TUMI Ethnic

TUMI Ethnic GOLPER KHATA – Kolome Priyanka
A space for simple, heartfelt stories inspired by everyday life. Your visits inspire us, and your style is our passion.

From love to mystery, I write moments that touch the heart.
— Written by Priyanka

গল্পের খাতা– কলমে প্রিয়াঙ্কা
দৈনন্দিন জীবনের সহজ, অনুভূতিময় গল্পের ঠিকানা। For all the fabulous ladies who know how to make an entrance, Tumi Ethnic is your ultimate destination. From breathtaking sarees and dazzling lehengas to chic salwar kameez and gorgeous anarkalis, each piece is a masterpiece, crafted with l

ove and attention to detail. Our designs blend the rich heritage of ethnic fashion with a touch of contemporary elegance, perfect for every occasion. Whether it's a grand wedding, a festive celebration, or a casual day out, our collection ensures you always shine. Every fabric, every embellishment is handpicked to offer you nothing but the best. At Tumi Ethnic, we believe in making you look and feel extraordinary. We're excited to invite you to explore our page and dive into the world of Tumi Ethnic. For bookings or purchases, simply call or message us at 9830481134. We're here to answer all your queries and help you find the perfect outfit. So, come on over and let’s create some magical fashion moments together. Embrace the elegance, the drama, and the beauty of ethnic wear with Tumi Ethnic. Because, you deserve nothing but the best!

🩸 “আমি আজও সেই ঘরের সামনে দাঁড়াতে পারি না…”(আমার বন্ধুর নিজস্ব অভিজ্ঞতা - ওর ই মুখ থেকে যেমন শুনেছি তেমন ভাবেই তুলে ধরলা...
19/11/2025

🩸 “আমি আজও সেই ঘরের সামনে দাঁড়াতে পারি না…”

(আমার বন্ধুর নিজস্ব অভিজ্ঞতা - ওর ই মুখ থেকে যেমন শুনেছি তেমন ভাবেই তুলে ধরলাম)
@কলমে প্রিয়াঙ্কা

আমার শৈশবটা কেটেছিল মামার গ্রামের বাড়িতে—
পুকুর, খেজুরগাছ, আর সন্ধ্যা হলেই কারেন্ট চলে যাওয়া এই সব কিছু নিয়ে ই আমার শৈশব। আমার যখন ৬ বছর তখন এলো আমার ভাই, আমার মামার ছেলে কিট্টু।

কিট্টু বড় হতে লাগল আর আমাদের দিদি ভাই এর সম্পর্ক টা ততই গভীর হতে লাগলো, কখনও ভাবিনি একদিন ওকে ছেড়ে আমি কলকাতা শহরে চলে আসবো। ছোট বেলা টা খুব সুন্দর ছিল, আমি আর ভাই আমাদের একসাথে দুষ্টুমি, বকা খাওয়া, রাতে আমি ভাই কে নিজের হাতে খাইয়ে দিতাম, তারপর রাতে ২জনে দিদা র কাছে ভূতের গল্প শুনে ঘুমোতে যেতাম। রাতে গল্প শুনে ভাই আমার কাছে লেপ্টে গিয়ে ঘুমাতো। ৬ বছরের ছোট ভাই আমার কাছে খুব আদরের ছিল।
@কলমে প্রিয়াঙ্কা

কিন্তু জীবন পাল্টে গেল।
আমার যখন ১৬ বছর আমরা তখন কলকাতা শহরে চলে এলাম, মা-বাবার সঙ্গে থাকতে থাকতে গ্রামের সাথে যোগাযোগ প্রায় কমেই গেল। কলকাতা অনেক বড় শহর, চোখে কত স্বপ্ন , নতুন স্কুল , নতুন বন্ধু পেয়ে গ্রামের কথা প্রায় ভুলে ই গেলাম। তখন কার দিনে হাতে হাতে মোবাইল ফোন ছিল না, মামার বাড়িতে ল্যান্ড ফোন ও ছিল না। শহরে আমাদের বাড়িতে এলো ল্যান্ডফোন। সেই ফোন থেকে গ্রামের প্রধান এর বাড়িতে ফোন করে বাবা মাঝে মাঝে মামা আর দিদার খোজ করত। ভাই তখন সবে ১১ বছর। ওর সাথে প্রায় কথা হতো ই না।
লাস্ট যে বছর পুজোতে গ্রামের বাড়ি গেলাম সে বছর আমি ২০ তে পা দিয়েছি, কিট্টু তখন ক্লাস নাইন। খুব গল্প হলো , রাত রাত জেগে আমি আর ভাই গল্প করলাম কত। ওর বন্ধু বান্ধব, ভালো লাগা, প্রেম সব শুনলাম। কত হাসলাম দুজনে।
কিট্টুর সঙ্গে আমার সেই শেষ দেখা। মাঝে কেটে গেছে আর ৪ টে বছর। না দেখা , না কথা কোনোটাই আর হয়ে ওঠেনি।

