Md abdullah al mamun

Md abdullah al mamun ILMAN NAFIYA ABDULLAH al mamun. Bangladesh

05/04/2026
30/08/2021
07/06/2021

ما شاء الله تبارك الله

25/03/2021

শাবান মাসে নফল রোযা রাখা সম্পর্কিত কয়েকটি সহিহ হাদিস
----------------------
শাবান মাসে নফল রোযা রাখা সম্পর্কে অনেক সহিহ হাদিস বর্ণিত হয়েছে। নিন্মে এ সম্পর্কিত ৪টি গুরুত্বপূর্ণ হাদিস তুলে ধরা হল:

❖ ১) আয়েশা (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন,

كان رسول الله صلَّى الله عليه وسلَّم يصوم حتى نقولَ: لا يُفطر، ويُفطر حتى نقول: لا يَصوم، فما رأيتُ رسول الله صلَّى الله عليه وسلَّم استكملَ صِيامَ شهرٍ إلاَّ رمضان، وما رأيتُه أكثرَ صيامًا منه في شعبان" (متفق عليه)

রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন (নফল) রোযা রাখতে শুরু করতেন তখন আমরা বলতাম যে তিনি রোযা রাখা আর বাদ দিবেন না। আবার যখন রোযা বাদ দিতেন তখন আমরা বলতাম তিনি আর রোযা করবেন না। তবে তাঁকে রমাযান ছাড়া পরিপূর্ণভাবে অন্য কোন মাসে রোযা রাখতে দেখিনি এবং শাবান মাসের চেয়ে অন্য কোন মাসে এত বেশি রোযা রাখতে দেখিনি।” [1]

❖ ২) আয়েশা (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন,

« لَمْ يَكُنْ النَّبِيُّ -صلى الله عليه وسلم- يَصُومُ شَهْرًا أَكْثَرَ مِنْ شَعْبَانَ، فَإِنَّهُ كَانَ يَصُومُ شَعْبَانَ كُلَّهُ، وَكَانَ يَقُولُ: خُذُوا مِنْ الْعَمَلِ مَا تُطِيقُونَ فَإِنَّ اللَّهَ لا يَمَلُّ حَتَّى تَمَلُّوا، وَأَحَبُّ الصَّلاةِ إِلَى النَّبِيِّ -صلى الله عليه وسلم- مَا دُووِمَ عَلَيْهِ وَإِنْ قَلَّتْ، وَكَانَ إِذَا صَلَّى صَلاةً دَاوَمَ عَلَيْهَا»

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শাবান মাসের চেয়ে অধিক রোযা আর কোন মাসে রাখতেন না। তিনি (প্রায়) পুরো শাবান মাস রোযা রাখতেন। তিনি বলতেন:

“তোমরা এমন আমল গ্রহণ কর যা তোমাদের সাধ্যের মধ্যে থাকে। কারণ, আল্লাহ তাআলা বিরক্ত হন না যতক্ষণ না তোমরা বিরক্ত হও। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নিকট এমন নামাযই পছন্দনীয় যা নিয়মিতভাবে আদায় করা হয় যদিও তা স্বল্প হয়। তাঁর নিয়ম ছিল, যখন তিনি কোন নামায পড়তেন নিয়মিতভাবে তা পড়তেন। [2]

❖ ৩) উসামা বিন যায়দ (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রসূল, আপনাকে শাবান মাসে যে পরিমাণ রোযা পালন করতে দেখি অন্য মাসে তা দেখি না। এর কারণ কী? তিনি বললেন:
ذاكَ شهرٌ يغفلُ الناسُ عنهُ بينَ رجبَ ورمضانَ وهو شهرٌ يُرفعُ فيهِ الأعمالُ إلى ربِّ العالمينَ فأُحِبُّ أن يُرفعَ عملي وأنا صائمٌ
“রজব এবং রমাযানে মধ্যবর্তী এ মাস (শাবান মাস) সম্পর্কে মানুষ উদাসীন থাকে। অথচ (এটি এত গুরুত্বপূর্ণ মাস যে,) এ মাসে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের দরবারে মানুষের আমল সমূহ উঠিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। আমি চাই, রোযা অবস্থায় আমার আমল উঠানো হোক।” [3]

