসায়ী১০৪৫)
9) হজ্জের স্থানসমূহের দু'আ তাড়াতাড়ি কবুল হয়। যেমন: আরাফাহ, মুজদালিফা, মিনা...। (ইবনে মাজাহ-২৮৯২)
10) হজ্জ করা অবস্থায় হাজ্জীর দু'আ কবুল হয়। (ইবনে মাজাহ-২৮৯৩)
11) উমরাহ করার সময় উমরাহকারীর দু'আ কবুল হয়। (নাসায়ী-২৬২৫)
12) আযানের পর দু'আ কবুল হয়। (তিরমীযি-২১০)
13) বৃষ্টি বর্ষণকালে দু'আ করলে দু'আ কবুল হয়। (আবু দাউদ-২৫৪০)
14) শেষ রাতের দু'আ, তাহাজ্জুদের সময়কার দু'আ কবুল হয়। বুখারী-১১৪৫)
15) জুম্মার দিনে দু'আ কবুল হয়, আসরের শেষ দিকে তালাশ করার জন্য নির্দেশ আছে। (নাসায়ী-১৩৮৯)
16) লাইলাতুল ক্বদরের রাত্রির দু'আ কবুল হয়। (বুখারী ও মুসলিম)
17) আযান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়কার দু'আ কবুল হয়। (আহমাদ-১৪৬৮৯, মুসলিম -৬৬৮)
18) ফরয সালাতের শেষ অংশে দু'আ করলে কবুল হয়। (সালাম ফিরানোর আগে)। (রিয়াদুস স্বালেহীন ১৫০৮, তিরমীযি-৩৪৯৯)
19) মুসাফিরের দু'আ কবুল হয়। (সফর অবস্থায়)। (তিরমীযি-৩৪৪৮)
20) রোজাদার ব্যক্তির দু'আ কবুল হয়। (রোজা অবস্থায়/ইফতারের পূর্বে) । (ইবনে মাজাহ-১৭৫২)
21) ন্যায়পরায়ণ শাসকের দু'আ কবুল হয়। (তিরমীযি-২৫২৬)
22) দু'আ ইউনুস পাঠ করে দু'আ করলে দু'আ কবুল হয়। (তিরমীযি-৩৫০৫) দোয়া ইউনুস: লা ইলাহা ইল্লা-আন্তা সুবহানাকা ইন্নি কুনতুম মিনাজ জোয়ালিমীন।
23) ইসমে আযম পড়ে দু'আ করলে দু'আ কবুল হয়। (ইবনে মাজাহ-৩৮৫৬)

23/02/2023

একজন সালাফ একটানা ২০ বছর রোজা রেখেছেন (নিষিদ্ধ দিনগুলো ছাড়া)। তিনি এমনভাবে রোজা রাখেন, তার পরিবারের লোকজন পর্যন্ত জানতো না।

দুপুরবেলা তিনি খাবার টিফিন নিয়ে বাইরে যেতেন। পরিবারের লোকজন ভাবতো, তিনি বাইরে গিয়ে খাবেন।

বাজারে গিয়ে ক্ষুধার্ত মানুষদের হাতে তার টিফিন দিয়ে দিতেন। ক্ষুধার্ত মানুষজন ভাবতো তিনি বাড়ি থেকে খেয়ে এসেছেন।

তার এমন গোপন আমল প্রকাশিত হয় মৃত্যুর পর। নাম তার দাউদ ইবনে আবু হিন্দ রাহিমাহুল্লাহ।
তথ্যসূত্র:

ইমাম ইবনুল জাওযী, তালবীসে ইবলিস, ২৬১ পৃষ্ঠা।
সালাফগণ বলতেন, প্রতিদিন আপনি মাত্র একটা হলেও গোপন আমল করুন, যেটা শুধুমাত্র আপনি এবং আপনার রব জানেন।

22/02/2023

বিপদ ও মসীবতে উত্তম বিনিময় পাবার আশ্চর্য দোয়া!