তারপর একদিন—
হুট করে রাত এগারোটার দিকে ফোন এল। মামার কাঁপা গলা, মামা কাদঁছে -
“ কিট্টু আর নেই… লেকের ধারে ওকে মৃত দেহ পাওয়া গেছে।”
@কলমে প্রিয়াঙ্কা

আমরা স্তব্ধ। শব্দ বেরোলো না। মাত্র ২০ বছর বয়স…
এত কম বয়সে কেউ কিভাবে চলে যেতে পারে?

পরদিন ভোরেই রওনা হলাম গ্রামের বাড়ির দিকে।
ট্রেনের জানলার বাইরে তাকিয়ে মনে হচ্ছিল আমি যেন দাঁড়িয়ে আছি দুই সময়ের মাঝখানে—
একদিকে শৈশবের উজ্জ্বল স্মৃতি, আরেকদিকে এক অচেনা অন্ধকার।

গ্রামের বাড়ি পৌঁছে দেখলাম মামা মামী শোকে পাথর হয়ে গেছে। বাড়ি ভর্তি গ্রামের লোকজন, আরও আত্মীয় রাও এসেছে। দিদা বেঁচে আছে, কিন্তু কিছু বোঝার বোধ শক্তি দিদা অনেক আগেই হারিয়ে ফেলেছে, তাই এত বড় আঘাত দিদা অনুভব করতে পারেনি।
দুপুর বেলা একটু ফাঁকা হতে আমি মামী কে জানতে চাইলাম কিট্টুর মৃত্যু কীভাবে হলো—কিন্তু মুশকিল হলো কেউই পরিষ্কার কিছু বলতে পারছে না। লেকের ধারে রাত ৮টার সময় কারা যেন দেখতে পেয়ে মামা কে বাড়ি এসে জানায় , মামা সাথে সাথে ই যায় , গিয়ে দেখে পুলিশ আগে ই চলে গেছে, এবং কিট্টু কে হাসপাতাল নিয়ে গেছে, মামা হাসপাতাল পৌঁছে জানতে পারে কিট্টু কে যখন নিয়ে আসা হয়েছিল তখন ও ওর শ্বাস চলছিল। কিন্তু ডাক্তার রা কিছু করে ওঠার আগে ই সব শেষ হয়ে যায়।
@কলমে প্রিয়াঙ্কা

সেদিন রাতে আমাকে কিট্টুর ঘরেই থাকতে দিল।
ঘরটা যেমন ছিল তেমনই আছে , শুধু আমার ভাই টা আর কোথাও নাই, আমার চোখ ঠিকরে জল আসছিল —
দেওয়ালে তার ক্রিকেটারদের পোস্টার, টেবিলে অর্ধেক লেখা একটা ডায়েরি, আর জানলাটা খোলা।
ভেতরে ঢুকতেই মনে হলো ঘরের তাপমাত্রা বাইরের থেকে কিছুটা যেন কম। ভাবলাম হয়তো ঘরটা বন্ধ রাখা ছিল বলে এরম মনে হচ্ছে।

আমি শুয়ে পড়লাম। রাত তখন কটা ঠিক বলতে পারব না হঠাৎ ঘুমটা ভেঙে গেল।
হঠাৎ মনে হল ঘরের কোনাতে অন্ধকারের একটা অংশ যেন নড়ছে। টেবিল ল্যাম্প টা জ্বালানোর চেষ্টা করলাম জ্বললো না। চোখ টা ভালো করে কচলে চাঁদের আলোতে দেখলাম—
ঘরের এক কোণে, জানলার নিচে কিট্টু বসে আছে।