❖ ৪) কারো যদি রমাযানের রোযা ছুটে যায় তবে সে তা শাবান মাসে কাযা করে নিতে পারে। যেমন: আবু সালামা রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আয়েশা (রা.) কে বলতে শুনেছি,

كَانَ يَكُونُ عَلَيَّ الصَّوْمُ مِنْ رَمَضَانَ ، فَمَا أَسْتَطِيعُ أَنْ أَقْضِيَهُ إِلا فِي شَعْبَانَ
আমার রমাযানের কিছু রোযা বাকি থাকত। সেগুলো আমি শাবান ছাড়া কাযা করতে পারতাম না।[4] অর্থাৎ আয়েশা (রা:) গত রমাযানের ছুটে যাওয়া ফরজ রোযাগুলো শাবান মাসে কাযা করতেন।
---------------------------------------
টিকা:
[1] বুখারি, কিতাবুস্‌ সাওম। মুসলিম, কিতাবুস সিয়াম।
[2] বুখারি, কিতাবুস্‌ সাওম। মুসলিম, কিতাবুস সিয়াম।
[3] মুসনাদ আহমদ ৫ম খণ্ড ২০১ পৃষ্ঠা। সুনান নাসাঈ, কিতাবুস সিয়াম। আলবানী রা. বলেন, এ সনদটি হাসান। দ্র: সিলসিলাতুল আহাদীস আস সাহীহাহ্‌। হাদিস নং ১৮৯৮।
[4] বুখারি, কিতাবুস্‌ সাওম। মুসলিম, কিতাবুস সিয়াম। ইয়াহয়া বলেন: এর কারণ ছিল তিনি রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেবায় ব্যস্ত থাকতেন।
(আল বিদা’ আল হাওলিয়া গ্রন্থ থেকে সংগৃহীত)
মহান আল্লাহ আমাদেরকে শাবান মাসে অধিক পরিমাণে নফল রোযা রাখার তওফিক দান করুন। আমীন।
----------------------------
অনুবাদ ও গ্রন্থনায়:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সৌদি আরব

21/03/2021

এরকম ভিডিও পেতে আমাদের সাথে থাকুন। R 📹 টি শেয়ার করুন।

17/03/2021

সৌদি আরবের নতুন কর্মী আইনে কি আছে?

সৌদি আরবে ১৪ মার্চ থেকে স্পন্সরশিপ নিয়ে নতুন আইন পাস হয়েছে। অনেক রকম অনুমান ভিত্তিক কথা বার্তা প্রবাসীরা ছড়াচ্ছেন। রিয়াদের বাংলাদেশ দূতাবাসের অনুবাদক ও আইনজ্ঞ মামুনূর রশিদ সৌদী সরকারের আরবী প্রজ্ঞাপনটিকে বাংলায় অনুবাদ করেছেন। যাদের জন্যে এই তথ্যগুলি জানা প্রয়োজন তারা এটি পড়লে নিজের অবস্থান যাচাই করে নিতে পারবেন।

"সৌদি আরবের মানব সম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয় তাদের সরকার ঘোষিত National Transformation Programme (NTP) এর অংশ হিসেবে গত ০৪ নভেম্বর ২০২০ শ্রম খাতে সংস্কারের জন্য Labour Reform Initiative (LRI) নামে একটি প্রোগ্রাম ঘোষনা করেছে। সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে এই ইনিশিয়েটিভের লক্ষ্য হল আকর্ষণীয় একটি শ্রম বাজার তৈরি করা এবং মানব সম্পদ ও কর্ম পরিবেশের উন্নয়ন করা।

উক্ত ইনিশিয়েটিভে তিনটি সুবিধার বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে, এগুলো হলোঃ

