Daily Baby Care

Daily Baby Care Daily Baby Care is a easy to buy and sales platform. If you are interested in creative and flexible That's great opportunity for customer. Phone UK: 02039044100

Daily Baby Care on a combination of good quality products at low prices. Daily Baby Care since 11/04/2021 started E-commerce marketplace all types of products business. Daily Baby Care is a concern company of Daily Discounts BD. Present time our business (Daily Baby Care) grow day by day. Customer first choice our products, because Daily Discount always maintain & provide/sell best quality & good

products. Customer Satisfied is our main purpose. BD Our Location: House #10, Road #12, Sector 4, Uttara Dhaka 1230

UK Office Address: City gate House Business Centre, 246-250 Rumford Road,
London E7 9HZ, United Kingdom​.

14/11/2021
শুধু এই সপ্তাহের জন্য UPTO 50% ডিসকাউন্টে পাচ্ছেন এই পোস্টের সকল মেকআপ আইটেম গুলো।পছন্দের পন্য টি নিতে স্টক শেষ হবার আগে...
15/10/2021

শুধু এই সপ্তাহের জন্য UPTO 50% ডিসকাউন্টে পাচ্ছেন এই পোস্টের সকল মেকআপ আইটেম গুলো।
পছন্দের পন্য টি নিতে স্টক শেষ হবার আগেই জলদি লুফে নিন অফার টি ।
✅ অর্ডার করতে মেসেজ করুন আপনার নাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বরসহ আপনার পছন্দ করা পন্যর ছবি।

✅ অথবা কল করুন এই নম্বরে 01980000300 নম্বরে

✅ ঢাকায় 50 টাকা হোম ডেলিভারি চার্জ, ঢাকার বাহিরে জেলা শহরগুলোতে হোম ডেলিভারি চার্জ 100 টাকা

08/10/2021
সব জায়গায় এখন একটাই আলোচনা—করোনাভাইরাস। সবাই সচকিত এই একটি বিষয়ে। সচেতনতাই পারে একে প্রতিরোধ করতে। তাই সব সময়ের মতো শিশু...
11/09/2021

সব জায়গায় এখন একটাই আলোচনা—করোনাভাইরাস। সবাই সচকিত এই একটি বিষয়ে। সচেতনতাই পারে একে প্রতিরোধ করতে। তাই সব সময়ের মতো শিশু ও মায়েদের প্রতি অবশ্যই যত্নশীল হতে হবে এই সময়েও।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক সাঈদা আনোয়ার বলেন, শিশুদের মধ্যে করোনাভাইরাস সংক্রমণের হার কম। বিশেষত ০-৯ বছর বয়সের মধ্যে সংক্রমণ হয় না বললেই চলে। শিশুদের ওপর এর প্রভাব কম হলেও ওদের নিয়ে অসতর্ক হওয়ার সুযোগ নেই। করোনাভাইরাস ছাড়াও অন্য জীবাণুদের কথা ভুলে গেলে চলবে না। এই শিশুদের শরীরে জীবাণু প্রবেশ করলে ওদের মাধ্যমেও সংক্রমিত হতে পারেন পরিবারের অন্যরা। তাই ঝুঁকি এড়িয়ে চলাই শ্রেয়। যদিও ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি খানিকটা কম, তবে যেসব শিশু অপুষ্টিতে ভুগছে, তাদের ঝুঁকির মাত্রা বেশি হতে পারে।

স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক আফরোজা কুতুবী বলেন, গর্ভাবস্থায় রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকার কারণে ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি থাকে। অন্যান্য ভাইরাসের পাশাপাশি করোনাভাইরাসের সংক্রমণও হতে পারে। গর্ভবতী এবং সদ্য সন্তানের জন্ম দিয়েছেন (বিশেষত ২ সপ্তাহের মধ্যে), এমন মায়েদের বিশেষ সাবধানে থাকা উচিত।