আমি তাড়াতাড়ি করে উঠে বসে ওকে বললাম কিরে ভাই তুই কোথায় চিলিস এতক্ষণ, আমি কোন সকালে এসেছি জানিস, তোর এতক্ষণে আসার সময় হলো? পরক্ষণে ই আমার মনে হলো এ আমি কি দেখছি, আর কার সাথেই বা কথা বলছি
আমি কি স্বপ্ন দেখছি? আমার ভাই আমার কিট্টু তো আর নাই, আজ দুপুরে ই ওর দাহকার্য করে ফিরলাম যে।
@কলমে প্রিয়াঙ্কা

আমি ভয়ে জমে গেছিলাম। তখনও কিট্টু ঐখানটা তেই বসে আছে, মনে হলো যেন কিছু বলতে চাইছে
ও ধীরে ধীরে মুখ খুলল,
কিন্তু কিছু শব্দ বেরোল না।

আমি হকচকিয়ে উঠে ভাই বলে ডেকে উঠতেই
হঠাৎ পুরো দৃশ্যটা মিলিয়ে গেল চোখের সামনে থেকে।

পরের দিন সকালে কাউকে কিছু বললাম না। মা বাবা কেও না, ভাবলাম—শক গেছে, হয়তো হ্যালুসিনেশন হয়েছে আমার। একে এ সবাই এত কষ্টে আছে তার ওপর কি বলব এসব।

কিন্তু দ্বিতীয় রাত…ঘটনাটা আবার হল।একই সময়, একেবারে একই জায়গায় , কিট্টু বসে আছে। ঘরটা চাঁদের আলোয় ভরে আছে , পরিষ্কার দেখলাম ওর মুখ নড়ছে, কিন্তু শব্দ নেই।
@কলমে প্রিয়াঙ্কা

আমি কাঁপতে কাঁপতে বললাম,
“কিট্টু? তুই কি…আমাকে কিছু বলতে চাইছিস?”

ও মাথা নাড়ল—হ্যাঁ।

আমি এবার সাহস করে ওঠার চেষ্টা করলাম। কিন্তু ঠিক তখনই— ওর দৃষ্টি হঠাৎ বদলে গেল।কালো, গভীর…
আমার দিকেই তাকানো।

একটা ঠান্ডা ঝটকা যেন বুকের মধ্যে ঢুকে গেল। আমি নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললাম। মনে হচ্ছিল আমার শরীরটা আর আমার নেই।

পরের ঘটনাগুলো আমাকে আজও কাঁপিয়ে দেয় আমার নিজের ওপর কোনো নিয়ন্ত্রণ ই ছিল না এই ঘটনা গুলো যখন ঘটিয়েছি আমি।

আমি হঠাৎ উঠে দাঁড়ালাম। আমার শরীর নিজের মতো চলছিল—আমি চাইছি না তবু এগিয়ে যাচ্ছি।
সোজা গিয়ে দাঁড়ালাম আমার মামার ঘরের সামনে।
@কলমে প্রিয়াঙ্কা

তারপর দরজা খুলে এমন গলায় কথা বললাম—যে গলা আমার ছিল না।

“বাবা… আমাকে ওরা মেরে ফেলেছে… লেকের ধারে ডেকে নিয়ে গেছিল। ঝিমলি কে আমি ভালবাসতাম, ওর দাদা আর কাকা ওরা রাগে আমার মাথায় লাঠি মারে… যতক্ষণ না আমি মরে যাচ্ছি লাঠির বাড়ি দিতে থাকে, আমি অজ্ঞান হয়ে গেলে
আমাকে ঠেলে দেয় জলের মধ্যে। ভেবেছিল আমি মরে গেছি। আমি জল থেকে উঠে তোমার কাছে আসার চেষ্টা করি কিন্তু আর পারিনি বাবা। আমার কোনো দোষ ছিল না বাবা।"

আমি নিজের মুখ থেকে এসব কথা বেরোতে শুনছিলাম,
কিন্তু আমি ছিলাম না- কিট্টু কথা বলছিল আমার শরীর দিয়ে।
@কলমে প্রিয়াঙ্কা

মামা কেঁপে উঠলেন, “কারা? কারা করল রে এতবড় সর্বনাশ?”

আমার ঠোঁট নড়ল— “ওরা লাঠিটা ফেলে দিয়েছে পাশের জঙ্গলের মধ্যে, ওদের শাস্তি না হলে আমি যে শান্তিতে যেতেও পারছি না বাবা। কিট্টু কি কাঁদছিল কথা বলতে বলতে, আমার চোখ দিয়ে অনবরত জল পড়ছিল কেনো তবে?"