ক) কোন কর্মী কর্তৃক তার বর্তমান স্পন্সরের সঙ্গে চুক্তি শেষ হলে নতুন কোম্পানি/স্পন্সরের নিকট ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে বর্তমান স্পন্সরের অনুমোদন/ অনুমতির প্রয়োজন না হওয়া।

খ) বর্তমান স্পন্সরের সঙ্গে চুক্তি শেষ হলে এক্সিট ভিসা প্রাপ্তির ক্ষেত্রেও বর্তমান স্পন্সরের অনুমোদন/ অনুমতির প্রয়োজন না হওয়া এবং;

গ) চুক্তি মোতাবেক প্রাপ্য ছুটি ভোগের জন্য কর্মী আবেদন করলে স্পন্সরের অনুমতি ব্যতিরেকেই এক্সিট-রিএন্ট্রি ভিসা প্রাপ্তি।

ভুল ধারনাঃ
এই ব্যবস্থার ফলে স্পন্সর/কফিল হুরুব দিতে পারবেন না এমন তথ্যটি সঠিক নয়। কর্মী কফিলের কাজে নিয়োজিত না থেকে না জানিয়ে অন্যত্র চলে গেলে কফিল নিজের দায় এড়ানোর জন্য হলেও হুরুব দিবে এবং এই অধিকার কফিলের বহাল থাকবে। আগে প্রদত্ত হুরুব দেয়া কর্মীরাও এই ব্যবস্থার ফলে বৈধ হওয়ার কিংবা অন্যত্র ট্রান্সফার হওয়ার কোন সুযোগ পাবেনা। এই ব্যবস্থাটি কোন সাধারণ ক্ষমা নয়। এই ব্যবস্থার ফলে সকল কর্মী সরকারের অধীনে চলে গিয়েছে বা চলে যাবে এমন ধারনার কোন ভিত্তি নেই।

কিভাবে এবং কবে থেকেঃ
এই তিনটি সুবিধাই অনলাইন প্লাটফর্ম আবশির ও কিওয়া এর মাধ্যমে ১৪ মার্চ ২০২১ হতে কার্যকরী হয়েছে। এই সুবিধাসমূহ বাস্তবায়নের জন্য সৌদি কর্তৃপক্ষ অনলাইনে কাজের চুক্তিপত্র আপলোড করা সহ অনলাইনে ওয়েজ প্রটেকশন সিস্টেম কার্যকর করবে।

কারা উপকৃত হবেঃ
এই ব্যবস্থা বর্তমানে শুধুমাত্র প্রাইভেট কোম্পানি/ মুয়াসসাসার (ছোট ছোট জনশক্তি প্রতিষ্ঠান) কর্মীদের জন্য কার্যকর করা হবে। গৃহকর্মে নিযুক্ত বা ব্যক্তিখাতের অধীনে বিভিন্ন পেশায় কর্মরত কর্মীগণ আপাতত এই ব্যবস্থার আওতাভুক্ত হবেননা।

তথা কথিত ফ্রি ভিসার কর্মীদের কি হবেঃ
এই সুবিধাসমূহের দ্বারা বর্তমানে আপাতত: শুধু মাত্র প্রাইভেট কোম্পানি/মুয়াসসাসায় কর্মরত প্রকৃত কর্মীরাই উপকৃত হবে। এতে তথাকথিত ফ্রি ভিসার কর্মীরা কিংবা কফিলের নামে কভার আপ বিজনেসের সাথে জড়িত কোন প্রবাসী উপকৃত হবেননা। কেননা তারা তাদের স্পন্সরের সাথে মৌখিক চুক্তি করে পারষ্পরিক সম্মতির মাধ্যমে তাদের ব্যবসা সংক্রান্ত কার্যক্রম চালিয়ে থাকে। যেহেতু এই রকম কার্যক্রম সৌদি শ্রম আইন অনুযায়ী অনুমোদিত নয় সেই হেতু এরকম ব্যবস্থায় যেকোন সময় যেকোন ক্ষেত্রে স্পন্সররা এই সব কর্মীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারে। মনে রাখবেন, ফ্রি ভিসার কর্মী সব সময়ই কফিলের সাথে গোপন চুক্তিতে কাজ করে, যা সম্পুর্নই কফিলের খেয়াল খুশি মতো হয়ে থাকে।

