21/11/2021
১৯৮০ সালে আত্মপ্রকাশ করে টানাপোড়েন পত্রিকা। প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ফুলিয়ার তাঁত সমবায় আন্দোলনের সংগঠক শ্রী হরিপদ বসাক, সহ সম্পাদক শ্রী বলরাম বসাকের উদ্যোগে, তন্তুবায় সমাজের মুখপত্র, টানাপোড়েন-এর উদ্দেশ্য ছিল, তন্তুবায় সমাজের জীবন, সঙ্কট ও সম্ভাবনা তুলে ধরা। ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত আঠারো বছর ধরে পত্রিকাটা চলার পরে, ক্রমশঃ মাসিক থেকে ত্রৈমাসিক, ষান্মাসিক হয়েও শেষ পর্যন্ত বন্ধ হয়ে যায়।
পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ, প্রতিবেদন ও প্রবন্ধগুলি একটি নির্দিষ্ট কালপর্বে তাঁতশিল্প সংক্রান্ত তথ্যের সমৃদ্ধ ভান্ডার, ফুলিয়া তথা বাংলার তাঁতশিল্পের গুরুত্বপূর্ণ দলিলও।
ফুলিয়ার আঞ্চলিক ইতিহাস ও টাঙ্গাইল শাড়ির ধারাবাহিকতা নিয়ে গবেষণা করেন, ফুলিয়া নিবাসী শিক্ষক শ্রী নিলয় কুমার বসাক। তাঁর সম্পাদনায়, শ্রী বিশ্বেন্দু নন্দ-র উদ্যোগে কলাবতী মুদ্রা প্রকাশনা থেকে প্রকাশিত হতে চলেছে, টানাপোড়েন সংকলন। শ্রী নিলয় কুমার বসাক এখানেই থেমে যাননি। প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক শ্রী হরিপদ বসাক-কে নিয়ে, নবপর্যায়ে টানাপোড়েন পত্রিকার প্রকাশনা শুরু করেছেন। উদ্যোগে সামিল হয়েছিলেন, সম্প্রতি প্রয়াত, শুরুর সহ-সম্পাদক শ্রী বলরাম বসাক।
১লা বৈশাখ,১৪২৮ বঙ্গাব্দ পুনরায় প্রকাশিত হয় তন্তবায় মুখপত্র 'টানাপোড়েন'।
হস্ত চালিত তাঁতশিল্পের ক্ষয়ের শুরু হয়েছে অনেক আগে থেকেই। আর এই সংক্রমণকালে হাত-তাঁতের অস্তিত্বই প্রশ্নের মুখে পড়েছে। তাঁতশিল্পীরা বহু সংখ্যায় কর্মহীন। এ রাজ্যে ৮০% তাঁত বন্ধ, বাকী ২০% চলছে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে। আর ঠিক এইরকম দুঃসময়ে টানাপোড়েন-এর পুনঃপ্রকাশ উপলক্ষে, কলকাতা কমন্স উদ্যোগ নিয়েছে, বাংলার তাঁতকেন্দ্রগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে ধারাবাহিক কথোপকথন-এর।
শুরুটা আজকে, ২১নভেম্বর, ২০২১, রবিবার, সন্ধ্যা সাতটায়।
আগ্রহীরা কথোপকথন kathopokathan ফেসবুক পেজ থেকে লাইভ দেখতে, শুনতে ও অংশগ্রহণ করতে পারবেন।