মামার চোখ বড় বড় হয়ে গেল।তারপর আমি বাবা বলে একটা জোর চিৎকার করে অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেলাম।

যখন জ্ঞান ফিরল, তখন পরের দিন দুপুর গড়িয়ে বিকেল। শরীর ব্যথায় ভরা। ঘটনাগুলো কি সত্যি ঘটেছে? নাকি দুঃস্বপ্ন? মা আর দিদা দেখি মাথার কাছে বসে আছে।

কিন্তু বাইরে খুব হৈচৈ। পুলিশ এসেছে। আমি টলতে টলতে উঠে গেলাম বাইরে, আমাকে সব জানতে ই হবে।
মামা কাঁদতে কাঁদতে বললেন—“তুই যা বলেছিস সব ঠিক… লাঠিটা সত্যিই ওখানে পাওয়া গেছে। হাতের ছাপও পাওয়া গেছে, দোষীরা ধরা পড়বে পুলিশ বলেছে"
@কলমে প্রিয়াঙ্কা

মামা হাঁটু গেড়ে বসে কাঁদতে লাগলেন, “কিট্টু কাল সত্যিই তোর কাছে এসেছিল রে…”

আমি জানালা দিয়ে ঘরটার দিকে তাকালাম—
কিট্টুর ঘরটা এখন ফাঁকা। তবু মনে হল, ঘরটায় এক অদ্ভুত শান্তি বিরাজ করছে—

কিন্তু আমি আজও ওই ঘরের সেই কোন টার দিকে তাকাতে পারি না…
কারণ আমি জানি—
সেদিন রাতে সে সত্যিই আমার ঘরে বসেছিল।
সে আমার ভাই ; কিন্তু মানুষ না।।

@কলমে প্রিয়াঙ্কা

Priyanka Sarkar Suman Sarkar ্মৃতিতে

26/10/2025

#লোকাল_ট্রেনের_অনুগল্পো

প্রতিদিন সকাল ৮টা ২০-এর ট্রেনটা দিয়ে আমার দিনের শুরু হয়। মানে, ট্রেনটা না ধরতে পারলে আমার পুরো দিনটাই পাল্টে যায় সাথে সাথে এও মনে হয় আজকের দিনটা অসম্পূর্ণ। কল্যানী স্টেশনের চিরচেনা ভিড়, ঘোষণার আওয়াজ, আর ট্রেন ধরার জন্য ভিড় করে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষ, তাদের এক অদ্ভুত গন্ধ, পরিচিত আওয়াজ—সবই যেন আমার প্রতিদিনের অংশ হয়ে গেছে। কখনও দেরি করে বেরোলেই মনে হয়, আজ সবকিছু এলোমেলো হয়ে গেলো।

স্টেশনে ঢোকার সময় যে চা-ওয়ালাটা “চা চা চা” বলে হাঁকে, তাকে আমি প্রায়ই দেখি। কখনও চোখাচোখি হয়, হাসি দিয়ে বলে—“আজ কে দেরি?” আমি মুচকি হেসে বলি, “একটু।” এই কথোপকথনটা যেন আমাদের প্রাত্যহিক রুটিন। ট্রেনটা প্ল্যাটফর্মে ঢুকলে, ভেতরে একটা অদ্ভুত শান্তি পাই। যতই ভিড় হোক, যতই ঠেলাঠেলি হোক—লোকাল ট্রেনের ভিতরেই যেন আমি নিজের মতো হয়ে যাই।

