04/06/2026
নিছক ব্যাবসা করে ভাত খাই , জামা কাপড় বেচি।
বিরাট বড় কোনো ব্যবসা করার যোগ্যতা ও আমার নেই।
কিন্তু যে দেশে জন্মেছি সাধারণ মানুষ হিসেবে কোথাও গিয়ে নিজেকে একটু হলেও দায়বদ্ধ মনে হয় সেই দেশের প্রতি সমাজের প্রতি।
সারা দেশ জুড়ে রাজনৈতিক ডামাডোলের মাঝে তিনটি বাচ্চা ছেলে, এক অসম সাহসী কাজ করেছে। অথচ তা নিয়ে নেই কোনো প্রচার, নেই কোনো কথা।
সত্যি কি ভারত বর্ষ আজ এমন হয়ে গেল, শুধুই স্বার্থের আলোচনা , আর নোংরা ছিটানোর খেলা সারা সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে।
আমরা অল্প হলেও সবাই শুনেছিলাম সিবিএসসির রেজাল্টের সমস্যার কথা।
যার বাড়ি পরীক্ষার্থীআছে সে চিন্তায় মরেছে আর আমরা শুধু ই শুনেছি আর ভুলেছি।
দিল্লির বেদান্ত, ঝাড়খণ্ডের সার্থক আর পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ি নিসর্গ এই তিনটি ছেলে প্রথম থেকেই বারবার বলছিল সিবিএসসির খাতা দেখার পদ্ধতির মধ্যে কোথাও কোনো গন্ডগোল আছে।
প্রচুর টেকনিক্যাল ভুল আছে এবং যে প্রাইভেট কোম্পানিকে এই টেকনিক্যাল দিক পরিচালনা করার টেন্ডার দেওয়া হয়েছিল সেখানে ও অনেক গলদ আছে।
কিন্তু এটা তো এতো সহজে কেউ মানবে না তাই মানাও হয়নি।
কিন্তু তারপরএকটা সময় আসলো যখন বিভিন্ন ভাবে আস্তে আস্তে ওরা কিন্তু প্রমাণ করল ওরাই ঠিক।
আমার পক্ষে হয়তো সবটুকু ঠিক ভাবে বোঝানো সম্ভব নয় কারণ কম্পিউটারের টেকনিক্যাল দিকটা আমি কিছুই বুঝিনা।
কিন্তু বিভিন্নভাবে এটা প্রমাণিত হলো হায়দ্রাবাদের যে কোম্পানিকে এই টেন্ডার দেওয়া হয়েছিল তারা এর আগেও তেলেঙ্গানায় আরেকবার পরীক্ষার রেজাল্ট ঠিক এরকমই করেছিল।
সেবার তেলেঙ্গানায় অনেক পরীক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছিল।
অদ্ভুত বিষয় এবারও সিবিএসসি কিন্তু তাদেরকেই এই কাজের বরাত দিয়েছিল।
শেষ পর্যন্ত সিবিএসসি ভুল স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে এবং আইআইটি গুলোর নেতৃত্বে নতুন করে কমিটি গঠন হয়েছে।
গতকাল সংসদে এই বিষয়ে বক্তব্য পেশ করার জন্য স্ট্যান্ডিং কমিটিকে অনুরোধ ও করা হয়েছে।
বেঁচে থাক বেদান্ত, সার্থক, নিঃসর্গের মতন সন্তানেরা।
যারা সত্যি হয়তো একদিন দেশটাকে পাল্টাবে, জগত সভায় আবারও হয়তো দেশকে শ্রেষ্ঠ প্রমাণ করবে।
নীচের ফটো টা শুধুই আকর্ষণের জন্য।