এই পদ্ধতির দ্বারা কি অর্জন হলোঃ
এই ইনিশিয়েটিভ দ্বারা কাফালা সিস্টেম বিলুপ্ত হয়নি; বরং কিছু ক্ষমতা (স্পন্সরের অনুমতি ব্যতিরেকে ট্রান্সফার, এক্সিট রি-এন্ট্রি ও এক্সিট ভিসা প্রাপ্তি) কর্মীকে প্রদান করা হয়েছে যে অনুমতি এর আগে শুধু স্পন্সরের/কফিলের কাছে নিরঙ্কুশভাবে ছিল। এই সব ক্ষমতা স্পন্সরের নিকট থাকায় স্পন্সরগণ অনেক ক্ষেত্রেই এর সুযোগ নিয়ে কর্মীদের উপর অবিচার করার সুযোগ পেত।

আলোচ্য সংস্কারসমূহ স্পন্সর কর্তৃক প্রবাসী কর্মীদেরকে আর্থিকভাবে শোষণ করার মাত্রা কমাতে এবং সৌদি আরবে বৈধ কর্মে কর্মরত প্রবাসী শ্রমিকদের সহজে ও বৈধভাবে কর্ম পরিবর্তনে সহায়ক হবে মর্মে প্রতীয়মান হয়। তবে এই সুবিধাগুলো ভোগ করতে হলে অবশ্যই কর্মীদের অনলাইন সিস্টেম ব্যবহারের সাথে পরিচিত হতে হবে।

সুবিধাসমূহ পেতে হলে কি করতে হবে? কিভাবে করতে হবেঃ
মনে রাখা দরকার এই তিনটি সুবিধা পেতে হলে কর্মীকে অবিশ্যিই অনলাইন কন্ট্রাক্ট সিস্টেমে নিবন্ধিত হতে হবে। খুরুজ আওদা (এক্সিট- রি এন্ট্রি) কিংবা খুরুজ নিহায়ী (ফাইনাল এক্সিট) ভিসার কর্মী নিজে অন লাইনে আবেদন করতে চাইলে তাকে এর ফি পরিশোধ করতে হবে।

খুরুজ আওদা (এক্সিট- রি এন্ট্রি) ভিসাঃ
প্রদত্ত সুবিধা অনুযায়ী খুরুজ আওদা (এক্সিট- রি এন্ট্রি) ভিসার আবেদন কর্মীকে সৌদিতে থাকা অবস্থায়ই করতে হবে, সৌদির বাইরে থেকে আবেদন করা যাবেনা। আবেদন করতে হবে আবশির ইন্ডিভিজুয়াল প্লাটফর্ম ব্যবহার করে। কর্মী আবেদন করলে আবেদনের একটি মেসেজ কফিলের নিকট যাবে। এই আবেদন প্রসেস হতে দশ দিন সময় লাগবে। কর্মী নিজেও তার আবেদন দশ দিনের মধ্যে প্রত্যাহার করতে পারবেন। এই সুবিধা অনুযায়ী খুরুজ আওদা (এক্সিট- রি এন্ট্রি) ভিসার মেয়াদ হবে মাত্র তিরিশ দিন, এর বেশি নয়। ভিসাটি হবে সিঙ্গেল রি-এন্ট্রি, মাল্টিপল নয়। কর্মী দেশ থেকে আবেদন করে মেয়াদ বৃদ্ধি করতে পারবেন না, তবে কফিল চাইলে ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধি করে দিতে পারবেন। এই সুবিধা অনুযায়ী খুরুজ আওদা (এক্সিট- রি এন্ট্রি) ভিসা নিয়ে দেশে যাওয়ার পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ফিরে না আসলে কাজের উদ্দেশ্যে আর কখনোই সৌদিতে আসা যাবেনা।