মা ও শিশুর জন্য

করোনাভাইরাস প্রতিরোধের সাধারণ নিয়মগুলোই বিশেষভাবে মেনে চলার পরামর্শ দিলেন বিশেষজ্ঞরা। এ ছাড়া মা ও শিশুর সার্বিক পরিচর্যা তো চলবেই অন্য সময়ের মতো।

● ভিড় এড়িয়ে তো চলতেই হবে মা ও শিশুকে। দোকানপাট, অনুষ্ঠান এড়িয়ে চলুন। ঘরের বাইরে না যাওয়াই ভালো। বাইরে গেলেও সম্ভব হলে লিফট এড়িয়ে চলুন।

● গণপরিবহন এড়িয়ে চলা ভালো। গর্ভবতী মাকে কাজের জন্য বাইরে যেতে হলেও তাঁর জন্য ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবস্থা করতে পারলে ভালো। সেটিও ভাড়ায় চালিত বাহন (যা অন্যরাও ভাড়া করতে পারে, যেমন অনলাইনভিত্তিক পরিবহনসেবা) না হয়ে একান্ত নিজের বাহন হলে সবচেয়ে ভালো।

● মা অফিসে গেলেও নিজের ডেস্কেই থাকুন। নিতান্ত প্রয়োজন না পড়লে অনেকের সঙ্গে একই কক্ষে অবস্থান না করা ভালো। বাইরের খাবার না খেয়ে ঘর থেকে ভালোভাবে রান্না করা খাবার নিয়ে বেরোন।

● পরিবারের অন্যরা বাইরে থেকে ফিরেই মা কিংবা শিশুকে স্পর্শ করবেন না, শিশু দৌড়ে এলেও না। যেকোনো সময় মা কিংবা শিশুকে স্পর্শ করতে হলে আগে নিয়মমাফিক সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিন। না পেলে অ্যালকোহল সমৃদ্ধ হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন। বাড়িতে ঢুকতেই হাত পরিষ্কারের ব্যবস্থা রাখতে পারেন। যিনিই বাইরে যান না কেন, বাইরের জুতা বাইরেই রাখুন। ঘরে ফিরে বাইরের কাপড় ছেড়ে ফেলুন। সম্ভব হলে তখনই সাবান দিয়ে ধুয়ে নিন এবং নিজেও সাবান দিয়ে গোসল করে নিন।

● শিশু একটু বড় হলে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, হাঁচি-কাশি ঢাকা, কফ-থুতু ফেলার নিয়ম শেখান এবং তাকে বারবার মনে করিয়ে দিন। শেখান হাত না ধুয়ে চোখ-নাক-মুখে হাত দেওয়া যাবে না। পরিবারের সবাইকেই এসব নিয়ম মেনে চলতে হবে অবশ্যই।

● ঘরের যেসব স্থান বারবার স্পর্শ করা হয়, তা জীবাণুমুক্ত রাখুন।

● মায়েদের পুষ্টিকর খাবার দিন (আমিষ ও ভিটামিন সি জাতীয় খাবারও থাকবে সুষম খাদ্যতালিকা অনুসরণ করে)।

● শিশুকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন। প্রতিদিন কাপড় বদলে দিন।

● শিশুকে ঠোঁট দিয়ে আদর না করাই ভালো।

● নিয়মমাফিক বুকের দুধ দিন শিশুকে। রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে প্রথম ৬ মাস মায়ের দুধ দেওয়ার কোনো বিকল্প নেই।

● মায়ের ডায়াবেটিস, হৃদ্​রোগ প্রভৃতি থাকলে আরও বেশি সতর্ক থাকতে হবে। করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট জটিলতায় তাঁরাই বেশি পড়েন, যাঁদের বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি অসুখ রয়েছে।