@কলমে প্রিয়াঙ্কা

প্রতিদিন ওই একি কামরায় কিছু চেনা মুখ দেখি , আর প্রায়ই দেখি কিছু অচেনা মুখ, যারা হয়তো কোথাও যাচ্ছে যেখানে রোজ রোজ যেতে হয়না, হয়তো মা বাবা র কাছে যাচ্ছে, কিম্বা শুধুই কলকাতা ঘুরতে। চেনা মুখের দল কেউ বই পড়ছে, কেউ চোখ বন্ধ করে বসে আছে হয়তোবা ঘুমিয়ে ই গেছে, কেউ আবার কানে ইয়ারফোন লাগিয়ে অন্য জগতে। ট্রেন এ ওঠার সাথে সাথে কেউ একজন ডাক দিলো এই যে তোর জন্য জায়গা রেখেছি আয়। একটা মেয়ে আছে, প্রায় আমার বয়সের মতোই হবে, সে প্রতিদিন জানালার পাশে বসে থাকে। ওর চোখের দৃষ্টি দেখে মনে হয়, ও-ও হয়তো আমার মতোই জীবন যুদ্ধে নেমেছে, কিন্তু হাসিটা এখনো হারায়নি। আরেকজন দিদা আছেন—ছোট্ট একটা ঝুড়ি হাতে নিয়ে প্রতিদিন ট্রেন এ ওঠেন। মাঝে মাঝে আমার পাশে বসে বলেন, “মা, জানিস আজকে আমার ছেলে বাজার থেকে বড় ইলিশ এনেছে।” আমি হেসে বলি, “তাহলে আজ ভাতের চাল টা বেশি নিও।” কি জানি দিদা কি বোঝে, হেসে বলে "আমি কি আর ওতো খেতে পারি রে"। কারুর কারুর কাছে শুনতে পাই, দিদা র ছেলে নাকি দিদা কে বাড়ি তে থাকতে দেইনা। মন খারাপ হয়ে যায়।

এই কথাগুলো শুনতে খুব ছোট, কিন্তু এগুলোর মধ্যেই যেন একটা জীবনের ছোঁয়া আছে। ভিড়ের মধ্যে থেকেও, আমরা একে অপরকে চিনে ফেলি। নাম জানি না, ঠিকানা জানি না, কিন্তু তবুও সবাই কোনোভাবে একে অপরের পরিচিত হয়ে যাই। একে অন্যের দুঃখে ব্যথিত হই। জীবন বড় ই বিচিত্র। যে দিদিমনি রোজ আমাদের সাথে যায় , দু দিন না আসলে সবাই খোজ করি সব ঠিক আছে তো। আসলে আমরা সকলে ই অনিশ্চয়তায় বাঁচি।

@কলমে প্রিয়াঙ্কা

সকালবেলার ট্রেনটা তুলনামূলক শান্ত। কিন্তু শিয়ালদহ থেকে রাত ৭টার ট্রেনটাই আসল পরীক্ষা। সবাই তখন দিন শেষ করে বাড়ি ফিরছে—ক্লান্ত, ঘামে ভেজা, চুপচাপ মুখে দিনের হিসেব কষছে। আমি ট্রেনে উঠেই জানালার পাশে দাঁড়াতে ভালোবাসি। কোনো কোনো দিন ভাগ্য ভালো হলে বসার জায়গা ও পেয়ে যাই। এই সময় বাইরের আলো-আঁধারিতে শহরটাকে অন্যরকম লাগে। ট্রেনের শব্দের ফাঁকে ফাঁকে কিছু মানুষ হাসে, কেউ ফোনে কথা বলে, কেউ আবার চুপচাপ বসে থাকে।

মাঝেমাঝে মনে হয়, এই লোকাল ট্রেনটাই যেন একটা চলন্ত পৃথিবী। এখানে সবাই ব্যস্ত, কিন্তু সবাই কারও না কারও গল্পের অংশ। কখনও দেখি, কেউ ট্রেনে উঠে ঘুমিয়ে পড়েছে, কেউ চুপচাপ কাঁদছে, কেউ আবার দল বেঁধে হাসছে এমনভাবে, যেন পৃথিবীর কোনো চিন্তাই তাদের নেই। আমি চুপ করে সব দেখি। বড় ভালো লাগে ক্লান্ত দিনের শেষে ও যাদের মুখে হাসি থাকে তাদের দেখতে। কত কি ওঠে ট্রেন এ এই সময়। কত রকম খাবার আবার কত রকম জিনিস। অনেকে ই কত আগ্রহ নিয়ে দেখে সেসব, কেউ কেউ কেনেও, আবার কেউ কেউ শুধু দেখে ই শান্ত। ট্রেন এর ঘুগনি আমার সবথেকে প্রিয়। আর ভালো লাগে ঝালনুন দেয়া বাদাম ।