খুরুজ নিহায়ী (ফাইনাল এক্সিট:
প্রদত্ত সুবিধা অনুযায়ী খুরুজ নিহায়ী (ফাইনাল এক্সিট) ভিসার আবেদন কর্মীকে আবশির ইন্ডিভিজুয়াল প্লাটফর্ম ব্যবহার করে করতে হবে। কর্মী আবেদন করলে আবেদনের একটি মেসেজ কফিলের নিকট যাবে। এই আবেদন প্রসেস হতে দশ দিন সময় লাগবে। কর্মী নিজেও তার আবেদন দশ দিনের মধ্যে প্রত্যাহার করতে পারবেন। এই সুবিধা অনুযায়ী খুরুজ নিহায়ী (ফাইনাল এক্সিট) ভিসার মেয়াদ হবে মাত্র পনের দিন, এর বেশি নয়। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে (১৫ দিন) কর্মী সৌদি ত্যাগ না করলে তিনি ইকামা ও শ্রম আইন ভঙ্গকারী হিসেবে বিবেচিত হবেন। এই সময়ের মধ্যে কর্মী চাইলে ফাইনাল এক্সিট ভিসা ক্যানসেল করার আবেদন ও করতে পারবেন। চুক্তির মেয়াদ থাকাকালীন চুক্তি শেষ না করেই এই সুবিধা অনুযায়ী খুরুজ নিহায়ী (ফাইনাল এক্সিট) ভিসা নিয়ে দেশে গেলে কাজের উদ্দেশ্যে আর কখনোই সৌদিতে আসা যাবেনা।

অন্যত্র ট্রান্সফারঃ
কর্মীকে অন্যত্র ট্রানফার হতে হলে তলবকারী কোম্পানির সকল লাইসেন্স হালনাগাদ থাকতে হবে, কোম্পানির অবস্থা মিডল গ্রীন কিংবা তার উপরের অবস্থা সম্পন্ন হতে হবে, ওয়েজ প্রটেকশন সিস্টেম মেনে চলতে হবে, ১০০% কর্মীর অনলাইন চুক্তি থাকতে হবে। তেমনি কর্মীও বৈধ হতে হবে, অনলাইনে কন্ট্রাক্টে নিবন্ধিত থাকতে হবে, এবং অন্য কোন কোম্পানি হতে আগের কোন তলব থাকা যাবেনা। এইসব শর্ত পূরণ করা থাকলে যে কোন কোম্পানি অন্য কোম্পানির কর্মীকে ট্রান্সফারের জন্য কিওয়া ওয়েব সাইটের মাধ্যমে চুক্তিপত্রসহ ট্রান্সফারের তলব দিবে। তলব দেয়ার পর কর্মীর নিকট মেসেজ আসবে, তিনি চুক্তিটি দেখে সম্মত হলে ও-কে করে দিবেন। কর্মীর ইকামা এক্সপায়ার হলে পূর্বের কফিলের কোন অনুমতির প্রয়োজন হবেনা, ইকামার এবং কন্ট্রাক্টের মেয়াদ থাকলে পূর্বের কফিল/স্পন্সরের সম্মতির প্রয়োজন হবে।

উপসংহারঃ
ঘোষণা অনুযায়ী এই তিনটি সুবিধা ছাড়া আর কোন সুবিধার কথা বলা হয়নি। কেউ অন্য সুবিধার কথা বলে থাকলে তার দায় সেই ব্যক্তিরই।

কর্মীর ট্রান্সফার হওয়া, এক্সিট রিএন্ট্রি ও ফাইনাল এক্সিট ভিসা পাওয়ার ক্ষমতার অর্থ এই নয় যে কফিলের নিকট হতে এই ক্ষমতা কেড়ে নেয়া হয়েছে। কফিলও ইচ্ছা করলে এই ক্ষমতা এখনো প্রয়োগ করতে পারবেন।

