19/04/2025
নেছার আহমেদ তপাদার ভাই কারো কবরে কেউ যাবে না।আমি যতটুকু জেনেছি মনির চৌধুরী শাহাবুদ্দিন ভূইয়ার নেতৃত্বে মুস'আব বিন উমাইয়ের মসজিদ এবং মাদ্রাসা কমপ্লেক্স এবং ইসলামিক একাডেমীর জন্য অনেক কাজ করেছে। শাহাবুদ্দিন ভূইয়ার সাথে মনির চৌধুরীর খুব ভালো সম্পর্ক ছিল এবং আছে। হয়তো সাময়িক সাহাব উদ্দিন ভূঁইয়া এবং মনির চৌধুরী উভয়ের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির কারণে তারা দুজনই তর্কের খাতিরে তর্কে লিপ্ত হয়েছে। তর্ক এক জিনিস ব্যস্তবতা আরেক জিনিস। ইতিহাস কি বলে,এক সময় শাহাবুদ্দিন ভূইয়া এবং মনির চৌধুরী মিলে যাবে এবং একসাথে বিরানি খাবে। শত্রু শত্রু একসময় মিলে যায়। আর বন্ধু বন্ধু শত্রু হয়ে যায়। আমি মনির চৌধুরী কে অনেক বুঝিয়ে নিভৃত করেছি।মনির চৌধুরী একজন উদারপন্থী লোক। মনির হোসেন চৌধুরীর কাছে যখন যে সাহায্য সহযোগিতা চেয়েছে। তার জন্য সাধ্য অনুযায়ী সাহায্য সহযোগিতা করার চেষ্টা করছেন। আমাদের একজন বাংলাদেশী ভাই সৌদি আরবে বড় ধরনের বিপদে সম্মুখীন হয়েছে। এই মনির চৌধুরী মানুষের কাছ থেকে ১৬০৫০ রিয়াল মানুষের কাছ থেকে কালেকশন করে দিয়েছে। আল্লাহু আকবার। মনির হোসেন চৌধুরী আপনাদের কে বোঝাতে চেয়েছেন, মুষ্টিমেয় কিছু সংখ্যক দ্বীনি ভাইদের ভুল ত্রুটির কারণে বেদাতিরা আহলে খবিশ ডাকে। শাহাবুদ্দিন ভূইয়া কখনও মনির চৌধুরীর কাছে দাওয়াহ সেন্টারের বিষয়ে সাহায্য সহযোগিতা চান নাই, দিবে কিভাবে। তা ছাড়া মনির হোসেন চৌধুরী নিজেও নিজ এলাকায় মসজিদ,মাদ্রাসা, দাওয়াহ সেন্টার নিয়ে রাতদিন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। উনি একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী, সমাজসেবক। মনির হোসেন চৌধুরী প্রকাশ্যে-অপ্রকাশ্যে যার জন্য যতটুকু সাহায্য সহযোগিতা করা প্রয়োজন তার অবস্থান থেকে তিনি করে যাচ্ছেন। মনির হোসেন চৌধুরী সততা, ন্যায় পরায়নতা, নিষ্ঠা, আমানতদারিতা, দক্ষতা, যোগ্যতা কি জিনিস, সেই বীজ মানুষের অন্তরে বপন করতে সক্ষম হয়েছেন। আমাদের সবাই কে আল্লাহ কে যথাযথ ভয় করে চলা উচিত।