সদ্যোজাত শিশু ও তার মা

পরিবারে নতুন অতিথি এলে তাকে দেখার জন্য উদ্​গ্রীব হয়ে ওঠেন অনেকেই। গর্ভবতীকে দেখতেও ছুটে আসেন অনেকে। তবে এ রকম না করাই ভালো। যেকোনো পরিস্থিতিতেই (করোনাভাইরাস সংক্রমণের ভয় থাক বা না থাক) শিশুকে স্পর্শ করতে চাইলে নিয়মমাফিক হাত ধুয়ে নিন আগে। তবে হাঁচি-কাশি, জ্বর, শ্বাসকষ্ট থাকলে মা ও শিশুর কাছে যাবেন না। অস্ত্রোপচার হয়ে থাকলে অবশ্য করোনাসংক্রান্ত বাড়তি কোনো ঝুঁকি নেই মায়ের।

অনেকেরই ধারণা জন্মের পর থেকে শিশুর যত্ন নিতে হয়। ব্যাপারটা আসলে তা নয়। গর্ভাবস্থা থেকেই শিশুর বিশেষ যত্নের প্রয়োজন। সেই ...
11/09/2021

অনেকেরই ধারণা জন্মের পর থেকে শিশুর যত্ন নিতে হয়। ব্যাপারটা আসলে তা নয়। গর্ভাবস্থা থেকেই শিশুর বিশেষ যত্নের প্রয়োজন। সেই সঙ্গে সবল বাচ্চা জন্ম দিতে হলে মায়েরও সুস্থ থাকাটা বেশ জরুরি। এ রকমই শিশু ও মায়ের যত্ন নিয়ে কিছু পরামর্শ দিয়েছেন শিশু-সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. সোহেলী আলম।
মায়ের যত্ন

গর্ভাবস্থা থেকেই মায়ের পুষ্টির দিকে খেয়াল রাখতে হবে। কারণ মায়ের সঠিক পুষ্টি ও যত্নের উপর নির্ভর করছে একটি সবল শিশুর জন্ম।

অনেকেই মনে করেন মা বেশি খেলে বাচ্চা বড় হবে। সে ক্ষেত্রে জন্মের পর মায়ের সমস্যা হবে। তবে মায়ের জন্য মিনারেল, কাবোর্হাইড্রেটের মতো ৬টি উপাদানের প্রয়োজন। এই উপাদানগুলো যখন মায়ের শরীরে পরিমাণ মতো থাকবে তখনই একটি সুস্থ শিশুর জন্ম হবে।

গর্ভাবস্থায় মায়ের খেয়াল রাখাটাও বেশ জরুরি। এই সময় একজন মাকে ভারী জিনিস তুলতে দেওয়া যাবে না। স্বামীর সঙ্গে পরিবারের অন্য সদস্যদেরও সহানুভূতিশীল হতে হবে।

গর্ভাবস্থায় স্বামী-স্ত্রীর মিলন হওয়া উচিত নয়। বিশেষ করে থার্ড ত্রাইমেস্তারের (তৃতীয় স্তর) সময় একেবারেই নয়। নাহলে পানি ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ কাজ যেটা মাকে করতে হবে, সেটা হল মা অবশ্যই তার দুধের বোঁটার দিকে খেয়াল রাখতে হবে। কারণ বোঁটা যদি ভোতা থাকে তাহলে শিশুকে দুধ খাওয়াতে অসুবিধা হবে। সে জন্য বোঁটা টিপে টিপে ম্যাসাজ করে চোখা করতে হবে, যাতে শিশু ঠিকমতে দুধ পায়।

এছাড়াও খেয়াল রাখতে হবে বোঁটা ফেটে গেছে কি না। এ জন্য চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে। নইলে শিশুকে জন্মের পরপর দুধ খাওয়াতে গেলে সমস্যা হতে পারে।

ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী anti-natal চেকআপ করাতে হবে। বিভিন্ন ধরনের টিকা সময়মতো নেওয়াটা মায়ের জন্য বিশেষভাবে জরুরি।

এছাড়া যদি লেবার পেইন বা প্রসববেদনা নির্দিষ্ট সময় পার হয়ে যাওয়ার পরও না হয় তাইলে দ্রুত ডাক্তারের কাছে যেতে হবে।