মনে রাখা দরকার এই তিনটি সুবিধা পেতে হলে কর্মীকে অবিশ্যিই অনলাইন কন্ট্রাক্ট সিস্টেমে নিবন্ধিত হতে হবে এবং আবশিরে তা প্রদর্শিত থাকতে হবে। খুরুজ আওদা (এক্সিট- রি এন্ট্রি) কিংবা খুরুজ নিহায়ী (ফাইনাল এক্সিট) ভিসা কর্মী নিজে অন লাইনে আবেদন করে নিতে হলে তাকে এর ফি পরিশোধ করতে হবে। যার অন লাইনে কন্ট্রাক্ট নিবন্ধিত হবেননা কিংবা কফিলের সিস্টেমও যদি অনলাইন ভিত্তিক না হয়, তখন কর্মী বা কফিল কেউই এই সুবিধাগুলি পাবে না। তবে কোম্পানি সমূহ অনলাইনে কন্ট্রাক্ট না করলে কি ধরণের বিধান বা সম্ভাব্য শাস্তি/জরিমানার মুখোমুখি হবে তা এখনো ঘোষণা করা হয়নি।"

NB: ডাঃ আরিফুর রহমান ভাই (রিয়াদ) এর ওয়াল থেকে সংগৃহিত।।

17/03/2021
15/03/2021

الســــــــــــــــــــــــــلام عليكم ورحمة الله

📢📢 *সুখবর ! সুখবর! সুখবর!!*

🌙 *পবিত্র শা'বান মাস সমাগত!*

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলার দয়া ও মেহেরবানীতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ শা'বান মাস আমাদের সামনে সমাগত।

সৌদি আরবে আগামীকাল সোমবার পহেলা শা'বান। এই মাসে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অন্য সকল মাসের থেকে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক নফল সিয়াম পালন করতেন। কারণ এই মাসে মানুষের বার্ষিক আমলনামা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলার কাছে উঠানো হয়।

শা’বান মাস সম্পর্কিত একটি হাদীস-
*আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু তা'আলা আনহা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, “আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম একাধারে (এত অধিক) সিয়াম পালন করতেন যে, আমরা বলাবলি করতাম, তিনি আর সিয়াম পরিত্যাগ করবেন না। (আবার কখনো এত বেশি) সিয়াম পালন না করা অবস্থায় একাধারে কাটাতেন যে, আমরা বলাবলি করতাম, তিনি আর (নফল) সিয়াম পালন করবেন না। আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে রমাদ্বান ব্যতীত কোন পুরো মাসের সিয়াম পালন করতে দেখিনি এবং শা‘বান মাসের চেয়ে কোন মাসে অধিক (নফল) সিয়াম পালন করতে দেখিনি”।*
(বুখারীঃ ১৯৬৯, ৬৪৬৫, মুসলিমঃ ১১৫৬, আবূ দাঊদঃ ২৪৩৪, নাসাঈঃ ২১৭৭)।

এই মাসের শুরু থেকে 25/26 তারিখ পর্যন্ত একাধারে কিংবা মাঝে মধ্যে নফল ছিয়াম রাখা মুস্তাহাব!

সালাফে সালেহীনগণ এই মাসে বেশি বেশি নফল সিয়াম পালন করতেন। তাদের পদাঙ্ক অনুসরণে আমরাও সেই সুন্নতকে আঁকড়ে ধরব এবং পুনরুজ্জীবিত করব।

ইন শা আল্লাহ আগামীকাল থেকে আমরা বেশী বেশী নফল সিয়াম শুরু করব।


আল্লাহ আমাদেরকে তাওফীক দান করুন।

🌱🌹🌱
আপনাদের শুভকামনায়-
এ্যাডমিন প্যানেল,
*আল হারামাইন ইসলামিক একাডেমি অনলাইন*
----------------- 🌿🌿

08/03/2021

আল্লাহ্ তায়ালা হুজুর কে জান্নাতের ইচ্চ মাকাম দান করেন।

Address

Abha

Telephone

+966554101172

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md abdullah al mamun posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Md abdullah al mamun:

Share