01/03/2026
❤️❤️❤️
বল বীর-✍
বল উন্নত মম শির!
শির নেহারি আমারি,
নত-শির ওই শিখর হিমাদ্রীর!
১৯৪৭ সালে ধর্মের ভিত্তিতে দুটো রাষ্ট্র ভারত-পাকিস্তান নামক দুটো রাষ্ট্র জন্ম লাভের সময় বহুজন, বহুমত নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত থাকলেও শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।
পাকিস্তানের স্বাধীন-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে শেখ মুজিব ছিলে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
কিন্তু পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রটি উল্টো হয়ে পশ্চিম পাকিস্তান তথা আজকের বাংলাদেশকে গোলাম মনে করেছিল। শোষন, শাসন আর নির্যাতন ছিলো পূর্ব পাকিস্তানের নিতদিনের স্বাভাবিক ব্যাপার।
তখন ওই শেখ মুজিব রুখে দাঁড়ালেন। ন্যায় বিচার, মৌলিক অধিকার, নাগরিক সুযোগ-সুবিধার পক্ষে কথা বলতে শুরু করেন।
এভাবে ধীরে-ধীরে কথা বলা থেকে প্রতিবাদ, প্রতিবাদ থেকে প্রতিরোধ সহ দীর্ঘ ২৪ বছর বাঙালির মৌলিক অধিকারের পক্ষে লড়া করতে করতে একদিন তিঁনি "বঙ্গবন্ধু"তে রূপান্তর হন।
বাঙালি ঐক্যবদ্ধ হয়ে "শেখ মুজিবুর রহমান"কে "বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান" ডাকতে শুরু করেন।
আর সেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসত্ত্বার পরিচয় বিনির্মাণে ৭ই মার্চের ভাষণে বলেছিলেন, "এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম। এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম"।
২৫শে মার্চ কালো রাতে বর্বর পাকিস্তানীদের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের প্রতিরোধের মাধ্যমে একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে ২৬ মার্চ আমাদের স্বাধীনতা অর্জনের মাধ্যমে ১৬ ডিসেম্বর আমাদের চুড়ান্ত বিজয় অর্জন হয়।
আর স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের জনগণ সেই শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হিসেবে মূল্যায়ন করেন।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হ./ত্যার পর বাঙালি জাতি আবারও পাকিস্তানী ভাবধারায় পরিচালিত হতে শুরু করে।
দীর্ঘ ২১ বছর পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা একটি অন্ধকারে নিমজ্জিত জাতিকে আলোকিত করতে নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেন।
শিক্ষা, চিকিৎসার সাথে অর্থনৈতিক মুক্তির লড়ায়ে পুরো বিশ্বের সামনে নিজেস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু উপহার দিয়ে বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতিকে আত্মমর্যাদার উন্নত মম শির জাতি হিসেবে তুলে ধরেন।
তারই মাঝে নানা ধরণের ষড়যন্ত্র, হুমকি-ধামকি সহ পরাশক্তি রাষ্ট্রগুলোর রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে "শির নেহারি আমারি, নত-শির ওই শিখর হিমাদ্রীর- মত ঠায় দাঁড়িয়ে দেশের জন্য বাঙালির প্রতিটি শিশু কিশোর যুবক সহ সকল বয়সী, সকল শ্রেণির পেশার মানুষ সহ সকল ধর্মের বিশ্বাসীদের জন্য শেখ হাসিনা হয়ে উঠেন এক বিশ্বস্ত ও নির্ভরতা প্রতীক।
কিন্তু ইতিহাসের নিকৃষ্ট রাজাকার, রাজাকার শাবক ও রাজাকার নাতি-পুতিদের সাথে ডিপ স্টেটের দালালদের আঁতাত, ষড়যন্ত্রের দখলদারিত্ব প্রতিষ্ঠা করেছিল পাঁচ আগস্ট স./ন্ত্রাসী ও জ,/ঙ্গি হা./মলার মাধ্যমে।
সাদ্দাম হোসেন, মুয়াম্মার গাদ্দাফি সহ সর্বশেষ ইরানের আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মত শেখ হাসিনাকেও হ./ত্যার চুড়ান্ত ষড়যন্ত্র করেছিল সমাজ ও ইতিহাসের নিকৃষ্ট দালাল শ্রেনির রাজাকারদের ব্যবহার করে।
কিন্তু অভিজ্ঞতা, বন্ধুত্ব, বিশ্বস্ততা, নির্ভতার কারণে শেখ হাসিনা বাঙালি জাতির আশা-আকাঙ্খার বাতিঘর হিসেবে এখনো ঠায় দাঁড়িয়ে...