শিশুর যত্ন

জন্মের পরপরই বাচ্চার গায়ের লেগে থাকা সাদা মতো অংশগুলো পরিষ্কার করে ফেলতে হবে। তার পায়খানা ও প্রস্রাবের রাস্তা ঠিক আছে কি না, বা চোখের সমস্যা আছে কি না খেয়াল করতে হবে।

অনেক সময় শিশুর খাদ্যনালী ঠিকমতো তৈরি হয় না। ফলে মুখ থেকে ফেনা বের হয়। তখন শিশুকে দ্রুত ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হবে। এ ব্যাপারগুলো সাধারণত ডাক্তাররাই খেয়াল করে থাকেন।

নবজাতককে কাপড় দিয়ে ভালো করে মুড়িয়ে রাখা উচিত। তবে গরমের সময় হালকা কাপড় পরিয়ে রাখা ভালো। খেয়াল রাখতে হবে ঘাম যাতে না হয়। অনেক সময় ঘামের কারণে বাচ্চার ঠান্ডা লেগে যায়।

বাচ্চাকে সবসময় বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। অনেক সময় দেখা যায়, প্রথমদিকে শিশু দুধ পায় না। এ জন্য তিনদিন অপেক্ষা করতে হবে। তবে বারবার টানতে দিতে হবে। আর দুদিক দিয়েই দুধ খেতে দিতে হবে। টানা একদিকে খেতে থাকলে অন্যপাশের বুকটা ভারী হয়ে যাবে।

কোনো কারণে যদি দুধ একপাশে জমতে থাকে তাহলে সেটা টিপে টিপে বের করে একটা বাটিতে করে নিয়ে ফ্রিজে রেখে দিতে হবে। এরপর বাচ্চাটিকে ছোট চামচ দিয়ে খাওয়াতে হবে।

ফিডার বা বোতলে দুধ খাওয়ার অভ্যাস একদম করা যাবে না। এই অভ্যাস হলে শিশু আর বুকের দুধ খেতে চাইবে না।

এভাবে টানা ছয়মাস শিশুকে শুধু বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। আর কিছু খাওয়ানো যাবে না। এমনকি পানিও না। ছয়মাস পর থেকে বুকের দুধের পাশাপাশি শিশুকে ধীরে ধীরে অন্যান্য খাবার যেমন-- ভাত, ডাল, সবজি, ডিম, মাংস, মাছ এসব খাওয়ানোর অভ্যাস করতে হবে।

সবসময় খেয়াল করতে হবে বাচ্চার মানসিক পরিবর্তনগুলো ঠিকমতো হচ্ছে কি না। যেমন পাঁচ থেকে ছয়মাস বয়সে বাচ্চা হাঁটার চেষ্টা করে। দেড় দুই বছর বয়সে কথা বলার চেষ্টা করে।

অনেক বাচ্চা আছে, যারা দেরিতে কথা বলে। তখন ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিত।

বাচ্চার ওজন ঠিকঠাক আছে কি না সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। জন্মের সময় একটি সুস্থ বাচ্চার যে ওজন থাকে, ছয়মাস পরে তার ওজন হয় দ্বিগুণ। এক থেকে দেড় বছর বয়সে ওজন তিনগুণ বেড়ে যায়।

এছাড়া শিশুর টিকাগুলো সময়মতো দেওয়া হচ্ছে কি না সেদিকও নজর রাখতে হবে। ছোটখাটো অসুখ যেমন বমি, পায়খানা, জ্বর-- এগুলো হলে ডাক্তারকে জানাতে হবে কিংবা নিয়ে যেতে হবে। এরপর ডাক্তার শারীরিক অবস্থার উপর নির্ভর করে যে উপদেশগুলো দেবেন সেগুলো মেনে চলতে হবে।

শিশুর জন্মের আগে ও পরে যদি এইসব দিকগুলো ঠিকমতো খেয়াল করা হয় তাহলে আপনার শিশুটি অবশ্যই সুস্থ ও সবল থাকবে।

Address

Turag

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:30 - 22:00

Telephone

+8801980000300

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Daily Baby Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Daily Baby Care:

Share