হযরত উম্মে সালমা (রাঃ) বলেন, একদিন আমার স্বামী আবু সালমা রাদিয়াল্লাহু আনহু রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দরবার থেকে আমার নিকট আসেন এবং অত্যন্ত খুশী মনে বলেন, ‘আজ আমি এমন একটি হাদিস শুনেছি; যা শুনে আমি খুবই খুশী হয়েছি।

হাদিসটি হলো- যখন কোনো মুসলমানের ওপর কোনো কষ্ট বা বিপদ আসে এবং সে পড়ে-
“আল্লাহুম্মা আঝিরনি ফি মুসিবাতি ওয়াখলুফ লি খাইরাম মিনহা।” অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আমার এ বিপদে আমাকে প্রতিদান দিন এবং আমাকে এর চেয়ে উত্তম বিনিময় প্রদান করুন।’

এ দোয়ার বরকতে তখন আল্লাহ তাআলা অবশ্যই তাঁর বান্দাকে উত্তম বিনিময় ও প্রতিদান দিয়ে থাকেন।

উম্মে সালমা (রাঃ) বলেন, আমি দোয়াটি মুখস্ত করি। অতঃপর হজরত আবু সালমার ইন্তেকাল হলে আমি ‌ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন' পাঠ করি এবং এ দোয়াটিও পড়ি। কিন্তু আমার ধারণা হয় যে, আবু সালমা অপেক্ষা আর ভালো লোক আমি কাকে পাবো?

আমার ইদ্দত অতিবাহিত হলে আমি একদিন একটি চামড়া সংস্কার করতে থাকি। এমন সময় রাসুলুল্লাহ ﷺ আগমন করেন এবং ভিতরে প্রবেশের অনুমতি চান। আমি চামড়াটি রেখে হাত পরিষ্কার করে রাসুলুল্লাহ ﷺ কে ভিতরে আসার আবেদন করি। তাঁর জন্য নরম আসনে বসার ব্যবস্থা করি।

তিনি আমাকে বিয়ে করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! এটাতো আমার জন্য বড়ই সৌভাগ্যের কথা। কিন্তু প্রথমত আমি একজন লজ্জাবতী নারী। আমি আশংকা করছি, না জানি আমার দ্বারা আপনার মতের বিপরীত কোনো কাজ ঘটে যায় এবং এ কারণে আল্লাহ তাআলা আমাকে কোনো শাস্তি দেন কিনা! দ্বিতীয়ত আমি একজন বয়স্ক নারী। তৃতীয়ত আমার ছেলে মেয়ে আছে।

তখন রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেন, দেখ!‍ আল্লাহ তাআলা তোমার এ অনর্থক লজ্জা দূর করে দেবেন। আর বয়স আমারওতো কম নয় এবং তোমার ছেলে মেয়ে যেন আমারই ছেলে মেয়ে।

আমি এ কথা শুনে বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! তাহলে আমার কোনো আপত্তি নেই। অতঃপর আল্লাহর রাসূলের সঙ্গে আমার বিয়ে হয়ে যায়। আর এ দোয়ার বরকতে আমি আমার পূর্ব স্বামী আবু সালমা অপেক্ষা উত্তম স্বামী রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে পেয়ে যাই। সুতরাং সমুদয় প্রশংসা মহান আল্লাহ তাআলার জন্য।

হাদিসটি মুসনাদে আহমদে বর্ণিত হয়েছে।

বিপদ ও মসীবতে ধৈর্য ধরে উত্তম বিনিময় পাবার আশা রেখে এ দোয়াটি পড়তে থাকুন। অবশ্যই ফল পাবেন ইনশাআল্লাহ।

