17/06/2026
এরপর বাচ্চা বড় হয়ে গেলে বাচ্চাকে আলাদা করে কানের কাছে গুজুর গুজুর পুসুর পুসুর করেও লাভ নেই যে মা'র ভক্ত হইয়োনা তার ভক্ত হও যে তোমরা পেটে থাকতে তোমার মাকে চোখ মেলেও দেখেনি ভালো আছে নাকি খারাপ আছে!
এদেরকে সম্পর্কের খাতিরে ঢাকে যে এটাও বেশি।
বেশিরভাগ বাচ্চারা নানা বাড়ির ভক্ত হয় কেন??
আমার বাচ্চাদের দিয়েই বলি আমার বড় ছেলে তাহমীম যখন পেটে ছিলো পুরো প্রেগন্যান্সির সময় আমি ছিলাম বাবার বাসায়। আমার খাওয়া-দাওয়া ,আদর যত্ন যা করার সব বাবা-মা + আমার ফ্যামিলি মেমবাররা করতো। আর বাবার বাড়ি মেয়েরা আহলাদি থাকে। কোন দিক থেকে কমতি ছিলো না যত্নের দিক দিয়ে ইভেন যখন যেটা খাওয়ার ক্রেভিংস হতো সেটাও হাজির হতো। তাহমীম হওয়ার পরও সম্পূর্ণ যত্ন নানা-নানীই বেশি করেছে। এজন্য তাহমীমের সবসময় ওর নানা-নানুর প্রতি টান। শুধু নানা-নানুই না নানা বাড়ির সবার প্রতি ওর সফট কর্নার কাজ করে।কারো কথা না শুনলেও নানার কথা ও সবসময় শুনে।
এদিকে আমার মেয়ে রিমশা মণির সময় পুরো প্রেগন্যান্সির টা আমি ঢাকাতে। আমার প্রেগন্যান্সির সময় সেবা যত্ন সব করেছে আমার শ্বাশুড়ি + হাজবেন্ড। ইভেন জয়েন্ট ফ্যামিলি হওয়াতে বাসায় মামাতো দেবররা ছিলো , খালাতো ননদ ছিলো। সবার কম বেশি হেল্প পেয়েছি। যত আবদার খাওয়ার ক্রেভিংস সবকিছু মিটিয়েছে আমার হাজবেন্ড। কোন কিছুর কমতি ছিলো না আরাম আয়েশের।
রিমশা হওয়ার পরও আমি বাবার বাসায় যায় নি কারন আমার হাজবেন্ড দেয় নি। রিমশা মণি পুরোটাই ওর পাপা আর দাদুর ভক্ত সাথে আমার দেবরদের ,ননদের ভক্ত। নানা-নানুর এত পাগল না।
এজন্য এই যে যারা আফসোস করে যে আমার বংশের নাতী-নাতীন আমাদের কম ভালোবাসে বলেন। আপনারা তো নাতী - নাতনী আসার খবর শুনেই বাচ্চার মাকে পাঠায় দেন নানী বাড়ি। গর্ভের সময় থেকে বাচ্চার ৬ মাস থাকে নানা বাড়ি। তাহলে আপনাদের পাগল হবে কীভাবে??
একটা বাচ্চা গর্ভকাল থেকেই বুঝতে পারে যে তার মা কার কাছে মানসিক শান্তিতে আছে। কানেকশন টা তো শুরু হয়ই গর্ভের সময় থেকে। এরপর যতই নাতী-নাতনী বলে মাথায় তুলেন বাচ্চার মা যেখানে কমফোর্ট ফীল করবে সেখানের টান ই টানবে।
বাচ্চার যত্নের আগে বাচ্চার মায়ের যত্ন নেওয়া আগে জরুরী ♥️ এতে বংশের বাত্তিও ভালো থাকবে আর বংশের টানই আগে টানবে। 😇
পোস্ট কেউ কপি করবেন না প্লিজ! ভালো লাগলে শেয়ার করুন।