একদিন এক ছোট্ট মেয়ে তার বাবার সঙ্গে উঠেছিল। সে বারবার বলছিল, “বাবা, আমরা কখন পৌঁছব?” বাবা তাকে ভোলাবার জন্য এক প্যাকেট বাদাম কিনে দিয়ে বলেছিল এই বাদাম তুমি শেষ করলে ই আমরা বাড়ি পৌঁছে যাবো। তাদের সেই কথপোকথন আজও মনে আছে। নিজেকে এক প্যাকেট বাদাম কিনে দিয়ে বলি এই বাদাম শেষে ই আমার বাড়ি।

@কলমে প্রিয়াঙ্কা

ট্রেন যখন বাড়ির স্টেশন এ ঢোকে, তখন মনে হয়, আজ আবার একটা অধ্যায় শেষ হলো। ভিড় ঠেলে বেরিয়ে আসি, হাঁটতে হাঁটতে রাস্তার দোকানগুলো দেখি—কেউ সবজি বিক্রি করছে, কেউ বেলফুলের মালা গাঁথছে। আমি ওই হাঁটাটুকুই ভালোবাসি। কোনো কোনো দিন কিছু বাজার করি। বাড়ি পৌঁছতে পৌঁছতে রাত হয়ে যায়, কিন্তু মনে হয় না আমি ক্লান্ত।

হয়তো এই লোকাল ট্রেনটাই আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছে। প্রতিদিনের ওই একই যাত্রা, একই ভিড়, একই মুখ—সবই আমার জীবনের একটা অংশ। কখনও কখনও মনে হয়, যদি একদিন ট্রেনে না উঠি, তাহলে হয়তো ওই দিদা আমাকে খুঁজবে, চা-ওয়ালা ও খুঁজবে - কিন্তু আমি কোথাও থাকব না।

এই ভিড়ের মধ্যেই আমি শান্তি পাই। এই ট্রেনের শব্দ, বাতাস, কোলাহল—সবই যেন আমার নিজের এক রুটিন সুর। অনেকেই বলে, লোকাল ট্রেন মানেই কষ্ট, ভিড়, ঘাম। কিন্তু আমার কাছে এটা মানে—প্রতিদিন একটা নতুন সকাল, একটা নিজের মতো জগৎ শুধু ই নিজের সাথে।

---

@কলমে প্রিয়াঙ্কা সরকার
Priyanka Sarkar ্মৃতিতে

Authentic Wash Matka Jamdani Saree(*Not Used Any kinds of duplicate threads*)*Material*- Pure Matka Reshom *Price*- 5950...
13/09/2024

Authentic Wash Matka Jamdani Saree
(*Not Used Any kinds of duplicate threads*)

*Material*- Pure Matka Reshom

*Price*- 5950+$
Call/ Whatsapp 098304 81134

New arrival Multi colour check lilen  saree Saree material linen by pure linen With bp Price 1850+shipping Cal/Whatsapp ...
27/07/2024

New arrival
Multi colour check lilen saree
Saree material linen by pure linen
With bp
Price 1850+shipping
Cal/Whatsapp 098304 81134

*ZARI WOVEN MONGOLGIRI SILK SAREE**WITH BLOUSE PIECE**PRICE 1800+shipping*
26/07/2024

*ZARI WOVEN MONGOLGIRI SILK SAREE*
*WITH BLOUSE PIECE*

*PRICE 1800+shipping*

DURGAPUJA SPECIAL 2024Semi PAITHANI SILK Most  Traditional Designs with rich look of PAITHANI with Blouse Piece.PRICE. 1...
25/07/2024

DURGAPUJA SPECIAL 2024
Semi PAITHANI SILK
Most Traditional Designs with rich look of PAITHANI with Blouse Piece.

PRICE. 1899+SHIPPING

*Puja special super trending collection**Ikkat pochampalli* satin silk sareeTraditional wear WITH BPToo soft and comfort...
24/07/2024

*Puja special super trending collection*
*Ikkat pochampalli* satin silk saree
Traditional wear
WITH BP

Too soft and comfortable quality
Price only 2580+$*

*New arrival Tussar jamdani**Exclusive pure Tussar jamdani*Material *pure tassar by pure tassar & hand weaving work sare...
24/07/2024

*New arrival Tussar jamdani*
*Exclusive pure Tussar jamdani*
Material *pure tassar by pure tassar & hand weaving work saree*
*With blouse piece*

*With silk mark certified*
*Price 4500+$ only*

Stock available book now

Address

A-11/574
Kalyani
741235

Telephone

+919830481134

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when TUMI Ethnic posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to TUMI Ethnic:

Share