মুফতি রাকিবুল ইসলাম হোযায়ফী

14/02/2023

১ মিনিট ধৈর্য ধরে পড়ুন...
জিবরাঈল (আঃ)কে আল্লাহ তায়ালা তৈরী করলেন।
জিবরাঈল (আঃ) আল্লাহ তায়ালাকে জিজ্ঞাসা করলেন আল্লাহ আপনি কিসে খুশি হন??
আল্লাহ তায়ালা জানিয়ে দিলেন আমি সবচেয়ে বেশি খুশি হই আমার বান্দা যখন আমাকে সিজদা করে। অত:পর জিবরাঈল (আঃ) আল্লাহ তায়ালা কে সিজদা করলেন ৩০ হাজার বছর ধরে।
জিবরাঈল (আঃ) মনে মনে খেয়াল করলেন আমার থেকে এত বড় দামি, এত বড় লম্বা সিজদা দুনিয়ার আর কেউ করতে পারবে না।
আল্লাহ তায়ালা নিশ্চয় আমার প্রতি খুশি হবেন।
জিবরাঈল (আঃ) আল্লাহ তায়ালার দিকে মুতাহজ্জির হয়ে রইলেন কিন্তু আল্লা তায়ালার পক্ষ থেকে কোন খুশির বাণী জানান হল না, জিবরাঈল (আঃ) আল্লাহ তায়ালা কে জিজ্ঞাসা করলেন আল্লাহ আমি যে এত লম্বা সিজদা করলাম আপনি কি আমার সিজদার প্রতি কোন খুশি হন নাই? আল্লাহ তায়ালা জানিয়ে দিলেন - জিবরাঈল তোমার জবাব আমি দেব তার আগে তুমি একটু আরশে আজিমের দিকে তাকাও, জিবরাঈল (আঃ) তাকিয়ে দেখলেন আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আরশে আল্লাহর কুদরতী নূর দ্বারা লিখা রয়েছে- ''লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ''(সাঃ)
জিবরাইল (আঃ) জিজ্ঞাসা করলেন- হে আল্লাহ্!! আমার সিজদার সংগে এই কালিমার কি মিল?? আল্লাহ তায়ালা বললেন, ও জিবরাইল শোন আমি আল্লাহ এ দুনিয়া তৈরী করব ওই দুনিয়ার মানব জাতি ও জিন জাতির হিদায়াতের জন্য লক্ষাধিক নবি-রাসূলগনকে পাঠাব সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ নবী মুহাম্মদ কে পাঠাব
এই নবীর উম্মতের উপরে আমি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরয করব আর প্রতি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের মধ্যে সতেরটা করে রাকাত আমার জন্য ফরয করব প্রত্যেকটা রাকাতের মধ্যে দুটি করে সিজদা হবে আর প্রত্যেকটা সিজদার মধ্যে ওই নবির উম্মত তিনবার করে "সুবহা-না রাব্বিয়াল আলা-" পাঠ করবে। জিবরাইল তুমি জেনে রাখ আমার ওই মাহবুব নবীর উম্মত যখন সিজদায় গিয়ে "সুবহা-না রাব্বিয়াল আলা-" বলে আমাকে ডাক দিবে, জিবরাইল তুমি ৩০ হাজার বছর সিজদা করে যে নেকি পেয়েছ, আমি আল্লাহ্ আমার বান্দার আমল নামায় এর থেকেও ৪০ হাজার গুন বেশি নেকি লিখে দিব, সুবহানাল্লাহ...!!
এই জন্য মুসা (আঃ) কাঁদছেন, আল্লাহ!! আমাকে ওই নবীর উম্মত বানাইয়া দাও, যে নবীর উম্মত এক সিজদায় জিবরাঈল (আঃ) এর সারা জীবনের ৩০ হাজার বছরের সিজদার নেকি নিয়ে গেল।।
আমরা সেই নবীর উম্মত আমাদের কি করা উচিত আর আমরা কি করছি...?
আল্লাহ আমাদের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার তৌফিক দিন।
আমিন..🤲🤲 🤲🤲

যোগ্য পিতার যোগ্য পুত্র ❤️🙏যারা সিলেট হয়ে মেঘালয় বেড়াতে যান তারা ডাউকি সেতু পার হন। যারা জাফলং জিরো পয়েন্ট ঘুরতে যান, তা...
26/06/2022

যোগ্য পিতার যোগ্য পুত্র ❤️🙏

যারা সিলেট হয়ে মেঘালয় বেড়াতে যান তারা ডাউকি সেতু পার হন। যারা জাফলং জিরো পয়েন্ট ঘুরতে যান, তারা সেখানে ভারতের একটি ঝুলন্ত সেতু দেখতে পান। এই সেতুটি নির্মিত হয়েছিল ১৯৩২ সালে। সেতু নির্মাণে প্রধান প্রকৌশলী ছিলেন সিলেটের সন্তান আবিদ রেজা চৌধুরী।

সেতুটি নির্মাণের ইতিহাসও বেশ চমকপ্রদ। ১৯১৯ সালে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শিলং বেড়াতে এসেছিলেন। এটা শুনে তৎকালীন শ্রীহট্টে (বর্তমান সিলেট) কবিকে নিয়ে আসার তোড়জোর শুরু হয়। কিন্তু বিপত্তি দেখা দেয় যাত্রাপথ। তখন উমগট নদীর উপর কোন সেতু ছিল না, গাড়ি চলার পথও সেভাবে ছিল না। মানুষ পার হতো মানুষের পীঠে চড়ে! রবীন্দ্রনাথ মানুষের পীঠে চড়ে এভাবে আসতে রাজী হননি। অনেকটা ঘুরে তাই ট্রেনে করে তিনি সিলেটে আসেন গৌহাটি-বদরপুর-লাতু (বড়লেখার শাহবাজপুর)-কুলাউড়া পথ দিয়ে।

এরপরই সিলেট-শিলং সরাসরি সড়ক পথটি নির্মাণের আলোচনা জোরালো হয়। তখনকার প্রভাবশালী কংগ্রেস নেতা ও মন্ত্রী সিলেটের বুরঙ্গা গ্রামের বসন্ত কুমার দাস বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগী হন। তার চেষ্টায় বাজেট বরাদ্দও হয়ে যায়। কিন্তু উমগট নদীতে খাসিয়া ও জৈন্তিয়া পাহাড়কে যুক্ত করতে কঠিন একটি সেতু নির্মাণের দরকার পড়ে। তখন আবিদ রেজা চৌধুরী প্রকৌশলী হিসেবে শিলংয়ে চাকরি করছিলেন। আবিদ রেজার বাড়ি ছিল তৎকালীন সিলেটের করিমগঞ্জে, পরে তার পরিবার বড়লেখার শাহবাজপুরে থিতু হয়েছিল। তার উপরই পড়ে সেতুর নকশার ভার। ১৯৩০ সালে আবিদ রেজার নকশা, নির্দেশনায় তৈরি হতে থাকে এই সেতু।

ব্রিটিশ ভারতে আসাম প্রদেশের রাজধানী ছিল শিলং। আর সিলেট ছিল আসামের একটি জেলা শহর। দুই গুরুত্বপূর্ণ শহরের মধ্যে ৯০ বছর আগে তৈরি হয় সরাসরি যোগাযোগের পথ। যা আজও চলমান।

গল্পটি এই সময়ে প্রাসঙ্গিক কারণ আবিদ রেজার পুত্র অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরীও আরেকটি ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ সেতুতে ইতিহাসে নাম উঠালেন। প্রয়াত জামিলুর রেজা ছিলেন পদ্মা সেতুর প্রধান পরামর্শক। মানুষের চলাচলের ব্যবস্থাকে সহজ করে দেওয়া দুই কীর্তিমানকে শ্রদ্ধা।

আবিদ রেজা চৌধুরী
প্রধান প্রকৌশলী
ডাউকি সেতু, উমগট্ নদী ১৯৩২ খ্রিস্টাব্দ
পশ্চিম জয়ন্তিয়া জেলা, মেঘালয়, ব্রিটিশ ভারত

জামিলুর রেজা চৌধুরী
প্রধান পরামর্শক
পদ্মা সেতু, পদ্মা নদী ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
মুন্সিগঞ্জ-শরীয়তপুর জেলা, বাংলাদেশ

(তথ্যসূত্র: মিলু কাশেম, ছবি- সংগ্রহ)

© Ekush Tapader

আমার সিলেট  ভালো নেই 😢😢😢😢
17/06/2022

আমার সিলেট ভালো নেই 😢😢😢😢

10/08/2021

Address

Sylhet
3100

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Laaibah boutiques posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share